বাংলাদেশ

আইএফআইসি ব্যাংকের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
আইএফআইসি ব্যাংকের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন
আইএফআইসি ব্যাংকের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/soy8o5ts/IFIC-Bank-PR50-Years-Celebration-2026.jpeg"><figcaption>দেশব্যাপী আইএফআইসি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলোতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে  সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করা হয়</figcaption></figure><p>৮ অক্টোবর ছিল আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০তম বর্ষপূর্তি। এ উপলক্ষে গত শনিবার রাজধানীর আইএফআইসি টাওয়ারের মাল্টিপারপাস হলে সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করা হয়।</p><p>‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. মেহমুদ হোসেন। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘দেশের ব্যাংকিং খাতে আইএফআইসির ৫০ বছরের পথচলা নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তবে এই অর্জনকে ধরে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সময়ের সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের প্রতিযোগিতা যেমন বেড়েছে, তেমনি বদলেছে গ্রাহকদের চাহিদা ও প্রত্যাশা।</p><p>এসব পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে সুশাসন, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবার ওপর আরও গুরুত্ব দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে আইএফআইসি ব্যাংকের চলমান সংস্কার ও আধুনিকায়ন কার্যক্রম সঠিক পথেই এগোচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p><p>স্বাগত বক্তব্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা বলেন, ‘গ্রাহকদের অবিচল বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আইএফআইসির পাঁচ দশকের পথচলার সবচেয়ে বড় অর্জন। আমরা এমন এক আইএফআইসি রেখে যেতে চাই, যা আগামী ৫০ বছরেও মানুষের বিশ্বাস ও নির্ভরতার ঠিকানা হয়ে থাকবে।’</p><p>বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. এবতাদুল ইসলাম, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক কাজী মো. মাহবুব কাশেম এবং নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা।</p><p>এর আগে ৮ অক্টোবর দেশব্যাপী আইএফআইসি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলোতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করা হয়।</p>

Prothomalo

View more
পাপ আসলে কী, পাপের ক্ষতি কী, কীভাবে বুঝব কোনটা পাপ
পাপ আসলে কী, পাপের ক্ষতি কী, কীভাবে বুঝব কোনটা পাপ

সন্তান একটু ভুল কাজ করলেই বলা হয়, ‘তুমি পাপ করেছ, আল্লাহ তোমার ওপর কষ্ট পাচ্ছেন’ কিংবা ‘তোমার এই কাজে ফেরেশতারা লজ্জা পাচ্ছেন।’

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
ডিপ সি গ্রিন পোশাকে স্নিগ্ধ জয়া, মিনিমাল পার্টি লুকে নজর কাড়লেন তিনি
ডিপ সি গ্রিন পোশাকে স্নিগ্ধ জয়া, মিনিমাল পার্টি লুকে নজর কাড়লেন তিনি

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান বরাবরই তাঁর স্বতন্ত্র ফ্যাশন–সেন্স দিয়ে ভক্তদের মুগ্ধ করেন। সম্প্রতি সমুদ্র সবুজ পোশাকে ক্যামেরায় ধরা দিয়ে আবারও নজর কাড়লেন তিনি।

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
এক গোল খেয়ে চার গোল দিল বার্সেলোনা
এক গোল খেয়ে চার গোল দিল বার্সেলোনা

লামিনে ইয়ামালের গাঁথা আক্রমণের মালায় গোল করেছেন জোয়াও কানসেলো, ফেরমিন লোপেজ, অ্যান্থনি গর্ডন ও করিম আদেয়েমিরা।

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
ইউনাইটেড, ইন্টার ও নাপোলির হার, ভাইকিংয়ে আটকে গেল বায়ার্ন
ইউনাইটেড, ইন্টার ও নাপোলির হার, ভাইকিংয়ে আটকে গেল বায়ার্ন

স্পেনে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে খেলতে যাওয়া ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ২-০ গোলে হেরেছে। ক্লাব ব্রুগার কাছে ইন্টার মিলানের হার ৪-৩ গোলে।

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
মমতার ওপর ছুরি নিয়ে হামলার চেষ্টার অভিযোগ, পুলিশ বলছে ‘বাগবিতণ্ডা’
মমতার ওপর ছুরি নিয়ে হামলার চেষ্টার অভিযোগ, পুলিশ বলছে ‘বাগবিতণ্ডা’

<p>কলকাতায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক নারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর ছুরি নিয়ে হামলার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক এই মুখ্যমন্ত্রী তখন বাড়ি থেকে বের হচ্ছিলেন।</p><p>তবে পুলিশ হামলা বা কোনো ধারালো বস্তুর কথা উল্লেখ করেনি। পুলিশ জানিয়েছে, ওই নারীকে আটক করা হয়েছে।</p><p>এ ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক দোলা সেন। অভিযোগে তিনি ওই নারীর নাম তন্নিষ্ঠা সাহা বলে উল্লেখ করেন। দোলা সেন জানান, তন্নিষ্ঠা একজন সিভিক ভলান্টিয়ার এবং তিনি নিজেকে মমতার ভাগনি বলে দাবি করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, সন্ধ্যা ছয়টায় মমতা কালীঘাটের বাড়ি থেকে বের হলে তন্নিষ্ঠা তাঁকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি মমতার ওপর হামলার চেষ্টা করেন।</p><p>সিভিক ভলান্টিয়াররা চুক্তিভিত্তিক কর্মী। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কলকাতা পুলিশ তাঁদের নিয়োগ দেয়। যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, ভিড় সামলানো ও জননিরাপত্তার কাজে তাঁরা পুলিশকে সহায়তা করেন।</p><p>তৃণমূলের মমতা-অংশের দাবি, ওই নারী মাদকাসক্ত। জেড-প্লাস নিরাপত্তা পাওয়া একজনের বাড়ির কাছে কেউ কীভাবে পৌঁছে গেল, সে প্রশ্নও তুলেছে দলটি। এর পেছনে ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে তারা।</p><p>অভিযোগে দোলা সেন লিখেছেন, ‘তিনি গালিগালাজ করছিলেন। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে মারমুখী হয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় অষ্টম মুখ্যমন্ত্রীকে আঘাত করতে তিনি রাস্তায় শুয়েও পড়েন।’</p><p>অভিযোগের একটি অনুলিপি এক্সে পোস্ট করেছেন দলের মুখপাত্র সাকেত গোখলে। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আজ একজন মাদকাসক্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে ছুরি নিয়ে তাঁর ওপর হামলার চেষ্টা করেছেন। বাংলার অবস্থা এমনই যে জেড-প্লাস নিরাপত্তা পাওয়া তিনবারের মুখ্যমন্ত্রীও নিরাপদ নন। দিদি দিল্লিতে বিজেপিকে শেষ করে দিতে বদ্ধপরিকর বলেই কি এটা বিজেপির পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র?’</p><p>এর কয়েক ঘণ্টা পর পুলিশ ওই নারীর পরিচয় জানায়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর নাম অনুসূয়া সাহা, বয়স ৩৮ বছর। পুলিশ ঘটনাটিকে ‘বাগবিতণ্ডা’ বলেছে এবং জানিয়েছে, তাঁকে আটক করা হয়েছে।</p><p>পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বাসভবন থেকে বের হওয়ার সময় সেখানে একটি ঘটনা ঘটে। অনুসূয়া সাহা নামের এক নারী তাঁর মুখোমুখি হন। এ নিয়ে উত্তপ্ত বাগবিতণ্ডা হয়। পরে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা ওই নারীকে আটক করেন। এদিকে তৃণমূলের সদস্যরা একটি অভিযোগ দিয়েছেন। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’</p><p><strong>আগেও হামলা</strong></p><p>গত মে মাসে টানা তিন মেয়াদের পর পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা হারায় তৃণমূল। এরপর রাজ্য ও জাতীয় দুই পর্যায়েই দলটি ভাঙনের মুখে পড়ে। ক্ষমতা হারানোর পর থেকে তৃণমূলের মমতা-অংশের নেতা-কর্মীরা কয়েকবার হামলার শিকার হয়েছেন।</p><p>আগস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, কলকাতার শ্যামবাজার এলাকায় তাঁর গাড়িতে একটি বড় পাথর ছোড়া হয়েছিল। এতে তাঁর বুকে ব্যথা হয়, যা কয়েক দিন ছিল।</p><p>মে মাসে নির্বাচনের ফল ঘোষণার কয়েক দিন পর দক্ষিণ ২৪ পরগনায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ইট-পাথর ও ডিম ছোড়া হয়। জেলাটি তাঁর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।</p><p>গত শনিবার বারুইপুর পূর্বের বিধায়ক বিভাস সরদারের গাড়িতেও হামলা হয়। বিভাস সরদার বলেন, একদল লোক তাঁর গাড়ি ঘিরে ফেলে, তাঁকে হত্যার হুমকি দেয় এবং গাড়ির সামনের কাচে ইট ছোড়ে। তিনি ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন বলে জানান।</p>

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে কলকাতায় তৃণমূলের মিছিল আটকে দিল পুলিশ
সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে কলকাতায় তৃণমূলের মিছিল আটকে দিল পুলিশ

<p>ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) বাতিলের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রতিবাদ মিছিল করতে দেয়নি পুলিশ।</p><p>তৃণমূল কংগ্রেস আগেই ঘোষণা দিয়েছিল, মঙ্গলবার বেলা দুইটায় কলকাতার রাজাবাজার মোড় থেকে মিছিল বের হবে। মিছিলটি যাওয়ার কথা ছিল পার্ক সার্কাস মোড় পর্যন্ত। এতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ দেওয়ার কথা ছিল।</p><p>কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ জানান, রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মিছিল করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস পুলিশের কাছ থেকে কোনো আগাম অনুমতি নেয়নি। মিছিল কোথা থেকে শুরু হবে, কোথায় শেষ হবে, তাতে কতজন থাকবেন—এসব কিছুই পুলিশকে জানানো হয়নি।</p><p>তাই বেলা দুইটার আগেই পুলিশ গিয়ে রাজাবাজার মোড় আটকে দেয়। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত হন। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, সেখান থেকে মিছিল করার অনুমতি নেয়নি তৃণমূল। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মিছিলে যোগ দিতে রাজাবাজার মোড়ে জড়ো হলেও পুলিশ কার্যত তাঁদের সেখানেই আটকে দেয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/5wtt5dg5/kolkata-2.jpg"><figcaption>মিছিল আটকাতে রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা। সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে এখান থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিল বের হওয়ার কথা ছিল। রাজাবাজার মোড়, কলকাতা, ভারত, ১৩ অক্টোবর</figcaption></figure><p>তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও অশোক দেব এবং সাংসদ দোলা সেনসহ দলের নেতারা সেখানে উপস্থিত হন। মিছিলে যোগ দিতে না পেরে তাঁরা রাজাবাজার মোড়েই অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।</p><p>সেখানে বসেই তৃণমূলের নেতারা কয়েকটি দাবি তোলেন। এর মধ্যে রয়েছে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে অপসারণ ও গ্রেপ্তার, এসআইআর বাতিল, বাদ পড়া ভোটারদের নাম অবিলম্বে ভোটার তালিকায় তোলা এবং পুরোনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।</p><p>তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজাবাজার মোড়ের জমায়েতে আসেননি। মিছিলে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার কোনো উদ্যোগও নেননি তিনি।</p><p>এদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অনুমতি না নিয়ে যেন কোনো মিছিল বের না হয়। পুলিশও কার্যত সেই নির্দেশ দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যেখান থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা, পুলিশ সেখানেই তা শেষ করুক।</p>

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
আইএফআইসি ব্যাংকের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন
আইএফআইসি ব্যাংকের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/soy8o5ts/IFIC-Bank-PR50-Years-Celebration-2026.jpeg"><figcaption>দেশব্যাপী আইএফআইসি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলোতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে  সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করা হয়</figcaption></figure><p>৮ অক্টোবর ছিল আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০তম বর্ষপূর্তি। এ উপলক্ষে গত শনিবার রাজধানীর আইএফআইসি টাওয়ারের মাল্টিপারপাস হলে সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করা হয়।</p><p>‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. মেহমুদ হোসেন। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘দেশের ব্যাংকিং খাতে আইএফআইসির ৫০ বছরের পথচলা নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তবে এই অর্জনকে ধরে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সময়ের সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের প্রতিযোগিতা যেমন বেড়েছে, তেমনি বদলেছে গ্রাহকদের চাহিদা ও প্রত্যাশা।</p><p>এসব পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে সুশাসন, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবার ওপর আরও গুরুত্ব দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে আইএফআইসি ব্যাংকের চলমান সংস্কার ও আধুনিকায়ন কার্যক্রম সঠিক পথেই এগোচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p><p>স্বাগত বক্তব্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা বলেন, ‘গ্রাহকদের অবিচল বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আইএফআইসির পাঁচ দশকের পথচলার সবচেয়ে বড় অর্জন। আমরা এমন এক আইএফআইসি রেখে যেতে চাই, যা আগামী ৫০ বছরেও মানুষের বিশ্বাস ও নির্ভরতার ঠিকানা হয়ে থাকবে।’</p><p>বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. এবতাদুল ইসলাম, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক কাজী মো. মাহবুব কাশেম এবং নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা।</p><p>এর আগে ৮ অক্টোবর দেশব্যাপী আইএফআইসি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলোতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করা হয়।</p>

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
বাংলাদেশে লোটোর ১৫ বছর: কাপাসিয়ায় নতুন কারখানা
বাংলাদেশে লোটোর ১৫ বছর: কাপাসিয়ায় নতুন কারখানা

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/kh3g6711/Loto_Bangladesh_Image.jpeg"><figcaption>ঢাকার গুলশান ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জামিল ইসলাম</figcaption></figure><p>স্পোর্টি লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘লোটো’, বাংলাদেশে তাদের পথচলার ১৫ বছর পূর্ণ করেছে। ৭ অক্টোবর ঢাকার গুলশান ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, ব্যবসায়িক অংশীদার এবং লোটো বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তাঁরা ব্র্যান্ডটির দীর্ঘ ১৫ বছরের অগ্রযাত্রা, অর্জন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।</p><p>দেশের গ্রাহকদের কাছে ব্র্যান্ডটি আন্তর্জাতিক মানের ফুটওয়্যার, অ্যাপারেল ও অ্যাকসেসরিজ পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে। বর্তমানে সারা দেশে লোটোর ১৩৭টি ফ্ল্যাগশিপ এবং ১১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজিসহ মোট ২৪৭টি আউটলেট রয়েছে।</p><p>১৫তম বর্ষপূর্তিতে গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নতুন কারখানার উদ্বোধন করেছে লোটো বাংলাদেশ। আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবলে গঠিত এই কারখানায় টিপিআর, ইভিএ, পিইউ ও পিভিসি–ভিত্তিক স্পোর্টস ও লেদার ফুটওয়্যার উৎপাদিত হবে। বিশ্বমানের এই কারখানা দেশের বাজার ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী প্রতিষ্ঠানটি।</p><p>অনুষ্ঠানে ঘোষণা দেওয়া হয়, লোটো বাংলাদেশ সারা দেশে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও স্থানীয় ব্যবসা বিকাশে ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি’ (এন্টারপ্রেনিউর ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) চালু করতে যাচ্ছে। এ উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানীয় পর্যায়ে সম্ভাবনাময় তরুণদের চিহ্নিত করে টেকসই ব্যবসার রূপরেখা দেওয়া হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সফল উদ্যোক্তারা ১০ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ২০টি পর্যন্ত দোকানের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারবেন। এতে ব্র্যান্ডটির খুচরা বিক্রয় নেটওয়ার্ক বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।</p><p>লোটো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জামিল ইসলাম বলেন, ‘একজন গ্রাহক দিয়ে শুরু করা এই দীর্ঘ পথচলার মূল শক্তিই ছিল ক্রেতাদের অকৃত্রিম বিশ্বাস। আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি এ দেশের তরুণ সমাজ। সঠিক সুযোগ ও দিকনির্দেশনা পেলে এই তরুণ উদ্যোক্তারাই নতুন কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি বাংলাদেশের নাম বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে বলে আমাদের বিশ্বাস।’</p>

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে আনন্দমেলার পিকনিক, দেশি খাবার ও আড্ডায় মিললেন প্রবাসীরা
প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে আনন্দমেলার পিকনিক, দেশি খাবার ও আড্ডায় মিললেন প্রবাসীরা

<p>প্রশান্ত মহাসাগরের নীল জলরাশি, মাথার ওপর খোলা আকাশ আর চারপাশে সবুজ ঘাসে ঘেরা মনোরম পরিবেশ। কোথাও চাদর বিছিয়ে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে প্রাণখোলা আড্ডা, কোথাও গানের সুর, আবার সবুজ মাঠে শিশুদের ফুটবল খেলা—সব মিলিয়ে প্রবাসজীবনের কর্মব্যস্ততা ভুলে ছুটির দিনটিতে যেন একটুকরা বাংলাদেশে রূপ নিয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়ার সান পেদ্রো।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/xlgf3zfd/US-Bangladeshi-Picnic-2.jpeg"><figcaption>পিকনিকের অন্যতম আকর্ষণ ছিল দেশি ইলিশ মাছ ভাজা। কড়াইয়ের পাশে দাঁড়িয়ে ক্যামেরাবন্দী প্রবাসীরা</figcaption></figure><p>৪ অক্টোবর সান পেদ্রোর মনোরম পয়েন্ট ফারমিন পার্কে অনুষ্ঠিত হয় ‘আনন্দমেলা অ্যাপ্রিসিয়েশন পিকনিক’। লস অ্যাঞ্জেলেস ও আশপাশ এলাকার প্রবাসী বাংলাদেশিরা এতে অংশ নেন। রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে পুরো পার্ক উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি চলে পারস্পরিক কুশল বিনিময় ও স্মৃতিচারণা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/818sl33l/US_Bangladeshi_Picnic_3.jpeg"><figcaption>প্রশান্ত মহাসাগরের নীল জলরাশিকে পেছনে রেখে আনন্দমেলার পিকনিকে অংশ নেওয়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা</figcaption></figure><p>দিনভর এ আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঐতিহ্যবাহী দেশি খাবার। সকালের নাশতায় পরিবেশন করা হয় চটপটি, আমভর্তা, শিঙাড়া, তরমুজ ও গরম চা। দুপুরে ছিল গরম গরম ভাজা ইলিশ, রুটি ও কাবাব। প্রবাসের মাটিতে দেশি খাবারের স্বাদ নিতে নিতে গল্পে মেতে ওঠেন উপস্থিত সবাই।</p><p>বড়দের আড্ডার পাশাপাশি পার্কের সবুজ মাঠে শিশুদের ফুটবল খেলা ও ছোটাছুটি পিকনিকের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/87f7w7dv/US-Bangladeshi-Picnic-4.jpeg"><figcaption>পয়েন্ট ফারমিন পার্কে প্রশান্ত মহাসাগরের মনোরম সৌন্দর্য উপভোগ করছেন ক্যালিফোর্নিয়া শাখা বিএনপির সভাপতি বদরুল আলম চৌধুরী শিপলু ও সাধারণ সম্পাদক এম ওয়াহিদ রহমান</figcaption></figure><p>আয়োজনের উদ্দেশ্য জানিয়ে আনন্দমেলার আয়োজক খান মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে এবং সবাই যেন একসঙ্গে কিছুটা সময় কাটাতে পারেন, সে উদ্দেশ্যেই এই পিকনিকের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি জানান, প্রবাসজীবনের ব্যস্ততার মধে৵ পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানো এবং আনন্দের মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়াই ছিল তাঁদের মূল লক্ষ্য।</p><p>অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া শাখা বিএনপির সভাপতি বদরুল আলম চৌধুরী বলেন, প্রবাসে কাজের চাপ, পারিবারিক দায়িত্ব এবং নানা ব্যস্ততা। অনেক সময় একই শহরে থেকেও পরিচিতজনদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়ে ওঠে না। এমন পিকনিক সেই দূরত্ব কিছুটা কমিয়ে মানুষকে কাছাকাছি নিয়ে আসে। একসঙ্গে খাবার খাওয়া, গান শোনা, গল্প করা কিংবা শিশুদের খেলাধুলা দেখা—এসব সাধারণ মুহূর্তই হয়ে ওঠে আনন্দের স্মৃতি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/b270b85i/US-Bangladeshi-Picnic-6.jpeg"><figcaption>সান পেদ্রোর পার্কে দেশীয় সাজপোশাকে প্রথম আলোর লস অ্যাঞ্জেলেস প্রতিনিধি রোজিনা ইসলামসহ অন্যরা</figcaption></figure><p>অনুষ্ঠানের আয়োজক ও অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আনন্দমেলার প্রধান উপদেষ্টা শিপার চৌধুরী, সভাপতি শরিফ হাসিবুল, আহ্বায়ক দাউদ বাফাতিয়া, প্রধান সমন্বয়কারী জিয়া ইসলাম এবং ক্যালিফোর্নিয়া শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম ওয়াহিদ রহমানসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/q7hv9474/US-Bangladeshi-Picnic-7.jpeg"><figcaption>প্রবাসের মাটিতে দেশি স্বাদের আয়োজন; পিকনিকে ইলিশ ভাজায় ব্যস্ত এক প্রবাসী</figcaption></figure><p>শিপার চৌধুরী বলেন, বাংলা ভাষা, দেশি খাবার, গান ও সাংস্কৃতিক আবহের প্রতি প্রবাসী বাংলাদেশিদের টানও এ ধরনের আয়োজনে প্রতিফলিত হয়। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরেরা যখন পরিবারের সঙ্গে এমন অনুষ্ঠানে অংশ নেয়, তখন তারা নিজেদের কমিউনিটির মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়।</p><p>প্রকৃতির সান্নিধ্যে দেশি খাবার, গান ও আড্ডায় ভরপুর এই আয়োজন প্রবাসীদের জন্য হয়ে উঠেছিল এক অনাবিল আনন্দের দিন।</p>

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন