গত এক বছরে বিশ্বরাজনীতির নজর ছিল মূলত অর্থনৈতিক চোকপয়েন্ট বা কৌশলগত বাধাগুলোর দিকে এবং এর পেছনে যথেষ্ট যুক্তিসংগত কারণও রয়েছে। হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে ইরান যেমন বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থবির করে তুলেছিল, তেমনি চীনও তাদের হাতে থাকা দুর্লভ খনিজ সম্পদের প্রভাব খাটিয়ে বাণিজ্য আলোচনায় বাড়তি সুবিধা বাগিয়ে নিয়েছে।
তবে এর চেয়ে কোনো অংশে কম ঝুঁকিপূর্ণ নয় ডিজিটাল জগতের চোকপয়েন্ট বা ডিজিটাল পথগুলো, যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে সামান্যই।
যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামোয় এরই মধ্যে প্রবেশাধিকার তৈরি এবং তা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে চীনা হ্যাকাররা। এই অনুপ্রবেশ কেবল তথ্য চুরির উদ্দেশ্যে করা নয়; বরং বড় ধরনের নাশকতার শক্ত ভিত তৈরি করতেই এমনটা করা হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের তৈরি করা বাধা যেমন বৈশ্বিক যোগাযোগে মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে এনেছিল এবং তার থেকে উত্তরণের পথ ছিল কঠিন, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্কগুলোয় চীনের এই নীরব উপস্থিতি বিশাল বিদ্যুৎ–বিভ্রাট ঘটাতে পারে, পানের অযোগ্য করে তুলতে পারে পানি কিংবা ব্যাহত করতে পারে সামরিক তৎপরতাও।
প্রকৃতপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামো খাত যে কতটা ভঙ্গুর, চলতি গ্রীষ্মেই তার প্রমাণ মিলেছে। কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের পানি সরবরাহব্যবস্থায় হামলা চালিয়েছিল ইরানি হ্যাকাররা, যার ফলে একটি কাউন্টির অধিবাসীদের বাধ্য হয়ে পানি ফুটিয়ে পান করতে হয়েছিল।
মার্কিন মিত্রদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। চীন ইতিমধ্যেই তাইওয়ানের হাসপাতাল, ভারতের পাওয়ার গ্রিড এবং সিঙ্গাপুরের টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে হামলা চালিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আইন ও সামাজিক মূল্যবোধ কোনোভাবেই মার্কিন সরকারকে তাদের নাগরিকদের ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা জাতীয় নেটওয়ার্কগুলোকে সেভাবে নজরদারিতে রাখার অনুমতি দেয় না, যেভাবে চীন সরকার অনায়াসে করে থাকে।
অন্যদিকে বেইজিং তাদের নিজ দেশের নাগরিকদের ওপর নজরদারি ও সেন্সরশিপ চালানোর পাশাপাশি বেশ কিছু কার্যকর সাইবার ‘ফায়ারওয়াল’ তৈরি করে রেখেছে, যা মার্কিন হামলা থেকে চীনের নিজস্ব নেটওয়ার্কগুলোকে সুরক্ষা দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামোয় এরই মধ্যে প্রবেশাধিকার তৈরি এবং তা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে চীনা হ্যাকাররা। এই অনুপ্রবেশ কেবল তথ্য চুরির উদ্দেশ্যে করা নয়; বরং বড় ধরনের নাশকতার শক্ত ভিত তৈরি করতেই এমনটা করা হয়েছে।
অধিকন্তু চীনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো খাত রাষ্ট্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হলেও যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামোর মালিকানা ও পরিচালনায় রয়েছে নানা ধরনের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, যাদের সাইবার সুরক্ষার মানও ভিন্ন ভিন্ন। স্বভাবতই বেইজিং অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে সাইবার অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে। কারণ, পাল্টা আক্রমণ সামলে নেওয়ার ক্ষমতা তাদের বেশি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের বিকাশ এই বৈষম্যকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। সাইবার হামলা এবং প্রতিরোধ—উভয় ক্ষেত্রেই এআই এক নতুন বিপ্লব আনলেও এটি মূলত আক্রমণকারীদের জন্যই বেশি সুবিধা তৈরি করছে। যেহেতু এই প্রযুক্তি চীনের পাল্লা ভারী করতে পারে, তাই যুক্তরাষ্ট্রের উচিত অবিলম্বে সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে এআই প্রযুক্তি কাজে লাগানো।
বেইজিংয়ের পেতে রাখা এসব ডিজিটাল চোকপয়েন্ট বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটানোর আগেই সেগুলোকে গুঁড়িয়ে দিতে হবে। এ জন্য ওয়াশিংটন, এআই গবেষণাপ্রতিষ্ঠান এবং অবকাঠামো পরিচালনাকারী সংস্থাগুলোকে একযোগে কাজ করতে হবে।

বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি ও সামরিক খাত প্রায়ই এমন সব ডিজিটাল অবকাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়, যেগুলো বর্তমানের আধুনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযোগী করে তৈরি করা হয়নি। ফলস্বরূপ, সাবোটাজ বা নাশকতা চালানোর জন্য এগুলো বেশ সহজ ও আকর্ষণীয় লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। ভবিষ্যতে যুদ্ধের মূল ক্ষেত্র যে সাইবার–দুনিয়া হতে যাচ্ছে, তার বড় কারণ এটাই।
যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামো এদিক থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পাইপলাইনগুলোয় এখনো কয়েক দশকের পুরোনো হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হচ্ছে, যেগুলো কেবল দৈহিক স্থায়িত্বের কথা ভেবে তৈরি করা হয়েছিল, সাইবার নিরাপত্তার কথা ভেবে নয়। এতে তথ্যের সুরক্ষা, এনক্রিপশন বা নিয়মিত সিস্টেম আপডেট করার সুবিধা নেই বললেই চলে।
মার্কিন পরিষেবা খাত আধুনিকায়নের সঙ্গে সঙ্গে পুরোনো যন্ত্রপাতিগুলোকে রিমোট কন্ট্রোল বা দূর থেকে মনিটর করার সুবিধার্থে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও ক্লাউড সেবার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এতে হ্যাকারদের সুযোগ বহুগুণ বেড়ে গেছে।
ইন্টারনেটের আসার আগে কোনো গ্যাস পাইপলাইন ধ্বংস করতে সাবোটাজকারীকে সশরীর গিয়ে সেখানে বিস্ফোরক বসাতে হতো। অথচ আজ একটি করপোরেট অফিসের দুর্বল রাউটারে দূর থেকে হ্যাক করেই আস্ত একটি পাইপলাইন অচল করে দেওয়া সম্ভব।
পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে মার্কিন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর চরম উদাসীনতা। এত দিন পর্যন্ত সাইবার সুরক্ষা জোরদার করার বিষয়ে তাদের ওপর কোনো কড়া আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল না।
এআই আসার আগে কাঠামোগত ঝুঁকি চিহ্নিত করতে যে ম্যানুয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যানালাইসিস করতে হতো, তা ছিল যেমন জটিল, তেমনি ব্যয়বহুল। ২০২১ সালের আগে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও কম ছিল।
তবে এআইয়ের দ্রুত প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার হামলার রূপও মারাত্মক হয়ে উঠেছে। ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রোপিকের মতো প্রতিষ্ঠান চলতি গ্রীষ্মেই স্বীকার করেছে যে তাদের নির্মিত এআই মডেল মানুষের কোনো সাহায্য ছাড়াই অন্য প্রতিষ্ঠানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হ্যাকিং চালিয়েছে।
এমন ‘অনিয়ন্ত্রিত এআই’ রাষ্ট্রীয় মদদে চালানো সাইবার হামলা প্রতিরোধ করা কঠিন করে তুলতে পারে। ভুক্তভোগী দেশ যদি বুঝতে না পারে হামলাটি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রের নির্দেশে হয়েছে, নাকি এটি নিছক দুর্ঘটনাবশত ঘটেছে, তবে তারা পাল্টা জবাব দিতে দ্বিধায় পড়বে।
তবে আক্রমণ ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি এআই কিন্তু সাইবার প্রতিরক্ষাতেও দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে। পরপর বহু ডেটা বিশ্লেষণ করে পরিকাঠামোর জটিল মডেল তৈরি করা এবং হুমকি শনাক্ত করতে এআই প্রযুক্তি এখন শতভাগ সক্ষম। একটি বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এআই ব্যবহার করে তার ভৌত ব্যবস্থার একটি কাল্পনিক বা ডিজিটাল প্রতিলিপি তৈরি করতে পারে—যাকে বলা হয় ‘ডিজিটাল টুইন’।
ধীরে ধীরে এই ‘ডিজিটাল টুইন’ বুঝতে পারে কোনো ব্যবস্থার স্বাভাবিক আচরণ কেমন হওয়া উচিত। ফলে কোনো অস্বাভাবিক তৎপরতা বা ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার ঢুকলেই এটি সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এখন নিজের স্পর্শকাতর অবকাঠামো রক্ষা করার আধুনিক প্রযুক্তি রয়েছে সত্যি, কিন্তু তা বাস্তবায়নের পথে বেশ কিছু জটিল বাধা বিদ্যমান। মূল সমস্যা হলো মার্কিন অবকাঠামোব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ, আইনি জটিলতা এবং সাইবার নিরাপত্তায় দীর্ঘদিনের বিনিয়োগহীনতা।
পুরো যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সাড়ে চার হাজারের বেশি পানি সরবরাহব্যবস্থা, তিন হাজারের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং হাজার হাজার স্বাধীন পাইপলাইন ও টেলিকম অপারেটর ছড়িয়ে–ছিটিয়ে রয়েছে।
এসব বেসরকারি বা স্থানীয় সংস্থা তাদের নেটওয়ার্কের বিস্তারিত তথ্য সরকারের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে দ্বিধা প্রকাশ করে। কারণ, তারা ভয় পায় যে কোনো ত্রুটি বা দুর্বলতা প্রকাশিত হলে সরকারের জরিমানা কিংবা অবহেলার মামলায় পড়তে হতে পারে। অথচ সঠিক ডেটা না পেলে এআইভিত্তিক ‘ডিজিটাল টুইন’ সঠিকভাবে তৈরি করা একেবারেই অসম্ভব।
এ সংকট কাটাতে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রস্থ পর্যায় থেকে একটি সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। দেশের সবচেয়ে সংবেদনশীল অবকাঠামো—যেমন সমুদ্রবন্দর, বড় শহর কিংবা সামরিক ঘাঁটিগুলোর জন্য বিশ্বস্ত ডিজিটাল টুইন বা ভার্চ্যুয়াল মডেল তৈরি করা জরুরি।
গত এক বছরে এআই মডেলগুলো দ্রুত শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে আমাদের বাস্তব পৃথিবীর বিভিন্ন অবকাঠামোর ‘ডিজিটাল টুইন’ হতে পারে এআইয়ের সক্ষমতা পরীক্ষার উপযুক্ত এক ‘সাইবার জিম’।
ফলে উদ্ভাবনী এআই ফার্মগুলো তাদের নতুন প্রযুক্তি পরীক্ষার স্বার্থেই নিজ উদ্যোগে এই ডিজিটাল টুইন তৈরিতে আর্থিক সহায়তা দিতে আগ্রহী হবে। অন্যদিকে অত্যন্ত নামমাত্র খরচে আধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে নিজেদের নিরাপত্তাব্যবস্থা পরখ করে নেওয়ার সুযোগ পাবে পরিকাঠামোর মালিকেরা।
এ ধরনের জটিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মহড়া পরিচালনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের একটি নিরাপদ স্থান প্রয়োজন। জ্বালানি বিভাগ এবং বাণিজ্য বিভাগের অধীনে যৌথভাবে এআই কোম্পানিগুলোকে সঙ্গে নিয়ে একটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ও নিরাপদ ‘জাতীয় এনক্লেভ’ তৈরি করতে পারে।
সারা দেশের ইউটিলিটি অপারেটররা নিজেদের নেটওয়ার্কের ‘ডিজিটাল টুইন’ এই নিরাপদ সিস্টেমে আপলোড করবেন। সেখানে এআই এজেন্টগুলো অনবরত ভুয়া সাইবার হামলা চালিয়ে দুর্বলতাগুলো খুঁজে বের করবে এবং ত্রুটি মেরামতের নির্দেশনা দেবে।
যেসব বড় ত্রুটি ধরা পড়বে, সেগুলো সরকারের বিশেষ উদ্যোগ ‘গোল্ড ইগল’-এ পাঠানো যাবে, যা মার্কিন নেটওয়ার্কের ত্রুটি সংশোধনে ভূমিকা রাখছে। এমনকি এই সুরক্ষাব্যবস্থা মার্কিন মিত্রদের সঙ্গেও শেয়ার করা যেতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের এআই ব্যবস্থার ওপর আন্তর্জাতিক আস্থা বাড়াবে।
অবকাঠামো অপারেটরদের উৎসাহিত করতে মার্কিন কংগ্রেসের উচিত বিশেষ আইনি সুরক্ষা প্রদান করা, যাতে জাতীয় স্বার্থে এআই সিস্টেমে তথ্য দিতে গিয়ে কোনো দুর্বলতা বেরিয়ে পড়লে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সেবাগ্রহীতারা মামলা করতে না পারেন। পাশাপাশি প্রাপ্ত ত্রুটিগুলো দ্রুত সারিয়ে তুলতে বিশেষ তহবিলের ব্যবস্থা করা দরকার।
একই সঙ্গে সরকারি নজরদারির ব্যবস্থাতেও সংস্কার আনতে হবে। বর্তমানে গতানুগতিক আইনি নিয়মকানুন মেনে চলাকেই নিরাপত্তার মাপকাঠি ধরা হয়, যা প্রায়ই হ্যাকারদের আধুনিক কৌশলগুলোর চেয়ে পিছিয়ে থাকে। এর বদলে সাইবার হামলা হলে তা কত দ্রুত রুখে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে, তার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা বিচার করা উচিত।
চীনা সাইবার চোকপয়েন্টের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা কেবল আধুনিক এআই মডেলের শক্তির ওপর নির্ভর করছে না; বরং তা নির্ভর করছে শত্রুপক্ষ দেশের অপপূরণীয় ক্ষতি করার আগেই আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো এ প্রযুক্তি ব্যবহারে কতটা প্রস্তুত ও আগ্রহী হয়ে উঠছে, তার ওপর।
এসব সরকারি প্রচেষ্টা বাস্তবায়ন করতে কিছুটা সময় লাগবে। কিন্তু তত দিনে খুব বেশি দেরি হয়ে যেতে পারে। তাই হাসপাতাল বা ব্যাংকের মতো সংবেদনশীল খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনতিবিলম্বে একজোট হয়ে তাদের তথ্যপ্রযুক্তি সরবরাহকারীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে তারা এআই ব্যবহার করে সাইবার দুর্বলতাগুলো দ্রুত দূর করে।
এআই প্রযুক্তির সাম্প্রতিক বিস্ময়কর উন্নতি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সাইবার যুদ্ধে চীনের সমকক্ষ হওয়ার সেরা সুযোগ এনে দিয়েছে। দেশের অবকাঠামো সুরক্ষার প্রযুক্তি আশাতীত দ্রুত গতিতে আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে।
তবে চীনা সাইবার চোকপয়েন্টের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা কেবল আধুনিক এআই মডেলের শক্তির ওপর নির্ভর করছে না; বরং তা নির্ভর করছে শত্রুপক্ষ দেশের অপপূরণীয় ক্ষতি করার আগেই আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো এ প্রযুক্তি ব্যবহারে কতটা প্রস্তুত ও আগ্রহী হয়ে উঠছে, তার ওপর।
অ্যান নিউবার্গার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিস্টিংগুইশড ফেলো।
ফরেন অ্যাফেয়ার্স থেকে সংক্ষেপে অনূদিত
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আট পুলিশ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের প্রাপ্য প্লট দ্রুত নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি।
রাঙামাটি জেলায় প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার নিয়ে গ্রাহকদের অসন্তোষ বাড়ছে। রিচার্জ করা টাকা দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া, বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় ব্যয় বেশি হওয়া এবং মিটারে বিভিন্ন খাতে টাকা কর্তনের হিসাব বুঝতে না পারার অভিযোগ করছেন গ্রাহকেরা।