এ সপ্তাহের রাশিফল (১০-১৬ অক্টোবর)

পাশ্চাত্য রাশিচক্রমতে চন্দ্র ও অন্যান্য গ্রহগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে চলতি সপ্তাহের বিভিন্ন রাশির জাতক-জাতিকাদের নানা বিষয়ের শুভাশুভ পূর্বাভাস ও সতর্কতা জানাচ্ছেন জ্যোতিষশাস্ত্রী ড. চিন্ময় চৌধুরী মিথুন।

সারা দেশ

View more
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

Video news
সারা বিশ্ব
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?

হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।

ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ
ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ

সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু

কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।

‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’
‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত
ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার
মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল
তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল

চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।

নীল দহন
নীল দহন

টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা

কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর
কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর

মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।

ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা
ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা

ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা  এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই

ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়
ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।

Follow us

Top week

২৫২ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম
তথ্যপ্রযুক্তি

২৫২ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম

News অক্টোবর ৪, ২০২৬ 0

Rss feed news

দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তা, বিক্ষোভ ঘিরে কী কী বন্ধ, কী কী খোলা
দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তা, বিক্ষোভ ঘিরে কী কী বন্ধ, কী কী খোলা

একই সঙ্গে যাঁরা এ কর্মসূচিতে লোক জড়ো করতে কিংবা সাধারণ মানুষকে অংশ নিতে প্ররোচিত করতে পারেন, এমন কিছু ব্যক্তির গতিবিধির ওপরও কড়া নজর রাখছে পুলিশ।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দারিদ্র্যের ফিরে আসা: উন্নয়নের গল্পে ফাঁক কোথায়
দারিদ্র্যের ফিরে আসা: উন্নয়নের গল্পে ফাঁক কোথায়

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, টানা চার বছর ধরে দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে। এই সময়ে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে। একই সঙ্গে প্রায় সোয়া ছয় কোটি মানুষ এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
বিদেশে কাজের আগে ভিনদেশের ভাষা শেখা দক্ষ জনশক্তি গড়ার মূল চাবিকাঠি
বিদেশে কাজের আগে ভিনদেশের ভাষা শেখা দক্ষ জনশক্তি গড়ার মূল চাবিকাঠি

বিদেশে কর্মীরা আগে থেকে গন্তব্যের ভাষা না শিখে গেলে নিম্ন মজুরির কায়িক শ্রমে সীমাবদ্ধ থাকেন

অক্টোবর ১০, ২০২৬
অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করবেন না বলে কাজ ছেড়েছিলেন এই সাত তারকা
অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করবেন না বলে কাজ ছেড়েছিলেন এই সাত তারকা

কেউ কোনো সিরিজ ছেড়েছেন, কেউ বড় সিনেমার প্রস্তাব ফিরিয়েছেন, আবার কেউ পরবর্তী ক্যারিয়ারে স্পষ্ট করে দিয়েছেন—নির্দিষ্ট ধরনের অন্তরঙ্গ দৃশ্যে আর অভিনয় করবেন না।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
প্রাইমারি স্কুলেই যেভাবে বড়বেলার বন্ধু খুঁজে পাওয়া যায়
প্রাইমারি স্কুলেই যেভাবে বড়বেলার বন্ধু খুঁজে পাওয়া যায়

কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অর্থাৎ তুমি যত বড় হচ্ছো, এই সহজ সমীকরণটা ততই জটিল হতে থাকে। ধরো, তুমি কোনো গিটার ক্লাসে বা কোচিং সেন্টারে ছয় মাস ধরে যাচ্ছ

অক্টোবর ১০, ২০২৬
এআই দিয়ে লেখার অভিযোগ,
পুরস্কারের তালিকা থেকে উপন্যাস বাদ
এআই দিয়ে লেখার অভিযোগ, পুরস্কারের তালিকা থেকে উপন্যাস বাদ

<p>কানাডীয়-হাইতীয় লেখক থেলিসোঁ ওরেলিয়েনের বিরুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে পুরো উপন্যাস লেখার অভিযোগ উঠেছে। পরে ফ্রান্সের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সাহিত্য পুরস্কার গঁকুরের দীর্ঘ তালিকা থেকে বইটি বাদ দেওয়া হয়েছে।</p><p>গঁকুর পুরস্কারের আয়োজক প্রতিষ্ঠান আকাদেমি গঁকুর জানিয়েছে, পুরস্কার ও প্রতিষ্ঠানটির মর্যাদা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় থেলিসোঁ ওরেলিয়েনের উপন্যাস <em>সেতেঁ সা উ মুরির</em> তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><p>হাইতিতে জন্ম নেওয়া ৩৮ বছর বয়সী ওরেলিয়েনের উপন্যাসটি একজন ইতিহাস ও ভূগোল শিক্ষকের নিজের মুখে বলা কাহিনি। গ্যাং সহিংসতায় জর্জরিত নিজ দেশ থেকে পালিয়ে তিনি ১২টি দেশ পেরিয়ে এক বিপজ্জনক যাত্রা শেষে কানাডায় আশ্রয় নেন।</p><p>ফ্রান্সে গ্রাসে প্রকাশনী থেকে গত আগস্টে বইটি প্রকাশিত হয়। এরই মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার কপি বিক্রি হয়েছে। উপন্যাসটি পেয়েছে ফনাক উপন্যাস পুরস্কার। পাশাপাশি ২০টির বেশি দেশে বইটির অনুবাদ প্রকাশের স্বত্ব বিক্রি হয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/pcddarwk/WhatsApp_Image_2026_10_07_at_5_41_03_PM.jpeg"><figcaption>থেলিসোঁ ওরেলিয়েনের উপন্যাস ‘সেতেঁ সা উ মুরির’–এর প্রচ্ছদ</figcaption></figure><blockquote>ফরাসি সংবাদপত্র লিবেরাসিওঁকে ওরেলিয়েন বলেন, ‘আমার লেখায় হাইতি ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের নিজস্ব ভাষা ও ছন্দ ব্যবহার করা হয়েছে। চিত্রকল্প, পুনরাবৃত্তি ও ছন্দ এগুলো আমার নিজস্ব।’ বেনামি ওই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টটির পেছনে কে ছিলেন, পরে তা প্রকাশ্যে আসে। ফরাসি সংবাদপত্র লে ফিগারো জানায়, অ্যাকাউন্টটির মালিক তাদেরই একজন কলাম লেখক স্যামুয়েল ফিতুসি।</blockquote><p>গত ২১ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বইটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে লেখার অভিযোগ ওঠে। সেদিনই উপন্যাসটি ফনাক উপন্যাস পুরস্কার জেতে।</p><p>‘ব্যালান্স তোঁ ক্লদ’ নামে একটি বেনামি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট দাবি করে, তারা উপন্যাসটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় লেখা কি না, তা শনাক্ত করতে প্যাংগ্রাম নামের একটি সফটওয়্যারে পরীক্ষা করেছে। তাদের দাবি, বইটির ‘প্রায় পুরোটাই’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে লেখা।</p><p>তবে এ ধরনের সফটওয়্যার কতটা নির্ভরযোগ্য, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ফরাসি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের পরীক্ষায় অন্য কিছু শনাক্তকারী সফটওয়্যার আবার বইটিকে মানুষের লেখা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছে।</p><p>ওরেলিয়েন অভিযোগটি সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, অভিযোগটি বর্ণবিদ্বেষ থেকে করা হয়েছে।</p><p>ওরেলিয়েন বলেন, ‘আমি সব সময় সৃষ্টিশীলতা ও লেখালেখি ভালোবেসেছি। আমি কেন একটি যন্ত্র ব্যবহার করতে যাব, সেটাই বুঝি না।’</p><p>ফরাসি সংবাদপত্র <em>লিবেরাসিওঁ</em>কে ওরেলিয়েন বলেন, ‘আমার লেখায় হাইতি ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের নিজস্ব ভাষা ও ছন্দ ব্যবহার করা হয়েছে। চিত্রকল্প, পুনরাবৃত্তি ও ছন্দ এগুলো আমার নিজস্ব।’</p><p>বেনামি ওই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টটির পেছনে কে ছিলেন, পরে তা প্রকাশ্যে আসে। ফরাসি সংবাদপত্র <em>লে ফিগারো</em> জানায়, অ্যাকাউন্টটির মালিক তাদেরই একজন কলাম লেখক স্যামুয়েল ফিতুসি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/5qwda7j0/WhatsApp-Image-2026-10-07-at-5.41.03-PM.jpeg"><figcaption>থেলিসোঁ ওরেলিয়েন</figcaption></figure><blockquote>ওরেলিয়েন জানিয়েছেন, সর্বশেষ অভিযোগগুলো নিয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করবেন না। দক্ষিণ ফ্রান্সের মানোস্ক শহরে একটি সাহিত্য উৎসবে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, ‘কেবল বইটিকে আক্রমণ করার চেষ্টা নয়, বিশেষ করে আমার কণ্ঠকেই আক্রমণ করা হচ্ছে…আমাকে চুপ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’</blockquote><p>নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে ফিতুসি বলেন, প্রযুক্তির ব্যাপারে তিনি আশাবাদী হলেও তাঁর আশঙ্কা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একসময় মানুষের পড়া ও লেখার অভ্যাসই বিলীন করে দিতে পারে। সেই উদ্বেগ থেকেই তিনি এই প্রচার শুরু করেছেন।</p><p>উপন্যাসটির মূল প্রকাশক কানাডার বোরেয়াল প্রকাশনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, লেখককে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলো তারা এই মুহূর্তে নিশ্চিত বা অস্বীকার করতে পারছে না।</p><p>প্রকাশক সবাইকে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্তে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘বিশ্বাসযোগ্য ও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এই বই প্রকাশের অধিকার আছে কি না, সে সিদ্ধান্ত নেওয়া আমাদের কাজ নয়।’</p><p>ওরেলিয়েন জানিয়েছেন, সর্বশেষ অভিযোগগুলো নিয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করবেন না। দক্ষিণ ফ্রান্সের মানোস্ক শহরে একটি সাহিত্য উৎসবে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, ‘কেবল বইটিকে আক্রমণ করার চেষ্টা নয়, বিশেষ করে আমার কণ্ঠকেই আক্রমণ করা হচ্ছে…আমাকে চুপ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’</p><p>ওরেলিয়েন বলেন, পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি কিছুটা দূরে থাকতে চান।</p><p>আকাদেমি গঁকুর ৬ অক্টোবর পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকা ঘোষণা করেছে। বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে ৪ নভেম্বর।</p> <ul><li><p>সূত্র: <em>দ্য গার্ডিয়ান</em><br>গ্রন্থনা: <strong>রবিউল কমল</strong></p></li></ul>

অক্টোবর ১০, ২০২৬
ভালুকা ট্রমা সেন্টারে ১৯ বছরেও চালু হয়নি ইনডোর, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি
ভালুকা ট্রমা সেন্টারে ১৯ বছরেও চালু হয়নি ইনডোর, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি

<p>১৯ বছরেও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা ট্রমা সেন্টার। জরুরি ও অস্ত্রোপচার–সেবা বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে রোগীরা, অব্যবহৃত অবস্থায় নষ্ট হচ্ছে প্রায় দুই কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ১০, ২০২৬
টেক্সাসে উত্তপ্ত সমাবেশ: সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পুরোনো ‘শত্রু’র পাশেই দাঁড়ালেন ট্রাম্প
টেক্সাসে উত্তপ্ত সমাবেশ: সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পুরোনো ‘শত্রু’র পাশেই দাঁড়ালেন ট্রাম্প

<p>এক মাসের কম সময়ের মধ্যে গত বুধবার তৃতীয়বারের মতো টেক্সাস সফর করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে এক নির্বাচনী সমাবেশে তিনি ডেমোক্র্যাটদের তীব্র সমালোচনা করার পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসন নিয়ে সতর্কবার্তা দেন। ট্রাম্প এবার এমন এক সিনেট প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় নামলেন, যিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন এবং খোদ প্রেসিডেন্টও অতীতে তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নানা ভাষায় অপমান করেছিলেন।</p><p> আসন্ন ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের শেষ মুহূর্তের জোর প্রস্তুতি চলছে। সিনেটে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছে ট্রাম্পের ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি। আর এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা টিকিয়ে রাখার মূল পথ এবার টেক্সাসের ওপর দিয়েই গেছে। অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার হিসাবের কেন্দ্রে রয়েছে এই টেক্সাস।</p><p> ১৯৯৪ সালের পর থেকে টেক্সাসে রাজ্য স্তরের কোনো নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা জয়ী হতে পারেননি। এমনকি ২০২৪ সালের নির্বাচনেও এই অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্প ১৩ পয়েন্টের বেশি ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন। তবে এবার ভোটের সমীকরণ কিছুটা ভিন্ন।</p><p>জনমত জরিপগুলো বলছে, রিপাবলিকান প্রার্থী ও অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনের সঙ্গে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকোর ধারণার চেয়েও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। এমন পরিস্থিতিতে প্যাক্সটনের অবস্থান শক্তিশালী করতে লাখ লাখ ডলার ঢালছেন রিপাবলিকানরা।</p><p>সান আন্তোনিওতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপস্থিতি ছিল তাঁর চিরচেনা চটজলদি স্বভাবের, যেখানে রসাত্মক মুহূর্তের পাশাপাশি বিরোধীদের ওপর ছিল তীব্র আক্রমণ। নিজের পাতলা হয়ে যাওয়া চুল নিয়ে কৌতুক করার পাশাপাশি তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী তালারিকোকে মিথ্যাই ‘ভেগান’ (নিরামিষভোজী) বলে আক্রমণ করেন। সেই সঙ্গে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে তিনি এ শব্দের উচ্চারণ ভুল করছিলেন।</p><p>সমাবেশ চলাকালে অন্তত এক ডজন বিক্ষোভকারী কয়েক দফায় ট্রাম্পের বক্তব্যে বাধা সৃষ্টি করলে তাঁদের অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করে দেওয়া হয়।</p><p>চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ইরান চাইলে লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো ‘ধ্বংস করে দিতে’ পারে—ট্রাম্পের এমন এক মন্তব্যে উভয় দলের নেতাদের মধ্যেই তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছিল। সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প সেই উসকানিমূলক বক্তব্যের কিছুটা স্পষ্টীকরণ করার চেষ্টা করেন। এবার একই ধরনের মন্তব্যের পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘আমরা এমনটা হতে দেব না।’</p><p>এ সমাবেশের কার্যকারিতা আগামী দিনগুলোয় বেশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানান টেক্সাসের এক রিপাবলিকান নির্বাচনী কৌশলবিদ। তাঁর মতে, এ আয়োজন প্যাক্সটনের জনপ্রিয়তার গ্রাফ কতটা বৃদ্ধি করতে পারল, তার ওপরই নির্ভর করছে এই অঙ্গরাজ্যে দলটির ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত।</p><p>এক সপ্তাহের কম সময়ের ব্যবধানে টেক্সাসে এটি প্রেসিডেন্টের দ্বিতীয় সফর। মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ট্রাম্পের দেশব্যাপী যে ঝটিকা নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়েছে, তারই অংশ এটি।</p><p>দুই বছর আগে যেসব ঐতিহ্যবাহী ‘লাল দুর্গ’ তথা রিপাবলিকান ঘাঁটিতে ট্রাম্প বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সেসব অঙ্গরাজ্য চষে বেড়াচ্ছেন তিনি। এর মধ্যে অ্যালাবামা, ওকলাহোমা ও নেব্রাস্কা অন্যতম। নির্বাচনী সমাবেশগুলোয় ট্রাম্প বারবার তাঁর সমর্থকদের বলছেন, তাঁরা যেন ধরে নেন এ নির্বাচনে ব্যালট পেপারে তাঁর নামও আছে। ট্রাম্পের উপদেষ্টাদেরও ধারণা, আগামী নভেম্বরের বৈতরণি পার হওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো দলের নিজস্ব ভোটব্যাংককে পুরোপুরি মাঠে নামানো।</p><p>তবে এ কট্টর রিপাবলিকান অঙ্গরাজ্যগুলোয়ও দলের কিছু নেতা বর্তমানে জনপ্রিয়তাহীন এই প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে চলছেন। যেমন টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট সময়ের টানাটানির অজুহাত দেখিয়ে বুধবার সন্ধ্যার এ সমাবেশে উপস্থিত হননি। এমনকি গত সপ্তাহে ট্রাম্পের টেক্সাস সফরটিও তিনি এড়িয়ে গেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/d4x3ew2y/republican-candidate.jpg"><figcaption>টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সান আন্তোনিওতে কেন প্যাক্সটনের পক্ষে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় তাঁর বক্তব্য শুনছেন সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী কেন প্যাক্সটন ও সিনেটর টেড ক্রুজ। ৭ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p>এমন পরিস্থিতিতে টেক্সাসের সেই রিপাবলিকান নির্বাচনী কৌশলবিদ বলেন, ‘আমার কাছে এটি বেশ স্পষ্ট যে প্যাক্সটনের নির্বাচনী দল হিসাব–নিকাশ করেই মাঠে নেমেছে। তারা বিশ্বাস করে, ট্রাম্পকে পাশে পাওয়াটা তাদের জন্য পুরোপুরি লাভজনক।’</p><p>এদিকে নিজের নির্বাচনী লড়াইয়ে বিপাকে পড়ার জন্য প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর কিছু নীতিকে পরোক্ষভাবে দায়ী করে সংবাদ শিরোনামে এসেছেন কেন প্যাক্সটন। গত মাসে প্যাক্সটন দাতা ও লবিস্টদের এক সভায় বলেছিলেন, ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি তেলের উচ্চ মূল্য তাঁর নির্বাচনী প্রচারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের হাতে আসা এক অডিও রেকর্ডে তাঁকে এমন মন্তব্য করতে শোনা যায়।</p><p>এক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্যাক্সটন সেখানে বলেন, ‘আমি তো এসব সিদ্ধান্ত নিই না, আর...এসব সিদ্ধান্তের পেছনে আসলে কী কারণ আছে, তা–ও আমি জানি না।’ তবে সিএনএন স্বাধীনভাবে এ অডিওর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।</p><p>অবশ্য প্যাক্সটনের নির্বাচনী দল এ খবরকে উড়িয়ে দিয়েছে। তাঁর মুখপাত্র ম্যাডিসন সার্সি সিএনএনকে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল আসলে সে কথাই বলেছেন, যা প্রত্যেক টেক্সাসবাসী ইতিমধ্যে জানেন। পেট্রল ও ডিজেলের দাম বড্ড চড়া। খেটে খাওয়া টেক্সাসবাসীকে জ্বালানি স্টেশন আর মুদিদোকানে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ট্রাম্প দ্রব্যমূল্য কমিয়ে আনতে তাঁর সাধ্যমতো সবকিছুই করছেন।</p><blockquote>জনমত জরিপগুলো বলছে, রিপাবলিকান প্রার্থী ও অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনের সঙ্গে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকোর ধারণার চেয়েও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। এমন পরিস্থিতিতে প্যাক্সটনের অবস্থান শক্তিশালী করতে লাখ লাখ ডলার ঢালছেন রিপাবলিকানরা।</blockquote><p>তবে এর ঠিক এক সপ্তাহ আগেই নিউইয়র্ক টাইমস প্যাক্সটনের আরেকটি অডিও ফাঁস করেছিল। সেখানে গত মাসে ডালাসে অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের মধ্যবর্তী নির্বাচনী কনভেনশনটি দলের জন্য কোনো উপকারে আসেনি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শোনা যায় প্যাক্সটনকে।</p><p>নিউইয়র্ক টাইমসের ফাঁস করা সেই অডিওতে টেক্সাসের এই অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনাদের সত্যি করে বলি, ওই সম্মেলন করার পর আমাদের জনপ্রিয়তার সূচক বা নম্বর অনেকটাই নেমে গিয়েছিল।’</p><p>তবে সিএনএনকে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্যাক্সটনের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা নিক ম্যাডক্স নিউইয়র্ক টাইমসের এ খবরকে ‘মনগড়া ও বানোয়াট’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, বাস্তবে যার কোনো অস্তিত্ব নেই, তেমন একটি গল্প তৈরি করতেই এমনটা করা হয়েছে। প্যাক্সটন নিজে অবশ্য দীর্ঘদিন ধরে নানামুখী কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত। এর মধ্যে সিকিউরিটিজ জালিয়াতির মামলা (যা পরে বিচার–পূর্ব সমঝোতায় শেষ হয়), পরকীয়ার অভিযোগ ও ২০২৩ সালে অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি পরিষদে হওয়া অভিশংসন অন্যতম। যদিও অঙ্গরাজ্যের সিনেট পরে তাঁকে এ অভিশংসন থেকে খালাস দেয়।</p><p>এতসব নেতিবাচক ইতিহাস থাকার পরও চলতি বছরের শুরুর দিকে দলের অভ্যন্তরীণ প্রাথমিক বাছাইয়ের (প্রাইমারি রানঅফ) লড়াইয়ে বর্তমান সিনেটর জন কর্নিনকে বাদ দিয়ে প্যাক্সটনকেই সমর্থন দেন ট্রাম্প।</p><p>অবশ্য এ দুজনের সম্পর্ক সব সময়ই বেশ টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে বলে মনে হয়। যদিও বুধবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে তাঁর কোনো অনুশোচনা নেই।</p><p>গত সপ্তাহে টেক্সাসের ডেন্টন শহরে এক সমাবেশে প্যাক্সটনকে ‘সবচেয়ে বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের একজন’ হিসেবে বর্ণনা করার পাশাপাশি ট্রাম্প রসিকতা করে ‘মাঝেমধ্যে গলার কাঁটা’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন।</p><p>এ ছাড়া রাজ্যের এই অ্যাটর্নি জেনারেলের পোশাক ও বাহ্যিক অবয়ব নিয়ে ট্রাম্পের প্রায়ই ঠাট্টা–মশকরা করার অভ্যাস রয়েছে। যেমন: গত মাসে ডালাসের সম্মেলনে দেওয়া বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘অনেকেরই হয়তো তাঁর পোশাকের ধরন পছন্দ না–ও হতে পারে। সত্যি বলতে, আমারও পছন্দ নয়।’</p><p>অবশ্য বুধবার রাতের সমাবেশে ট্রাম্প সেই মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি করেননি; বরং দুজনে যখন একসঙ্গে মঞ্চে ওঠেন, তখন তাঁদের মধ্যে বেশ উষ্ণ সম্পর্ক দেখা যায়। ট্রাম্প প্যাক্সটনকে একজন ‘অসাধারণ মানুষ’ হিসেবে অভিহিত করেন।</p><p>প্যাক্সটনকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য মঞ্চে আমন্ত্রণ জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি তাঁকে নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত। আমার বিশ্বাস, তিনি একজন অবিশ্বাস্য রকমের ভালো সিনেটর হবেন।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/99nrd6f49r">নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালাব না: ট্রাম্প</a></aside><aside><cite>ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন প্রেসিডেন্ট</cite>অনেকেরই হয়তো তাঁর (টেক্সাসের রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থী কেন প্যাক্সটন) পোশাকের ধরন পছন্দ না–ও হতে পারে। সত্যি বলতে, আমারও পছন্দ নয়।</aside><p>প্যাক্সটনও তাঁর বক্তব্যে অতিথির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উপস্থিত উৎফুল্ল জনতার উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘তিনি যে সান আন্তোনিওতে এসেছেন, এতে কি আপনারা সবাই খুশি নন?’</p><p>প্যাক্সটনের নির্বাচনী প্রচারের সঙ্গে যুক্ত নন, এমন একজন রিপাবলিকান কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সিনেটে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার লড়াইয়ে টেক্সাস কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা প্রেসিডেন্ট খুব ভালো করেই বোঝেন। তাই আমার মনে হয়, তিনি আগের সব মনোমালিন্য একপাশে সরিয়ে রেখে বৃহত্তর স্বার্থেই মনোযোগ দিচ্ছেন।’</p><p>তবে সেই কর্মী একই সঙ্গে বলেন, ‘এর পাশাপাশি প্যাক্সটনকে একটু অস্বস্তিতে বা খাবি খাওয়ানোর বিষয়টিও যে ট্রাম্প বেশ উপভোগ করেন, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত।’</p><p>বুধবারের সমাবেশের আগে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্যাক্সটনের সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তাঁর নির্বাচনী দলের পক্ষ থেকে শুধু ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর একই মঞ্চে উপস্থিত হওয়ার পূর্বপরিকল্পনার কথাই মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছিল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/ungn045k/election-rally.jpg"><figcaption>ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকদের অসন্তোষ ও প্রতিবাদ বাড়ছে</figcaption></figure><h3>ট্রাম্পের সফর কতটা কাজে আসবে </h3><p>নিউইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত প্যাক্সটনের মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অজনপ্রিয়তা কিছু প্রার্থীর জন্য তাঁকে অস্বস্তিকর অতিথি করে তুলতে পারে। সিএনএনের সর্বশেষ জনমত জরিপগুলোর সমন্বিত হিসাবে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার মাত্র ৩৪ শতাংশ।</p><p>২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পকে জেতাতে যেসব ভোটার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, তাঁদের একটি অংশের সমর্থনও এখন হারাচ্ছেন তিনি। চলতি সপ্তাহের শুরুতে প্রকাশিত এনবিসি নিউজ ও টেলিমুন্ডোর এক জরিপে দেখা গেছে, হিস্পানিক বা লাতিনো ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার মাত্র ২৭ শতাংশ। সান আন্তোনিও সফরের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি বদলানোর চেষ্টা করতে পারেন তিনি। শহরটির জনসংখ্যার ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশই হিস্পানিক বা লাতিনো।</p><p>অন্যদিকে টেক্সাসে ট্রাম্পের আবারও প্রচারে নামাকে নিজেদের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন ডেমোক্র্যাটরা।</p><blockquote>সমাবেশ চলাকালে অন্তত এক ডজন বিক্ষোভকারী কয়েক দফায় ট্রাম্পের বক্তব্যে বাধা সৃষ্টি করলে তাঁদের অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করে দেওয়া হয়।</blockquote><p>টেক্সাসের ডেমোক্রেটিক পার্টির এক কৌশলবিদ বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারের শেষ পর্যায়ে টেক্সাসে চারবার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আনতে হলে বুঝতে হবে, আপনি স্বতন্ত্র ভোটারদের আশা ছেড়ে দিয়েছেন। এটা আসলে ক্ষতি কমানোর কৌশল।’</p><p>এ বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের গুরুত্ব শুধু ২০২৭ সালে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব পড়তে পারে ২০২৮ সালের নির্বাচন ও এর পরের রাজনীতিতেও।</p><p>টেক্সাসের রিপাবলিকান পার্টির ওই কৌশলবিদ ডেমোক্র্যাট প্রার্থী তালারিকোর সম্ভাব্য জয়কে বাঁধের একটি ফাটলের সঙ্গে তুলনা করেন। তাঁর মতে, এমন জয় অঙ্গরাজ্যটিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে নেওয়ার পথে দলটিকে গতি এনে দিতে পারে।</p><p>টেক্সাসের লড়াইয়ের গুরুত্ব যে অনেক বেশি, তা প্যাক্সটনও বুঝতে পারছেন বলে মনে হচ্ছে। বুধবারের সমাবেশের ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা টেক্সাসে হারলে, আমেরিকাতেও হারব।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/97oktc2168">যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০টি আসন, ব্যয় ১২ বিলিয়ন ডলার ও অনুপস্থিত প্রেসিডেন্ট</a></aside>

অক্টোবর ১০, ২০২৬
পত্রিকা: 'শাহবাগ এলাকায় ৯ মাসে ৬৫ অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার'
পত্রিকা: 'শাহবাগ এলাকায় ৯ মাসে ৬৫ অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার'

বাংলাদেশের বেশিরভাগ সরকারি হাসপাতাল থেকে ডেঙ্গু রোগীর তথ্য পাচ্ছে না স্বাস্থ্য অধিদপ্তর; ঢাকার মধ্যে শাহবাগ এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ পাওয়া যাচ্ছে; নতুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এবং ডিসেম্বর ঘিরে নাশকতার ছকের খবর রয়েছে আজ শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
ভারতে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ দাবিতে সিজেপির বিক্ষোভ আজ
ভারতে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ দাবিতে সিজেপির বিক্ষোভ আজ

আজ শনিবার ১০ই অক্টোবর 'দ্বিতীয় যন্তর মন্তরের' ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। বামপন্থী ছাত্র-যুব সংগঠনগুলোসহ অন্যান্য বিরোধী দলও এই বিক্ষোভে সামিল হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হচ্ছে কীভাবে?
এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হচ্ছে কীভাবে?

বাংলাদেশে গ্রাহক পর্যায় থেকে অপারেটর পর্যন্ত এলপিজির যে সাপ্লাই চেইন কাজ করে সেখানে কোথায় এই দাম বৃদ্ধি হচ্ছে তার সন্ধান করতে গিয়ে দেখা গেছে প্রতিটি স্তরেই নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মুনাফার একটা চেষ্টা রয়েছে ব্যবসায়ীদের যে কারণে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই
নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই

নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি জানিয়েছে, জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাইকে তার "শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন প্রসারের প্রচেষ্টার" জন্য স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
'আম্বানি কি ভারতের প্রকৃত বস?'- কেন এই প্রশ্ন ইলন মাস্কের
'আম্বানি কি ভারতের প্রকৃত বস?'- কেন এই প্রশ্ন ইলন মাস্কের

স্টারলিংকের প্রবেশ নিয়ে ইলন মাস্ক ও ভারত সরকারের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
'পাঠাও' থেকে গ্রাহকদের কোন ধরনের তথ্য চুরি গেছে এবং তা কী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে?
'পাঠাও' থেকে গ্রাহকদের কোন ধরনের তথ্য চুরি গেছে এবং তা কী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে?

বাংলাদেশের রাইড-শেয়ারিং ও পণ্য সরবরাহ সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান ‘পাঠাও’ এর সার্ভার থেকে গ্রাহকদের কোন ধরনের তথ্য চুরি হয়েছে? এটা কী কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে?

অক্টোবর ৯, ২০২৬
'চাঁদা না পেয়ে' ট্রাক এনে লুটপাট; সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না?
'চাঁদা না পেয়ে' ট্রাক এনে লুটপাট; সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না?

“এখানে তো মাটি কাটার সময় থেকেই চান্দা শুরু হয়ে গেছে। আমি ওদের সঙ্গে অনেকবার বসছি। কিন্তু ওরা একেকবার একেকজন আসে।''

অক্টোবর ৯, ২০২৬
সবচেয়ে বড় পেঙ্গুইন কলোনিতে পাঁচ লাখ পাখি কমলো কী করে?
সবচেয়ে বড় পেঙ্গুইন কলোনিতে পাঁচ লাখ পাখি কমলো কী করে?

একটি প্রত্যন্ত আগ্নেয় দ্বীপে বসবাসকারী চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইনের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমে যাওয়ার জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করা হচ্ছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
অতীতেই আটকে আছে বসনিয়ার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ
অতীতেই আটকে আছে বসনিয়ার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

বোসনিয়া ও হার্জেগোভিনার গত ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনটি গত তিন দশকের বেশিভারভাগ নির্বাচনের পরিচিত একটি চিত্রই আবার সামনে এনেছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
শরীয়তপুর জেলা যুবদলের কমিটি থেকে আশিককে অব্যাহতি
শরীয়তপুর জেলা যুবদলের কমিটি থেকে আশিককে অব্যাহতি

তথ্য গোপনের অভিযোগে শরীয়তপুর জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির দপ্তর সম্পাদক পদ থেকে আশিক মাদবর জিয়াকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

দারিদ্রতার মাঝে বেড়ে ওঠা এস এম সুলতান ১৯২৮ সালে নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি হন।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
আশুলিয়ায় আগুন: বাসাবাড়িতে পুড়েছে সবকিছু, চুরির অভিযোগ
আশুলিয়ায় আগুন: বাসাবাড়িতে পুড়েছে সবকিছু, চুরির অভিযোগ

ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় তুলা ও পাটের গুদামে লাগা আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের বসতবাড়িতে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দুপুরের মধ্যে ঢাকায় হালকা বৃষ্টির আভাস
দুপুরের মধ্যে ঢাকায় হালকা বৃষ্টির আভাস

রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
এ সপ্তাহের রাশিফল (১০-১৬ অক্টোবর)
এ সপ্তাহের রাশিফল (১০-১৬ অক্টোবর)

পাশ্চাত্য রাশিচক্রমতে চন্দ্র ও অন্যান্য গ্রহগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে চলতি সপ্তাহের বিভিন্ন রাশির জাতক-জাতিকাদের নানা বিষয়ের শুভাশুভ পূর্বাভাস ও সতর্কতা জানাচ্ছেন জ্যোতিষশাস্ত্রী ড. চিন্ময় চৌধুরী মিথুন।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দ্রুত রূপপুরের প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ দেওয়ার আশ্বাস রোসাটমের
দ্রুত রূপপুরের প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ দেওয়ার আশ্বাস রোসাটমের

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
নানা পাটেকরের জানা-অজানা ৮ অধ্যায়
নানা পাটেকরের জানা-অজানা ৮ অধ্যায়

বলিউডের দাপুটে অভিনেতা নানা পাটেকর। কয়েক দিন আগে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন।

অক্টোবর ১০, ২০২৬