ভারত

আমি জানি, জ্ঞানেশের ঘুম উড়ে গেছে: রাহুল

অক্টোবর ১২, ২০২৬
আমি জানি, জ্ঞানেশের ঘুম উড়ে গেছে: রাহুল
আমি জানি, জ্ঞানেশের ঘুম উড়ে গেছে: রাহুল
মূল অপরাধী কারা, রাহুল তা একবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন। বলেছেন, নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, অজিত দোভাল, গৌতম আদানিরা সিইসির ওপর নিরন্তর চাপ সৃষ্টি করে চলেছেন।

Prothomalo

View more
ছয় বছর পর পাগলা মসজিদের সোনা-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনা শুরু
ছয় বছর পর পাগলা মসজিদের সোনা-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনা শুরু

প্রায় ছয় বছর পর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ওজন নির্ধারণ ও গণনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
প্রাণীদের ছবিগুলো দেখলে হাসি চেপে রাখা কঠিন
প্রাণীদের ছবিগুলো দেখলে হাসি চেপে রাখা কঠিন

<p>বন্য প্রাণীদের এমন কিছু মুহূর্ত ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, যা দেখে হাসি চেপে রাখা কঠিন। কখনো মনে হচ্ছে জিরাফের মাথায় গাছের মুকুট, কখনো হাতি বন্ধুর সঙ্গে দুষ্টামি করছে, আবার কোনো পাখি যেন ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে রীতিমতো রাগ দেখাচ্ছে। ২০২৬ সালের নিকন কমেডি ওয়াইল্ডলাইফ অ্যাওয়ার্ডের ফাইনালিস্ট ছবিগুলোয় এমনই মজার মুহূর্ত উঠে এসেছে। এ বছর ১১২টি দেশ থেকে ১০ হাজারের বেশি ছবি জমা পড়েছিল। সেখান থেকে বাছাই করা হয়েছে সেরা ছবিগুলো। তবে এই প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য শুধু হাসানো নয়; প্রাণীদের প্রতি মানুষের মমতা ও সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরাও এর লক্ষ্য।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/5v9sz6em/C1.png"><figcaption>দ্য ডিফরেন্ট ওয়ান: তিনটি জিরাফ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে। মাঝের জিরাফটির মাথায় যেন সবুজ চুল বা গাছের মুকুট। স্থান: মাসাই মারা, কেনিয়া</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/lur96dh8/C2.png"><figcaption>নেচারস উইন্ডো: পাতার ছোট্ট ফাঁক দিয়ে উঁকি দিচ্ছে একটি নীল ফড়িং। মনে হচ্ছে, প্রকৃতিই তার জন্য জানালা বানিয়ে দিয়েছে। স্থান: স্টোক-অন-ট্রেন্ট, যুক্তরাজ্য</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/19rg9ly8/C3.png"><figcaption>চিকি লিটল এলিফ্যান্ট: ছোট্ট হাতিটি যেন পায়ের ওপর পা তুলে বসে কথা বলছে। স্থান: দক্ষিণ আফ্রিকা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/pixq7v6i/C4.png"><figcaption>সি গ্যাংস্টার্স: সমুদ্র থেকে একসঙ্গে মাথা তুলেছে একদল ওয়ালরাস। দৃশ্যটি দেখে আলোকচিত্রীর মনে হয়েছিল, যেন একদল ‘সমুদ্র-গ্যাংস্টার’ তাঁকে দেখতে এসেছে। স্থান: মফেন দ্বীপ, সোয়ালবার </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/uvz6k1sw/C5.png"><figcaption>জঙ্কলিং: গুটিসুটি মেরে ঘুমিয়ে আছে কয়েকটি ধূসর রাজহাঁসের ছানা। এতটাই নিশ্চিন্ত ঘুম যে ছবিটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘জঙ্কলিং’—ঘুমে কাদা ছোট্ট হাঁসের ছানা। স্থান: ফিনামোর হ্রদ, আয়ারল্যান্ড</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/c9gfzdsa/C6.png"><figcaption>রেস্টিং আউল ফেস: একটি পাহাড়ি স্কপস পেঁচা, যেন ছবি তুলতে এসে কেউ তার ঘুম নষ্ট করেছে! স্থান: নানলিং ন্যাশনাল ফরেস্ট পার্ক, চীন</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/uoz7f0ee/C7.png"><figcaption>সেক্সি ম্যান্টিস: পাতার আড়াল থেকে উঁকি দিচ্ছে একটি সবুজ প্রেয়িং ম্যান্টিস। ভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছে, ক্যামেরার সামনে মডেলের মতো পোজ দিয়েছে। স্থান: কুসকো, পেরু</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/9t2qlg89/C8.png"><figcaption>ব্যালে ড্যান্সার: দেখে মনে হচ্ছে, প্রকৃতির মঞ্চে ব্যালে নাচছে কোনো প্রাণী। স্থান: ডামফ্রিশায়ার, স্কটল্যান্ড</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/sfl8ssm6/C9.png"><figcaption>অ্যাংরি বার্ড: ছোট্ট গোল্ডক্রেস্ট পাখিটি এমন তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়েছে, যেন ভীষণ রেগে আছে। সেই কারণেই ছবিটির নাম ‘অ্যাংরি বার্ড’। স্থান: হেলগোল্যান্ড দ্বীপ, জার্মানি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/9yvmwhdm/C12.png"><figcaption>এলভিস: পানিতে মাথা ভাসিয়েছে একটি কেইম্যান। মাথায় আটকে থাকা জলজ উদ্ভিদ দিয়েছে পঞ্চাশের দশকের রক তারকা এলভিস প্রিসলির মতো চুলের সাজ। স্থান: প্যান্টানাল, ব্রাজিল</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/3tabmwba/C13.png"><figcaption>দ্য হ্যান্ডস্ট্যান্ড: চিতাবাঘটিকে দেখে মনে হচ্ছে, গাছের ওপর দাঁড়িয়ে হাতের ওপর ভর করে ‘হ্যান্ডস্ট্যান্ড’ করছে। আসলে সে গাছের উঁচু জায়গা থেকে নিজের শাবককে খুঁজছিল। স্থান: সামবুরু ন্যাশনাল রিজার্ভ, কেনিয়া</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/73t0dxox/C14.png"><figcaption>আউট অব ওয়াটার: ছোট সানবার্ড পাখিটি মনের সুখে কলার ফুলে জমে থাকা পানিতে গোসল করছিল। পরে আবার গোসল করতে ফিরে এসে দেখে, পানি আর এক ফোঁটাও নেই! সেই হতভম্ব মুহূর্তটি ক্যামেরায় ধরেছেন আলোকচিত্রী। স্থান: ভিয়েতনাম</figcaption></figure><p><sup>সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/x8fp4s2el0">বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাখির আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ২৫টি ছবি দেখুন</a></aside>

অক্টোবর ১২, ২০২৬
হুতিদের হামলার জবাব দেওয়ার পথ খুঁজছে সৌদি আরব, কিন্তু কৌশল কী হবে
হুতিদের হামলার জবাব দেওয়ার পথ খুঁজছে সৌদি আরব, কিন্তু কৌশল কী হবে

এখন পর্যন্ত সৌদি আরব মূলত ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর পক্ষে হুতিদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালিয়ে সহায়তা দেওয়ার মধ্যেই নিজেদের ভূমিকা সীমাবদ্ধ রেখেছে।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
যক্ষ্মা হাসপাতালে ডেঙ্গু নিয়ে ভর্তি চকবাজারের রহিমা
যক্ষ্মা হাসপাতালে ডেঙ্গু নিয়ে ভর্তি চকবাজারের রহিমা

রাজধানীর চকবাজার এলাকার বাসিন্দা রহিমা ইসলাম। গত বুধবার থেকে তিনি ভর্তি আছেন রাজধানীর শ্যামলী এলাকার ২৫০ শয্যার যক্ষ্মা হাসপাতালে।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
এআইকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করার বিষয়ে সতর্ক করলেন সত্য নাদেলা, কেন...
এআইকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করার বিষয়ে সতর্ক করলেন সত্য নাদেলা, কেন...

এআইয়ের সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর ওপর অন্ধভাবে নির্ভর করার ঝুঁকিও বাড়ছে।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
ময়মনসিংহে বিজিবির ওপর চোরাচালানকারীদের হামলা, গুলি, একজন নিহত
ময়মনসিংহে বিজিবির ওপর চোরাচালানকারীদের হামলা, গুলি, একজন নিহত

বিজিবি বলছে, চোরাচালানবিরোধী অভিযানের সময় টহল দলের ওপর হামলা হলে আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়া হয়।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
এক মন্দিরে ২০১ প্রতিমা, শেষ মুহূর্তের রং-তুলির ব্যস্ততা
এক মন্দিরে ২০১ প্রতিমা, শেষ মুহূর্তের রং-তুলির ব্যস্ততা

<p>খুলনার ডুমুরিয়ার এক মন্দিরে তৈরি হয়েছে ২০১টি প্রতিমা। মহাভারত, রামায়ণ ও ভগবতের নানা চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত শিল্পীরা। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে…</p><figure></figure>

অক্টোবর ১২, ২০২৬
সারা দেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা
সারা দেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

এলপি গ্যাস সমিতির দাবির মধ্যে আছে, পরিবেশকদের কমিশন বাড়ানো। কোনো কোম্পানি ইচ্ছেমতো মাসে একাধিকবার দাম বাড়াতে পারবে না।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
ছেলে ও মেয়েকে সমান মর্যাদা দিন: রাষ্ট্রপতি
ছেলে ও মেয়েকে সমান মর্যাদা দিন: রাষ্ট্রপতি

<p>কন্যাশিশুর নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১২ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে শিশু একাডেমিতে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ১২, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন