এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছুঁই ছুঁই

বাংলাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে পহেলা জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেেশে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৯৪ জনে । আরও উল্লেখযােগ্য খবরের মধ্যে রয়েছে, চট্টগ্রামে বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার জন্য দুবাইভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। এদিকে, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

সারা দেশ

View more
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

Video news
সারা বিশ্ব
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?

হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।

ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ
ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ

সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু

কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।

‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’
‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত
ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার
মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল
তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল

চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।

নীল দহন
নীল দহন

টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা

কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর
কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর

মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।

ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা
ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা

ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা  এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই

ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়
ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।

Follow us

Top week

ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় দেড় হাজার হুথি যোদ্ধা হতাহত
আন্তর্জাতিক

ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় দেড় হাজার হুথি যোদ্ধা হতাহত

News অক্টোবর ৩, ২০২৬ 0

Rss feed news

পড়েন মাদ্রাসায়, ৪০ টাকার দুটি মাছ থেকে গড়েছেন ৩০ লাখের হ্যাচারি
পড়েন মাদ্রাসায়, ৪০ টাকার দুটি মাছ থেকে গড়েছেন ৩০ লাখের হ্যাচারি

মাদ্রাসায় পড়াশোনার পাশাপাশি চার বছর ধরে বাণিজ্যিকভাবে শৌখিন মাছ চাষ করছেন কেশবপুরের আবদুল্লাহ। তাঁর মাছ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
চিঠি, ডাকবাক্স ও ডাকপিয়নের গল্প
চিঠি, ডাকবাক্স ও ডাকপিয়নের গল্প

ঢাকা, বান্দরবান, খুলনা, পাবনা ও চট্টগ্রামে প্রথম আলোর আলোকচিত্রীদের তোলা ছবিতে দেখুন টিকে থাকা ডাকব্যবস্থার গল্প।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
তিন জোড়া কবুতরে শুরু, স্বপ্না এখন সংসারের ভরসা
তিন জোড়া কবুতরে শুরু, স্বপ্না এখন সংসারের ভরসা

সংসারে এসে স্বপ্না বুঝলেন, স্বামীর আয়ে ঠিকমতো সংসারই চলে না, হাতখরচ তো দূরের কথা। বিয়ের তিন-চার মাসের মধ্যেই তিন জোড়া কবুতর কিনলেন।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
পূজার মেলার প্রস্তুতি
পূজার মেলার প্রস্তুতি

<p>বগুড়ার গাবতলী উপজেলার ইছামতি নদীর তীরে মহিষাবান গ্রামে সুশীল ও সুনীল দুই ভাইয়ের বাড়ি। বর্তমানে তাঁদের দম ফেলার ফুরসত নেই। কারণ, আর কয়েক দিন পরই দুর্গাপূজা। বসবে মেলা। সেখানে বিক্রি হবে মাটির খেলনা। তাই দুই ভাই তৈরি করছেন মাটির খেলনা। শুধু তাঁরাই নন, এই কাজে হাত লাগান বাড়ির লোকজনও। এমনকি বাইরের অনেকে এখানে চুক্তিতেও কাজ করেন। এখন এই বাড়িতে একদিকে চলছে খেলনা শুকানোর কাজ; অন্যদিকে আগুনে পোড়ানো এবং রঙের কাজ। মেলার প্রস্তুতি নিয়ে এবারের ছবির গল্প</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/qbmoyhp0/1.-Bogura-clay-handicrafts-fair-preparations-Puja-fair09102026.jpg"><figcaption>সুনীল (ডানে) ও সুশীল দুই ভাই মিলে মাটির তৈরি ব্যাংক ভাটায় পোড়ানোর জন্য সাজিয়ে রাখছেন </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/qxlxnasj/2.-Bogura-clay-handicrafts-fair-preparations-Puja-fair09102026.jpg"><figcaption>ব্যাংকগুলো পোড়ানোর পর রাঙিয়ে এবার মেলায় বিক্রি করা হবে </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/gtey0ugn/3.-Bogura-clay-handicrafts-fair-preparations-Puja-fair09102026.jpg"><figcaption> বাড়িতে মাটির তৈরি খেলনা রাঙানোর জন্য পরিষ্কার করা হচ্ছে </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/qndjv1hz/4.-Bogura-clay-handicrafts-fair-preparations-Puja-fair09102026.jpg"><figcaption>রাঙানো মাটির পাটা রোদে শুকানো হচ্ছে </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/ln080ob7/5.-Bogura-clay-handicrafts-fair-preparations-Puja-fair09102026.jpg"><figcaption> মাটির খেলনা রং করা হচ্ছে </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/9mrl4wfp/7.-Bogura-clay-handicrafts-fair-preparations-Puja-fair09102026.jpg"><figcaption>সকাল থেকে মাটির খেলনা কলসি, চুলা ও কাপ রাঙিয়ে তুলছেন শরিনা বেগম </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/amejs5jj/10.-Bogura-clay-handicrafts-fair-preparations-Puja-fair09102026.jpg"><figcaption>নিজের হাতে তৈরি আপেল আকৃতির মাটির ব্যাংক ও তাল রোদে শুকিয়ে নিচ্ছেন ভারতী রানী পাল </figcaption></figure>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
পরপর দুইবার লিথ্যাল ইনজেকশন দেওয়ার পরও কীভাবে বেঁচে গেলেন ক্রিস্টা পাইক
পরপর দুইবার লিথ্যাল ইনজেকশন দেওয়ার পরও কীভাবে বেঁচে গেলেন ক্রিস্টা পাইক

<p>পরপর দুইবার লিথ্যাল বা মারণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পরও বেঁচে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী ক্রিস্টা পাইক। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের ন্যাশভিলে এই ৫০ বছর বয়সী নারীকে পেন্টোবারবিটাল ইনজেকশন দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেওয়া হয়।</p><figure><img alt="ক্রিস্টা পাইক" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/gtqiaem0/f83dd246dc453924794b8926cb3368ab.avif"><figcaption>পরপর দুইবার লিথ্যাল বা মারণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পরও বেঁচে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী ক্রিস্টা পাইক</figcaption></figure><p>প্রথম ইনজেকশন দেওয়ার পরও তাঁর মৃত্যু না হলে প্রটোকল অনুযায়ী তাঁকে দ্বিতীয়বার ইনজেকশন দেওয়া হয়। তার পরও তাঁর মৃত্যু হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং শেষ খবর পর্যন্ত তাঁর জ্ঞান ফিরেছে এবং সুস্থ হয়ে উঠছেন। </p><h3>পেন্টোবারবিটাল কী? </h3><p>পেন্টোবারবিটাল একধরনের ঘুমের তীব্র ওষুধ বা চেতনানাশক, যা উচ্চমাত্রায় প্রাণঘাতী। এটি সরাসরি মস্তিস্কে কাজ করে। সাধারণত ৫ গ্রামের বেশি মাত্রায় ব্যবহার করা হলে এটি রেসপিরেটরি অ্যারেস্ট বা শ্বাসতন্ত্রের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং মস্তিষ্ককে অচল করে দিয়ে রোগীকে কোমায় নিয়ে যায়। </p><p>এর ফলে রোগীর মৃত্যু ঘটে। কখনো কখনো কারাগারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পেন্টবারবিটালের সঙ্গে একটি প্যারালাইটিক ওষুধ এবং পটাশিয়াম ক্লোরাইডসহ থ্রি ড্রাগ সিকোয়েন্স ব্যবহার করা হয়। </p><h3>কেন ক্রিস্টা পাইকের ক্ষেত্রে ওষুধ কাজ করেনি?</h3><p>টেনেসি কারাগার কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে বিশদ ব্যাখ্যা এখনো দেয়নি। তবু বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ক্রিস্টা পাইকের শিরায় সঠিকভাবে ক্যানোলা করতে ব্যর্থ হয়েছিল কারা কর্তৃপক্ষ।</p><p>মোট সাতবার শিরায় সুচ ফোটানোর চেষ্টা করা হয়। তারপরও সম্ভবত শিরায় সুচ বা ক্যানুলা সঠিক জায়গায় প্রবেশ করেনি। সে কারণে ওষুধ শিরার রক্তে না মিশে ত্বকের নিচে চলে গিয়েছিল।</p><p>পরবর্তী সময়ে হাসপাতালে ক্রিস্টার রক্তে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা (থ্রম্বোসাইটোসিস) পরিলক্ষিত হয়। চিকিৎসকদের মতে, শিরার মুখে রক্ত জমাট বেঁধে বা ক্লট হয়ে গিয়ে ওষুধকে শিরায় প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছিল। ফলে পেন্টোবারবিটাল ক্রিস্টার রক্তে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় প্রবেশ করতে পারেনি।</p><h3>ক্রিস্টা পাইকের এখন কী হবে </h3><p>জো বাইডেনের সময় ফেডারেল সরকার পেন্টোবারবিটাল ব্যবহার করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকে অবৈধ ঘোষণা করেছিল; কিন্তু টেনেসি অঙ্গরাজ্যে তা এখনো ব্যবহৃত হয়।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রে একেকটি অঙ্গরাজ্য স্বাধীনভাবে সরকার পরিচালনা করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ কোম্পানিগুলোও দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে এ ধরনের ওষুধ সরবরাহ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।</p><p>ক্রিস্টা পাইকের ভাগ্যে কী ঘটবে, তা এখনই স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যে এই অঘটনের দায় স্বীকার করে টেনেসির ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশনের প্রধান ফ্রাংক স্ট্রাডা পদত্যাগ করেছেন।</p><p>৭ অক্টোবর আদালতে একটি শুনানিতে ক্রিস্টার পরবর্তী মৃত্যুদণ্ডের চেষ্টাকে সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার হিসেবে ঘোষণা করেছেন। বিচারক এই ঘটনার সঠিক তদন্তে সব ধরনের প্রমাণ হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছেন।</p><p>এর আগে ২০২৪ সালে আলাবামা অঙ্গরাজ্যে কেনেশ উইজেন স্মিথ নামের এক ব্যক্তি এভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া মৃত্যুদণ্ড থেকে বেঁচে যান। দুই বছর পর আবার অক্সিজেন ডিপ্রাইভেশন মেথড ব্যবহার করে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল।</p><p>ক্রিস্টা পাইকের ক্ষেত্রেও এমনটা ঘটবে কি না, তা এখনো কেউ বলতে পারেন না।</p><p><sup>সূত্র: বিবিসি</sup></p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ায় ডেঙ্গুর টিকা, বাংলাদেশ কবে পাবে
অস্ট্রেলিয়ায় ডেঙ্গুর টিকা, বাংলাদেশ কবে পাবে

<p>১ অক্টোবর বিকেলে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে মারা গেল ৮ বছর ১০ মাস বয়সী এক ফুটফুটে শিশু, আদরের রুমাইসা। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত সে। জ্বর এসেছিল ২৯ সেপ্টেম্বর। কোনো তীব্র পূর্বলক্ষণ বোঝার আগেই মাত্র তিন দিনের মাথায় সব শেষ হয়ে গেল।</p><p>১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্তও মেয়েটি স্বাভাবিক খাওয়াদাওয়া আর খেলাধুলা করেছে। শরীরে কোনো র‍্যাশ বা দৃশ্যমান রক্তক্ষরণ ছিল না। রক্তে প্লাটিলেটও ছিল ১ লাখ ৪০ হাজার। দুপুরে হঠাৎ কাঁপুনি ও খিঁচুনির পর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (পিআইসিইউ) নেওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে সব ওলটপালট হয়ে যায়। বাবা নিজে একজন নিবিড় পরিচর্যা বিশেষজ্ঞ হয়েও ডেঙ্গুর এই আকস্মিক ছোবল আটকানোর কোনো সুযোগ পাননি।</p><p>ঢাকা থেকে যখন এই দুঃসংবাদ এল, জানতে পারলাম তাঁরা আমাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ পারিবারিক বন্ধু। আমার স্ত্রী অস্ট্রেলিয়ায় চিকিৎসক; বাংলাদেশে তাঁরা একসঙ্গে পড়েছেন, কাজ করেছেন। মেয়েটির বাবা-মা দুজনই চিকিৎসক—বাবা আইসিইউ বিশেষজ্ঞ, মা চক্ষুবিশেষজ্ঞ। সবচেয়ে বড় বেদনার জায়গা হলো, আমাদের ঘরেও একই বয়সী একটি কন্যাসন্তান আছে। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/interview/3qlkuzqimq">ডেঙ্গু পরিস্থিতি কী হবে তার পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/zct838zhnm">নিজেদের জয়গান বন্ধ করে আল্লাহর ওয়াস্তে ডেঙ্গু কমান </a></aside><p>তাই এই মৃত্যুতে আমরা এতটাই স্তব্ধ হয়ে পড়েছিলাম যে তাঁদের সঙ্গে কথা বলার মতো সাহসও পাচ্ছিলাম না। চোখের সামনে কেবল ভেসে উঠছিল এক অসহায় মা–বাবার মুখ, যাঁরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হয়েও নিজের সন্তানকে বাঁচাতে পারলেন না।</p><p>ঠিক এই শোকের মধ্যেই সিডনিতে এল এক আশার খবর। অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে জাপানি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তাকেদার তৈরি কার্যকর ডেঙ্গু টিকা ‘কিউডেঙ্গা’ (Qdenga)। চার বছর বা তার বেশি বয়সী যে কেউ পারিবারিক চিকিৎসকের (জিপি) ব্যবস্থাপত্র নিয়ে দুই ডোজে এই টিকা নিতে পারছেন। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার নিজস্ব ভূখণ্ডে ডেঙ্গুর কোনো স্থানীয় বিস্তার নেই; দেশটির বার্ষিক শনাক্ত হওয়া প্রায় আড়াই হাজার রোগীর প্রায় শতভাগই বিদেশ ভ্রমণ থেকে ফেরা। </p><p>তবু নাগরিকদের আগাম সুরক্ষায় অস্ট্রেলিয়া সরকার এই টিকার অনুমোদন দিয়েছে। এখানকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও স্বস্তি ফিরেছে; সামনে লম্বা ছুটিতে দেশে যাওয়ার আগে অনেকেই সন্তানদের এই টিকা দিয়ে নেবেন বলে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।</p><h3>এই খবর অস্ট্রেলিয়ার কাছে ছোট, বাংলাদেশের কাছে বড় </h3><p>অস্ট্রেলিয়ায় এটি খুব বড় খবর নয়। সরকারি তথ্যে গত বছরের মার্চ পর্যন্ত ১২ মাসে দেশটিতে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছিল ২ হাজার ৬৪১ জনের, যার ৯৪ শতাংশের বেশি বিদেশে গিয়ে সংক্রমিত হয়ে ফিরেছিলেন। অর্থাৎ এখানে ডেঙ্গু মূলত ভ্রমণকারীর রোগ। কেউ ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত বা বাংলাদেশ ঘুরে এলেন, সঙ্গে ডেঙ্গুও নিয়ে এলেন। টিকাটি এখানে সরকারি ভর্তুকি তালিকায় নেই, ব্যক্তিগত খরচে কিনতে হয় এবং এর দামও বেশ চড়া।</p><p>অথচ যেখানে ডেঙ্গুতে প্রতিদিন মানুষ মরছে, সেখানে এই টিকা নেই। আর যেখানে রোগটির ঝুঁকি নেই বললেই চলে, সেখানে টিকা মজুত আছে। এই বৈপরীত্যই আমাকে লেখাটি লিখতে তাগিদ দিয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2021-05/ac0c1f3d-3a91-4fa3-8c48-b8cd25c3c774/20210522_TITO_0097043727.JPG"><figcaption>ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে নানা সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়ে থাকে। এরপরও বছরের পর বছর এই রোগে ভুগতে হচ্ছে ঢাকাবাসীকে</figcaption></figure><h3>বাংলাদেশের হিসাব </h3><p>চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। সেপ্টেম্বর মাসেই মারা গেছেন বহু মানুষ, আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে হাজারো। এর পেছনে রয়েছে একেকটি পরিবারের নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার গল্প। ৯ বছরের আরফা জন্মের তিন দিনের মাথায় মাকে হারিয়েছিল, এবার সে বাবাকেও হারাল। রুমাইসার পাঁচ বছর বয়সী ছোট বোন ফারজিন এখনো বুঝতেই পারছে না তার আপু কোথায় হারিয়ে গেল।</p><h3>কমিটি আছে, কাজ নেই </h3><p>মশা মারার মূল দায়িত্ব স্থানীয় সরকার বিভাগের। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ইউনিয়ন থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত প্রায় ৪৮ হাজার কমিটি থাকার কথা থাকলেও জাতীয় কমিটি আর সিটি করপোরেশনের গুটিকয়েক ছাড়া বাকিগুলো কার্যত নিষ্ক্রিয়। বহু উপজেলায় বা পৌরসভায় ওয়ার্ড কমিটিই নেই। কাগজে ব্যবস্থা আছে, কিন্তু মাঠে নেই। আর এই প্রশাসনিক ব্যর্থতার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে শিশুদের।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/v8z5xmjvtt">ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আমরা কেন ব্যর্থ হচ্ছি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/lh6xkp7jns">ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া-জিকা: অনেক দেশ রুখতে পেরেছে, আমরা পারিনি কেন</a></aside><h3>টিকা সব সমাধান নয়, তবে বড় এক সুযোগ </h3><p>আমি বলছি না টিকা এলেই রাতারাতি সব ঠিক হয়ে যাবে। রুমাইসার ক্ষেত্রে টিকা থাকলে কী হতো, তা-ও নিশ্চিত করে বলার উপায় নেই। মশা নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা এবং জেলা পর্যায়ে শিশুদের বিশেষায়িত নিবিড় পরিচর্যা নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।</p><p>তবে টিকার বৈজ্ঞানিক কার্যকারিতাও প্রমাণিত। ২০ হাজারের বেশি শিশু-কিশোরের ওপর করা আন্তর্জাতিক ট্রায়ালে দেখা গেছে, টিকাটি নিশ্চিত ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে ৮০ শতাংশের বেশি কার্যকর এবং হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি কমায় প্রায় ৯৫ শতাংশ। আমাদের হাসপাতাল ও আইসিইউর যে সীমিত সক্ষমতা, তাতে হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি কমানোটাই এক বিরাট রক্ষাকবচ। কিউডেঙ্গার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—আগে কারও ডেঙ্গু না হয়ে থাকলেও সে নিরাপদে এই টিকা নিতে পারে।</p><h3>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কী বলছে </h3><p>২০২৩ সালের অক্টোবরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞ পরামর্শক দল (SAGE) সুপারিশ করে, ডেঙ্গুর উচ্চ সংক্রমণ এলাকায় ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সীদের এই টিকা দেওয়া যেতে পারে (তিন মাসের ব্যবধানে দুই ডোজ)। ২০২৪ সালের মে মাসে সংস্থাটি কিউডেঙ্গাকে ‘প্রিকোয়ালিফিকেশন’ বা পূর্বযোগ্যতার স্বীকৃতি দেয়, যার ফলে ইউনিসেফের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এখন এটি সংগ্রহ করতে পারে। চল্লিশটির বেশি দেশে এটি ইতিমধ্যে অনুমোদিত।</p><p>প্রতিবেশী ভারতও চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে ৪ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের জন্য কিউডেঙ্গার অনুমোদন দিয়েছে। বিশ্ব এগোলেও বাংলাদেশে কিউডেঙ্গার নিবন্ধন বা নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট বার্তা মেলেনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-06/8kwwjahd/DENGUE.avif"><figcaption>ডেঙ্গু </figcaption></figure><h3>সরকারের কাছে নাগরিক দাবি </h3><p>প্রথম আলোর সামাজিক মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় টিকা পাওয়ার খবরের নিচে শত শত মানুষের মন্তব্য দেখলাম। তাঁদের একটাই আকুতি—‘বাংলাদেশে এই টিকা কবে আসবে?’ একজন লিখেছেন, ‘টিকা পেলে তো প্রবাসীরাই পাবেন, দেশের মানুষের কী লাভ?’</p><p>এ প্রশ্নটি বুকে বিঁধেছে। আমরা প্রবাসীরা হয়তো বিদেশে বসেই সন্তানদের টিকা দিতে পারব, কিন্তু দেশে থাকা লাখ লাখ সাধারণ শিশুর কী হবে? তাই সরকারের প্রতি কয়েকটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব রাখছি—</p><p>১. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে টিকাটির দ্রুত ও কার্যকর মূল্যায়ন করুক।</p><p>২. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে শিশু-কিশোর ও ফ্রন্টলাইনারদের জন্য সীমিত পরিসরে হলেও পরীক্ষামূলক টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হোক।</p><p>৩. প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এবং জাতিসংঘের সহায়তা নিয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে সরকারিভাবে টিকা আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হোক।</p><p>৪. পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রেখে জনসচেতনতা বাড়ানো হোক।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/00n20nv3al">ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ: কলকাতা ও সিঙ্গাপুর পারলে আমরা কেন পারি না</a></aside><p>অবশ্যই মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান বন্ধ করা যাবে না। টিকা আনা এবং মশা মারা—দুটোই চলতে হবে সমান্তরালে।</p><p>রুমাইসার বাবা আক্ষেপ করে বলেছিলেন, বাসার পাশেই ময়লার ভাগাড় আর জমে থাকা পানি, যা দেখার কেউ নেই। সিডনির ফার্মেসিতে টিকা সহজলভ্য, অথচ ঢাকার হাসপাতালে শিশুদের নিবিড় পরিচর্যার শয্যা পাওয়া যায় না। এই বৈষম্য আর কত দিন? রুমাইসার জন্মদিনের নতুন জামাটি আলমারিতেই তোলা রইল; আর কোনো অভিভাবককে যেন সন্তানের জামা এভাবে আলমারিতে তুলে রাখতে না হয়, রাষ্ট্রের কাছে আজ এটুকুই দাবি।</p><ul><li><p><strong>কাউসার খান</strong> প্রথম আলোর সিডনি প্রতিনিধি ও অস্ট্রেলিয়ার নিবন্ধিত অভিবাসন পরামর্শক</p></li></ul>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
সরু চালের দাম কেজিতে ২–৩ টাকা বেড়েছে
সরু চালের দাম কেজিতে ২–৩ টাকা বেড়েছে

<p>রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার খুচরা দোকানে গত এক–দেড় সপ্তাহে সরু চালের দাম কেজিতে ২–৩ টাকা বেড়েছে। অন্যান্য চালের দামও ১–২ টাকা করে বেড়েছে। এ ছাড়া দাম বেড়েছে দেশি পেঁয়াজ, রসুন ও খোলা সয়াবিন তেলের। আর ব্রয়লার মুরগি ও ডিম আগের মতোই বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।</p><p> খুচরা বিক্রেতারা জানান, জ্বালানি তেলের সর্বশেষ মূল্যবৃদ্ধির পর এবার চালের দাম বাড়ল। পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় চাল পরিবহনে ট্রাকভাড়া বেড়ে গেছে। এ ছাড়া মিল পর্যায়েও চালের দাম বাড়ানো হয়েছে।</p><p> গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার ও আগারগাঁও তালতলা বাজার ঘুরে ক্রেতা–বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।</p><p>সরেজমিনে বাজার ঘুরে জানা যায়, খুচরা দোকানে ডায়মন্ড, মঞ্জুর, সাগর, রশিদ প্রভৃতি ব্র্যান্ডের প্রতি কেজি মিনিকেট চালের দাম কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গতকাল ডায়মন্ড, মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের প্রতি কেজি মিনিকেট ৭৪ থেকে ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭২ টাকা। আর রশিদ ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এক–দেড় সপ্তাহ আগে এ চালের দাম কেজিতে ২ টাকা কম ছিল। মিনিকেট চালের মধ্যে একটু দামি হলো মোজাম্মেল চাল। এ চালের কেজি এখন ৭৬ টাকা, যা গত সপ্তাহে ১ টাকা কম ছিল।</p><p>বাজারে কয়েক ধরনের নাজিরশাইল চাল বিক্রি হয়। সরু এ চালের কেজি মানভেদে এখন ৭০ থেকে ৯৫ টাকা। বিক্রেতারা জানান, নাজিরশাইল চালের দামও কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে।</p><p>বাজারে মাঝারি মানের চালের দামও বেড়েছে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুসারে, পাইজাম ও ব্রি-২৮, ব্রি-২৯ চালের কেজি এখন ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে মাঝারি মানের চালের দাম কেজিতে ৩ টাকা বেড়েছে। তবে মোটা চালের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে; কেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।</p><p>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিল পর্যায়ে চালের দাম বেড়েছে। নওগাঁর শিউলি অটোমেটিক রাইস মিলের মালিক আমিনুল ইসলাম বলেন, সরু চালের মধ্যে কাটারি চালের দাম বস্তায় (৫০ কেজি) ৫০ টাকা বেড়েছে। অর্থাৎ পাইকারিতে কাটারি চালের কেজিপ্রতি দাম ১ টাকা বেড়েছে। তবে অন্যান্য চাল আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। ধানের মূল্যবৃদ্ধির কারণে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানান এ ব্যবসায়ী।</p><p>মিল পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে যোগ হয় বাড়তি ট্রাকভাড়া, যা বেড়েছে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে। মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের চালের পাইকারি আড়ত বরিশাল রাইস এজেন্সির ব্যবস্থাপক মো. মহিউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ধান সংগ্রহ থেকে শুরু করে পাইকারি বাজারে চাল আনা পর্যন্ত একাধিকবার ট্রাকের ব্যবহার হয়। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর প্রতিবার ট্রাকে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা বেশি ভাড়া লাগছে। এ কারণে পাইকারি পর্যায়ে চালের দাম গড়ে ১ টাকার মতো বেড়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/196xypdn/WhatsApp-Image-2026-10-08-at-11.16.00-PM.jpeg"><figcaption>রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের একটি চালের দোকান। গতকাল তোলা ছবি। প্রথম আলো</figcaption></figure><p>মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের খুচরা চাল বিক্রেতা মো. লোকমান হোসেন বলেন, ‘এক গাড়িতে চাল থাকে ১৫ হাজার কেজি। কেজিতে ১ টাকা করে বাড়লে ১৫ হাজার টাকা বেশি লাগে। কিন্তু ট্রাক ভাড়া তো ২–৩ হাজার টাকা বেড়েছে। বাজারে তদারকি কম থাকায় আমাদের পাইকারি থেকে বেশি দামে চাল কিনতে হচ্ছে। ফলে ক্রেতাদের কাছেও বেশি দামে চাল বিক্রি করতে হয়।’</p><p>রাজধানীর শেখেরটেক এলাকার বাসিন্দা অবসরপ্রাস্ত স্কুল শিক্ষক শামীমা আক্তার গতকাল কৃষি মার্কেটে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাজারে তো প্রতি সপ্তাহেই কোনো না কোনো জিনিসের দাম বাড়ে। দাম কমে খুব কম। আমরা মধ্যবিত্ত মানুষ। কষ্ট হলেও কাউকে কিছু বলতে পারি না।’</p><h3>পেঁয়াজের দাম বেড়েছে </h3><p>এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। অবশ্য গত বছরের এমন সময়ে পেঁয়াজের কেজি ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা। সে তুলনায় এখন পেঁয়াজের দাম ২৭ শতাংশ কম রয়েছে। এ ছাড়া এক সপ্তাহের মধ্যে রসুনের দাম কেজিতে ২০–৩০ টাকা বেড়েছে।</p><p>গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কম। বিক্রেতারা জানান, কোম্পানিগুলো তেলের দাম বাড়াতে চায়; এ জন্য সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে।</p><p>সাধারণত বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ সংকট তৈরি হলে খোলা সয়াবিন তেলের চাহিদা ও মূল্যবৃদ্ধি পায়। এবারও তা–ই হয়েছে। সরকারি সংস্থা টিসিবির তথ্য অনুসারে, গত দুই সপ্তাহে খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে।</p><p>বাজারে ফার্মের মুরগি ও ডিমের দাম উচ্চমূল্যে স্থিতিশীল রয়েছে। ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিম এখন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাড়া–মহল্লার দোকানে অবশ্য দাম আরও ৫ টাকা বেশি। এ ছাড়া প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।</p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
র‍্যাঙ্কিংয়ে না থাকা আফগানিস্তানও কেন বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ
র‍্যাঙ্কিংয়ে না থাকা আফগানিস্তানও কেন বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

আবুধাবিতে আজ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ–আফগানিস্তান একমাত্র টেস্ট। মরুর দেশের কন্ডিশনে বাংলাদেশের টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা এবারই প্রথম হবে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছুঁই ছুঁই
এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছুঁই ছুঁই

বাংলাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে পহেলা জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেেশে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৯৪ জনে । আরও উল্লেখযােগ্য খবরের মধ্যে রয়েছে, চট্টগ্রামে বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার জন্য দুবাইভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। এদিকে, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
যন্তর মন্তর যেভাবে গণতন্ত্রের স্পন্দন মাপতে শুরু করল
যন্তর মন্তর যেভাবে গণতন্ত্রের স্পন্দন মাপতে শুরু করল

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণাগার হিসেবে ১৭২৪ সালে যে যন্তর মন্তর গড়া হয়েছিল, দিল্লির সেই প্রাচীন মানমন্দির, সম্প্রতি আন্দোলনের কারণে যন্তর মন্তর আবার শিরোনামে। কিন্তু যন্তর মন্তর কীভাবে একটি আন্দোলন কেন্দ্রে পরিণত হল?

অক্টোবর ৯, ২০২৬
এলাকাভেদে ভিন্ন রঙ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে ঢাকার অটোরিকশা?
এলাকাভেদে ভিন্ন রঙ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে ঢাকার অটোরিকশা?

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অবাধ চলাচল নিয়ে সম্প্রতি নানা আলোচনা সামনে আসছে। এই যানবাহন নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা তৈরিসহ নানা পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নিয়ে অতীত অভিজ্ঞতা ভালো নয়।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
আপত্তি ও বিক্ষোভের মুখেই দুবাইয়ের কোম্পানির হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল
আপত্তি ও বিক্ষোভের মুখেই দুবাইয়ের কোম্পানির হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেও এটি নিয়ে বিদেশি কোম্পানির সাথে চুক্তি করার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। কিন্তু বন্দরের শ্রমিক কর্মচারীদের বিরোধিতার মুখে সরকার সেই কার্যক্রম স্থগিত করেছিল।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
মৎস্যকন্যা বা জলপরী মিথ কোথা থেকে এলো?
মৎস্যকন্যা বা জলপরী মিথ কোথা থেকে এলো?

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মারমেইড বা জলপরী নিয়ে মানুষের আগ্রহের যেন অন্ত নেই। বিশ্বের ভিন্ন ভিন্ন মহাদেশের কোথাও জলপরী, কোনো দেশে মারমেইড, কোথাও মাদার অফ ওয়াটার বা জলের মা, কোথাও সাইরেন, আবার কোনো কোনো জায়গায় এটি মৎস্যকন্যাসহ নানা নামে পরিচিত।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
ইসরায়েলে সাত অক্টোবর হামলা নিয়ে নেতানিয়াহু সরকারের ভূমিকায় প্রশ্ন উঠছে কেন?
ইসরায়েলে সাত অক্টোবর হামলা নিয়ে নেতানিয়াহু সরকারের ভূমিকায় প্রশ্ন উঠছে কেন?

ইসরায়েলে তিন বছর আগে যা ঘটেছে তার জন্য কোনো ব্যক্তিগত দায়িত্ব নিতে বা রাষ্ট্রীয় তদন্তের নির্দেশ দিতে অস্বীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন
বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন

বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকর ৭৫ বছর বয়সে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে গোয়া রাজ্যে তার মৃত্যু হয়।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বিরোধী দলগুলো ও তরুণরা কেন আন্দোলনে?
ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বিরোধী দলগুলো ও তরুণরা কেন আন্দোলনে?

ককরোচ জনতা পার্টি, বামপন্থি দল ও সংগঠনগুলোর যে বিক্ষোভ ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে গত সপ্তাহ ধরে শুরু হয়েছে, তাদের সঙ্গে ইন্ডিয়া জোটের দলগুলোও যুক্ত হয়েছে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
কুরিয়ারের ভিড়ে আড়ালে ডাকঘরের পার্সেল সেবা
কুরিয়ারের ভিড়ে আড়ালে ডাকঘরের পার্সেল সেবা

অনলাইনে কেনাকাটা ও ব্যবসার সঙ্গে অভ্যস্ত তরুণদের কাছে কুরিয়ার সেবা এখন নিত্যদিনের প্রয়োজন।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
‘গ্ল্যামার থাকলেই ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকা যায় না’
‘গ্ল্যামার থাকলেই ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকা যায় না’

রুপালি জগতে গ্ল্যামারের বিকল্প নেই—এ কথা বহু দিন ধরেই প্রচলিত!

অক্টোবর ৯, ২০২৬
প্রিপেইড মিটারে বিলের হিসাব বুঝতে হিমশিম গ্রাহক
প্রিপেইড মিটারে বিলের হিসাব বুঝতে হিমশিম গ্রাহক

রাঙামাটি জেলায় প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার নিয়ে গ্রাহকদের অসন্তোষ বাড়ছে। রিচার্জ করা টাকা দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া, বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় ব্যয় বেশি হওয়া এবং মিটারে বিভিন্ন খাতে টাকা কর্তনের হিসাব বুঝতে না পারার অভিযোগ করছেন গ্রাহকেরা।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
৩ নভেম্বরের আগে ইরানে কোনো হামলা চালাবে না যুক্তরাষ্ট্র
৩ নভেম্বরের আগে ইরানে কোনো হামলা চালাবে না যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে এবং নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী কংগ্রেসনাল নির্বাচনের আগে দেশটির ওপর আর কোনো হামলা চালানো হবে না। বৃহস্পতিবার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেছেন।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে বাংলাদেশকে প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও রপ্তানিকারক হতে হবে
ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে বাংলাদেশকে প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও রপ্তানিকারক হতে হবে

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে বাংলাদেশকে শুধু প্রযুক্তির ব্যবহাকারী নয়; প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও রপ্তানিকারক হিসেবে হতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটের প্রধান মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
ধলেশ্বরী নদীতে ১ লাখ পোনা অবমুক্ত 
ধলেশ্বরী নদীতে ১ লাখ পোনা অবমুক্ত 

দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বাড়াতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে ধলেশ্বরী নদীতে এক লাখ পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
বিপর্যস্ত হচ্ছে সৌদি আরব
বিপর্যস্ত হচ্ছে সৌদি আরব

ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের বিরুদ্ধে তাদের হামলা জোরদার করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে তারা দেশটির আকাশসীমা ও তেল স্থাপনাগুলো অচল করে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। চলতি সপ্তাহের হামলায় ইতিমধ্যে তিনজন নিহত হয়েছেন।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
কেরানীগঞ্জে আবুল কাশেম মার্কেটে আগুন, এক ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে
কেরানীগঞ্জে আবুল কাশেম মার্কেটে আগুন, এক ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কালিগঞ্জ জোড়া ব্রিজ সংলগ্ন আবুল কাশেম মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে গার্মেন্ট পল্লীর মসজিদ মার্কেটসংলগ্ন ওই মার্কেটে আগুন লাগে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬