জেলা

যুবদল নেতা হত্যার বিচার দাবিতে সড়ক অবরোধ

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
যুবদল নেতা হত্যার বিচার দাবিতে সড়ক অবরোধ
যুবদল নেতা হত্যার বিচার দাবিতে সড়ক অবরোধ
মানববন্ধনে অংশ নেন জেলা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতারাও। তাঁরা প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে তদন্ত ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে হুঁশিয়ার করেন।

Prothomalo

View more
ওপেনিংয়ের পুরনো দুশ্চিন্তা নিয়েই স্পিন সামলানোর প্রস্তুতি বাংলাদেশের
ওপেনিংয়ের পুরনো দুশ্চিন্তা নিয়েই স্পিন সামলানোর প্রস্তুতি বাংলাদেশের

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে নতুন বলের পেস–সুইং তো বটেই, ওপেনারদের সামলাতে হতে পারে স্পিনও।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
এইচএসসির ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর
এইচএসসির ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর

এইচএসসির ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
সাঈদীর মামলার সাক্ষীর দাফন নিয়ে উত্তেজনা
সাঈদীর মামলার সাক্ষীর দাফন নিয়ে উত্তেজনা

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফন নিয়ে পিরোজপুরে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়ার পর তাঁর মরদেহ জেলা পুলিশ লাইনসে রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
পরীমনির জন্মদিনে শিউলি-সন্ধ‍্যা, দেখুন ৯টি ছবি
পরীমনির জন্মদিনে শিউলি-সন্ধ‍্যা, দেখুন ৯টি ছবি

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/yai4mqi4/WhatsApp-Image-2026-10-24-at-22.21.35.jpeg"><figcaption>আজ ২৪ অক্টোবর অভিনেত্রী পরীমনির ৩৪তম জন্মদিন</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/f2mu6s55/WhatsApp-Image-2026-10-24-at-23.13.27.jpeg"><figcaption>গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার পর দুই সন্তানকে নিয়ে কেক কেটেছেন</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/delslvfq/WhatsApp-Image-2026-10-24-at-22.21.38.jpeg"><figcaption>আজ রাত ৯টায় বন্ধুবান্ধব ও কাছের মানুষদের নিয়ে পরীমনি এক আড্ডার আয়োজন করলেন রাজধানীর পূর্বাচলের সানসেট বিনস রেস্তোরাঁয়, এর নাম দিয়েছেন ‘শিউলি-সন্ধ‍্যা' </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/h3pzherp/WhatsApp-Image-2026-10-24-at-22.21.35-1.jpeg"><figcaption>কদিন আগে পরীমনি ফেসবুকে লিখেছিলেন , ‘২ মণ শিউলি ফুল দরকার। ২৪ অক্টোবর দুপুর ১২টায়!’</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/qmyrns8k/WhatsApp-Image-2026-10-24-at-22.21.33.jpeg"><figcaption>অক্টোবর, অর্থাৎ শরৎকালে জন্মদিন, তাই শিউলি ফুলই জন্মদিনের থিম </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/oinhe2fi/WhatsApp-Image-2026-10-24-at-22.21.42-1.jpeg"><figcaption>সিল্ক সাটিন কাপড়ে তৈরি কমলা রঙের শাড়িতে শিউলি ফুলের এই নকশা পরীমনি নিজেই করেছেন, সহযোগিতা করেছেন রুহুল আমিন</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/6pg9jin7/WhatsApp-Image-2026-10-24-at-23.13.26.jpeg"><figcaption>ডিপ কাটের সিকুইন নকশার ফুলহাতা ব্লাউজ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/0387fn1f/WhatsApp-Image-2026-10-24-at-22.21.36.jpeg"><figcaption>শাড়ির শিউলি ফুলগুলো হাতে আঁকা। চুমকিগুলোর সঙ্গেও শিউলি ফুলের রঙের মিল আছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/h6w80hsm/WhatsApp-Image-2026-10-24-at-22.21.37.jpeg"><figcaption>গয়না নিয়েছেন ডায়মন্ড হাউস থেকে, মেকআপ জাহিদ খান ব্রাইডাল মেকওভার</figcaption></figure>

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
কলকাতা বিমানবন্দরে পরপর দুই দিন ভুয়া খবরে বোমাতঙ্ক
কলকাতা বিমানবন্দরে পরপর দুই দিন ভুয়া খবরে বোমাতঙ্ক

ফুকেট থেকে কলকাতায় আসা একটি বিমানের শৌচাগারের আয়নার ওপর লেখা ছিল, ভেতরে বোমা রাখা আছে। ব্যাপক তল্লাশির পর কোনো বোমা পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংকের শেয়ার, তবু বিনিয়োগে আগ্রহ কম
সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংকের শেয়ার, তবু বিনিয়োগে আগ্রহ কম

<p>শেয়ারবাজারে যে কোম্পানির বা খাতের শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) যত কম, সেই কোম্পানি বা খাত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ। সেই বিবেচনায় বর্তমানে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংক খাতের শেয়ার। কারণ, ব্যাংক খাতের শেয়ারের গড় পিই রেশিও সবচেয়ে কম। গত সপ্তাহ শেষে ব্যাংক খাতের শেয়ারের গড় পিই রেশিও ছিল ৫ দশমিক ২৭। তা সত্ত্বেও ব্যাংক খাতের শেয়ারে বিনিয়োগে আগ্রহ কম বিনিয়োগকারীদের।</p><p>শেয়ারবাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত বিবেচনায় ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগ সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ হলেও ব্যাংক খাতের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে এই খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের বড় ধরনের আস্থার ঘাটতি রয়েছে। অতীত অভিজ্ঞতার কারণে হাতেগোনা কয়েকটি ব্যাংক ছাড়া বেশির ভাগ ব্যাংকের প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য নিয়েও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সংশয় রয়েছে। আবার ভালো ব্যাংকগুলোও তাদের মূল ব্যবসার ক্ষেত্রে টেকসই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারছে না। গত কয়েক বছরে কিছু ব্যাংকের মুনাফা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। যার বড় অংশই এসেছে সরকারি ট্রেজারি বিল-বন্ডে বিনিয়োগের মুনাফা থেকে। প্রকৃত ব্যবসা থেকে আয় খুব বেশি বাড়েনি। ট্রেজারি বিল-বন্ডের মুনাফা সাময়িক। এসব বিবেচনায় প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীরা কম ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার পরও ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।</p><aside><cite>ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী, সাবেক চেয়ারম্যান,বিএসইসি</cite>ব্যাংকগুলো যে মুনাফার হিসাব দেয়, তার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে। সার্বিকভাবে ব্যাংক খাতে যে পরিস্থিতি, তাতে কম পিই রেশিও হওয়ার পরও ব্যাংক খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কম।</aside><p>বর্তমানে শেয়ারবাজারে ৩৬টি ব্যাংক তালিকাভুক্ত। এর মধ্যে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচটি ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ রয়েছে। এসব ব্যাংকের শেয়ারের মূল্যমান এরই মধ্যে শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর শেয়ার লেনদেন বন্ধ রয়েছে। আর বাইরে খেলাপি ঋণ ও নানা অনিয়মে জর্জরিত ৭ ব্যাংক বড় ধরনের লোকসানে থাকায় ব্যাংকগুলোর হালনাগাদ পিই রেশিও প্রকাশ করা হয়নি। ৩৬ ব্যাংকের মধ্যে নিয়মিত আয়ের ভিত্তিতে শেয়ারবাজারে পিই রেশিও হিসাব করা হয়েছে ২৪টির। এই ২৪টি ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে কম পিই রেশিও যমুনা ব্যাংকের, ২ দশমিক ৮৮। দ্বিতীয় অবস্থানে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ৩ দশমিক ২৩। তৃতীয় অবস্থানে সাউথইস্ট ব্যাংক, ৩ দশমিক ৪৫। চতুর্থ অবস্থানে এনসিসি ব্যাংক, ৩ দশমিক ৫১। পঞ্চম অবস্থানে প্রাইম ব্যাংক, ৪ দশমিক ১৪। ব্যাংকগুলোর সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ ব্যাংকগুলোর মূল্য আয় অনুপাতের এই হিসাব প্রকাশ করেছে। ডিএসইর প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, ২৪ ব্যাংকের মধ্যে ১১টির পিই রেশিও ৫-এর নিচে। আর ৭টির পিই রেশিও ১০-এর নিচে রয়েছে।</p><p><strong>পিই রেশিও কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ</strong></p><p>শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক এটি। শেয়ারবাজারের একটি কোম্পানির শেয়ারের দাম এবং ওই কোম্পানির আয়ের অনুপাতের তুলনাটিই পিই রেশিও হিসেবে পরিচিত। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো বছরে চারবার আয়ের হিসাব প্রকাশ করে। এর মধ্যে বার্ষিক আয়ের হিসাবটিই একমাত্র নিরীক্ষিত। বাকি তিনটি আর্থিক প্রতিবেদন সাধারণত অনিরীক্ষিত থাকে। এসব আর্থিক প্রতিবেদন ও আয়ের ভিত্তিতে কোম্পানির পিই রেশিওর পরিবর্তন ঘটে। সাধারণভাবে পুঁজিবাজার বিশ্লেষকেরা বলে থাকেন, যে কোম্পানির পিই রেশিও যত কম, সেই কোম্পানিতে বিনিয়োগে ঝুঁকিও তত কম।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/business/market/%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%9A%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%93-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3">সূচক নাকি পিই রেশিও, কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ</a></aside><p>শেয়ারবাজারে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের বিপরীতে বিনিয়োগকারীদের অনেকে ঋণসুবিধাও নিয়ে থাকেন। ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রেও ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো পিই রেশিও বিবেচনায় নেয়। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পিই রেশিও একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হলেও পিই রেশিওর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও রয়েছে সন্দেহ। কারণ, যে ইপিএসের ভিত্তিতে পিই রেশিও হিসাব করা হয়, বেশির ভাগ কোম্পানির ক্ষেত্রে সেই ইপিএসের বিশ্বাসযোগ্যতা বড় বেশি প্রশ্নবিদ্ধ।</p><p>জানতে চাইলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাধারণভাবে শেয়ারবাজারে বলা হয় যে কোম্পানির পিই রেশিও যত কম, সেই কোম্পানিতে বিনিয়োগে ঝুঁকিও কম। তবে ব্যাংকগুলো যে মুনাফার হিসাব দেয়, তার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে। সার্বিকভাবে ব্যাংক খাতে যে পরিস্থিতি, তাতে কম পিই রেশিও হওয়ার পরও ব্যাংক খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কম। এ ছাড়া আমাদের বাজারে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ বিনিয়োগকারী দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের বদলে নিয়মিত ট্রেডিংয়ে বেশি আগ্রহী। </p><p>এ কারণে যেসব শেয়ারের দাম দ্রুত বাড়ে, সেগুলোর প্রতি তাঁদের আগ্রহ বেশি থাকে। আবার ব্যাংকগুলো যে মুনাফা দেখাচ্ছে, তার বড় অংশই ট্রেজারি বিল বন্ড থেকে এসেছে, ব্যাংকের মূল ব্যবসা থেকে আয় সেভাবে বাড়েনি। তাই সব মিলিয়ে কম পিই রেশিও হওয়া সত্ত্বেও ব্যাংকের শেয়ার বিনিয়োগকারীদের খুব বেশি আগ্রহী করছে না।</p><p>এদিকে ব্যাংকগুলোর মুনাফা গত কয়েক বছরে যতটা বেড়েছে, লভ্যাংশের হার সেই অনুযায়ী বাড়েনি। কারণ, মুনাফার একটি বড় অংশ মন্দ ঋণের বিপরীতে প্রভিশনিং করতে হচ্ছে। ফলে মুনাফা বাড়লেও শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা তার সুফল পাচ্ছেন কম। এ কারণেও বিনিয়োগকারীরা ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।</p>

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
ধুলার নিচে ৫০০ বছরের ইতিহাস, ঝেড়েমুছে সাজাল বন্ধুসভা
ধুলার নিচে ৫০০ বছরের ইতিহাস, ঝেড়েমুছে সাজাল বন্ধুসভা

২৪ অক্টোবর কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া এলাকায় কসাইখানা কালভার্ট-সংলগ্ন ‘ওল্ড কালেকশন’ গ্রন্থশালায় এ কার্যক্রম চলে। সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত চলা কর্মসূচিতে বন্ধুরা সংগ্রহশালায় থাকা বই, পত্রিকা, ম্যাগাজিন ও পুঁথি একে একে ঝেড়েমুছে পরিষ্কার করেন। পরে ক্যাটালগ অনুযায়ী সেগুলো নির্ধারিত শেলফে সুশৃঙ্খলভাবে সাজিয়ে রাখেন।

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
সহযোগীকে ছাড়াতে যাচ্ছিলেন আদালতে, পথে পিস্তল-গুলিসহ আটক
সহযোগীকে ছাড়াতে যাচ্ছিলেন আদালতে, পথে পিস্তল-গুলিসহ আটক

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মশিউল তাঁর সহযোগীদের নিয়ে মিরপুর ১২ নম্বরের বিভিন্ন মার্কেট ও দোকানে উদ্ধার করা পিস্তলটির ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন।

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার ও সংবাদমাধ্যম বন্ধের প্রতিবাদে তুরস্কে বিক্ষোভ
সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার ও সংবাদমাধ্যম বন্ধের প্রতিবাদে তুরস্কে বিক্ষোভ

সরকারের সমালোচনা করায় তুরস্কে ডিজিটাল সেন্সরশিপ বেড়েছে। স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ ফেরাতে এবং নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার রক্ষায় মানবাধিকারকর্মী ও সাধারণ মানুষ একজোট হয়েছেন।

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন