রংপুরে গৃহবধূর মরদেহ রেখে গরু-ছাগল নিয়ে পালাল শশুরবাড়ির লোকজন
সড়ক অবরোধ, পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ও সহিংসতায় কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক। টানা অবরোধে স্থবির হয়ে পড়েছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন। খাদ্য ও ওষুধের সংকটের পাশাপাশি বন্ধ হওয়ার পথে কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ।
ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আজভ সাগরের উপকূলে পর্যটনকেন্দ্রগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পাশাপশি শত শত হোটেল ও রিসোর্ট দখলে নিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ার দখলে চলে যাওয়া ইউক্রেনের হোটেল ও রিসোর্টগুলোর ক্ষতিপূরণ চ...
নভেম্বর থেকে জানুয়ারি—এই তিন মাসে দেশে চার থেকে ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দু-তিনটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে। একই সময়ে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়ে...
রংপুরের মিঠাপুকুরে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ রেখে গরু-ছাগল নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এ ঘটনা ঘটে।
চার দেশের নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা সুবিধা সম্প্রসারণ করেছে সৌদি আরব। ৫ নভেম্বর ঘোষণা অনুযায়ী, এই দেশগুলোর নাগরিকরা এখন সৌদি আরবের পর্যটন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এর ফলে দেশগুলোর আরও বেশি নাগরি...
চীনে বিয়ের প্রতি আগ্রহ কমছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশটিতে বিয়ের হার গত ১৮ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। বিয়ে ও সন্তান জন্মদানের মধ্যে গভীর সম্পর্ক থাকায় এ পরিস্থিতিতে দেশটির জনসংখ্যা হ্রাস...
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত মাসের শেষ সপ্তাহে টোকিও সফরে গিয়েছিলেন, সেখানে দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় নতুন করে উঠে এসেছে জাপানের বিগ-বি প্রকল্প। এতে ভারতকে নিয়ে সংশয় কেন?
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
নিজের সংসার সামলাতেই যেখানে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে যাত্রীদের স্বস্তির কথা ভেবে কয়েক হাজার টাকা ব্যয় করা এবং মানুষের বিরূপ মন্তব্যকে উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাওয়া সহজ কথা নয়।
হামলার পরিকল্পনা ও সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। আটজন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
<p>নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেন জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে চালু হওয়া ‘বাংলা কিউআর’ উদ্যোগ অনেকটা থমকে গেছে। প্রথম দিকে লেনদেনের গতি আশাব্যঞ্জক হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এতে ভাটা পড়েছে। যদিও ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে লেনদেন বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।</p><p>এদিকে চলতি মাস থেকে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিপর্যায়ের লেনদেনে বাংলা কিউআর কোড সেবা চালু হয়েছে।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংকের গত মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ছয় মাসের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত মে মাসের শেষ দুই সপ্তাহে বাংলা কিউআরে দৈনিক ২০–৩০ কোটি টাকার মতো লেনদেন হতো। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে দৈনিক লেনদেন বেড়ে ১৩৫ কোটি টাকায় ওঠে। এরপর লেনদেন কমতে শুরু করে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে লেনদেন কমে ১১৯ কোটি টাকায় নেমে আসে। এ অবস্থায় নতুন উদ্যোগ ছাড়া শিগগিরই লেনদেন বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই বলে মনে করেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।</p><blockquote>মে মাসে যেখানে দৈনিক ২০–৩০ কোটি টাকা লেনদেন হতো, সেখানে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে তা ১৩৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ওঠে। এরপর তা কমে ১১৯ কোটি টাকায় নেমে যায়।</blockquote><p>এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘বাংলা কিউআরে লেনদেনের গতি কেন কমে গেল, এটা আমরাও বুঝতে পারছি না। বাধা দূর করে লেনদেন বাড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলা কিউআরকে সর্বজনীন করতে প্রয়োজনে আরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।’</p><p><strong>কেন লেনদেনে সাড়া কম</strong></p><p>গত জুলাইয়ে লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়। ফলে দেশের সব ব্যাংক ও এমএফএস বাধ্য হয়ে নিজস্ব কোডের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রেতা (মার্চেন্ট) পর্যায়ে বাংলা কিউআর কোড স্থাপন করে। এই মার্চেন্টদের এক ব্যাংক বা এমএফএস হিসাবের বিপরীতে বিভিন্ন ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠান চার-পাঁচটি পর্যন্ত বাংলা কিউআর কোড দিয়েছে। এতে দেশজুড়ে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে থাকা মার্চেন্টরা নগদ অর্থ উত্তোলনের বিকল্প ব্যবস্থা হয়ে ওঠে। গ্রামগঞ্জের দোকানদার থেকে শুরু করে বড় বড় সেবা ও পণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো এই মার্চেন্ট তালিকায় রয়েছে। ফলে বিপুলসংখ্যক মার্চেন্টের প্রভাবে ভেঙে পড়েছে এমএফএস এজেন্ট ইকোসিস্টেম।</p><aside><cite>আরিফ হোসেন খান, মুখপাত্র, বাংলাদেশ ব্যাংক</cite>বাংলা কিউআরে লেনদেনের গতি কেন কমে গেল, এটা আমরাও বুঝতে পারছি না। বাধা দূর করে লেনদেন বাড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলা কিউআরকে সর্বজনীন করতে প্রয়োজনে আরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।</aside><p>বাংলাদেশ ব্যাংক অক্টোবর থেকে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণে বিক্রেতাদের খরচ শূন্য করে দেয়। ফলে গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ ও নগদে তা গ্রাহককে ফেরত দিতে কোনো মাশুল দিতে হয় না মার্চেন্টদের। এর বিপরীতে বিকাশ, নগদ ও রকেটের মতো এমএফএস এজেন্ট থেকে ক্যাশ আউটে নির্দিষ্ট অঙ্কের ফি দিতে হবে। এই ফি বাবদ এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো যে অর্থ পায় তার মধ্যে প্রতি হাজারের জন্য সরকারকে রাজস্ব দেয় তিন টাকার বেশি। কিন্তু মার্চেন্টদের মাধ্যমে অর্থ তুললে কোনো খরচ নেই। আবার সরকারকে কোনো রাজস্ব দিতে হয় না মার্চেন্টদের। ফলে এই কিউআর কোড ব্যবহার করে মার্চেন্টদের কাছ থেকে নগদ অর্থ উত্তোলন গ্রাহক ও মার্চেন্ট উভয়ের জন্য লাভজনক।</p><p>সরকার ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানের জন্য তা বড় ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা দেয়। ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষণা দেয়, ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে কোনো অর্থ উত্তোলন হলে সেই হিসাব বন্ধ করে দেওয়া হবে। এর পর থেকে এমএফএস ও ব্যাংকগুলো কেনাকাটার পরিবর্তে অর্থ উত্তোলন হলেই তা বন্ধ করে দিচ্ছে। এর পর থেকেই কিউআরে লেনদেনের গতি কমে যায়।</p><p><strong>লেনদেন বাড়াতে যত উদ্যোগ</strong></p><p>বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়াতে ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রণোদনা দিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। ব্যক্তিপর্যায়ে নিবন্ধিত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা বা সেবা প্রদানকারীদের দোকানে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এ সুবিধার আওতায় যে ব্যাংক বা এমএফএস প্রতিষ্ঠান মার্চেন্ট পয়েন্টে কিউআর কোড স্থাপন করে। যে প্রতিষ্ঠান এই কিউআর কোড ব্যবহার করে লেনদেন করে (একুয়ারিং প্রতিষ্ঠান) তারা লেনদেনের শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ পরিমাণ প্রণোদনা পাচ্ছে। অন্যদিকে যে ব্যাংক বা এমএফএসের মাধ্যমে গ্রাহক টাকা পরিশোধ করছেন সেই ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে লেনদেনের শূন্য দশমিক ২০ শতাংশের সমান প্রণোদনা। তারপরও লেনদেন আশানুরুপ বাড়ছে না।</p><aside><cite>শওকত আলী খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সোনালী ব্যাংক</cite>আমরা বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়াতে কর্মীদের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছি। এতে প্রতিনিয়ত হিসাব খোলা ও লেনদেন বাড়ছে। এভাবে সবাই এগিয়ে এলেই সেবাটির প্রবৃদ্ধি ঘটবে।</aside><p><strong>লেনদেনের চিত্র</strong></p><p>তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত ২৪ সপ্তাহের মধ্যে ৭ সপ্তাহ কিউআর লেনদেন ঋণাত্মক বা নেতিবাচক ছিল। লেনদেনে এই স্থবিরতার পেছনে বেশ কিছু প্রযুক্তিগত ও কাঠামোগত দুর্বলতাকে দায়ী করেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের মতে, দেশের নাগরিকদের বড় অংশ এখন মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বিকাশ ও নগদের গ্রাহক। এ দুই প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া সেবাটি জনপ্রিয় করা যাবে না। পাশাপাশি গ্রাহকদের সচেতন করতে হবে। অবকাঠামোও উন্নয়ন করতে হবে। ব্যাংকিং অ্যাপগুলোকে আরও সহজে ব্যবহারযোগ্য করাও জরুরি। ইন্টারনেট ছাড়া বাংলা কিউআর অ্যাপ ব্যবহার চালুর যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, সেটিও বাস্তবায়ন করতে হবে।</p><p><strong>বাংলা কিউআরে কারা শীর্ষে</strong></p><p>বাংলা কিউআরে নতুন মার্চেন্ট হিসাব খোলায় বর্তমানে এগিয়ে রয়েছে ইসলামী, পূবালী, জনতা, সোনালী ও রূপালী ব্যাংক।</p><p>জানতে চাইলে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শওকত আলী খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়াতে কর্মীদের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছি। এতে প্রতিনিয়ত হিসাব খোলা ও লেনদেন বাড়ছে। এভাবে সবাই এগিয়ে এলেই সেবাটির প্রবৃদ্ধি ঘটবে।’</p>
<p>আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তিতে নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটি এবার ৪ লাখ বিদেশি শিক্ষার্থী নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এর আগে ২০২৭ সালের মধ্যে ৩ লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগেই ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়।</p><p> বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা আরও বাড়াতে দেশটির সরকার শিক্ষার্থী ভিসাব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আনছে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনে কোরীয় ভাষায় দক্ষতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সাফল্য, দেশটির সমাজে খাপ খাওয়ানো এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/xdvakcx8op">কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা কবে, নিন জেনে </a></aside><p><strong>আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে</strong></p><p>দক্ষিণ কোরিয়া ৩ লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। তবে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়েই দেশটি এই লক্ষ্য পূরণ করে, নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ১৪ হাজারে পৌঁছায়।</p><p><strong>ভিসার সুবিধা পেতে কোরীয় ভাষায় দক্ষতায় গুরুত্ব</strong></p><p>প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, কোরীয় ভাষায় মধ্যম পর্যায়ের দক্ষতা প্রমাণ করতে পারলে অধিকাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীকে শিক্ষার্থী ভিসার আবেদনে আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে না।</p><p>এ জন্য শিক্ষার্থীদের কোরীয় ভাষা দক্ষতা পরীক্ষায় (টপিক) অথবা কোরীয় অভিবাসন ও একীভূতকরণ কর্মসূচিতে (কেআইআইপি) চতুর্থ স্তর অর্জন করতে হবে।</p><p>তবে যেসব শিক্ষার্থীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দক্ষিণ কোরিয়ায় থেকে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি বলে বিবেচিত হবে, তাঁদের এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হতে পারে। পড়াশোনার চেয়ে চাকরিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে—এমন শিক্ষার্থীদেরও নির্দিষ্ট সময়ের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে অর্থ জমা রাখতে হতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-03-19/5bgd6bnm/151.jpg"></figure><p><strong>পড়াশোনা শেষে সর্বোচ্চ তিন বছর থাকার সুযোগ</strong></p><p>নতুন কাঠামো অনুযায়ী, ভাষাগত দক্ষতা ও চাকরির প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করে বিদেশি স্নাতকেরা এক থেকে তিন বছর পর্যন্ত দেশটিতে থাকার অনুমতি পেতে পারেন।</p><p>আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্নাতক হওয়ার পরও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে উৎসাহিত করতে সরকার ‘কোরিয়ান স্টাডি অ্যালামনাই ভিজিটর ভিসা’ নামে একটি নতুন ভিসা চালুর বিষয়ও বিবেচনা করছে।</p><blockquote>নতুন ভিসা কাঠামোয় কোরীয় ভাষার দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে—টপিক বা কেআইআইপি লেভেল-৪ থাকলে অনেকের আর্থিক প্রমাণ লাগবে না। স্নাতকদের ভাষা ও চাকরির প্রস্তুতির ভিত্তিতে ১–৩ বছর থাকার সুযোগ এবং অ্যালামনাই ভিজিট ভিসার কথা ভাবা হচ্ছে।</blockquote><p><strong>ইংরেজি মাধ্যমে পড়তে আগ্রহীদের জন্য চ্যালেঞ্জ</strong></p><p>যেসব শিক্ষার্থী মূলত ইংরেজি মাধ্যমে ডিগ্রি অর্জন করতে বা দেশটির সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে চান, তাঁদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।</p><p>তবে কোরীয় ভাষায় উচ্চপর্যায়ের দক্ষতা না থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগও রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ৭০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজারের বেশি বিভাগে ইংরেজি মাধ্যমে ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/f9t0zlxeg4">মিসরের আল-আজহারের ইনস্টিটিউটে পড়াশোনা, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যেভাবে আবেদন করবেন</a></aside>
কোরআনে আল্লাহ নিজের অসীম ক্ষমতার নিদর্শন বোঝাতে গিয়ে মহাবিশ্ব, গ্রহ-নক্ষত্র ও প্রকৃতির এমন কিছু তথ্য দিয়েছেন, যা দেড় হাজার বছর আগে মানুষের কল্পনারও অতীত ছিল।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নবম ও দশম গ্রেডে মোট ১৮টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনের শেষ সময় ২৬ নভেম্বর।
<p>তৃতীয় পর্বে উল্লিখিত হয়েছিল, ১৩৩১ সালের ২ মার্চ ওরহান নিকিয়া শহর জয় করে আত্মসমর্পণকারী রোমান গভর্নর ও তাঁর সৈন্যদের নিরাপদে বের হওয়ার ব্যবস্থা করে দেন। এ ছাড়া নিকিয়ার জনগণের মধ্যে যারা চলে যেতে চেয়েছিল, তাদেরও নিরাপদে বের হয়ে যাওয়ার স্বাধীনতা দিয়েছিলেন ওরহান। যদিও কয়েকজন ছাড়া তেমন বড়সংখ্যক সাধারণ মানুষ নিকিয়া ত্যাগ করেনি। নিকিয়ার প্রায় ৩০ হাজার সাধারণ জনগণের সুবিধার্থে ওরহান কয়েক বছরের জন্য কর মওকুফ করেন। নিকিয়ার মানুষকে স্বাধীনভাবে ধর্ম পালনেরও অনুমতি দেওয়া হয়। দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় ওরহান তৎক্ষণাৎ নিকিয়ার জনগণের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করেন। ফলে নিকিয়ার সাধারণ মানুষেরা ওরহানের অধীনে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস শুরু করে। নিকিয়া জয় করার মাধ্যমে ওরহান গাজী তুর্কিদের ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়ে যান। এর কারণ আগে ১০৮১ সালে নিকিয়া জয় করেছিলেন মাত্র একজন সেলজুক শাসক সুলেইমান ইবনে কুতুলমিশ। তবে ১০৯৭ সালে রোমান সাম্রাজ্য নিকিয়াকে আবারও পুনর্দখল করে ফেলে। তাই পরবর্তী সময় ১৩৩১ সালে ওরহান গাজীর নিকিয়া জয় করার ইতিহাস স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়।</p><p> নিকিয়া বিজয়ের পর থেকে ধীরে ধীরে ওসমানীয় সৈন্যদের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে থাকেন ওরহান। ভিনদেশি বণিকদের কর ছাড়াই ব্যবসা করার অনুমতি প্রদান করা হয় বুরসা, নিকিয়া, সোগুত, ইয়েনিসেহিরসহ ওসমানীয়দের অধীন প্রায় সব শহর ও দুর্গে। করের বোঝাও কম থাকায় সাধারণ মানুষেরও উপার্জন বাড়তে থাকে। এভাবে ওরহান তাঁর বাবার মতোই সাম্রাজ্যের বেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করেন।</p><aside><a href="https://nagorik.prothomalo.com/reader/s7gc1yr5qp">ওরহান গাজী: ওসমানীয় সাম্রাজ্যের মহাদিগন্ত সূচনায় ঐতিহাসিক নাম—তৃতীয় পর্ব</a></aside><p>১৩৩৩ সালে ওসমান গাজীর দ্বিতীয় পুত্র ও ওসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রথম উজির আলাউদ্দিন পাশা মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার দরুন তাঁর মৃত্যু হয়। ওরহান গাজী তাঁর ভাইয়ের মৃত্যুতে বেশ মর্মাহত হয়ে পড়েন। ওসমানীয় সাম্রাজ্যে প্রশাসনিক গঠনতন্ত্রের বিভিন্ন পরিবর্তন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেবামূলক কাজের প্রচলন—এ সবকিছুতেই আলাউদ্দিন পাশার বেশ বড় অবদান ছিল। তাই ওসমানীয় সাম্রাজ্য গঠনের ইতিহাসে আলাউদ্দিন পাশার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। ওরহান তাঁর ভাই আলাউদ্দিনের মৃত্যুর আগে ফোদ্রা গ্রাম নামক একটি অঞ্চল তাঁর নামে লিখে দিয়েছিলেন। আলাউদ্দিন পাশা একজন গণ্যমান্য বে–এর কন্যাকে বিয়ে করেছিলেন ওসমানের আমলে। তাঁর পাঁচ পুত্র ও তিন কন্যাসন্তান ছিল। পরবর্তী সময়ে আলাউদ্দিন পাশার বংশধরদের ধারা ১৬ শতাব্দী পর্যন্ত বলবৎ ছিল এবং তাঁর বংশধরেরা ওসমানীয় সাম্রাজ্যের সেবা করেছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে ওসমান–পুত্র আলাউদ্দিন খুবই ধার্মিক, আলেম ও ভদ্র মানুষ ছিলেন। তিনি বেশ কিছু মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন।</p><blockquote>নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই–মেইল: ns@prothomalo.com</blockquote><p>তা ছাড়া ওরহানের বাবা ওসমান গাজীর সেনাপতি কনুর আল্প ১৩২৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন। ওরহানের দাদা আরতুগ্রুল গাজীর সময়ের শতবর্ষী বিখ্যাত যোদ্ধা আবদুর রহমান গাজী ১৩২৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন। আরতুগ্রুলের সহচর ও ওসমানীয় সাম্রাজ্যের বিখ্যাত শতবর্ষী সেনাপতি তুরগুত বে ১৩৩৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন। আরেক বিখ্যাত কায়ী যোদ্ধা সামসা চাভুশও ১৩৩০ সালের দিকে মৃত্যুবরণ করেন। তা ছাড়া ওসমানের চাচাতো ভাই আকতেমুর বে ও সুলেইমান বে–এর ব্যাপারেও বুরসা–জয় পরবর্তী সময়ের তেমন একটা ইতিহাস নেই বললেই চলে। তাই বলা যায়, ওরহান তাঁর বাবার আমলের বিখ্যাত সেনাপতি ও যোদ্ধাদের সিংহাসনে বসার কয়েক বছরের মধ্যেই একে একে হারিয়ে ফেলেছিলেন।</p><aside><a href="https://nagorik.prothomalo.com/ayojon/58czoz5o07">ওরহান গাজী: ওসমানীয় সাম্রাজ্যের মহাদিগন্ত সূচনায় ঐতিহাসিক এক নাম—পর্ব দ্বিতীয়</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/b6vyc4ag/15.png"></figure><p>ওরহান বে ১৩৩৩ সালে তৎকালীন আনাতোলিয়ার বিথিনিয়ায় একমাত্র অবশিষ্ট রোমান শহর নিকোমিডিয়া অবরোধ শুরু করেন। নিকোমিডিয়ার আশপাশে প্রায় আট হাজার ওসমানীয় সৈন্য অবরোধ গড়ে তুললে রোমান সম্রাট আবারও বিপাকে পড়ে যান। কিছুদিন পর রোমান সম্রাট তৃতীয় আন্দ্রেনিকোস ওরহান গাজীর কাছে দূত পাঠিয়ে অবরোধ বন্ধ করতে বলেন এবং এর বিনিময়ে রোমান সাম্রাজ্য থেকে ওসমানীয় সাম্রাজ্যকে বার্ষিক কর প্রদান করার প্রস্তাব দেন। ওরহান উক্ত প্রস্তাবে সাড়া না দিয়ে অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। দেখতে দেখতে চার বছর চলে যায়। তীব্র অবরোধে নিকোমিডিয়ার রোমান সৈন্য ও সাধারণ জনগণ খাদ্যসংকটের মুখে পড়ে। দুর্ভিক্ষ আসন্ন দেখে শহরের রোমান গভর্নর সাহায্য চান সম্রাটের কাছে। কিন্তু রোমান সম্রাট নিকোমিডিয়ার ব্যাপারে কোনো পাত্তা না দিয়েই আলবেনিয়া অভিযানে নিজের সেনাবাহিনী নিয়ে অগ্রসর হতে থাকেন। শহরের সাধারণ জনগণ ও সৈন্যদের অবস্থা বেগতিক দেখে অসহায় রোমান গভর্নর ১৩৩৭ সালেই আত্মসমর্পণ করেন। ফলে রোমান শহর নিকোমিডিয়ার পতন হয়ে যায়। ওরহান সেই রোমান গভর্নর ও তাঁর হাজারখানেক সৈন্যকে নিরাপদে শহর ত্যাগ করার ব্যবস্থা করে দেন। পাশাপাশি বেশ কিছু সাধারণ মানুষও স্বেচ্ছায় শহর ত্যাগ করে কনস্টান্টিনোপল চলে যাওয়ার অনুমতি পান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/azfe4mjc/16.png"></figure><p>ওরহান নিকোমিডিয়ায়ও বিজয়ের পর তাঁর বাবার মতো উদারতা দেখান। সাধারণ মানুষের করের বোঝা কয়েক বছরের জন্য মওকুফ করে তাদের স্বাধীনভাবে বসবাসের অনুমতি দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নিকোমিডিয়ার প্রায় ২০ হাজার জনগণ নিশ্চিন্তে ব্যবসা, ধর্ম পালনসহ বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে শান্তিতে বসবাস শুরু করে। ফলস্বরূপ কয়েক বছরের মধ্যেই নিকোমিডিয়ার বেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হয়। আর নিকোমিডিয়া জয়ের মধ্য দিয়ে আনাতোলিয়ার বিথিনিয়া অঞ্চল থেকে রোমান সাম্রাজ্যের শেষ অংশটুকু মুছে ফেলা হয়। তখন ওসমানীয় সাম্রাজ্য থেকে রোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপলের মধ্যে সীমানায় ছিল কেবল বসফরাস প্রণালি। যার ফলশ্রুতিতে ওরহান বিথিনিয়া অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আনাতোলিয়ার এশিয়া মাইনরে রোমান সাম্রাজ্যকে দুর্বল করে ফেলেন। চলবে...</p><p>*লেখক: তাওহীদ জানান অভিক, শিক্ষার্থী, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়</p><aside><a href="https://nagorik.prothomalo.com/ayojon/5cej4p5o12">ওরহান গাজী: ওসমানীয় সাম্রাজ্যের মহাদিগন্ত সূচনায় ঐতিহাসিক নাম—পর্ব ১ </a></aside>
বাংলাদেশি অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের সাজপোশাক সব সময়ই আলাদাভাবে নজর কাড়ে। কখনো পশ্চিমা পোশাকে, কখনো আবার শাড়িতে ঐতিহ্যবাহী সাজে ধরা দেন তিনি। তবে এবার তাঁর সাজে নজর কেড়েছে রাজকীয় নীলের উপস্থিতি। রইল বিস্তারিত ...
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত মাসের শেষ সপ্তাহে টোকিও সফরে গিয়েছিলেন, সেখানে দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় নতুন করে উঠে এসেছে জাপানের বিগ-বি প্রকল্প। এতে ভারতকে নিয়ে সংশয় কেন?
ডা. তাসনিম জারা এবং তাজনূভা জাবীন এর পর জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন। এনসিপি থেকে আলোচিত নারী নেতাদের এই পদত্যাগের ঘটনা নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেন তারা দল থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, এই প্রশ্ন সামনে আসছে।
ইরান তার অন্তত দুটি প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নতুন নির্মাণকাজ চালাচ্ছে এবং মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটিগুলো মেরামত করছে- স্যাটেলাইট চিত্রের বিশ্লেষণ থেকে এমনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
নির্বাচনী দৌড়ে লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ক্যারেন বাসকে পরাজিত করেছেন ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট নিথ্যা রমন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই মার্কিন নাগরিকের জয় ক্যালিফোর্নিয়ার রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের হতবাক করেছে। নির্বাচনী লাড়াইয়ের প্রথম দিকে একজন দুর্বল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচন শুরু করেছিলেন তিনি।
স্থানীয় জেলেরা বলছেন ৫ই অগাস্টের পর থেকেই সুন্দরবনে দস্যুবৃত্তি বেড়েছে। অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করলে দস্যুরা অনেকে আত্মসমর্পণ করেছিল।
যে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে, তার ভিত্তি হলো ১৯৬০ সালের ৪ঠা নভেম্বর মার্কিন বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী সায়েন্স-এ তিনজন গবেষকের প্রকাশিত একটি গবেষণা, যার চাঞ্চল্যকর শিরোনাম ছিল- "ডুমসডে: ফ্রাইডে, নভেম্বর ১৩"। যার মানে দাঁড়ায়- ১৩ই নভেম্বর, শুক্রবার, মহাপ্রলয় বা কেয়ামতের দিন।
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ট্রাম্প প্রশাসনে রদবদল হতে পারে বলে নানা আলোচনা রয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পদত্যাগ করতে পারেন বলে গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। কী বলছে হোয়াইট হাউজ?
বেশিরভাগ শ্রমিকেরই বক্তব্য হচ্ছে, মাত্র এক বছরেই তাদের জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে প্রায় দেড়গুন। কিন্তু তার বিপরীতে আয় বাড়েনি। একবাক্যে শ্রমিকদের প্রায় সবার বক্তব্যই ছিল, গত কয়েক মাসে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম। যা তাদের খরচের হিসাব- নিকাশই বদলে দিয়েছে।
ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন অভিনেত্রী রেনু দেশাই।
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ইউনুস রাশিদ নিঝুম (২২) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁর বন্ধু ফারহান (১৯) আহত হয়েছেন।
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে চরম ভরাডুবির পরপরই হোয়াইট হাউসে বড় ধরনের রদবদল আনলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
চার দেশের নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা সুবিধা সম্প্রসারণ করেছে সৌদি আরব। ৫ নভেম্বর ঘোষণা অনুযায়ী, এই দেশগুলোর নাগরিকরা এখন সৌদি আরবের পর্যটন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
রংপুরের মিঠাপুকুরে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ রেখে গরু-ছাগল নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এ ঘটনা ঘটে।
নভেম্বর থেকে জানুয়ারি—এই তিন মাসে দেশে চার থেকে ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আজভ সাগরের উপকূলে পর্যটনকেন্দ্রগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পাশাপশি শত শত হোটেল ও রিসোর্ট দখলে নিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ার দখলে চলে যাওয়া ইউক্রেনের হোটেল ও রিসোর্টগুলোর ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন অনেকে।
সড়ক অবরোধ, পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ও সহিংসতায় কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক। টানা অবরোধে স্থবির হয়ে পড়েছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন। খাদ্য ও ওষুধের সংকটের পাশাপাশি বন্ধ হওয়ার পথে কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ।