প্রধানমন্ত্রীকে বরণে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রস্তুত খুলনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা সফর করবেন।

গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, মাঝপথে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাস

বিক্ষোভকারীরা গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানায় হামলার চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে। এ সময় থানার ভেতরে ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার চেষ্টা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নি...

গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, মাঝপথে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাস
গাজীপুরে এনসিপির গায়েবানা জানাজায় বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় শ্রমিক আন্দোলনে নিহত পোশাকশ্রমিক তৌফিক মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত গায়েবানা জানাজা পণ্ড করে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

গাজীপুরে এনসিপির গায়েবানা জানাজায় বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ
দেশে হাম উপসর্গে ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪০২

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আরো ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হামের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৬৯ জনে। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম...

দেশে হাম উপসর্গে ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪০২
শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান ও সাংবাদিক রাজীব ঘোষ আটক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তৎকালীন তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক করা হয়েছে।

শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান ও সাংবাদিক রাজীব ঘোষ আটক
আজ জাতীয় সংবিধান দিবস, যে আদর্শের কথা আছে প্রস্তাবনায়

আজ ৪ নভেম্বর, বাংলাদেশ সংবিধান দিবস। ১৯৭২ সালের এই দিনে গণপরিষদে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।

আজ জাতীয় সংবিধান দিবস, যে আদর্শের কথা আছে প্রস্তাবনায়
আমেরিকানরা বিরক্ত হলে ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হব: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও ভোটাররা যদি তার ওপর বিরক্তি হয়ে ওঠেন, তাহলে তিনি ইসরায়েলে চলে যাবেন ও সে দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন- এমন মন্তব্য করে রসিকতা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আমেরিকানরা বিরক্ত হলে ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হব: ট্রাম্প

সারা দেশ

View more
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার

সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।

Video news

Rss feed news

কারও সঙ্গে যুদ্ধ নয়, নিজেদের ঐতিহ্য নিয়েই এগোতে হবে: মাহিন খান
কারও সঙ্গে যুদ্ধ নয়, নিজেদের ঐতিহ্য নিয়েই এগোতে হবে: মাহিন খান

<p>বাংলাদেশের ফ্যাশন এখন শুধু দেশের বাজারে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের কাজ তুলে ধরছেন দেশের ডিজাইনাররা। দেশীয় ফ্যাশনশিল্পের পরিবর্তন, বড় বিনিয়োগের প্রভাব, তাঁত ও কারুশিল্পের ভবিষ্যৎ এবং জামদানি নিয়ে ডিজাইনার<strong> মাহীন খানের </strong>সঙ্গে<strong> </strong>কথা বলেছেন <strong>হুমায়রা মেহজাবীন</strong></p><p><strong>বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিকে এখন কোথায় দেখেন</strong></p><p>বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি অনেকখানি উন্নত হয়েছে। নতুন মানুষ নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করছেন। তবে একটি বড় সমস্যা এখনো রয়েছে—পুঁজি। ব্যবসা শুরু করা এবং দীর্ঘ সময় চালিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা বিশেষ করে ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।</p><p>করোনার সময় ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির সবাই বড় ধাক্কা খেয়েছিল। অনেকের দোকান বন্ধ হয়ে গেছে, অনেকে ভাড়া দিতে পারেননি বা কাজ বন্ধ করতে হয়েছে। পরে অনলাইনে নতুনভাবে কাজ শুরু হয়। ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নতুন উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের ফ্যাশনকে আবার মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। এখন অনেকেই সুন্দর কাজ করছেন।</p><div><div><p><strong>বড় বিনিয়োগ দেশীয় ফ্যাশনে কী প্রভাব ফেলছে?</strong></p></div><div><p>বড় পোশাক কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান এখন দেশীয় খুচরা বাজারে বড় বিনিয়োগ করছে। বড় পরিসরে দোকান ও বাজার তৈরি হচ্ছে। তবে এর মধ্যে আমাদের কিছু দেশীয় কারুশিল্প আঘাত পাচ্ছে। তাঁত, নকশিকাঁথা ও হাতের তৈরি কাজ ছোট উদ্যোক্তারা দীর্ঘদিন ধরে রেখেছেন। তাঁরা গবেষণা করে দেশীয় কারুশিল্পকে নতুনভাবে কাজে লাগান। কিন্তু বড় বাজারে দ্রুত উৎপাদনের প্রয়োজন হয়। মেশিন ও ডিজিটাল সূচিশিল্পের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন সম্ভব। এটি মূলত দ্রুতগতির ফ্যাশনের বাজার। তাই ছোট পরিসরে গবেষণামূলক ও হাতে তৈরি কাজকে টিকিয়ে রাখা জরুরি। </p></div></div><p><strong>দেশীয় কারুশিল্পকে এগিয়ে নিতে তাহলে কী প্রয়োজন</strong></p><p>শুধু ভালো নকশা থাকলেই হবে না। উৎপাদন, মান, নকশা ও বিপণন—সবকিছুর সমন্বয় প্রয়োজন। উৎপাদন কোথায় হবে, কারা তৈরি করবেন, তাঁদের প্রশিক্ষণ কেমন হবে—প্রতিটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামের মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অনেক নারী নিজের বাড়িতে বসেই কাজ করতে পারেন। এ ধরনের আরও উদ্যোগ হলে গ্রামীণ কর্মসংস্থান বাড়বে, পাশাপাশি আমাদের কারুশিল্পও শক্তিশালী হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/gfgssqf4/KBRH3723.JPG"><figcaption>ডিজাইনার মাহিন খান</figcaption></figure><div><div><p><strong>জামদানি ও দেশীয় ঐতিহ্য নিয়ে নানা ধরনের দাবির কথা শোনা যায়</strong></p></div><div><p>জিআই বা ভৌগোলিক পরিচয়ের বিষয়টি বুঝতে হবে। একটি শিল্পের সঙ্গে তার ভৌগোলিক পরিচয়ের সম্পর্ক রয়েছে। রাজস্থান, কাঞ্জিপুরাম বা কাশ্মীর—প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব ঐতিহ্য আছে। আমাদেরও রয়েছে। আমাদের ঐতিহ্য নিয়ে অনেক সময় টানাটানি হয়। যেমন জামদানি। এটি শুধু একটি কাপড় নয়, আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। তাই নিজের ঐতিহ্যকে রক্ষা ও সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে।</p></div></div><div><div><p><strong>আপনি নিজেও তো পুরোনো কাঁথার নকশা নিয়ে কাজ করছেন</strong></p></div><div><p>পুরোনো বাংলার কাঁথার মধ্যে আমাদের ইতিহাস রয়েছে। উনিশ ও বিশ শতকের পুরোনো কয়েকটি কাঁথার নকশা নিয়ে আমি কাজ করেছি, সেগুলোকে নতুনভাবে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছি। খুলনা, ফরিদপুর, যশোর ও কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলের কারুশিল্পের নিজস্ব পরিচয় রয়েছে। এই ইতিহাস ও ঐতিহ্য আমাদের নিজেদেরই জানতে হবে।</p></div></div><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/h7xbiil0ed">রাতে কলা খেলে কি ভালো ঘুম হয়, ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে?</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/d9973tde/KBRH3701.JPG"><figcaption>ফ্যাশনে ঐতিহ্য ও নিজস্বতাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন মাহিন খান</figcaption></figure><p><strong>বাঙালির পোশাকের নিজস্বতাকে কীভাবে দেখেন?</strong></p><p>পোশাক ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। বিশ্ব এখন অনেক কাছাকাছি এসেছে। বিভিন্ন অঞ্চলের ফ্যাশন ও রুচির মধ্যে মিশ্রণ তৈরি হচ্ছে। তবে একটি ভালো আর অন্যটি খারাপ—এভাবে দেখি না। কিন্তু নিজের ঐতিহ্য ও নিজস্বতাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। আমরা বাঙালি, আমাদের রুচির একটি নিজস্বতা আছে। সুতি কাপড়, হালকা রং ও আরামদায়ক পোশাক আমাদের জীবনযাপন ও আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে যায়। </p><div><div><p><strong>বাংলাদেশের ফ্যাশনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?</strong></p></div><div><p>শুধু অন্য দেশের পণ্য বন্ধ করলেই হবে না। আমাদের নিজেদের পণ্যকে এমন ভালো করতে হবে, যাতে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই তার মূল্য বুঝতে পারে। ঐতিহ্যের সঙ্গে আপস না করে তাকে আধুনিক জীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে পারলেই বাংলাদেশের ফ্যাশন আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে। আমাদের কারও সঙ্গে যুদ্ধ করার প্রয়োজন নেই। আমাদের যা আছে, সেটিকেই আরও সুন্দরভাবে উন্নত করতে হবে। ভালো নকশা, উৎপাদন, মান ও সঠিক বিপণনের সমন্বয় দরকার।</p></div></div><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/jyt6dxx9qw">অনলাইনে সৌন্দর্য বিষয়ক সবকিছু অন্ধভাবে অনুসরণ করা ঠিক নয়: কানিজ আলমাস খান</a></aside>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
হল্টারনেক স্টেটমেন্ট ব্লাউজে দেওয়ালি লুকে আলিয়া
হল্টারনেক স্টেটমেন্ট ব্লাউজে দেওয়ালি লুকে আলিয়া

<p>যেকোনো উৎসবে নিজের লুক দিয়ে ভক্তদের তাক লাগান বলিউড সুইটহার্ট আলিয়া ভাট। দুর্গাপূজার শাড়ির লুকের পর আবারও নজর কাড়লেন দেওয়ালির লুকে। এবারও উৎসবের লুকে চেনা ছকের বাইরে গিয়ে ফ্যাশনপ্রেমীদের মনোযোগ কেড়েছেন এই অভিনেত্রী। নতুন লুকের সবটুকু আলো কেড়ে নিয়েছে তার স্টেটমেন্ট ধাতব ব্যাকলেস হল্টারনেক ব্লাউজ। সঙ্গে বেছে নিয়েছেন হ্যান্ডলুম শাড়ি। খোলা চুল, মিনিমাল মেকআপ আর ছোট্ট নীল টিপে তাঁর সাজে ফুটে উঠেছে আভিজাত্য ও নিজস্ব স্টাইলের ছাপ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/uwfiunas/aliaabhatt17937158464022301447800727576259925762.jpg"><figcaption>আলিয়া ভাট মেটালিক হল্টার-নেক ব্লাউজটির সাথে একটি ট্র্যাডিশনাল টিন্ট বা সি-গ্রিন শেডের বর্ডারযুক্ত ধূসর-সবুজ রঙের ক্লাসিক শাড়ি পরেছেন। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/safklmog/aliaabhatt17937158464022301463260906905259925762.jpg"><figcaption>এই লুকের সবটুকু আলো কেড়ে নিয়েছে তার মেটালিক স্টেটমেন্ট ব্যাকলেস হল্টারনেক ব্লাউজ।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/aslvgvrl/aliaabhatt17937158464022301435452628928259925762.jpg"><figcaption>ব্লাউজের কারুকাজের সঙ্গে মিলিয়ে গয়না বেছে নিয়েছেন আলিয়া। হাত খালি রেখে, কানে পরেছেন ফিরোজা পাথরের দুল।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/5kc6mopi/aliaabhatt17937158464022301453437890195259925762.jpg"><figcaption>মেকআপ মিনিমাল রেখেছেন এই লুকে। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/glzfo0ad/aliaabhatt17937158464022301468755240242259925762.jpg"><figcaption>কাজল আর টিপে ছড়াচ্ছেন মুগ্ধতা</figcaption></figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
প্রতিদিন চুমু খেতে হবে—সিনেমায় অদ্ভুত শর্ত
প্রতিদিন চুমু খেতে হবে—সিনেমায় অদ্ভুত শর্ত

<p>প্রতিদিন অন্তত একবার চুমু খেতেই হবে। তা না হলে পরের দিন আর আসবে না। এমন অদ্ভুত শর্ত নিয়ে তৈরি হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন রোমান্টিক কমেডি সিনেমা ‘কিস ফর টুমরো’। ছবিতে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করবেন সন সুক-কু ও পার্ক বো-ইয়ং।</p><p>সোমবার ছবিটির পরিবেশক নেক্সট এন্টারটেইনমেন্ট ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, পরিচালক কাং হিয়ং-চলের ছবিটির শুটিং শুরু হয়েছে গত শনিবার।</p><p>ছবিটির গল্পে দেখা যাবে, প্রতিদিন অন্তত একবার চুমু না খেলে পরের দিনে যেতে পারে না এক দম্পতি। একবার ছুটি কাটাতে ক্রুজ জাহাজে গিয়ে দুজন আলাদা হয়ে যান।</p><p> এরপর একে অপরকে খুঁজে বের করার চেষ্টা শুরু করেন তাঁরা। এভাবেই গল্পে যুক্ত হয় টাইম লুপ বা সময়ের চক্রে আটকে যাওয়ার ঘটনা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/song/vb746eir5w">মাঠেই চুমু, একসঙ্গে খেলা দেখলেন কেটি পেরি–ট্রুডো</a></aside><p>সন সুক-কুকে সর্বশেষ ২০২৪ সালে ‘ট্রল ফ্যাক্টরি’ ছবিতে দেখা গেছে। এ ছাড়া ২০২৫ সালে ডিজনি প্লাসের সিরিজ ‘নাইন পাজলস’-এ অভিনয় করেন তিনি। অন্যদিকে পার্ক বো-ইয়ংকে সর্বশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে ২০২৩ সালের ‘কংক্রিট ইউটোপিয়া’ ছবিতে। </p><p>২০২৫ সালে টিভিএনের সিরিজ ‘আওয়ার আনরিটেন সিউল’-এ অভিনয় করেছেন তিনি। ‘কিস ফর টুমরো’ তাঁদের একসঙ্গে প্রথম কাজ।</p><p>তবে পরিচালক কাং হিয়ং-চলের সঙ্গে পার্ক বো-ইয়ংয়ের আগেও কাজের অভিজ্ঞতা আছে। ২০০৮ সালে পরিচালকের ‘স্ক্যান্ডাল মেকার্স’ ছবিতে অভিনয় করে পরিচিতি পান পার্ক। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৮ বছর। ১৮ বছর পর আবারও একসঙ্গে কাজ করছেন তাঁরা।</p><p>কাং হিয়ং-চল এর আগে ‘সানি’ (২০১১), ‘তাজা: দ্য হিডেন কার্ড’ (২০১৪), ‘সুইং কিডস’ (২০১৮) ও ‘হাই-ফাইভ’ (২০২৫) পরিচালনা করেছেন। ‘কিস ফর টুমরো’ তাঁর পরিচালিত প্রথম রোমান্টিক ছবি।</p><p>ছবিটির শুটিং হবে দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডে। তবে মুক্তির তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।</p><p><sup>কোরিয়া হেরাল্ড টুডে</sup></p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
কোয়ান্টাম জগৎ:  মহাবিশ্ব কীসের তৈরি, কণা নাকি তরঙ্গ
কোয়ান্টাম জগৎ: মহাবিশ্ব কীসের তৈরি, কণা নাকি তরঙ্গ

<a href="https://www.bigganchinta.com/physics/acelgly87r" target="_blank" rel=""><span>আগের পর্ব</span></a><p>চিরায়ত কণারা প্রকৃতির নিয়ম মেনেই আমাদের চেনা কণার মতো আচরণ করে। ব্যাপারটা বোঝার জন্য সমুদ্রসৈকত থেকে কিছু চিরায়ত কণা হাতে তুলে নেওয়ার কথা ভাবো। অবশ্য এখানে সেই ‘কণা’ বলতে আসলে বালুকণাই বোঝাচ্ছি। এবার একটি কাঠের পাটাতনে পাশাপাশি দুটি সরু ছিদ্র কেটে নাও। সেই দুটি ছিদ্রের ওপর দিয়ে বালুকণাগুলো ছিটিয়ে দাও। প্রতিটি বালুকণা দুটি ছিদ্রেরযেকোনো একটির মধ্য দিয়ে যাবে। তারপর ছিদ্রদুটির নিচে তৈরি হবে বালুর দুটি আলাদা স্তূপ। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।</p><p>কিন্তু এবার যদি বালুর বদলে দুটি ছিদ্রের দিকে ইলেকট্রনের মতো খুদে কোয়ান্টাম কণা ছিটিয়ে দিই, তাহলে কী হবে? তখন কিন্তু বালুর মতো দুটি স্তূপ তৈরি হবে না। তার বদলে চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞানের প্রায় সব ধারণার বিপরীত এবং আমাদের সাধারণ কাণ্ডজ্ঞান বিরোধী এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটবে। দুটি ফাঁক দিয়ে ইলেকট্রন যাওয়ার পর পর্দায় তৈরি হবে ব্যতিচার বা ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্ন। সেখানে একের পর এক উজ্জ্বল ও অনুজ্জ্বল দাগ বা ফ্রিঞ্জ দেখা যাবে।</p><p>বালুর ক্ষেত্রে যেখানে দুটি ছিদ্রের নিচে কণাগুলো বেশি জমা হওয়ার কথা, ইলেকট্রনের ক্ষেত্রে ঘটে ঠিক তার উল্টো ঘটনা। একটি ইলেকট্রন ছিদ্র দিয়ে বেরিয়ে আসার পর দুটি ছিদ্রের ঠিক মাঝামাঝি জায়গায় তা সবচেয়ে বেশি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমন নকশা তৈরি করতে হলে ইলেকট্রনগুলোকে অবশ্যই কণার বদলে তরঙ্গের মতো আচরণ করতে হবে। আর সেই তরঙ্গগুলোর নিজেদের মধ্যে ব্যতিচার ঘটাতে হবে। এখানেই আসে আরও অবাক করা ব্যাপার।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/qfw27qjg4u">কোয়ান্টাম বলবিদ্যার অদ্ভুত জগৎ</a></aside><blockquote>দুটি ফাঁক দিয়ে ইলেকট্রন যাওয়ার পর পর্দায় তৈরি হবে ব্যতিচার বা ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্ন। সেখানে একের পর এক উজ্জ্বল ও অনুজ্জ্বল দাগ বা ফ্রিঞ্জ দেখা যাবে।</blockquote><p>একই পরীক্ষা আবারও করা যাক। তবে এবার একসঙ্গে অনেক ইলেকট্রন না ছুড়ে, একবারে মাত্র একটি করে ইলেকট্রন দুটি ছিদ্রের দিকে পাঠানো হলো। প্রতিটি ইলেকট্রন কোথায় গিয়ে পৌঁছায়, সেটাও মেপে রাখো। প্রথমে হয়তো পর্দায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কিছু বিন্দু দেখা যাবে। কিন্তু একের পর এক ইলেকট্রন পাঠাতে থাকলে, শেষ পর্যন্ত ঠিক আগের মতোই সেই একই ব্যতিচার নকশা ফুটে উঠবে। এর মানে কী?</p><p>এ ঘটনার একমাত্র ব্যাখ্যা হলো, প্রতিটি ইলেকট্রন নিজের সঙ্গেই ব্যতিচার ঘটিয়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি ইলেকট্রনকে একই সময়ে দুটি ছিদ্র দিয়েই বেরিয়ে গেছে! এই পরীক্ষাকে বলা হয় দ্বিচির পরীক্ষা বা ডাবল-স্লিট এক্সপেরিমেন্ট। আর এর মাধ্যমে নিঃসন্দেহে প্রমাণ করা সম্ভব যে কোয়ান্টাম কণারা কখনো কখনো তরঙ্গের মতোও আচরণ করতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/xjg0yhl7/12.jpg"><figcaption>ছবি ১২: ইলেকট্রনের দ্বিচির পরীক্ষা বা ডাবল স্লিট এক্সপেরিমেন্ট। ইলেকট্রন দুটি সরু ছিদ্র পেরিয়ে পর্দায় তৈরি করছে আলোর উজ্জ্বল ডোরা। কোয়ান্টাম জগতে কণা কখনো কণার মতো, কখনো তরঙ্গের মতো আচরণ করে। এই দ্বৈত স্বভাবই পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে বিস্ময়কর রহস্যগুলোর একটি</figcaption></figure><p>একসময় মনে করা হতো, আলো শুধু একটি তরঙ্গ। কারণ আলো কোনো কোণের চারপাশ দিয়ে বেঁকে যেতে পারে (অপবর্তন) এবং অন্য আলোকরশ্মির সঙ্গে ব্যতিচার ঘটাতে পারে। কিন্তু ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক এবং আইনস্টাইনের গবেষণা থেকে আমরা এখন জানি, আলো আসলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট দিয়ে তৈরি। এই প্যাকেটগুলোকেই বলা হয় কোয়ান্টা। আলোর এই কোয়ান্টাগুলোর নামই ফোটন।</p><p>ফোটন এমন এক ধরনের কোয়ান্টাম কণা, যা একই সঙ্গে কণা এবং তরঙ্গ—দুইয়ের মতোই আচরণ করতে পারে। আলোর কণা-ধর্ম আবিষ্কার করেছিলেন মেধাবী বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯০৫ সালে আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া বা ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট নিয়ে ভাবতে গিয়ে এই ধারণায় পৌঁছান। সরাসরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর ক্ষেত্রে আইনস্টাইন খুব একটা দক্ষ ছিলেন না। কিন্তু পরীক্ষার ফলাফল ব্যাখ্যা করার জন্য তাত্ত্বিক মডেল দাঁড় করাতে তিনি ছিলেন অসাধারণ প্রতিভাবান।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/tb94bwacdh">কোয়ান্টাম জগৎ কি আসলেই অদৃশ্য</a></aside><blockquote>ফোটন এমন এক ধরনের কোয়ান্টাম কণা, যা একই সঙ্গে কণা এবং তরঙ্গ—দুইয়ের মতোই আচরণ করতে পারে। আলোর কণা-ধর্ম আবিষ্কার করেছিলেন মেধাবী বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন।</blockquote><p>আলোক-তড়িৎ ক্রিয়ার ক্ষেত্রেও তিনি সেই পরীক্ষিত কৌশলই কাজে লাগালেন। ১৮৮৭ সালে জার্মান পদার্থবিদ হাইনরিখ হার্টজ প্রথম যে পরীক্ষাটি করেছিলেন, তার ফলাফল ব্যাখ্যা করতেই আইনস্টাইন এই সুপরীক্ষিত কৌশল প্রয়োগ করেন। আলোক-তড়িৎ ক্রিয়ায় দেখা যায়, কোনো ধাতুর ওপর আলো ফেললে ধাতুটি ইলেকট্রন নির্গত করে। কিন্তু আলো যদি চিরায়ত বিদ্যুৎচুম্বকত্বের ধারণা অনুযায়ী কোনো অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গ হতো, তাহলে ঘটনাটি ঘটার কথা অন্যভাবে। সে ক্ষেত্রে আলো ধাতুর ইলেকট্রনগুলোর কাছে ধীরে ধীরে শক্তি জোগাত। কিছু সময় পর ইলেকট্রনগুলো পর্যাপ্ত শক্তি অর্জন করলে ধাতুর পৃষ্ঠ থেকে বেরিয়ে আসতে পারত। এমনকি আলোর তরঙ্গের শক্তি যদি খুব কমও হতো (যা এর কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক), তবুও দীর্ঘদিন বা যথেষ্ট সময় ধরে আলো ফেললে সেখান থেকে ইলেকট্রন নির্গত হওয়া উচিত ছিল।</p><p>চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে আরও একটি বিষয় প্রত্যাশিত ছিল। সেটা হলো, আলোর তীব্রতা বাড়ালে, অর্থাৎ প্রতি একক ক্ষেত্রফলে আলোর মাধ্যমে সরবরাহ করা শক্তি বাড়ালে, নির্গত ইলেকট্রনগুলোর গতিশক্তিও বাড়ার কথা। ফলে বেশি তীব্র আলো ফেললে ইলেকট্রনগুলো ধাতুর পৃষ্ঠ থেকে আরও বেশি গতিতে বেরিয়ে আসবে—এটাই ছিল চিরায়ত ধারণা।</p><p>কিন্তু আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া নিয়ে পরীক্ষা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা যা দেখলেন, তা ছিল একেবারেই ভিন্ন। আলো থেকে পর্যাপ্ত শক্তি পাওয়ার জন্য ইলেকট্রনগুলোকে অপেক্ষা করতে হয়নি। আলোতে যথেষ্ট শক্তি বা কম্পাঙ্ক থাকলেই ইলেকট্রন সঙ্গে সঙ্গে ধাতু থেকে বেরিয়ে আসত।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/4dm0codddv">কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি কেন প্রয়োজন</a></aside><blockquote>১৮৮৭ সালে জার্মান পদার্থবিদ হাইনরিখ হার্টজ প্রথম যে পরীক্ষাটি করেছিলেন, তার ফলাফল ব্যাখ্যা করতেই আইনস্টাইন এই সুপরীক্ষিত কৌশল প্রয়োগ করেন।</blockquote><p>আরও একটি অদ্ভুত ব্যাপার দেখা গেল। একটি নির্দিষ্ট ধাতু থেকে ইলেকট্রন বের করে আনার জন্য আলোর একটি ন্যূনতম শক্তি সীমা বা থ্রেশহোল্ড ছিল। সেই সীমার নিচে আলো যতক্ষণই কোনো নির্দিষ্ট ধাতুর ওপর ফেলা হোক না কেন, কোনো ইলেকট্রন বের হবে না। ইলেকট্রনগুলো যেন জেদ করে একগুঁয়ের মতো ধাতুর গায়ে আটকে থাকবে! শুধু তা-ই নয়, আলোর তীব্রতা বাড়ালেও বেরিয়ে আসা ইলেকট্রনগুলোর গতিশক্তি বাড়ল না। বরং বেড়ে গেল নির্গত ইলেকট্রনের সংখ্যা।</p><p>আইনস্টাইনের অসাধারণ কৃতিত্ব ছিল, তিনি বুঝতে পারলেন—এই আলোক-তড়িৎ ক্রিয়ার ফলাফলগুলো আসলে দেখাচ্ছে যে আলো শুধু তরঙ্গ নয়। আলো ধাতুর ওপর আসছে একেকটি আলাদা শক্তির প্যাকেট বা ফোটন হিসেবে। প্রতিটি ফোটনের শক্তি আলোর কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক। একটি ফোটনের শক্তি যথেষ্ট হলে সেটি ধাতু শোষণ করে নেবে এবং একটি ইলেকট্রনকে সঙ্গে সঙ্গে বাইরে বের করে দেবে। সেই ইলেকট্রনের শক্তিও হবে আলোর কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক। অন্যদিকে, আলোর তীব্রতা বাড়ালে প্রতি সেকেন্ডে ধাতুর ওপর এসে পড়া ফোটনের সংখ্যা বেড়ে যাবে। ফলে সেই সঙ্গে বেড়ে যাবে ধাতু থেকে বেরিয়ে আসা ইলেকট্রনের সংখ্যাও। তবে প্রতিটি ইলেকট্রনের গতিশক্তি থাকবে একই।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/4wmywedo44">কোয়ান্টাম কণাদের পথ পাড়ি দিতে কি সময় লাগে না</a></aside><blockquote>একটি ফোটনের শক্তি যথেষ্ট হলে সেটি ধাতু শোষণ করে নেবে এবং একটি ইলেকট্রনকে সঙ্গে সঙ্গে বাইরে বের করে দেবে। সেই ইলেকট্রনের শক্তিও হবে আলোর কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক।</blockquote><p>আলোর প্রকৃতি নিয়ে কয়েক শতাব্দীর পুরোনো ধারণাই যেন এক ধাক্কায় বদলে দেন আইনস্টাইন। তিনি দেখালেন, আলো শুধু তরঙ্গ নয়, বরং এটি আসলে কণার স্রোতও বটে। একই বছর, ১৯০৫ সালে, আইনস্টাইন আরও বেশ কিছু অসাধারণ কাজ করেন। পানিতে ভাসতে থাকা পরাগরেণুর ব্রাউনিয়ান গতি ব্যাখ্যা করে পরমাণুর অস্তিত্বের পক্ষে প্রমাণ দেন তিনি। এছাড়া প্রস্তাব করেন বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব বা থিওরি অব রিলেটিভিটি। এই তত্ত্বে দেখানো হয় যে আলোর বেগ একটি ধ্রুবক—c। কোনো পর্যবেক্ষক যত দ্রুতই চলুক না কেন, তার কাছে আলোর বেগ সবসময় একই থাকবে। একই সঙ্গে তিনি ভর ও শক্তির সমতুল্যতার বিখ্যাত সমীকরণও খুঁজে পান। সেটিই পদার্থবিজ্ঞানের বিখ্যাত সমীকরণ E = mc<sup>2</sup>। তাই ১৯০৫ সাল আইনস্টাইনের মিরাকল ইয়ার বা অলৌকিক বছর নামে পরিচিতি পায়। বার্ন শহরের এক পেটেন্ট অফিসের সামান্য একজন কেরানির জন্য বছরটা মন্দ ছিল না! এর কিছুদিন আগেই পদোন্নতির আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হন তিনি।</p><p>কোয়ান্টাম কণার তরঙ্গ-কণা দ্বৈততার আবিষ্কারের আরেকটি মজার উদাহরণ পাওয়া যায় ইলেকট্রনের ক্ষেত্রে। ১৮৯৭ সালে ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন ব্রিটিশ পদার্থবিদ জে. জে. টমসন। ক্যাথোড রশ্মি হলো ঋণাত্মক চার্জযুক্ত একটি ইলেকট্রোড বা ক্যাথোড থেকে বেরিয়ে আসা ইলেকট্রনের স্রোত।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/ss975jwam6">কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় সবকিছুই কি অনিশ্চিত</a></aside><blockquote>১৯০৫ সাল আইনস্টাইনের মিরাকল ইয়ার বা অলৌকিক বছর নামে পরিচিতি পায়। বার্ন শহরের এক পেটেন্ট অফিসের সামান্য একজন কেরানির জন্য বছরটা মন্দ ছিল না!</blockquote><p>সে সময়ে ক্যাথোড-রে টিউব নিত্যনতুন উদ্ভাবিত হচ্ছিল। নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চলছিল ওই যন্ত্রটা নিয়ে। বলা যায়, সে যুগে বিজ্ঞানীদের ফ্যাশনের পরিণত হয়েছিল ক্যাথোড রে টিউব। ঘটনাটি ঘটেছিল মোটামুটি সেই সময়েই। এই টিউবে একটি ক্যাথোড থেকে ইলেকট্রনের স্রোত বের করে বায়ুশূন্য কাচের নলের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়। শেষ পর্যন্ত সেই ইলেকট্রন একটি ফস্ফরেসেন্ট পর্দায় ছুড়ে মারা হতো। সেটা সেখানে ছবি তৈরি করত।</p><p>তখনও কেউ জানত না, ক্যাথোড রশ্মি আসলে কী দিয়ে তৈরি। পদার্থবিদ টমসন দেখলেন, বাতাসের গ্যাস অণুর মধ্য দিয়ে ক্যাথোড রশ্মি যতটা দূর যাওয়ার কথা, তার চেয়ে অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। এত ছোট কণার ক্ষেত্রে এমনটা হওয়ার কথা নয়। এই অপ্রত্যাশিত ফল থেকেই তিনি আবিষ্কার করে ফেললেন পরমাণুর প্রথম উপ-পরমাণবিক কণা (ভুলভাবে অনেকে একে বলেন অতিপারমাণবিক কণা)।</p><p>টমসন দেখলেন, ক্যাথোড রশ্মিতে প্রবাহিত বিদ্যুৎ আসলে চার্জযুক্ত কণার একটি স্রোত। সেই কণাগুলো পরমাণুর চেয়ে এক হাজার ভাগেরও বেশি ছোট। টমসন এই ঋণাত্মক আধানযুক্ত উপ-পরমাণবিক কণাগুলোর নাম দেন করপাসল। কয়েক বছর পরে এই কণাগুলোই ইলেকট্রন নামে পরিচিত হয়। ইলেকট্রন যে আসলে এক ধরনের কণা—এটি আবিষ্কারের জন্য ১৯০৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান জে. জে. টমসন।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/rrs02oirc9">কোয়ান্টাম মেকানিকস কেউ বোঝে না, বিজ্ঞানীরাও নয়!</a></aside><blockquote>পদার্থবিদ টমসন দেখলেন, বাতাসের গ্যাস অণুর মধ্য দিয়ে ক্যাথোড রশ্মি যতটা দূর যাওয়ার কথা, তার চেয়ে অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। এত ছোট কণার ক্ষেত্রে এমনটা হওয়ার কথা নয়।</blockquote><p>বিষয়টির মধ্যে এক অদ্ভুত পরিহাস রয়েছে! কারণ ১৯৩৭ সালে টমসনের ছেলে জর্জ পেজেট টমসন পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর পুরস্কার পাওয়ার কারণ ছিল—ইলেকট্রন আসলে তরঙ্গের মতোও আচরণ করে, তা আবিষ্কার করা। অর্থাৎ বাবার আবিষ্কারের ঠিক উল্টো কথাই প্রমাণ করে ছেলে নোবেল পুরস্কার পেলেন!</p><p>১৯২৭ সালে জর্জ দেখলেন, অ্যালুমিনিয়াম, সোনা ও প্লাটিনামের ধাতব পাতলা ফিল্মের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন পাঠালে তারা অন্য রকম আচরণ করে। এই ধাতুগুলোর পরমাণু ক্রিস্টালের মধ্যে একটি নিয়মিত পুনরাবৃত্ত বিন্যাসে সাজানো থাকে। সেই পাতলা স্তরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় ইলেকট্রনগুলো ঠিক তরঙ্গের মতো বিচ্ছুরিত বা বেঁকে ছড়িয়ে পড়ে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/6d299vc8tn">কোয়ান্টাম মেকানিকস কেন বলে অতীত সত্যি নয়</a></aside><blockquote>১৯২৭ সালে জর্জ দেখলেন, অ্যালুমিনিয়াম, সোনা ও প্লাটিনামের ধাতব পাতলা ফিল্মের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন পাঠালে তারা অন্য রকম আচরণ করে।</blockquote><p>আসলে বাবা ও ছেলে—দুজনেই সঠিক ছিলেন! কারণ এখন আমরা জানি, ইলেকট্রন একই সঙ্গে কণা এবং তরঙ্গ। তাঁরা শুধু ইলেকট্রনের স্বভাবের দুটি ভিন্ন দিক দেখেছিলেন। ভিন্ন ভৌত পরিস্থিতিতে কোয়ান্টাম বস্তু কণা বা তরঙ্গ—দুই রকম আচরণের যেকোনো একটি দেখায়। একদিকে তাদের কণার মতো স্বভাব আছে। তখন তারা আলাদা আলাদা শক্তির প্যাকেট হিসেবে শোষিত বা নির্গত হয়। অন্যদিকে তাদের তরঙ্গের মতো স্বভাবও আছে। তখন তারা কোনো বাধার চারপাশে বেঁকে ছড়িয়ে পড়তে পারে, কিংবা নিজের সঙ্গেই অথবা অন্য তরঙ্গের সঙ্গে ব্যতিচার ঘটাতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/deord8mh/13.jpg"><figcaption>ছবি ১৩: কোয়ান্টাম জগতের অদ্ভুত সৌন্দর্য এখানেই—ইলেকট্রন কিংবা আলোককণার মতো ক্ষুদ্র বস্তু কখনো কণার মতো আচরণ করে, কখনো আবার প্রকাশ করে তরঙ্গের ধর্ম। অর্থাৎ, কোয়ান্টাম জগতে তরঙ্গ আর কণা আলাদা সত্তা নয়; একই বস্তুর মধ্যে লুকিয়ে আছে দুয়েরই বৈশিষ্ট্য</figcaption></figure><p>জর্জের পরীক্ষাগুলো ফরাসি পদার্থবিদ লুই দ্য ব্রগলির একটি ধারণাকেও সমর্থন করেছিল। দ্য ব্রগলি বলেছিলেন, সব পদার্থেরই তরঙ্গের মতো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ১৯২৪ সালে নিজের পিএইচডি থিসিসে এই ওয়েভ-পার্টিকেল ডুয়ালিটি বা তরঙ্গ-কণা দ্বৈততার ধারণা প্রস্তাব করেন দ্য ব্রগলি। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল একটি অদ্ভুত প্রশ্নের উত্তর খোঁজা—বোরের পরমাণুর মডেলে ইলেকট্রন কেন শুধু নির্দিষ্ট কিছু কক্ষপথেই থাকতে পারে? এর ব্যাখ্যায় দ্য ব্রগলি কল্পনা করলেন, পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ইলেকট্রন আসলে তরঙ্গের মতো কম্পিত হয়। অনেকটা টেনে ছেড়ে দেওয়া গিটারের তারের কম্পনের মতো।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/quantum-tunneling">কোয়ান্টাম টানেলিং কীভাবে হয়?</a></aside><blockquote>দ্য ব্রগলি বলেছিলেন, সব পদার্থেরই তরঙ্গের মতো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ১৯২৪ সালে নিজের পিএইচডি থিসিসে এই ওয়েভ-পার্টিকেল ডুয়ালিটি বা তরঙ্গ-কণা দ্বৈততার ধারণা প্রস্তাব করেন দ্য ব্রগলি।</blockquote><p>এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ শর্ত আছে। ইলেকট্রন যে কক্ষপথে ঘুরছে, সেই কক্ষপথের পরিধি ইলেকট্রনের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পূর্ণসংখ্যক গুণিতক হতে হবে। তাহলেই ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে প্রতিটি চক্কর দেওয়ার সময় তার তরঙ্গটি আগেরবারের চক্করের তরঙ্গের সঙ্গে মিলে যাবে নিখুঁতভাবে। অর্থাৎ দুই তরঙ্গ একে অন্যকে শক্তিশালী করবে। একে বলা হয় গঠনমূলক ব্যতিচার। ফলে ইলেকট্রনের তরঙ্গ টিকে থাকতে পারবে। একে অপরকে বাতিল করে দিয়ে অদৃশ্য হয়ে যাবে না।</p><p>এই ধারণাটাই ব্যাখ্যা করে, কেন একটি ইলেকট্রনের বোরের কক্ষপথ যেকোনো মানের হতে পারে না। কক্ষপথের পরিধির মধ্যে ইলেকট্রনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অবশ্যই পূর্ণসংখ্যক বার ঠিকমতো বসতে হবে। তাই ইলেকট্রন কেবল নির্দিষ্ট কিছু কক্ষপথেই থাকতে পারে।</p><h4>সূত্র: ড্যানি হোমসের <em>ওয়ান্ডার অব কোয়ান্টাম ওয়ার্ল্ডস</em> অবলম্বনে</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/7h579bn9yo">কোয়ান্টাম ডিকোহেরেন্স : নিশ্চয়তা আর অনিশ্চয়তার দ্বন্দ্ব</a></aside>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
বাংলাদেশে গাড়ির দাম এত বেশি কেন, রিকন্ডিশন্ড গাড়ির দাম কি কমছে
বাংলাদেশে গাড়ির দাম এত বেশি কেন, রিকন্ডিশন্ড গাড়ির দাম কি কমছে

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/bangladese-garir-dam-et-besi-ken-rikndisnd-garir-dam-ki-kmche</figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
সাভারে বিক্ষোভকারীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ
সাভারে বিক্ষোভকারীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড় এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল ও কাঁদানেগ্যাসের শেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
ফতুল্লায় শ্রমিক-পুলিশ পাল্টা–পাল্টি ধাওয়া, টিয়ার শেল নিক্ষেপ
ফতুল্লায় শ্রমিক-পুলিশ পাল্টা–পাল্টি ধাওয়া, টিয়ার শেল নিক্ষেপ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার সকালে সদর উপজেলার কাঠেরপুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
জীবনানন্দ দাশের সঙ্গে বাসারের মিল-অমিল
জীবনানন্দ দাশের সঙ্গে বাসারের মিল-অমিল

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/jeebnannd-daser-sngoe-basarer-mil-omil</figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ট্রাম্পের দল, জয়ের পথে ডেমোক্র্যাটরা
কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ট্রাম্পের দল, জয়ের পথে ডেমোক্র্যাটরা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বুথ ফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে অর্থনীতি নিয়ে অধিকাংশ ভোটার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পারমাণবিক হামলা ও তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কেন নাগরিকদের সতর্ক করল ইরান?
পারমাণবিক হামলা ও তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কেন নাগরিকদের সতর্ক করল ইরান?

পারমাণবিক হামলার ক্ষেত্রে কী জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সে বিষয়ে নির্দেশ জারি করেছে ইরান। সোমবার রাতে ইরানের কেশম দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই আবহেই তড়িঘড়ি জারি করা হয়েছে এই নির্দেশাবলী।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
উদযাপন ও সেলফি: ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন
উদযাপন ও সেলফি: ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন

রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিগুলোতে ডেমোক্র্যাটরা একের পর এক জয় তুলে নেওয়ায় আলিঙ্গন, উল্লাস ও হাসির ঢেউ বয়ে যাচ্ছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
কে এই আবদুল এল-সাইয়েদ, যিনি প্রথম মুসলিম মার্কিন সেনেটর হচ্ছেন?
কে এই আবদুল এল-সাইয়েদ, যিনি প্রথম মুসলিম মার্কিন সেনেটর হচ্ছেন?

মিশিগান রাজ্যে জনমত জরিপগুলোও ইঙ্গিত দিচ্ছিলো, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী আব্দুল এল-সাইয়েদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সেনেটর হতে যাচ্ছেন।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
রিপাবলিকানদের এলাকায় আছড়ে পড়ছে ডেমোক্র্যাটিক ঢেউ
রিপাবলিকানদের এলাকায় আছড়ে পড়ছে ডেমোক্র্যাটিক ঢেউ

এক বছর আগে যে দুটি সিনেট আসনকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ক্ষেত্র বলে মনে করা হচ্ছিল, সেগুলো ডেমোক্র্যাটদের জন্য নিশ্চিত জয়ে পরিণত হয়েছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পত্রিকা: 'পোশাকশিল্পে উৎপাদন ক্ষতি দেড় হাজার কোটি টাকা'
পত্রিকা: 'পোশাকশিল্পে উৎপাদন ক্ষতি দেড় হাজার কোটি টাকা'

আজ বুধবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার খবরে গুরুত্ব পেয়েছে গার্মেন্ট কারখানাগুলোয় আন্দোলন – সহিংসতার খবর। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের খবরও গুরুত্ব পেয়েছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
যে তিনভাবে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল আসতে পারে
যে তিনভাবে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল আসতে পারে

মোটা দাগে বলতে গেলে, আমেরিকানদের মতামত জানানোর পর তিনটি সম্ভাব্য ফলাফল রয়েছে। সেগুলো কী হতে পারে, ফলাফল আসতে শুরু করলে প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী হতে পারে এবং সেদেশের জন্য এর অর্থ কী হতে পারে, তা এখানে তুলে ধরা হলো।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
ভিডিও কলে শুধু কবুল পড়ে বিয়ে করলে  কি বৈধ হয়?
ভিডিও কলে শুধু কবুল পড়ে বিয়ে করলে কি বৈধ হয়?

বাংলাদেশে মুসলিমদের এমন অনেকেই আছেন, যারা শুধু কবুল পড়ে অথবা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিড করে বিয়ে করেন। আইনজীবী এবং কাজী অফিস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মসজিদে গিয়ে বর-কনে কবুল বলে বিয়ে করলে সেটি রেজিস্ট্রি না করলেও শরীয়তসম্মত। কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে এ ধরনের বিয়ে কী বৈধ?

নভেম্বর ৩, ২০২৬
মজুরি বোর্ডে নতুন প্রত্যাশা: বাঁচুক শ্রমিক, বাঁচুক শিল্প
মজুরি বোর্ডে নতুন প্রত্যাশা: বাঁচুক শ্রমিক, বাঁচুক শিল্প

ভোরের আলো তখনো পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েনি। শিল্পাঞ্চলের সড়কে একে একে বাড়ছে মানুষের পদচারণা। কেউ কারখানার পথে, কেউ দিনের কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কোথাও চায়ের দোকানে শ্রমিকদের ছোট ছোট জটলা, কোথাও কারখানার ফটকে কর্মীদের অপেক্ষা। কিছুক্ষণ পরই সেলাই মেশিনের একটানা শব্দে মুখর হয়ে উঠবে কর্মস্থলগুলো।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পদ্মায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্টের রুল
পদ্মায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্টের রুল

পদ্মা নদী থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর প্রাকৃতিক গঠন, নদীতীরের স্থিতিশীলতা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
আইন পেশায় প্রবেশে বয়সের বাধা, মান রক্ষার উদ্যোগ নাকি সুযোগ সংকোচন?
আইন পেশায় প্রবেশে বয়সের বাধা, মান রক্ষার উদ্যোগ নাকি সুযোগ সংকোচন?

বার কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের আইনগত ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ১৯৭২ সালের বার কাউন্সিল অর্ডারে আইনজীবী হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২১ বছর নির্ধারণ করা হলেও সর্বোচ্চ বয়সসীমার উল্লেখ নেই। অন্যদিকে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বছর মেয়াদি এলএলবি কোর্সের শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, সেশনজট ও পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতায় অনেকের বয়স ৩৫ বছর পেরিয়ে যেতে পারে, যা তাদের আইনজীবী হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করবে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
তাইওয়ানে আনিসুরের মৃত্যু, দেশে মরদেহের অপেক্ষায় পরিবার
তাইওয়ানে আনিসুরের মৃত্যু, দেশে মরদেহের অপেক্ষায় পরিবার

সংসারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে সুদূর তাইওয়ানে পাড়ি জমান গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল গ্রামের বাসিন্দা মো. আনিসুর রহমান (৫২)। সেখানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে মারা যান তিনি। দেশটির নিউ তাইপেই সিটির একটি হাসপাতালের হিমঘরে তার মরদেহ রয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে ৪৩ ধাপ এগিয়েছে যবিপ্রবি
কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে ৪৩ ধাপ এগিয়েছে যবিপ্রবি

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোয়াককোয়ারেলি সাইমন্ডসের (কিউএস) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংস: এশিয়া ২০২৭’-এ গত বছরের তুলনায় ৪৩ ধাপ এগিয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে গুলিসহ পিস্তল হারালেন এএসআই, পুরস্কার ঘোষণা
মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে গুলিসহ পিস্তল হারালেন এএসআই, পুরস্কার ঘোষণা

গাজীপুর মহানগর পুলিশের বাসন থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পারভেজ মল্লিকের এক রাউন্ড গুলিসহ পিস্তল হারিয়ে গেছে।  

নভেম্বর ৪, ২০২৬
৫৪ বছরে এইচএসসি পাস করে মজনু এখন সবার অনুপ্রেরণা
৫৪ বছরে এইচএসসি পাস করে মজনু এখন সবার অনুপ্রেরণা

বয়সের কাছে হার মানেননি তিনি। সময়ের স্রোতে হারিয়ে গিয়েছিল শিক্ষাজীবনের স্বপ্ন, কিন্তু মনের ভেতর বেঁচে ছিল বই-খাতা হাতে নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা। এরই মধ্যে সংসার, সন্তান, ব্যবসা এবং পারিবারিক দায়িত্বের ব্যস্ততায় কেটে গেছে দীর্ঘ ৩২ বছর। তবুও মনের ভেতর থাকা সেই স্বপ্নপূরণে পুনরায় ফিরে এসেছেন শ্রেণিকক্ষে। আর সেই প্রত্যাবর্তনে মিলেছে সাফল্য।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
গণতন্ত্র পুনর্গঠনে নৈতিক সমাজ গঠনের ওপর জোর ঢাবি শিক্ষার্থীদের
গণতন্ত্র পুনর্গঠনে নৈতিক সমাজ গঠনের ওপর জোর ঢাবি শিক্ষার্থীদের

গণতন্ত্র পুনর্গঠনে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নয়, নৈতিক সমাজ গঠনকেও সমান গুরুত্ব দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা।

নভেম্বর ৪, ২০২৬