যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট পড়েছে ৫ কোটি ৮৭ লাখ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৬টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা) নিউইয়র্ক, কানেকটিকাট, নিউ জার্সি ও ভার্জিনিয়াসহ পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ভোটকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়। ইন্ডিয়ানা ও কেনটাকির কয়েকটি এলাকাতেও একই সময়ে ভোট শুরু হয়েছে। দেশটির অন্যান্য অঙ্গরাজ্যেও ভোটগ্রহণ চলছে।
আগামী চার দিন দেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন খবরকে গুজব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)। সংস্থাটি জানিয়েছে, গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হবে...
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে, যে ভোটের ফলাফলের ওপর বাকি মেয়াদে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি কেমন হবে, তা নির্ভর করছে। অন্যদিকে ঢাকা ও গাজীপুরে আজ চতুর্থ দিনের মতো গার্মে...
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপনসংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকায় দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন থেকে প্রতি বছর নিয়ম মেনে ৭ নভেম্বর জাতীয়...
ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের জেরে বিভিন্ন কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে। এ সব মামলায় অজ্ঞাতনামা ২ হাজার ৩০০ জনের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১১ জনক...
অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থপাচার এবং শেয়ারবাজারে কারসাজির অভিযোগে অনেকের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) অ্যাকাউন্টে অবরুদ্ধ করা হয়।
খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন উদযাপনে ৩ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে মো. মোস্তাকুর রহমানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান একজন হিসাববিদ।
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/kt-takar-smpd-thakle-azkr-ritarne-dekhate-hbe</figure>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/kriket-oo-bzktigt-jeebner-parthkz</figure>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের অন্যতম ব্যস্ত পর্যটনকেন্দ্র ‘জোন্স বিচ’। প্রতিবছর কোটি কোটি দর্শনার্থী এই সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে আসেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না, এই সৈকতের নাম যাঁর নামে রাখা হয়েছে, সেই টমাস জোন্স আদতে ১৭ শতকের এক দুর্ধর্ষ জলদস্যুর সহযোগী ছিলেন। সম্প্রতি মার্কিন শখের ইতিহাসবিদ জেমস বেইলির গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।</p><p>পাঁচ বছর আগে কুখ্যাত ইংরেজ জলদস্যু ক্যাপ্টেন হেনরি এভরির ব্যবহৃত প্রাচীন মুদ্রা খুঁজে পেয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন বেইলি। সম্প্রতি তৎকালীন ঔপনিবেশিক আমলের বিভিন্ন দলিল ও নথিপত্র ঘেঁটে তিনি দাবি করেন, হেনরি এভরি ও তাঁর দুর্ধর্ষ জলদস্যু দলকে পালিয়ে যেতে সরাসরি সাহায্য করেছিলেন এই টমাস জোন্স।</p><p>১৬৯৫ সালে লোহিত সাগরে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজকীয় জাহাজ ‘গঞ্জ-ই-সাওয়াই’-এ ভয়াবহ ডাকাতি করে ক্যাপ্টেন এভরির দল। জাহাজের যাত্রী ও নাবিকদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন, হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। কোটি কোটি ডলার মূল্যের সোনা-রুপা লুট করে জলদস্যুরা। </p><p>এটিই ইতিহাসে জলদস্যুতার সবচেয়ে বড় ডাকাতির ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে প্রথম কোনো অপরাধীকে ধরতে সর্বাত্মক অভিযান শুরু হয়। কিছু জলদস্যু ধরা পড়লেও ক্যাপ্টেন এভরি ও তাঁর প্রধান সহযোগীরা চিরতরে আত্মগোপনে চলে যান।</p><p>ঐতিহাসিক নথি থেকে জানা যায়, বিপুল সম্পদসহ পালিয়ে যাওয়ার সময় টমাস জোন্স তাঁদের পথনির্দেশক হিসেবে সাহায্য করেছিলেন। এই সহায়তার পর ১৭ শতকের শেষের দিকে জোন্স নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডে বিপুল সম্পত্তির মালিক হন এবং তিমি শিকারের ব্যবসায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। </p><p>১৬৯৮ সালে নিউইয়র্কের গভর্নর এক তদন্ত প্রতিবেদনে জোন্সকে ‘সাবেক দস্যু’ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর বাড়িতে গোপন দস্যুতার অর্থ থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে আসার আগে জোন্স ইংরেজ সেনাবাহিনীর একজন মেজর ছিলেন।</p><p>টমাস জোন্সের নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত এই সৈকত নিউইয়র্কের ঐতিহ্যের অংশ হলেও নতুন এই তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ও অভিজাত শ্রেণির গড়ে ওঠার পেছনে জলদস্যুতার প্রত্যক্ষ ভূমিকার এক ঐতিহাসিক দিককে উন্মোচিত করেছে।</p><p><em>জোন্স বিচ: অ্যান ইলাস্ট্রেটেড হিস্ট্রি</em> বইয়ের লেখক জন হ্যাঙ্ক বলেন, জোন্সের বিতর্কিত অতীতের যে অংশটি এত দিন স্থানীয় ইতিহাসের বইগুলোতে কেবল ইঙ্গিতে বলা হতো কিন্তু বিশদভাবে উঠে আসেনি, বেইলির এই গবেষণা সেটির ওপরই নতুন করে আলোকপাত করেছে।</p>
<p>গত অক্টোবর মাসে বাংলাদেশে অন্তত ২৮ জন সাংবাদিক বিভিন্ন ধরনের নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন হত্যার শিকার হয়েছেন। শারীরিক হামলা ও আঘাতের শিকার হয়েছেন ১৮ জন। এ ছাড়া আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার হয়েছেন ৯ জন।</p><p> সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্টসের (বিএজে) অক্টোবর মাসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার সংগঠনটি একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।</p><p> প্রতিবেদনে বলা হয়, সদ্য বিদায়ী অক্টোবর মাসে দেশের সাংবাদিকদের কর্মপরিবেশ ছিল অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকেরা শারীরিক হামলা, গ্রেপ্তার, আইনি হয়রানি, হত্যা ও প্রাণনাশের হুমকির শিকার হয়েছেন। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং সংগঠনের নিজস্ব সূত্র থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।</p><p> প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার তেলনজিয়া গ্রামে একটি চায়ের দোকানে অবস্থানকালে মোটরসাইকেলে আসা দুই অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীর হামলায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির নিহত হন। সহকর্মীদের দাবি, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে অনুসন্ধানী লেখালেখির কারণে তাঁকে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়।</p><p><strong>১৮ সাংবাদিকের ওপর শারীরিক হামলা</strong></p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক নেতা–কর্মী ও সন্ত্রাসীদের হাতে অন্তত ১৮ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের হামলায় চার সাংবাদিক আহত হন।</p><p>অভিযোগ অনুযায়ী, ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে রামদা, চাপাতি, হকিস্টিক ও ব্যাট হাতে মিছিল থেকে আসা নেতা-কর্মীরা অস্ত্রের ভিডিও ধারণ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের মারধর করেন। এতে একজন সাংবাদিকের মাথা ফেটে যায়। এ সময় আহত সাংবাদিকদের উদ্ধারে এগিয়ে আসা অন্য সাংবাদিকদেরও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।</p><p>এ ছাড়া গাজীপুরের টঙ্গীতে এক সাংবাদিককে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। ওই সাংবাদিকের দাবি, মোটরসাইকেলে আসা ৪০ থেকে ৫০ জন ব্যক্তি তাঁর চোখ-মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে যান। পরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। এক নারীর সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দিয়ে নগ্ন ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মাজার বস্তির মাদকের সংবাদ প্রকাশ করলে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে জ্ঞান হারালে তাঁকে ফেলে যাওয়া হয়।</p><p><strong>আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার ৯ সাংবাদিক</strong></p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর মাসে অন্তত ৯ জন সাংবাদিক আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার হয়েছেন।</p><p>এর মধ্যে ঝিনাইদহ কলেজের অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হন। সাংবাদিকদের অভিযোগ, কলেজের ইট বিক্রির অনিয়ম আড়াল করতে অধ্যক্ষের মদদে বহিরাগত ব্যক্তিরা তাঁদের রড দিয়ে পেটান। পরে মিথ্যা মামলায় তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। পরিবারের দাবি, ডিবি পুলিশের মাদক-সংশ্লিষ্টতার সংবাদ প্রকাশের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাঁদের ফাঁসানো হয়েছে।</p><p>এ ছাড়া মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসক সিলেট সাইবার নিরাপত্তা আদালতে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেছেন।</p><p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে মৃত নারীদের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচারের অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করায় এক সাংবাদিক প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন। ওই সাংবাদিকের করা জিডিতে মর্গের সাবেক এক সহকারীকে হুমকিদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ফোন করে ভয় দেখান এবং ‘কোর্টে দেখে নেওয়ার’ বার্তা পাঠান।</p><p>সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও আইনি হয়রানির এসব ঘটনাকে মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য অশনিসংকেত বলে মনে করে বিএজে। সংগঠনটির মতে, রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে কিংবা পেশিশক্তি ব্যবহার করে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।</p><p>বিএজে অবিলম্বে প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।</p>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/ei-apnara-kara-eti-ekti-bzangk-dkhler-glp</figure>
<p>তরঙ্গের (স্পেকট্রাম) দাম সাশ্রয়ী ও যৌক্তিক হলে টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগ বাড়বে। এতে একদিকে যেমন মোবাইল ইন্টারনেটের সেবার মান উন্নত হবে, অন্যদিকে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির গতিও বাড়বে। তাই তরঙ্গকে সরকারের রাজস্ব আয়ের উৎস হিসেবে না দেখে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকা শক্তি হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন বৈশ্বিক ডিজিটাল অপারেটর ভিওনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।</p><p> মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ভিওন বোর্ড প্রেস মিট অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তাঁরা। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে বোর্ড সভা করেছে ভিওন। এ উপলক্ষেই প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বাংলালিংক এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। বোর্ড সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে ভিওন গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও বোর্ড সদস্য কান তেরজিওগ্লো বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, কাজাখস্তান ও রাশিয়ার মতো ডিজিটালাইজেশনে এগিয়ে থাকা দেশগুলো তরঙ্গ ব্যবহারে খুব সামান্য খরচ নেয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিনা মূল্যে ব্যবহারের সুযোগও দেয়। কারণ, তরঙ্গের ব্যবহারের মাধ্যমে যে অর্থনৈতিক মূল্য তৈরি হয়, তার বড় সুবিধাভোগী শেষ পর্যন্ত সরকার। টেলিযোগাযোগ খাতের আয় বাড়লে সরকারও বেশি রাজস্ব পায়।</p><p>কান তেরজিওগ্লো বলেন, ‘লক্ষ্য হওয়া উচিত তরঙ্গের প্রাচুর্য নিশ্চিত করা। পর্যাপ্ত তরঙ্গ কাজে লাগানো গেলে সেবার মান বাড়বে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি বাড়বে এবং ডিজিটালাইজেশনও ত্বরান্বিত হবে।’</p><p>বাংলাদেশে বর্তমানে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের হাতে থাকা ৯০০, ১ হাজার ৮০০ ও ২ হাজার ১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের তরঙ্গ নবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। এসব তরঙ্গ ব্যবহারের বিদ্যমান লাইসেন্সের মেয়াদ ১০ নভেম্বর শেষ হবে।</p><p>নবায়ন প্রসঙ্গে বাংলালিংকের সিইও ইওহান বুসে বলেন, তরঙ্গকে জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন বাড়ানোর অন্যতম চালিকা শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। তাই এর মূল্য সাশ্রয়ী হওয়া প্রয়োজন। এই খাতে বিনিয়োগের সুফল শুধু টেলিযোগাযোগ খাতেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং অর্থনীতির অন্যান্য খাতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।</p><p>পাকিস্তানের উদাহরণ দিয়ে ইওহান বুসে বলেন, দেশটি পর্যাপ্ত তরঙ্গ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি এর জন্য ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করেছে। ফলে দেশটির টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে। এ ধরনের বিনিয়োগ সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রাহকদের উন্নত সেবা ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে দেয়।</p><p>অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ভিওনের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড চেয়ারম্যান অগি কে ফাবেলা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান। এ ছাড়া ভিওনের বোর্ড সদস্য আন্দ্রেই গুসেভ, স্যার ব্র্যান্ডন লুইস, ডানকান পেরি ও মিশেল সোয়েটিং উপস্থিত ছিলেন।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে বাংলালিংকের সাম্প্রতিক ও বিদ্যমান ডিজিটাল সেবাগুলোর নতুন সুবিধাও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে স্টারলিংক-চালিত ডিরেক্ট-টু-সেল সেবা, ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্ত পে’, বিনোদনভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘টফি’, এআইনির্ভর লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘রাইজ’ এবং ডিভাইস ব্র্যান্ড ‘টেকভ্যান’। বাংলালিংক জানায়, দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম অপারেটর হিসেবে তারা স্টারলিংক-চালিত ডিরেক্ট-টু-সেল সেবা চালু করেছে। এ ছাড়া টফির মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী এখন ৭০ লাখ এবং তরুণদের লক্ষ্য করে আনা হয়েছে ‘রাইজ’।</p>
<p>জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক। এ বিষয়ে বিরোধী পক্ষের কোনো ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য তরুণদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিশেষ কমিটির মতবিনিময়ে এই অনুরোধ জানানো হয়।</p><p> সভা শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে অবদান রাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কমিটির মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময়কালে সংবিধানে শিক্ষা ও চিকিৎসাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা, গণ–অভ্যুত্থানের দাবি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, জুলাই সনদের টেকসই বাস্তবায়ন, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যমান ক্ষমতা, নারী ও শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা, জরুরি অবস্থাসংক্রান্ত বিধান, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা এবং গণভোটসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।</p><p>বৈঠকে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ছাত্রদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। এ সময় ঐতিহাসিকভাবে যুগে যুগে তরুণেরাই জাতিকে পথ দেখিয়েছেন উল্লেখ করে তরুণদের কল্যাণে জনবান্ধব ও সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে জাতির জন্য একটি যুগোপযোগী সংবিধান প্রণয়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।</p><p>বৈঠকে আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাই সনদে স্পষ্টভাবে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’-এর কথা বলা হয়েছে। জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক। এ বিষয়ে বিরোধী পক্ষের কোনো ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য তরুণদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ছাত্রদলের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা মতবিনিময়ে বলেন, সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমানো উচিত নয়। তিনি নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমতসহ যেভাবে জুলাই সনদ সই হয়েছে, সেভাবে সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানান।</p><p>জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই মতবিনিময় সভা হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্যদের মধ্যে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, জয়নুল আবেদীন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন অংশ নেন।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে অবদান রাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিদের মতবিনিময়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মোট ৬২ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও উপস্থিত ছিলেন ৩১ জন। ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ), সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র ফেডারেশন, ছাত্র অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা বৈঠকে অংশ নেন। জুলাই আন্দোলনের সময়ের পরিচিত মুখ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের মধ্যে বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, আসিফ মাহমুদ, আবদুল হান্নান মাসউদ, নুসরাত তাবাসসুম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি সাদিক কায়েম ও সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদকেও মতবিনিময়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তাঁরা মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন না।</p><p>আমন্ত্রণের চিঠি সংযুক্ত করে নিজের ফেসবুক আইডিতে সাদিক কায়েম লিখেছেন, ‘আমি এবং ডাকসু জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাবিরোধী এই প্রহসনের মতবিনিময় সভা প্রত্যাখ্যান করছি এবং বর্জন করছি।’</p>
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে, যে ভোটের ফলাফলের ওপর বাকি মেয়াদে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি কেমন হবে, তা নির্ভর করছে। অন্যদিকে ঢাকা ও গাজীপুরে আজ চতুর্থ দিনের মতো গার্মেন্ট শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধের খবর পাওয়া গেছে, কয়েকটি স্থানে সড়কে যানচলাচল বন্ধ ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
মোটা দাগে বলতে গেলে, আমেরিকানদের মতামত জানানোর পর তিনটি সম্ভাব্য ফলাফল রয়েছে। সেগুলো কী হতে পারে, ফলাফল আসতে শুরু করলে প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী হতে পারে এবং সেদেশের জন্য এর অর্থ কী হতে পারে, তা এখানে তুলে ধরা হলো।
যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচনের আগে জনমত জরিপ, প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং অন্যান্য বিষয়ের গভীর বিশ্লেষণ, যা প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের শেষ দুই বছরকে সংজ্ঞায়িত করবে।
২০২৬ সালের নির্বাচনী প্রচারণার খরচ প্রায় ১২ বিলিয়ন বা ১২০০ কোটি ডলার হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কোথা থেকে এসেছে, তা খতিয়ে দেখছে বিবিসি ভেরিফাই।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে দেশটির ভোটারদের কাছে এবার অর্থনীতিই প্রধান ইস্যু, যারা জ্বালানি, খাদ্যপণ্য, আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবার উচ্চ মূল্য নিয়ে ভোগান্তিতে রয়েছেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে সেদেশের অর্থনীতির কী অবস্থা?
বাংলাদেশে মুসলিমদের এমন অনেকেই আছেন, যারা শুধু কবুল পড়ে অথবা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিড করে বিয়ে করেন। আইনজীবী এবং কাজী অফিস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মসজিদে গিয়ে বর-কনে কবুল বলে বিয়ে করলে সেটি রেজিস্ট্রি না করলেও শরীয়তসম্মত। কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে এ ধরনের বিয়ে কী বৈধ?
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ কয়েকদফা দাবিতে গত কয়েকদিনের মতো সোমবারও সকাল থেকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবারও ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
তেসরা নভেম্বর মার্কিন ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাবেন, যে নির্বাচন ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
আগামী চার দিন দেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন খবরকে গুজব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)। সংস্থাটি জানিয়েছে, গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হবে না। তবে এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আগামী চার দিন সরবরাহ কিছুটা কমতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৬টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা) নিউইয়র্ক, কানেকটিকাট, নিউ জার্সি ও ভার্জিনিয়াসহ পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ভোটকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়। ইন্ডিয়ানা ও কেনটাকির কয়েকটি এলাকাতেও একই সময়ে ভোট শুরু হয়েছে। দেশটির অন্যান্য অঙ্গরাজ্যেও ভোটগ্রহণ চলছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপনসংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকায় দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন থেকে প্রতি বছর নিয়ম মেনে ৭ নভেম্বর জাতীয়ভাবে দিবসটি পালন করা হবে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নতুন প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকের তালা ভেঙে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম ও উপ-উপাচার্যদের বের করে এনেছেন শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে নেতৃত্ব দেন শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহিরউদ্দিন মোহাম্মদ বাবর ও সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনিকসহ সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা।
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর সেতু দুটির অবস্থান, নকশা ও প্রকল্প ব্যয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তৈরি পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম বৈঠক বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ জন্য বুধবারের মধ্যে বৈঠকের নোটিশ জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন মজুরি বোর্ডের একজন সদস্য।
ইরান সংকট নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি স্পষ্ট ও কঠোর মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমি অনেক মানুষকে হত্যা করতে চাই না, তবে যদি প্রয়োজন হয়, তবে তা করতেই হবে।”
খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন উদযাপনে ৩ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।