feature

বিশ্বজুড়ে মানুষ কেন বাংকার বানাচ্ছে

নভেম্বর ৬, ২০২৬
বিশ্বজুড়ে মানুষ কেন বাংকার বানাচ্ছে
বিশ্বজুড়ে মানুষ কেন বাংকার বানাচ্ছে
বিশ্বজুড়ে বাংকার তৈরির আগ্রহ বাড়ার পেছনে অন্যতম কারণ যুদ্ধ। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আক্রমণ শুরু করার পর ইউরোপের অনেক দেশে বাসার নিচে ব্যক্তিগত বাংকার

Prothomalo

View more
আশাশুনির আশা তামান্নারা
আশাশুনির আশা তামান্নারা

নড়বড়ে সাঁকো থেকে সহপাঠীরা বই–খাতাসহ পানিতে পড়ে যাওয়ার পর শিশুরা দল বেঁধে ছুটে যায় ইউনিয়ন পরিষদে। তাদের চাপেই তৈরি হয় ভাসমান সেতু, নিরাপদ পথ পায় প্রায় ১৪০ শিক্ষার্থী

নভেম্বর ৬, ২০২৬
রোনালদো থাকবেন ওখানেই
রোনালদো থাকবেন ওখানেই

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার পর্তুগালের জার্সিতে খেলেছেন ২৩ বছর।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
আইফোনের পাশাপাশি নতুন মডেলের স্মার্টফোনে আগ্রহ ক্রেতাদের
আইফোনের পাশাপাশি নতুন মডেলের স্মার্টফোনে আগ্রহ ক্রেতাদের

<p>গত এক মাসে অ্যাপলের নতুন মডেলের আইফোনের পাশাপাশি স্যামসাং, ভিভো, শাওমি, টেকনো ও অনারসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নতুন ফোন বাজারে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়েছে। বর্তমানে আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের পাশাপাশি ভাঁজ করা আইফোন ডুও পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। ফলে একদিকে নতুন আইফোন নিয়ে আগ্রহ, অন্যদিকে তুলনামূলক কম দামে ভালো ফোন কেনার সুযোগ—দুই মিলিয়ে ক্রেতা বেড়েছে মোবাইল ফোনের বাজারে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাজার ঘুরে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফোনের দাম এবং সেগুলোর উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরা হলো।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/jifzr1pz/iPhone-Duo.Apple.png"><figcaption>আইফোন ডুয়ো</figcaption></figure><h3>অ্যাপল</h3><p>১. আইফোন ডুও (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৩ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৭.৬ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল ২১৬০পি।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: অ্যাপল এ২০ প্রো।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৫১২ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৪ হাজার ৮৮৩ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. আইফোন ১৮ প্রো</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৩ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল ২১৬০পি।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট</p><p>প্রসেসর: অ্যাপল এ২০ প্রো।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৪ হাজার ৫৬ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ২ লাখ ১২ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৯ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল ২১৬০পি।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট</p><p>প্রসেসর: অ্যাপল এ২০ প্রো।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার ৩৯১ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৪. আইফোন ১৭ এয়ার</p><p>অফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৫ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল ২১৬০পি।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট</p><p>প্রসেসর: অ্যাপল এ১৯ প্রো।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৩ হাজার ১৪৯ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৫. আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স</p><p>অফিশিয়াল দাম: ২ লাখ ৪২ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৯ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ জিবি অ্যাপল এ১৯ প্রো</p><p>ধারণক্ষমতা: ৫১২ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৪ হাজার ৮৩২ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৬. আইফোন ১৭</p><p>অফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৩ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: অ্যাপল এ১৯</p><p>ধারণক্ষমতা:  ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৩ হাজার ৬৯২ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৭. আইফোন ১৬</p><p>অফিশিয়াল দাম: ৯৯ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.১ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: অ্যাপল এ১৮</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৩ হাজার ৫৬১ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/8fj5js2z/Galaxy-S26-FE.samsung.png"><figcaption>গ্যালাক্সি এস২৬ এফই</figcaption></figure><h3>স্যামসাং</h3><p>১. গ্যালাক্সি এস২৬ এফই</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৮০ হাজার টাকা</p><p>পর্দা: ৬.৭ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: এক্সিনস ২৫০০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৪ হাজার ৯০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. গ্যালাক্সি এস২৬ প্লাস</p><p>অফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৯৯ টাকা</p><p>পর্দা: ৬.৭ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট জেন ৫।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৪ হাজার ৯০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. গ্যালাক্সি এস২৬</p><p>অফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ২৮ হাজার ৪৯৯ টাকা।</p><p>আনঅফিশিয়াল মূল্য: ৮৫ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৩ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট জেন ৫।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৪ হাজার ৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৪. গ্যালাক্সি এ৫৭ ৫জি</p><p>অফিশিয়াল দাম: ৭৭ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: এক্সিনস ১৬৮০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৫. গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি</p><p>অফিশিয়াল দাম: ৫৭ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট এক্সিনস ১৪৮০</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৬. গ্যালাক্সি এ১৮</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৪০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৪ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: এক্সিনস ১৬৬০</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৭. গ্যালাক্সি এ১৭ ৫জি</p><p>অফিশিয়াল দাম: ৩৬ হাজার ২৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: এক্সিনস ১৩৩০</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><h3>শাওমি</h3><p>১. রেডমি ১৭ ফাইভ–জি (নতুন)</p><p>দাম: ৩১ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৯ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৪ জেন ৫।</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. শাওমি ১৮ প্রো</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৪ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট জেন ৬।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. রেডমি কে১০০ (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৬৫ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ২০০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৪. শাওমি পোকো এক্স৮এস (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৫০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৩৫ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৭ এলিট জেন ৪।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৬ হাজার ৩৩০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৫. রেডমি এম১০০ প্রো</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৪৫ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৬৭ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৭৩০০ আলট্রা।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/9anrb9ip/Techno-Pova4.png"></figure><h3>টেকনো</h3><p>১. পোভা ৪ (নতুন)</p><p>দাম: ২১ হাজার ৯৯০ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৮২ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ ও ৬০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: হেলিও জি৯৯ ৬এনএম।</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. স্পার্ক ৫০সি</p><p>অফিশিয়াল দাম: ২৩ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৪ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: হেলিও জি৮১।</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার ২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. স্পার্ক ৫০ এস (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৩০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৬৪০০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৬ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৪. স্পার্ক গো ৩ প্রো</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ২০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ১৩ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৪ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ইউনিসক টি৭২৫০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার ২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৫. ক্যামন স্লিম ৫জি</p><p>অফিশিয়াল দাম: ৫৯ হাজার ৯৯৯ টাকা</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৭৩০০ই ৫জি</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি</p><h3>গুগল</h3><p>১. পিক্সেল ১১ প্রো</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৩ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: গুগল টেনসর জি৬।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৫১২ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৪ হাজার ৮৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. পিক্সেল ১১</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৯৭ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৩ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: গুগল টেনসর জি৬।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৪ হাজার ৯৮৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. পিক্সেল ১০</p><p>অফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৩ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: গুগল টেনসর জি৫।</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৪ হাজার ৯৭০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৪. পিক্সেল ১০এ</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৬৩ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৩ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: গুগল টেনসর জি৪</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার ১০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৫. পিক্সেল ৯এ</p><p>অফিশিয়াল দাম: ৬৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৩ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: গুগল টেনসর জি৪।</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার ১০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><h3>অনার</h3><p>১. এক্স৮ই (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৫০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৮৭ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ১০৮ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৬৮৫।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার ৭০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. এক্স৯ই এস (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৫০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৯ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট জেন ৫।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৫১২ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার ১০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার</p><p>৩. ৬০০এস (নতুন)</p><p>অফিশিয়াল দাম: ৪৫ হাজার ৯৯০ টাকা।</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৩৯ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৮৭ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৪ জেন ৪।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৮ হাজার ১০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৪. ম্যাজিক ৮ প্রো</p><p>অফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭১ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ২০০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট জেন ৫।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৫১২ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার ১০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৫. ম্যাজিক ৮ প্রো এয়ার</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৯১ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৩ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৬৪ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৯৫০০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৫১২ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><h3>ওয়ানপ্লাস</h3><p>১. এইস ৭ প্রো (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৯০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ২০০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট জেন ৫।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৫১২ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৯ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. টার্বো ৬ভিএস  (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৭০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৭এস জেন ৪।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৯ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. এন ৬ লাইট</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ২৫ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৫ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ১৩ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৪ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ইউনিসক টি৭২৫০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৬৪ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৪. এন ৬এক্স  (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ২৬ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৪ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৬৩৬০ এপেক্স।</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৫. ওয়ানপ্লাস ১৫</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৯২ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট জেন ৫।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৫১২ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার ৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/ypgh3vuv/Vivo-y32vivo.png"><figcaption>ভিভো ওয়াই৩২</figcaption></figure><h3>ভিভো</h3><p>১. আইকিউ নিও১২ (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৮০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৮৫ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট জেন ৫।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৫১২ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৯ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. ভিভো ওয়াই৩২ (নতুন)</p><p>দাম: ৩৪ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ ও ২ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ইউনিসক টি৭৩০০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৮ হাজার  মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. ওয়াই৬০০</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৩৫ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৮৩ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৭৩০০ই।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৪. এক্স৫০০ প্রো ম্যাক্স</p><p>অফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৮৫ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ২০০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৯৬০০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৫১২ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৮ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৫. টি৫ ৫জি</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৪৫ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৮৩ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৭৫০০ টার্বো।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার ৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/7c2ij7lt/Oppo-F35-Pro.-Oppo.png"><figcaption> অপো এফ৩৫ প্রো</figcaption></figure><h3>অপো</h3><p>১. অপো এফ৩৫ প্রো  (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৬০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৭৩৬০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৮ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. অপো এফ৩৫ (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৫০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৬৩৬০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৮ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. ফাইন্ড এক্স১০ প্রো ম্যাক্স</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ২০০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৯৬০০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৫১২ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৮ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৪. ফাইন্ড এক্স১০</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ১০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৫৯ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ২০০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৯৫০০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৫১২ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৫. এ৭ প্রো</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৪০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৫৭ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৬৩৬০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৮ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><h3>রিয়েলমি</h3><p>১. সি ০১ (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম:  ৩০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬. ৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৮ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ইউনিসক টি৭২৫০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৬ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. ১৬এক্স</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম:  ৩৫ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬. ৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৬৩০০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. সি১০০এক্স</p><p>অফিশিয়াল দাম: ২১ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬. ৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৪ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ইউনিসক টি৭২৫০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৮ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><h3>সিম্ফনি</h3><p>১. ম্যাক্স ৭০</p><p>অফিশিয়াল দাম: ১৪ হাজার ৪৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৫ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ১৩ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৪ গিগাবাইট।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৬৪ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. ইনোভা ৪০</p><p>অফিশিয়াল দাম: ১২ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৫ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ইউনিসক টি৬১৫</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. ম্যাক্স ৩০</p><p>অফিশিয়াল দাম: ৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৫৬ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৩ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: টি৬০৩।</p><p>ধারণক্ষমতা: ৬৪ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><h3>ওয়ালটন</h3><p>১. নেক্সজি এন৭৭ (নতুন)</p><p>অফিশিয়াল দাম: ১৭ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ১৩ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: হেলিও জি৯৯</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. জ্যানন এক্স১ আলট্রা</p><p>অফিশিয়াল দাম: ১৯ হাজার ৪৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৬ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: হেলিও জি৯৯</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. জ্যানন এক্স২২ ৫জি</p><p>অফিশিয়াল দাম: ২৫ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৭১০০</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><h3>হুয়াওয়ে</h3><p>১. মেট ৯০ আরএস আলটিমেট (নতুন)</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৯ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ২০০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১৬ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: কিরিন ৯০৩০ প্রো।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৬ হাজার ৮০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. নোভা ১৬এস প্রো</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ১ লাখ ১০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৮৪ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ২০০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: কিরিন ৯০১০ প্রো।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. নোভা ১৬এস</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৯০ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৬৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: কিরিন ৮০২০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><h3>ইনফিনিক্স </h3><p>১. হট ৭০ প্রো</p><p>অফিশিয়াল দাম: ৩৬ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৬ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৭১০০।</p><p>ধারণক্ষমতা: ১২৮ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. জিটি ৩০</p><p>অফিশিয়াল দাম: ৩০ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৬৪ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৭৪০০</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. হট ৬০ প্রো+</p><p>অফিশিয়াল দাম: ২৮ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: হেলিও জি২০০</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৫ হাজার ১৬০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>মটোরোলা</p><p>১. এজ ৭০ প্লাস</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৮৫ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ২০০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ৮ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: স্ন্যাপড্রাগন ৭এস জেন৩।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৬ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>২. এজ ৭০ প্রো+</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৬৬ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল ২১৬০পি।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৮৫০০ এক্সট্রিম।</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৬ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।</p><p>৩. এজ ৭০ প্রো</p><p>আনঅফিশিয়াল দাম: ৫৪ হাজার টাকা।</p><p>পর্দা: ৬.৭৮ ইঞ্চি।</p><p>ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল।</p><p>র‍্যাম: ১২ গিগাবাইট।</p><p>প্রসেসর: ডাইমেনসিটি ৮৫০০ এক্সট্রিম</p><p>ধারণক্ষমতা: ২৫৬ গিগাবাইট।</p><p>ব্যাটারি: ৬ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ার ৯০ ওয়াট।</p>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
মানুষের মতো বক্সিং, মার্শাল আর্ট, টেবিল টেনিস খেলছে রোবট!
মানুষের মতো বক্সিং, মার্শাল আর্ট, টেবিল টেনিস খেলছে রোবট!

মানুষের মতো বক্সিং, মার্শাল আর্ট, টেবিল টেনিস খেলছে রোবট!

নভেম্বর ৬, ২০২৬
হেমন্তের শেষ রোদ্দুরে সাদিয়ার সালোয়ার-কামিজ লুক
হেমন্তের শেষ রোদ্দুরে সাদিয়ার সালোয়ার-কামিজ লুক

হেমন্তের রোদে সোনালি আভা, বাতাসে শীতের আগমনী বার্তা। প্রকৃতির এই রঙের সঙ্গে যেন নিজের সাজটাও মিলিয়ে নিয়েছেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
মৌখিক সভ্যতার প্রত্যাবর্তন
মৌখিক সভ্যতার প্রত্যাবর্তন

<p>মানুষের সভ্যতাকে বদলে দিয়েছিল লেখার আবিষ্কার, বই ও পাঠের বিস্তার। অথচ ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে মানুষ ক্রমেই বই থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, ফিরছে শোনা ও দেখার জগতে। এই প্রত্যাবর্তন কি নতুন এক মৌখিক সভ্যতার সূচনা, যার অভিঘাতে বদলে যাবে সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও মানুষের চিন্তার ধরন?</p><p>আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরিতে নাকি সাত লাখ বই ছিল। বই না বলে প্যাপিরাসের স্ক্রল বললে সঠিক বলা হবে। প্লেটো–অ্যারিস্টটল থেকে শুরু করে সব গ্রিক মহারথীর বইপত্র ছিল সেখানে। সে এক সুবিশাল রত্নভান্ডার। সেই লাইব্রেরি হারিয়ে গেছে পরবর্তী ৪০০ বছরের মধ্যে। আর হারিয়ে গিয়ে এক দীর্ঘ অন্ধকার যুগ নেমে এসেছে ইউরোপে।</p><p>এত দিন মনে করা হতো প্রাচীন আমলের যুদ্ধবিগ্রহের বলি হয়ে ওই লাইব্রেরি ধ্বংস হয়েছে। তবে এখনকার ইতিহাসবিদদের কেউ কেউ বলছেন, যুদ্ধ নয়, আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরি ধ্বংস হয়েছে অবহেলায়। মানুষের অবহেলা। পরবর্তী যুগে বইপত্রের কদর কমে গিয়েছিল। শাসক ও নাগরিকেরা মনে করেছে, অত পয়সাপাতি খরচ করে ওসব ফালতু প্যাপিরাসের স্তূপ পুষে কী লাভ! ফলে বইপত্র গেছে পোকা আর ইঁদুরের পেটে।</p><p>এই অনুমান সত্যি হলে বলতে হবে, আলেকজান্দ্রিয়ায় লাইব্রেরি ধ্বংস হয়েছে বলে অন্ধকার যুগ নেমে আসেনি। বরং ইউরোপজুড়ে অন্ধকার যুগ নেমে এসেছিল বলেই আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরি ধ্বংস হয়েছে। অন্ধকার যুগ মানে যে যুগে লোকে আর বই উল্টে দেখে না।</p><p>এতকাল পরে মনে হচ্ছে আরেকটি অন্ধকার যুগ সমাসন্ন।</p><p>কিছুদিন আগে আমেরিকান জার্নাল দ্য আটলান্টিক-এ একটা দীর্ঘ নিবন্ধ পড়ছিলাম রোজ হরোভিটজ নামে এক গবেষকের। ‘দ্য এন্ড অব রিডিং ইজ হেয়ার’ শিরোনামের ওই নিবন্ধে হরোভিটজ আক্ষেপ করে জানাচ্ছেন, যে আমেরিকানরা একদা দুনিয়ার সবচেয়ে পড়ুয়া জাতি হিসেবে গর্ব করতে ভালোবাসত, তারা ক্রমাগত পড়তে ভুলে যাচ্ছে। বেশ কিছু জরিপের উল্লেখ করে নিবন্ধকার দেখিয়েছেন, আমেরিকানরা বইটই আর খুব একটা ছুঁয়ে দেখে না। তারা নাকি জুয়া খেলে অবকাশ কাটাতে বেশি আগ্রহী।</p><blockquote>বই না পড়ার প্রবণতা দুনিয়াজুড়েই। শুধু বইপত্র নয়, দৈনিক পত্রিকা, সাময়িকী বা জার্নাল—লোকে আর কিছুই পড়তে চায় না। আর যাও বা পড়ে, তার মধ্যেও অবক্ষয়—নিছকই লঘু ও সহজপাচ্য সাহিত্য। এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিউইয়র্ক টাইমস–এর বেস্টসেলার তালিকার বইগুলোয় ইদানীং বাক্যের গড় দৈর্ঘ্য আগের চেয়ে এক–তৃতীয়াংশ কমে গেছে।</blockquote><p>বই না পড়ার প্রবণতা দুনিয়াজুড়েই। শুধু বইপত্র নয়, দৈনিক পত্রিকা, সাময়িকী বা জার্নাল—লোকে আর কিছুই পড়তে চায় না। আর যাও বা পড়ে, তার মধ্যেও অবক্ষয়—নিছকই লঘু ও সহজপাচ্য সাহিত্য। এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিউইয়র্ক টাইমস–এর বেস্টসেলার তালিকার বইগুলোয় ইদানীং বাক্যের গড় দৈর্ঘ্য আগের চেয়ে এক–তৃতীয়াংশ কমে গেছে।</p><p>শুধু যে পড়ায় অনীহা, তা–ই নয়; এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্কুলের শিক্ষার্থীদের পড়ার দক্ষতাও কমে যাচ্ছে। অর্থাৎ তারা পড়তে ভুলে যাচ্ছে বললে বেশি বলা হবে না।</p><p>এ পরিস্থিতির এখন একটা নাম দেওয়া হয়েছে: পোস্ট লিটারেট সোসাইটি। বাংলা করলে করা যাক, ‘অক্ষর–পরবর্তী সমাজ’। ছাপাখানা আবিষ্কারের আগে সমাজের বেশির ভাগ লোক পড়তে পারত না। সেটার নাম প্রি-লিটারেট সোসাইটি বা অক্ষর-পূর্ব সমাজ। ইললিটারেট বা নিরক্ষর নয়।</p><p>ছাপাখানার আবিষ্কার মানবসভ্যতাকে আমূল বদলে দিয়েছে। ছাপানো অক্ষর বা বইপুস্তক ও পত্রপত্রিকা সহজলভ্য হওয়ায় সর্বজনীন শিক্ষার বিস্তার ঘটেছে। এখন আমরা প্রায় সবাই পড়তে পারি।</p><p>পড়তে শেখা কোনো সহজসাধ্য ব্যাপার নয়। এর জন্য আমাদের মগজকে বিশেষভাবে পুনর্গঠন বা রি–অয়্যারিং করে নিতে হয়েছে। আমাদের চোখ হয়ে দাঁড়িয়েছে এক অবিশ্বাস্য দ্রুতগতির এবং দক্ষ ইমেজ স্ক্যানিং মেশিন। বইয়ের পাতার অক্ষর, শব্দ আর বাক্য ছবি আকারে মগজে পৌঁছালে মগজ দ্রুতবেগে শুরু করে ডেটা প্রসেসিং। তৈরি হয় অর্থ এবং অন্বয়। এ এক দীর্ঘ দুরূহ যান্ত্রিক প্রক্রিয়ার শিকল। আমরা সেটা এমন অনায়াস আর মসৃণ করে ফেলতে পেরেছি, টেরই পাওয়া যায় না পঠনের পেছনে একটা আস্ত প্রোডাকশন কারখানা কাজ করছে।</p><p>আবার ভাষার কথা ধরা যাক। গোড়া থেকে লেখার উপযুক্ত হয়ে ভাষার জন্ম হয়নি। মুখের উচ্চারণ ও শ্রবণের উপযুক্ত হয়ে ভাষার জন্ম। লেখা এক জটিল সংকেতব্যবস্থা। এ কারণে মানুষ মুখে বলার চেয়ে ধীরগতিতে লিখতে পারে। আর সে কারণেই যিনি লেখেন, তিনি তার লিখিত বাক্যে মনোনিবেশ করার সুযোগ পান। তিনি চিন্তা করার অবকাশ পান।</p><blockquote>এ নিয়ে একটি লেখা সম্প্রতি ছাপা হয়েছে আমেরিকান ডিজিটাল ম্যাগাজিন ‘ভক্স’-এ। এরিক লেভিটজ নামে এক গবেষক বলছেন, মানুষ বই পড়া কমিয়ে দেওয়ায় শুধু একটি সাংস্কৃতিক অভ্যাসের অবক্ষয় ঘটছে না, আমরা একধরনের ডিজিটাল ওরালিটি বা মৌখিকতার দিকে ফিরে যাচ্ছি। কথাটা পোক্ত করতে তিনি ওয়াল্টার জে অং নামে এক সাংস্কৃতিক ইতিহাসবিদের ‘ওরালিটি অ্যান্ড লিটারেসি’ তত্ত্বের সাহায্য নিয়েছেন।</blockquote><p>লেখাকে বলা হয় ভাষার সংহতিকরণ। লেখা মানুষকে বিমূর্ত চিন্তার দীর্ঘ শৃঙ্খল তৈরির সামর্থ্য দেয়। আর এ কারণে মানুষ দর্শন, ইতিহাস, সাহিত্য, বিজ্ঞান ইত্যাদি বিদ্যার জন্ম দিতে পেরেছে।</p><p>এখন পোস্টলিটারেট যুগ বা ‘অক্ষর–পরবর্তী সমাজে’ আমরা পড়তে ভুলে গেলে আমাদের মগজ আরেক দফা পুনর্গঠিত হবে। শুধু মগজ পুনর্গঠিত হবে না, আমাদের সমাজ-সভ্যতা এবং রাষ্ট্রব্যবস্থারও বদল ঘটবে।</p><p>রোজ হরোভিটজ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছেন, মানুষের সভ্যতার ইতিহাসে লেখা ও পঠনের এই সাক্ষর সময়কালটা অতি সংক্ষিপ্ত এক মধ্যবর্তী দশা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। এর এক দিকে অনন্ত অক্ষর-পূর্ব যুগ এবং এক দীর্ঘ ‘অক্ষর–পরবর্তী’ যুগ।</p><p>কথা হলো, আমাদের বই পড়ার শূন্যস্থানটি কী দিয়ে পূরণ হচ্ছে?</p><p>এ নিয়ে একটি লেখা সম্প্রতি ছাপা হয়েছে আমেরিকান ডিজিটাল ম্যাগাজিন ‘ভক্স’-এ। এরিক লেভিটজ নামে এক গবেষক বলছেন, মানুষ বই পড়া কমিয়ে দেওয়ায় শুধু একটি সাংস্কৃতিক অভ্যাসের অবক্ষয় ঘটছে না, আমরা একধরনের ডিজিটাল ওরালিটি বা মৌখিকতার দিকে ফিরে যাচ্ছি। কথাটা পোক্ত করতে তিনি ওয়াল্টার জে অং নামে এক সাংস্কৃতিক ইতিহাসবিদের ‘ওরালিটি অ্যান্ড লিটারেসি’ তত্ত্বের সাহায্য নিয়েছেন।</p><p>লেভিটজের বক্তব্য হলো, অক্ষর-পূর্ব সমাজে জ্ঞান টিকে থাকত মুখে-মুখে। আর সে কারণে কথাকে স্মৃতির উপযুক্ত করে বানিয়ে নিতে হতো। সে কাজে সহায়তা করত ছন্দ ও গল্প। এ কারণে গান, কাব্য আর লোককথার এত বিপুল বৈভব গড়ে উঠেছে অক্ষর-পূর্ব সমাজে। আজকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও একই ধরনের প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দীর্ঘ যুক্তির বদলে ছোট, স্মরণযোগ্য, আবেগ-উদ্দীপক বাক্য লেখা হচ্ছে। মিম তৈরি হচ্ছে। লোকে তার বক্তব্য ভাইরাল করতে নানা রকম চটকদার বাক্য লিখছেন, কৌতুক করছেন। হ্যাশট্যাগ দেওয়ার মধ্যে কত রকম সৃজনশীলতা যে ফুটে উঠছে, অবাক হয়ে যেতে হয়।</p><p>সবচেয়ে বড় কথা, এই নতুন মৌখিকতার যুগে কোনো বক্তব্যের সত্যতা খুব জরুরি নয়। সেটি কতবার ছড়িয়েছে বা কোন গোষ্ঠী সেটিকে সমর্থন করছে সেটিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। অর্থাৎ আমাদের হাতে আগের চেয়ে অসীম বেশি লিখিত তথ্য থাকলেও, তথ্য সংরক্ষিত হওয়ার চেয়ে সরবরাহ করাটাই তার সামাজিক শক্তির উৎস হয়ে উঠছে।</p><blockquote>এই সাহিত্য অবশ্য আগুনের পাশে অনেক মানুষ গোল হয়ে বসে শুনবে না বা বাজারের মাঝখানে বসে কেউ উচ্চ স্বরে আবৃত্তি করবে না। এগুলো টিকটকের ক্লিপ হয়ে ভেসে বেড়াবে নেট থেকে নেটে। অডিওবুক আর পডকাস্ট হয়ে ধ্বনিত হবে গাড়ির শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বাতাসে। লোকে শুনবে একা একা।</blockquote><p>সেদিন মেট্রোরেলে আমার এক পুরোনো সাংবাদিক সহকর্মীর সঙ্গে দেখা। তাঁর লেখার হাত খুব ভালো। সাহিত্য আর সিনেমার পোকা। ইদানীং অর্থনীতি নিয়ে একটা ভিডিও পডকাস্ট করছেন। আমি সেটা নিয়মিত দেখি। আমি পডকাস্টের প্রশংসা করায় তিনি বললেন, এত দিন ধরে লিখছেন। কত নিবন্ধ, কত প্রতিবেদন। কিন্তু পডকাস্ট করার পর শ্রোতাদের যে বিপুল প্রতিক্রিয়া আর ফিডব্যাক পাচ্ছেন, তা আগে কখনো পাননি। তিনি আর একটা লেখা তৈরির দীর্ঘ কষ্টকর শ্রম দিতে আগ্রহী হবেন বলে আমার মনে হয়নি।</p><p>অংয়ের মতে, লেখার আবির্ভাব মানুষকে এমন একধরনের চিন্তার অভ্যাস দিয়েছে, যেখানে দীর্ঘ সময় ধরে লোকে একটি টেক্সটের সঙ্গে একা</p><p>থাকতে পারত। এর ফলে তার পক্ষে জটিল যুক্তি অনুসরণ করা, বিমূর্ত ধারণা নিয়ে চিন্তা করা এবং নিজের চিন্তাকে সামাজিক পরিবেশ থেকে খানিকটা বিচ্ছিন্ন করে পরীক্ষা করা সম্ভব হতো। কিন্তু টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব আর পডকাস্টের যুগে আমাদের মনোযোগ ছোট ছোট অংশে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। এখন আমরা যেটাকে সাহিত্য বলি, ভবিষ্যতে সেটা হয়তো পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যাবে না, কিন্তু তার প্রকরণ এবং বোধগম্যতার ধরনে পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘ, ধীর, অন্তর্মুখী উপন্যাস হয়তো আর থাকবে না। কাহিনি আরও বেশি খণ্ডিত, এপিসোডিক এবং পারফরমেটিভ হয়ে উঠবে। সবচেয়ে বড় কথা, সাহিত্য মুখে বলার উপযোগী চেহারা ধারণ করবে, আদিতে যে চেহারায় তার জন্ম হয়েছিল। অর্থাৎ সাহিত্য আবার হয়তো হোমারের যুগে ফিরে যাবে। হয়তো আবার তা শ্রুতিযোগ্য, স্মরণযোগ্য ও পুনরাবৃত্তিযোগ্য হওয়ার দিকে যাত্রা করবে।</p><p>এই সাহিত্য অবশ্য আগুনের পাশে অনেক মানুষ গোল হয়ে বসে শুনবে না বা বাজারের মাঝখানে বসে কেউ উচ্চ স্বরে আবৃত্তি করবে না। এগুলো টিকটকের ক্লিপ হয়ে ভেসে বেড়াবে নেট থেকে নেটে। অডিওবুক আর পডকাস্ট হয়ে ধ্বনিত হবে গাড়ির শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বাতাসে। লোকে শুনবে একা একা।</p><p>অং একে বলেছেন, ‘দ্বিতীয় মৌখিক যুগ’। সহজ ভাষায় বললে বলতে হয়, বকাউল্লা আর শোনাউল্লার যুগ। বই এখানে আর জ্ঞান, চিন্তা ও সংস্কৃতির প্রধান বাহন নয়। আমরা একটি ঐতিহাসিক পর্ব থেকে বেরিয়ে আরেকটি পর্বে প্রবেশ করছি। সেটা কিছুটা অতীতেই ফেরা, নতুন এক চেহারায়। এর ফলে সাহিত্য, সাংবাদিকতা, রাজনীতি সব ক্ষেত্রে দীর্ঘ যৌক্তিক চিন্তার যুগ শেষ হচ্ছে। মানুষ আবার শুনতে ও দেখতে অভ্যস্ত হচ্ছে। সাহিত্য ও সাংবাদিকতার সেদিকে যাত্রা না করে উপায় কী!</p><p><strong>শিবব্রত বর্মন</strong>: কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক</p>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
এভাবে ঘরেই তৈরি করতে পারেন চুলের জন্য উপকারি তেল
এভাবে ঘরেই তৈরি করতে পারেন চুলের জন্য উপকারি তেল

<p>চুলের যত্নে তেল দিলেই শুধু হবে না, কোন তেল ব্যবহার করছেন, কীভাবে ব্যবহার করছেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। চুলের ধরন ও মাথার ত্বকের প্রয়োজন বুঝে একাধিক তেল মিশিয়ে তৈরি করা যায় বিশেষ মিশ্রণ। চাইলে তেলের সঙ্গে যোগ করতে পারেন ভেষজ উপাদান কিংবা নির্দিষ্ট কিছু এসেনশিয়াল অয়েল। ঘরে বসেই এসব তেল তৈরি করতে হলে জানতে হবে সঠিক উপাদান, মেশানোর অনুপাত ও ব্যবহারের নিয়ম। শোভন মেকওভার বিউটি ক্লিনিক অ্যান্ড স্যালনের কসমেটোলজিস্ট শোভন সাহা জানাচ্ছেন চুলের যত্নে ঘরোয়া উপায়ে তেল তৈরির উপায়।</p><h3>ঘরে তৈরি নারকেল তেল</h3><p>বাজারের তেলের বদলে ঘরেই নারকেল থেকে তেল তৈরি করতে চাইলে ছোট আকারের তেল নিষ্কাশনযন্ত্র ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য ভালো মানের নারকেল বেছে নিয়ে যন্ত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী তেল বের করতে হবে। </p><p>একই পদ্ধতিতে শর্ষে থেকেও তেল নিষ্কাশন করা যায়। তবে চুলের যত্নে শর্ষের তেলের বদলে নারকেল তেল ব্যবহার করাই ভালো। তেল তৈরির সময় নারকেল প্রস্তুত করা থেকে শুরু করে নিষ্কাশন ও সংরক্ষণ—প্রতিটি ধাপে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। তৈরি করা তেল পরিষ্কার ও শুকনা পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে পানি বা অন্য কোনো অপদ্রব্য মিশে না যায়। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2020/02/25/ad239d8191e34ae6710a4014175d62df-5e54c8cd190b0.jpg"><figcaption>ভেষজ উপাদানসমৃদ্ধ তেল চুলকে ভালো রাখে </figcaption></figure><h3>দুই-তিন তেলের মিশ্রণ</h3><p>চুলের যত্নে একাধিক তেল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য নারকেল, জলপাই ও ক্যাস্টর অয়েলের মতো তেল বেছে নেওয়া যায়। যেমন ১০০ মিলিলিটার মিশ্রণ তৈরি করতে ২০ মিলিলিটার ক্যাস্টর অয়েলের সঙ্গে ৮০ মিলিলিটার জলপাই তেল মেশাতে পারেন। </p><p>ক্যাস্টর অয়েল ঘন হওয়ায় সঙ্গে জলপাই তেল মেশালে ব্যবহার করা সহজ হয়। অন্যদিকে নারকেল তেল চুলের শুষ্কতা ও ভঙ্গুরতা কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে মাথার ত্বকে খুশকি, চুলকানি বা লালচে দাগ থাকলে সমস্যার কারণ বুঝে তেল ব্যবহার করা জরুরি। এ ধরনের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে নিজে নিজে বিভিন্ন তেলের মিশ্রণ ব্যবহার না করে চর্মরোগবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।</p><h3>এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2021-06/ff715ce0-5eb6-4caa-9334-6f40300bc9c7/1200px_Teatreeoil.jpg"><figcaption>টি ট্রি অয়েল</figcaption></figure><p>চুলের যত্নে রোজমেরি, টি ট্রি কিংবা ইউক্যালিপটাসের এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করা হয়। তবে এগুলো সাধারণ চুলের তেলের মতো নয়। এসেনশিয়াল অয়েল হলো উদ্ভিদের সুগন্ধি উপাদান থেকে তৈরি ঘন নির্যাস। </p><p>সরাসরি মাথার ত্বকে ব্যবহার করলে জ্বালাপোড়া বা অ্যালার্জি হতে পারে। তাই ব্যবহারের আগে নারকেল বা জলপাই তেলের মতো ক্যারিয়ার অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হয়। </p><p>ক্যারিয়ার অয়েল হলো এমন বেজ অয়েল, যা এসেনশিয়াল অয়েলকে পাতলা করে ত্বকে ব্যবহারের উপযোগী করতে সাহায্য করে। তবে কোন এসেনশিয়াল অয়েল কতটুকু মেশাতে হবে, তা তেলের ধরন ও ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে। পাশাপাশি ত্বকের ছোট একটি অংশে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/beauty/g2smv9ggpo">চুল চিটচিটে হওয়ার কারণ শুধু ঘাম নয়, দায়ী হতে পারে এই ১০টি বিষয়</a></aside><h3>তেলে ভেষজ উপাদান</h3><p>চুলের যত্নে ভেষজ উপাদান ব্যবহার করতে চাইলে নারকেল বা জলপাই তেলের সঙ্গে কিছু শুকনা পাতা ও ফুল মেশানো যায়। নিমপাতা, গাঁদা ফুল ও পাতা কিংবা ল্যাভেন্ডারের মতো উপাদান এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। উদ্ভিদের উপাদান তেলে নির্দিষ্ট সময় ভিজিয়ে রেখে তার কিছু তেলদ্রবণীয় উপাদান তেলে মিশিয়ে নেওয়ার পদ্ধতিকে বলা হয় ইনফিউশন।</p><p>এভাবে তেল তৈরি করতে হলে প্রথমেই পাতা ও ফুল ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর পরিষ্কার, সম্পূর্ণ শুকনা পাত্রে উপাদানগুলো রেখে তার ওপর ক্যারিয়ার অয়েল ঢালতে হবে। পাত্রটি বন্ধ করে রেখে দিতে হবে। </p><p>এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আর্দ্রতা এড়িয়ে চলা। পাতা বা ফুল ভেজা থাকলে কিংবা পাত্রে পানি ঢুকলে তেলে ছত্রাক ও জীবাণু জন্মানোর ঝুঁকি থাকে। </p><p>তাই ঘরে তৈরি ভেষজ তেল অল্প পরিমাণে তৈরি করা এবং দুর্গন্ধ, রঙের পরিবর্তন কিংবা ছত্রাকের লক্ষণ দেখা দিলে তা ফেলে দেওয়া উচিত। ভেষজ উপাদান ব্যবহার করলেই তেলটি জীবাণুমুক্ত বা বেশি কার্যকর হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।</p><p>চুলের যত্নে বিশেষ করে চুলের শুষ্কতা ও ভঙ্গুরতা কমাতে তেল উপকারী হতে পারে। চুলের প্রয়োজন বুঝে সঠিক তেল নির্বাচন, পরিমিত ব্যবহার এবং পরিচ্ছন্নভাবে সংরক্ষণ—তিনটি বিষয়ই ঘরোয়া তেল দিয়ে চুলের যত্নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/beauty/bkgj5g1oed">চোখে কাজল দেওয়ার ৫ ভিন্ন স্টাইল</a></aside>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
বাঁশি যার যার, বাঁশ সবার
বাঁশি যার যার, বাঁশ সবার

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/5zkiza6f/01.jpg"></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/bzeq75t40i">বোর্ড পরীক্ষার রেজাল্ট আতঙ্ক!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/nay9oz11de">স্যরি!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3y37khdj9g">আপনি কত বড় মিথ্যাবাদী?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3fbuod5lle">উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/hik3yizsq8">সিনেপ্লেক্সে একদিন </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/m9eme7ddwo">বেরেক কাম করে না!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/tnsdadk1at">সড়কপথে বিমানের ছোঁয়া </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/j2xtgsfcge">আমি ভুল করিনি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/bvavx49d33">Breaking Good</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/wio8c5i398">আরও যা যা ফাঁস হতে পারে</a></aside>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
রাহুল গান্ধী কি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন
রাহুল গান্ধী কি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন

<p>ভারতের লাখ লাখ মানুষ মনে করেন, দেশকে ঘৃণা ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে বের করে আনতে রাহুল গান্ধীই হতে পারেন যোগ্য নেতা। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত এখন গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সমাজে বৈষম্য বাড়ছে। ধনী ও দরিদ্রের ব্যবধান আরও প্রকট হচ্ছে। অর্থনীতির সুফল প্রধানত ধনীদের ঘরেই যাচ্ছে। গত রোববার দিল্লিতে ভোট চুরির প্রতিবাদে বিরোধী দলগুলোর বিশাল সমাবেশে মানুষের উপস্থিতি দেখে মনে হয়েছে, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বের প্রতি অনেকের আস্থা তৈরি হয়েছে।</p><p>নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে তরুণেরাও ক্ষুব্ধ। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন তাঁরা। তবে নির্বাচনে কারচুপি করার অর্থ হলো, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জনগণের সমর্থন পাওয়ার ব্যাপারে ক্ষমতাসীনদের আস্থা নেই। এই দিক থেকে দেখলে কারচুপির ঘটনা গণতন্ত্রের জন্য বিপদের সংকেত হলেও তা ক্ষমতাসীনদের দুর্বলতাও প্রকাশ করে।</p><p>গণতন্ত্রকে দুর্বল করার ঘটনা অবশ্য শুধু ভারতেই ঘটছে না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের মধ্যেও বিষয়টি স্পষ্ট। ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র ও সংখ্যালঘুদের অধিকারের প্রতি তাঁদের দুজনেরই অবজ্ঞা রয়েছে। গত সপ্তাহের নির্বাচনের পর ইসরায়েলের আরব বংশোদ্ভূত সংসদ সদস্যরা নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। অথচ নেতানিয়াহু তাঁদের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/yj54lw7act">ভারতের ‘তেলাপোকাদের’ বিজয় যা প্রমাণ করল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/54iweqtlxc">ভারতে বিক্ষোভে ‘গোদি মিডিয়ার’ সাংবাদিকেরা কেন তোপের মুখে</a></aside><p>ভারতেও মোদির ক্ষেত্রে একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক নির্বাচনে তাঁর দল বিতর্কিতভাবে জয় পেয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মোদির পছন্দের নির্বাচন কমিশন লাখ লাখ মুসলিম ভোটারসহ সরকারের সম্ভাব্য বিরোধীদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। অন্যদিকে, মোদির সঙ্গে বন্ধুত্বের পুরস্কার হিসেবে নেতানিয়াহুর সরকার ভারতকে পেগাসাসের মতো আড়ি পাতার প্রযুক্তি দিয়েছিল। এসব প্রযুক্তি গণতন্ত্রকে দুর্বল করার কাজে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।</p><p>রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান, এমন মানুষের সংখ্যা কম নয়। ভারতের গণতন্ত্রকে আবার সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা তিনি করেছেন। তবে প্রশ্ন হলো, প্রতিষ্ঠিত ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াই করার মতো দৃঢ়তা ও রাজনৈতিক কৌশল তাঁর আছে কি না? প্রিয়াঙ্ক খাড়গে, এম কে স্ট্যালিন কিংবা অখিলেশ যাদবের মতো মাঠের রাজনীতিতে অভিজ্ঞ নেতাদের সঙ্গে তুলনা করলে এই প্রশ্ন ওঠে।</p><p>গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যার বিরুদ্ধে সোনিয়া গান্ধী এবং তাঁর দুই সন্তান রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সরব হয়েছেন। ভারতের বামপন্থী দলগুলো ছাড়া বড় রাজনৈতিক দলগুলোর অধিকাংশই এ বিষয়ে নীরব থেকেছে। এ কারণে গান্ধী পরিবারের অবস্থান প্রশংসার দাবি রাখে। তবে এতে তাঁদের বিদেশি ও দেশের ভেতরের নানা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর আক্রমণের লক্ষ্য হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। দশেরার অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান অতিথি হিসেবে একজন ইসরায়েলি কূটনীতিককে আমন্ত্রণ জানানোর ঘটনাও উদ্বেগজনক।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/2ebxiafg/ongress-leader-.jpg"><figcaption>ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আদলে তৈরি একটি পুতুল হাতে নিয়ে হাঁটছেন বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী। বিরোধী দলের নেতাদের নিয়ে তিনি বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে মিছিল করেন। নয়াদিল্লি</figcaption></figure><p>কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন কেউ করছেন না। রাহুল গান্ধী নিজে কি প্রধানমন্ত্রী হতে চান? অনেকেই যেন তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। অথচ তাঁর নিজের ইচ্ছা কী, তা জানা জরুরি। নেহরু-গান্ধী পরিবারের ইতিহাস বিবেচনা করলে মনে হয়, রাহুলের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার তেমন উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই। সোনিয়া গান্ধীর শিগগির প্রকাশিতব্য স্মৃতিকথা থেকে হয়তো এ বিষয়ে আরও কিছু জানা যাবে।</p><p>ভারতীয় জনতা পার্টি নিয়মিত জওহরলাল নেহরু ও তাঁর মেয়ে ইন্দিরা গান্ধীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার লোভের অভিযোগ তোলে। অথচ ভারতের ইতিহাসে সংসদে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন নেহরু। ১৯৫০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশভাগের পর শরণার্থী সংকটের কারণে তিনি পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের অনুরোধে তিনি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।</p><p>১৯৫৮ সালেও নেহরু পদ ছাড়তে চেয়েছিলেন। তখন তিনি মানসিকভাবে ক্লান্ত ছিলেন। আদর্শের প্রতি আগের বিশ্বাস কমে আসছিল। ভারতের রাজনীতিতে জনজীবনের মানও তাঁর কাছে ক্রমেই নিচে নেমে যাচ্ছিল। এ নিয়ে দেশে আলোড়ন তৈরি হয়। কংগ্রেস নেতারা তাঁকে দায়িত্বে থেকে যাওয়ার অনুরোধ জানান।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/6qs0aa9wo5">জ্ঞানেশেই কি গণেশ ওলটাবে মোদির?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/zkdw66c18r">ধ্রুব রাঠির ‘নমস্কার দোস্ত!’ মোদির জন্য কতটা চিন্তার?</a></aside><p>নেহরু কি তাঁর মেয়েকে উত্তরসূরি করতে চেয়েছিলেন? ইতিহাসে এর প্রমাণ নেই। বরং ১৯৫২ সালে তরুণ সমাজতান্ত্রিক নেতা জয়প্রকাশ নারায়ণকে নিজের সহযোগী হিসেবে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু জয়প্রকাশ সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। ইন্দিরা গান্ধীকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া কিংবা প্রধানমন্ত্রী করার কোনো ইঙ্গিতও তখন ছিল না।</p><p>নেহরু কংগ্রেসের ডানপন্থী নেতা মোরারজি দেশাইকে নিয়ে সতর্ক ছিলেন। তিনি একবার জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের পদত্যাগ করে দলের তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করার পরিকল্পনা করেন। একই সময়ে লাল বাহাদুর শাস্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে বিনা দপ্তরের মন্ত্রী করেন। এটি ছিল শাস্ত্রীকে ভবিষ্যৎ উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনার ইঙ্গিত।</p><p>তাসখন্দে শাস্ত্রীর আকস্মিক মৃত্যুর পর আবার দেশাইয়ের ক্ষমতায় আসার আশঙ্কা দেখা দেয়। কংগ্রেসের প্রভাবশালী আঞ্চলিক নেতারা তাঁকে ঠেকাতে ইন্দিরা গান্ধীকে সামনে আনেন। তাঁদের ধারণা ছিল, ইন্দিরাকে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। কিন্তু ইন্দিরা নিজে গুলজারিলাল নন্দাকে সমর্থন করতে চেয়েছিলেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/n706yqkb/india-008.jpg"><figcaption>দিল্লিতে এক বিক্ষোভে কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা রাহুল গান্ধী ও তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র</figcaption></figure><p>ইন্দিরাকে সমর্থনকারী সিন্ডিকেট ছিল মূলত রক্ষণশীল, ব্যবসাবান্ধব এবং সমাজতন্ত্রবিরোধী। ১৯৬৯ সালে কমিউনিস্টদের সমর্থন নিয়ে ইন্দিরা তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। জরুরি অবস্থা জারির পর বামপন্থীরা তাঁকে সমর্থন দেওয়া বন্ধ করে দেয়। লেখকের মতে, সেটি ছিল তাঁদের বড় রাজনৈতিক ভুল। পরে রক্ষণশীল ও ধর্মীয় পুনরুজ্জীবনবাদীরা ইন্দিরার চারপাশে প্রভাব বিস্তার করেন। তাঁদের প্রভাবেই পাঞ্জাব নিয়ে ইন্দিরার সেই ভয়াবহ নীতি তৈরি হয়েছিল বলে মনে করা হয়। শেষ পর্যন্ত সেই নীতিই তাঁর পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।</p><p>রাজীব গান্ধী ছিলেন অত্যন্ত ব্যক্তিগত জীবনযাপনকারী একজন মানুষ। ছোট ভাই সঞ্জয় গান্ধী বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর মায়ের পাশে দাঁড়াতে তাঁকে রাজনীতিতে আসতে হয়। ইন্দিরা গান্ধী হত্যাকাণ্ডের পর পরিস্থিতি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী করে। সোনিয়া গান্ধী যে রাজীবের রাজনীতিতে আসার বিরোধিতা করেছিলেন, তার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সিদ্ধান্তেও তিনি বাধা দিয়েছিলেন। তাঁর আশঙ্কা ছিল, রাজীবও প্রাণ হারাতে পারেন। তখন রাজীব বলেছিলেন, ‘আমি তাঁর ছেলে। আমি যদি দায়িত্ব না নিই, তাহলে কে নেবে?’ এটা কি ক্ষমতার উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল?</p><p>১৯৯৯ সালে রাষ্ট্রপতির কাছে ২৭২ জন সমর্থকের তালিকা নিয়ে গিয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। তাহলে কি তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন? অথচ ২০০৪ সালে তিনি নিজে মনমোহন সিংকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেন। সাবেক আমলা আর ডি প্রধানের ২০১৪ সালের একটি বইয়ে বলা হয়েছে, ১৯৯৯ সাল থেকেই সোনিয়ার পছন্দের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মনমোহন সিং।</p><p>সোনিয়া গান্ধী শুধু প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করেই থেমে থাকেননি। তিনি একটি কার্যকর পরামর্শক পরিষদ গঠন করেছিলেন। এই পরিষদ দারিদ্র্য দূরীকরণ, তথ্য অধিকার, শিক্ষার অধিকার এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের বেসরকারীকরণ বন্ধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনমোহন সিং সরকারকে পরামর্শ দিত। এসব উদ্যোগ নেহরু ও ইন্দিরা গান্ধীর আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।</p><p>সম্ভবত রাহুল গান্ধীও পরিবারের এই রাজনৈতিক ঐতিহ্য অনুসরণ করবেন। তাঁর বেড়ে ওঠা ও রাজনৈতিক শিক্ষা তাঁকে উদার ও শালীন রাজনীতির দিকে নিয়ে গেছে। কিন্তু ডানপন্থী রাজনীতির নিষ্ঠুর পরিবেশে এই শালীনতা কতটা কার্যকর হবে, সেটিই প্রশ্ন। নেহরু যেমন একসময় রাজনীতির অবনতি দেখে পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন, রাহুলের ক্ষেত্রেও তেমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। কারণ, প্রতিপক্ষ কোণঠাসা হয়ে পড়লে পাল্টা আক্রমণ আরও ভয়ংকর হতে পারে। সেই আক্রমণ মোকাবিলায় ভারতের প্রগতিশীল শিবিরে আরও অনেক কঠোর ও লড়াকু নেতা রয়েছেন।</p><ul><li><p><strong>জাভেদ নাকভি</strong> পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক ডন-এর দিল্লি প্রতিনিধি।</p></li></ul><p>ডন থেকে নেওয়া। ইংরেজি থেকে অনূদিত।</p>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।