গাংনী সীমান্তে শিশুসহ ৪ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধ
বিএনপি সাধারণ মানুষের দল, এখানে ধর্ম-বর্ণের কোনো ভেদাভেদ নেই বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে মিলেমিশে বসবাস করতে হবে। একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
একুশে বিজনেস || বিপ্লব কুমার রায়-সিইও, টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেড।
হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।
সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।
কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।
টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা
মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।
ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই
ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।
বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।
কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানখেত থেকে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় অটোরিকশাচালক সুমনকে আটক করেছে পুলিশ। অটোরিকশা, পোশাক ও অন্যান্য সূত্র ধরে চলছে তদন্ত।
ধীর আঁচে রান্না, মসলার সূক্ষ্ম ব্যবহার, বাদামের সমৃদ্ধ স্বাদ আর কত্থক ও কাওয়ালির পরিবেশনা—ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টের মোজাইক রেস্তোরাঁয় লখনউয়ের রন্ধন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরছে সপ্তাহব্যাপী উৎসব ‘দস্তরখান-এ-আওধ’।
এ বছর শান্তিতে নোবেল পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার নাভি পিল্লাই
<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার নিরাপত্তা, কম্পিউটার ভিশন ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন। আজ শুক্রবার সকালে বাংলা একাডেমিতে ‘আইইইই থার্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন কম্পিউটিং, অ্যাপ্লিকেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস (কমপাস ২০২৬)’ শীর্ষক সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এতে দেশ-বিদেশের গবেষকেরা কম্পিউটিংয়ের বিভিন্ন নতুন প্রযুক্তি ও ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করবেন।</p><p> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগ বলছে, এটি কমপাসের তৃতীয় আসর। এতে বুদ্ধিমান ব্যবস্থা, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং, ভিজ্যুয়াল কম্পিউটিং, ডেটা বিশ্লেষণ, নেটওয়ার্ক ও নিরাপত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং বিভিন্ন বাস্তব ব্যবস্থায় ব্যবহৃত প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হবে। সম্মেলনে ৬১৬টি গবেষণাপত্র জমা পড়েছিল। এর মধ্যে ২১২টি গৃহীত হয়েছে।</p><p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, গবেষণার মান শুধু প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন বা র্যাঙ্কিং দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। গবেষণার প্রশ্নের গুরুত্ব, ফলাফলের পুনরুৎপাদনযোগ্যতা এবং মানুষের জীবনে গবেষণার ইতিবাচক প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক উপমা কবির বলেন, আধুনিক গবেষণায় কম্পিউটিং, এআই, যোগাযোগ প্রযুক্তি, রোবোটিকস, জ্বালানি ও উপকরণবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন শাখা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। এআই, মেশিন লার্নিং, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), সাইবার নিরাপত্তা ও ডেটা সায়েন্সে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবহন ও জলবায়ুর মতো বাস্তব সমস্যার সমাধানে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।</p><p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক গবেষণার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে শক্তিশালী গ্রাফিকস প্রসেসিং ইউনিট (জিপিইউ)–ভিত্তিক উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং অবকাঠামো প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা এবং বড় এআই মডেল নিয়ে কাজের জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সঙ্গে বিনিময়ের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।</p><p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইইইই বাংলাদেশ সেকশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ইমামুল হাসান ভূঁইয়া। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট ডালাসের অধ্যাপক লতিফুর খান।</p><p>আগামীকাল শনিবার সম্মেলনের শেষ দিনে মূল প্রবন্ধ, কারিগরি অধিবেশন ও প্লেনারি আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।</p>
বাংলাদেশের দুই শিক্ষার্থীর তৈরি ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন কোপাইলট’ প্রকল্প এরই মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে ‘এআই ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’–এর চূড়ান্ত পর্বে।
<p>রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় লেগুনা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদা আদায় নিয়ে বিরোধের জেরে কয়েকজন মালিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের একজন ইয়াকুব আলীর অভিযোগ, প্রতিদিন একটি গাড়ি থেকে ৩০০ টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয়। এতে রাজি না হওয়ায় ৬০ থেকে ৭০ জন মিলে তাঁকে মারধর করেছে। পরে তাঁকে চাঁদাবাজ সাজিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। মুক্তি পেয়ে হামলার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও পুলিশ তা গ্রহণ করেনি।</p><p> আজ শুক্রবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ইয়াকুব আলী। তিনি বৃহত্তর মিরপুর লেগুনা মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি। হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবিও জানান তিনি।</p><p>ইয়াকুব আলী বলেন, গত ৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তাঁর লেগুনার চালক গাড়িতে সমস্যার কথা জানালে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিরা প্রতি গাড়ি থেকে ৩০০ টাকা করে চাঁদা দিতে বলেন। এতে আপত্তি জানালে তাঁকেসহ নজরুল ইসলাম ও বাবুল নামের আরও দুজন লেগুনার মালিককে মারধর করেন চাঁদা দাবিকারীরা। একপর্যায়ে আগ্নেয়াস্ত্র বের করে তাঁদের গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরায় আগ্নেয়াস্ত্র বের করার দৃশ্য দেখা গেছে।</p><p>নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে ইয়াকুব আলী বলেন, মারধরের পর তাঁকেই চাঁদাবাজ সাজিয়ে দারুস সালাম থানা–পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। মারধরে অসুস্থ হয়ে পড়ায় পর তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়। কিন্তু চাঁদাবাজির অভিযোগের পক্ষে তথ্যপ্রমাণ না পাওয়ায় তিনি মুক্তি পান। এরপর তিনি হামলার ঘটনায় দারুস সালাম থানায় অভিযোগ জানাতে গেলেও গ্রহণ করা হয়নি। পরে তিনি পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনারের (ডিসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।</p><p>অভিযোগ না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘মারধরের সময় ইয়াকুব আলীকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয়ভাবে তদন্ত করে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়। জামিনের পর থানায় অভিযোগ দিতে আসেন। তাঁর অভিযোগের কোনো সুনির্দিষ্ট ভিত্তি নেই বলে অভিযোগ নেওয়া হয়নি।’</p><p>পরে জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন ইয়াকুব আলী। সেটা তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানান ওসি।</p><h3>বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ </h3><p>লেগুনা মালিক–শ্রমিক ইউনিয়নের অভিযোগ, ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এস এ সিদ্দিক সাজুর অনুসারী হিসেবে পরিচিত একটি গোষ্ঠী মিরপুর–১ এলাকার পাঁচটি লেগুনা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্যান্ডগুলোর নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিতে এবং চাঁদা দিতে মালিকদের চাপ দেওয়া হচ্ছে। মাসে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। বিপ্লব, সোলেমান দেওয়ান, ফারুক হোসেন, মহব্বত আলী, মাভেল ভূঁইয়া, তৈয়ব আলী, আলমগীর হোসেন, কানা পলাশ, রাসেল, শামীম, মজিবর রহমানসহ ৬০ থেকে ৭০ জন এই কাজের সঙ্গে জড়িত।</p><p>নিজেকে বৃহত্তর মিরপুর লেগুনা মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দিয়ে সাইদুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের সাবেক ও বহিষ্কৃত নেতা। তাঁদের মধ্যে সোলেমান দেওয়ান শাহ আলী থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, মহব্বত আলী দারুস সালাম থানা শ্রমিক দলের বর্তমান সদস্যসচিব এবং মাভেল ভূঁইয়া শাহ আলী থানা শ্রমিক দলের সাবেক আহ্বায়ক। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদা দাবি ও স্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন।</p><p>সাইদুর রহমানের অভিযোগ, লেগুনা স্ট্যান্ডের পাশাপাশি মিরপুর-১-এর কাঁচাবাজার, ফুটপাত, ভ্যানগাড়ি রাখার জায়গা এবং বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবসা থেকেও চাঁদা আদায় করা হচ্ছে।</p><p>সাইদুর রহমান আরও বলেন, ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পাঁচটি লেগুনা স্ট্যান্ডে অবস্থান করে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাঁরা আক্রমণ করেন। এ কারণে সাধারণ মালিকেরা সেখানে যেতে পারছে না। তারা সরকার ও প্রশাসনের সহায়তা চান।</p><p>অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সোলেমান দেওয়ান প্রথম আলোকে বলেন, মারধরের ঘটনায় তিনি জড়িত নন। রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনায় বিতর্কিত হয়ে একটি পক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে। তিনি কাউন্সিলর নির্বাচন করবেন। এ জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।</p><p>এ বিষয়ে এস এ সিদ্দিক সাজু প্রথম আলোকে বলেন, লেগুনাশ্রমিকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে মারামারি সম্পর্কে তিনি শুনেছেন। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তাঁরা কেউ সম্পৃক্ত নন বলেও জেনেছেন। তিনি যেহেতু রাজনীতি করেন, তাঁর অনুসারী থাকতেই পারে। তবে কেউ লেগুনা ব্যবসা বা ওই ঘটনায় জড়িত নন।</p>
<p>একটি বড় দলের সাধারণ সম্পাদকের ৭০০ অটোরিকশা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। ৯ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরে ‘লেটস রিমেক জুলাই গ্রাফিতি’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বিস্তারিত ভিডিওতে... </p><figure></figure>
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/mpxdx0cu/1.BarishalDH049620261009BarishalPhoto-12.jpg"><figcaption>নদ-নদীতে ইলিশ মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলছে। তাই অবসর সময়ে সড়কের পাশে বসে জেলেরা ছিঁড়ে যাওয়া জাল মেরামত করে নিচ্ছেন। চরআইচা, শায়েস্তাবাদ, বরিশাল, ৯ অক্টোবর। ছবি: সাইয়ান</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/l6aw1n68/2.BoguraDH049320261009IMG-20261009-WA0017.jpg"><figcaption>ফসলের খেতে পাখি তাড়াতে বসানো হয়েছে কাকতাড়ুয়া। মালিপাড়া গ্রাম এলাকা, শাজাহানপুর, বগুড়া, ৯ অক্টোবর। ছবি: সোয়েল রানা </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/k952alxa/3.BoguraDH049320261009IMG-20261009-WA0028.jpg"><figcaption>খালের পানি কমে গেছে। জাল ফেলানোর তাড়া নেই মাছশিকারিদের। কালুডাঙ্গা গ্রাম, গাবতলী, বগুড়া, ৯ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/g2dkp6gu/4.CumillaDH051520261009Daudkandi-9-10-26-C-11-2.jpg"><figcaption>নিজ প্রতিষ্ঠান নিউ টুম্পা যন্ত্রসংগীতের দোকানে বসে ঢোল তৈরি করছেন শ্যামল চন্দ্র দাস। ইলিয়টগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, দাউদকান্দি, কুমিল্লা, ৯ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/1birg7ag/5.SirajgonjDH128820261009IMG20261009121358.jpg"><figcaption>কৃষকের পাটখেতে ফুটেছে মেস্তা বা কেনাফ পাটগাছের ফুল। চৌবাড়ী, কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জ, ৯ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/gahnd8dc/6.KhulnaDH063020261009Khulna-Kashbon-7.JPG"><figcaption>বালুর মাঠে জন্মানো কাশবন কেটে কাশ সংগ্রহ করছেন পানচাষিরা। এগুলো দিয়ে পানের বরজের ছাউনি তৈরি করা হবে। শিরোমণি, খুলনা, ৯ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/syimvh4k/7.RajbariDH054420261009Rajbari-07.10.2026-Photo-11.jpg"><figcaption>রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় গত মঙ্গলবার বিকেলে ২২ কেজি ওজনের এ বাগাড়টি ২৮ হাজার ৬০০ টাকায় কিনে ৩০ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী সোহেল মোল্লা। দৌলতদিয়া, রাজবাড়ী, ৯ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/08im7wo1/8.RangamatiDH04882026100911.jpg"><figcaption>পাহাড়ি কিষানি। ঝুড়ি আর দা নিয়ে কাজ করতে গন্তব্যে ছুটেছেন। রাঙাপানি গ্রাম, রাঙামাটি, ৯ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/ur0zqb4q/9.SylhetDH048620261009Sylhet-Sports-Pic-11.JPG"><figcaption>প্রথম আলো–স্টার নিউজ নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের সিলেট পর্বের দ্বিতীয় দিনের আঞ্চলিক সেমিফাইনাল খেলা। মাঠে লড়ছে সিটি তৃণমূল ফুটবল একাডেমি সিলেট ও রাগীব-রাবেয়া বাংলাদেশ স্পোর্টস একাডেমি। সিলেট জেলা স্টেডিয়াম, সিলেট, ৯ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/6qev6ypp/10.SirajgonjDH061020261009IMG20261009082727.jpg"><figcaption>প্রথম আলো-স্টার নিউজ নারী ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে অনুশীলনে ব্যস্ত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী প্রমীলা ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড়েরা। নিমগাছী উচ্চবিদ্যালয় মাঠ, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ৯ অক্টোবর</figcaption></figure>
স্টারলিংকের প্রবেশ নিয়ে ইলন মাস্ক ও ভারত সরকারের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশের রাইড-শেয়ারিং ও পণ্য সরবরাহ সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান ‘পাঠাও’ এর সার্ভার থেকে গ্রাহকদের কোন ধরনের তথ্য চুরি হয়েছে? এটা কী কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে?
“এখানে তো মাটি কাটার সময় থেকেই চান্দা শুরু হয়ে গেছে। আমি ওদের সঙ্গে অনেকবার বসছি। কিন্তু ওরা একেকবার একেকজন আসে।''
একটি প্রত্যন্ত আগ্নেয় দ্বীপে বসবাসকারী চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইনের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমে যাওয়ার জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করা হচ্ছে।
মাইক্রোসফটকে বিদেশি কর্মী নিয়োগ কর্মসূচি থেকে নিষিদ্ধ করেছে হোয়াইট হাউস। আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও এই ব্যবস্থা নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। আমেরিকার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে অনেক দিন ধরেই আন্তর্জাতিক কর্মী নিয়োগ করে আসছে। কিন্তু হঠাৎ করে কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো?
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণাগার হিসেবে ১৭২৪ সালে যে যন্তর মন্তর গড়া হয়েছিল, দিল্লির সেই প্রাচীন মানমন্দির, সম্প্রতি আন্দোলনের কারণে যন্তর মন্তর আবার শিরোনামে। কিন্তু যন্তর মন্তর কীভাবে একটি আন্দোলন কেন্দ্রে পরিণত হল?
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অবাধ চলাচল নিয়ে সম্প্রতি নানা আলোচনা সামনে আসছে। এই যানবাহন নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা তৈরিসহ নানা পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নিয়ে অতীত অভিজ্ঞতা ভালো নয়।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেও এটি নিয়ে বিদেশি কোম্পানির সাথে চুক্তি করার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। কিন্তু বন্দরের শ্রমিক কর্মচারীদের বিরোধিতার মুখে সরকার সেই কার্যক্রম স্থগিত করেছিল।
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে ইটভাটায় কাজ করার সময় দেয়াল ধসে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় অপর দুই শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন।
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে গোরস্তানে গাছের ওপর থেকে কাজল মিয়া (৫৫) নামে সাবেক সেনা সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নোবেল পুরস্কার তার কাছে কী অর্থ বহন করে— এমন প্রশ্নের জবাবে কারসন জানান, না, তেমন কিছু নয়। আমরা বরং ভাবছি, কীভাবে এই টাকাটা বিলিয়ে দেওয়া যায়। আমাদের এক বন্ধুর একটা বাড়ির প্রয়োজন। আর আমরা সব সময়ই ‘সীমান্তহীন চিকিৎসক’ সংস্থাকে বড় অঙ্কের অনুদান দিয়ে থাকি।
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং ও উঠতি বয়সী অপরাধপ্রবণ তরুণদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে নতুন করে ২৫২ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাত বছর ধরে বন্ধ থাকা সিলেট নগরের জালালাবাদ পার্ক আবারও খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় কুমারখালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একইসঙ্গে নগরের খালগুলোর দুই পাড়ে হাঁটার পথ বা ওয়াকওয়ে তৈরির জন্য সিটি করপোরেশনকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য এখন আর ঢাকামুখী হতে হবে না। দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।