১৯৮৬ সালে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত ৪৫৩ কোটি টাকার বিমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে।
<p>সম্প্রতি বিয়ে করেছেন গায়িকা ও অভিনেত্রী পারশা মাহজাবীন। এর আগে ২০২৪ সালে বর্ণিল বিয়ে ম্যাগাজিনের জন্য কনে সেজেছিলেন পারশা। চলুন, আরেকবার দেখে নেই ছবিগুলো</p><figure><img alt="পারশা মাহজাবীন" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/1gdqz955/KBRH2411.JPG"><figcaption>লাল জামদানিতে বউ সাজে পারশা</figcaption></figure><figure><img alt="পারশা মাহজাবীন" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/so518cj9/KBRH2641.JPG"><figcaption>সোনালি গয়না, গাঢ় সবুজ রঙের শাড়ি, হালকা বেজ, উজ্জ্বল লিপস্টিক নতুন বউয়ের সাজে পারশা যেন নজর কেড়েছে</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/travel/nltnsxnzzj">বিশ্বের যে দেশে বাংলাদেশি পাবেন ভাবেননি ‘নাদির অন দ্য গো’, সেখানেই পেলেন হাজারো বাংলাদেশি</a></aside><figure><img alt="পারশা মাহজাবীন" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/bfqxju54/KBRH2805.JPG"><figcaption>শাড়িতে হালকা নিম জরির কাজ, সাবেকি ধাঁচের গয়নায় বধূ সাজে তুলে ধরা হয়েছে সাবেকিয়ানা</figcaption></figure><figure><img alt="পারশা মাহজাবীন" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/pbstaroe/KBRH3004.JPG"><figcaption>আকদের সাজে</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/kislvrdtbo">প্রায় দুই লাখ টাকার শাড়ি পরে মিস ইউনিভার্সে অংশ নিতে গেলেন ভারতের কাজিয়া</a></aside><figure><img alt="পারশা মাহজাবীন" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/art0oy3a/KBRH2891.JPG"><figcaption>এখানে কনে সাজে পারশা পরেছিলেন রুপালি গয়না </figcaption></figure><figure><img alt="পারশা মাহজাবীন" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/zjqlz9ca/KBRH2455.JPG"><figcaption>পারশার কনে সাজে ছিল ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধন</figcaption></figure><figure><img alt="পারশা মাহজাবীন" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/2lv08g1q/KBRH3222.JPG"><figcaption>শাড়িটা যেহেতু জমকালো, তাই হালকা গয়নাই কনে সাজে মানানসই</figcaption></figure><figure><img alt="পারশা মাহজাবীন" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/aexifouw/KBRH2410.JPG"><figcaption>দেশি সাজপোশাকে দেশি কনে</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/f2b8idxyvg">থাইল্যান্ডে ঘুরে বেড়াচ্ছেন অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম, দেখুন ৮টি ছবি</a></aside>
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে আর্জেন্টিনার পারেদেস ঘুষি মারেন স্পেনের গাভিকে।
এই আলামতগুলো দুই ভাগে ভাগ করা হয়া: বড় আলামত (যেমন—দাজ্জালের আগমন, নবী ইসার অবতরণ) এবং ছোট আলামত। কেয়ামতের কয়েকটি দৃশ্যমান ছোট আলামত আলোচনা করা হলো।
<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই ‘হাবিবি পিএসি’ নামের একটি রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি (পিএসি) গঠন করেছেন আবদুল আল-সাইয়েদ।</p><p>রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি হলো এমন সংগঠন, যা নির্বাচনে বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারের জন্য অর্থ সংগ্রহ ও ব্যয় করে।</p><p>গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচন কমিশনে (এফইসি) জমা দেওয়া নথিতে দেখা গেছে, আবদুল আল-সাইয়েদের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘হাবিবি পিএসি’ নামের একটি রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি নিবন্ধিত হয়েছে। এ ধরনের কমিটি কোনো রাজনীতিকের নিজস্ব নির্বাচনী প্রচার কমিটি থেকে আলাদা।</p><p>আরবি শব্দ ‘হাবিবি’র অর্থ প্রিয় বা ভালোবাসার মানুষ। নির্বাচনী প্রচারের সময় শব্দটি প্রায়ই ব্যবহার করতেন আল-সাইয়েদ। ডেট্রয়েটে বিজয়ী ভাষণেও তিনি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের উদ্দেশে বলেন, ‘জেডি, হাবিবি, ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস। আগামী জানুয়ারিতে সংবিধান অনুযায়ী তোমাকেই আমাকে শপথ পড়াতে হবে।’</p><p>গত মঙ্গলবারের নির্বাচনের পর নতুন নির্বাচিত ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে আরও কয়েকজন রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি নিবন্ধন করেছেন। এফইসির নথি অনুযায়ী, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অ্যারিজোনার নবনির্বাচিত কংগ্রেস সদস্য আমিশ শাহ, আইওয়ার নবনির্বাচিত সিনেটর জশ তুরেক এবং নর্থ ক্যারোলাইনার নবনির্বাচিত সিনেটর রয় কুপার।</p><p>রাজনৈতিক অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ওপেনসিক্রেটসের তথ্য অনুযায়ী, উচ্চাকাঙ্ক্ষী রাজনীতিকেরা সহকর্মীদের মধ্যে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি করতে এ ধরনের রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি ব্যবহার করেন। অন্য আইনপ্রণেতা, নিজ দল ও বিভিন্ন রাজনৈতিক কমিটিকে অনুদান দিয়ে তাঁরা দলীয় নেতৃত্ব কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কমিটির চেয়ারম্যান পদ পাওয়ার পথ শক্তিশালী করার চেষ্টা করেন।</p><p>২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এ ধরনের কমিটিগুলো প্রার্থীদের মোট ৭৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছিল। এর বেশির ভাগই পেয়েছিলেন রিপাবলিকান প্রার্থীরা। তবে এককভাবে সবচেয়ে বেশি অর্থ দিয়েছিল একটি ডেমোক্র্যাট পিএসি।</p><p>মিসরীয় অভিবাসী পরিবারের আবদুল আল-সাইয়েদ রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে হারিয়ে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও সিনেটর টেড ক্রুজ তাঁর দেশপ্রেম ও আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁরা তাঁকে ‘জিহাদি’ বলেছিলেন এবং কোনো প্রমাণ ছাড়াই মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে তাঁর যোগসূত্র থাকার অভিযোগ তুলেছিলেন।</p><p>নির্বাচনের কয়েক দিন আগে আল-সাইয়েদ বলেছিলেন, করদাতাদের অর্থ বিদেশি সরকারগুলোর পেছনে ব্যয় না করে দেশের মানুষের জীবন বাঁচাতে খরচ করা উচিত। তাঁর ভাষায়, জাতিগত নিধন বা বর্ণবাদী ব্যবস্থা চালানো বিদেশি সরকারগুলোকে অর্থ দেওয়া বন্ধ করতে হবে।</p><p>আল-সাইয়েদ আরও বলেছিলেন, শুধু ট্রাম্পকে পরাজিত করলেই চলবে না। যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা ট্রাম্পের মতো নেতাকে তৈরি করেছে, সেটিও বদলাতে হবে।</p>
‘এখানে পারিশ্রমিক নেওয়ার কী থাকতে পারে, বাবার মানে তো সবই আমার। নিজের কাজে কেউ পারিশ্রমিক নেয়।’
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/hrin-palte-can-kinben-kotha-theke-mante-hbe-ze-srt</figure>
এ ঘটনায় মো. শাহনেওয়াজ ওরফে সানি (৩২) নামের ওই যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় লোকজন।
<p>ইসরায়েলে গত ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের ঠিক আগে ইরানে বড় ধরনের হামলা চালাতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তাঁর অনুগত মোসাদপ্রধান রোমান গফম্যান। গতকাল শুক্রবার ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেল টুয়েলভের এক প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে কোনো সূত্রের পরিচয় দেওয়া হয়নি। এতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর অন্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ওই হামলার পক্ষে ছিলেন না। তাঁদের আশঙ্কা ছিল, এতে সংঘাত ব্যাপকভাবে বেড়ে যেতে পারে, এমনকি নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজন সম্ভব না–ও হতে পারে।</p><p>এরপরও অভিযানের প্রস্তুতি এগিয়ে চলেছে। তবে শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংস্থার এক সদস্যের ভুলে যুক্তরাষ্ট্র পরিকল্পনাটি জেনে যায়। ওয়াশিংটন দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে নেতানিয়াহুর এ হামলার উদ্যোগ আটকে দেয়। কী ধরনের হামলার পরিকল্পনা ছিল, তা জানায়নি চ্যানেল টুয়েলভ। তবে চ্যানেলটি বলেছে, সামরিক বিধিনিষেধ মেনে প্রতিবেদনটি প্রচার করা হয়েছে।</p><p>নেতানিয়াহুর দপ্তর প্রতিবেদনটি নাকচ করে দিয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, প্রধানমন্ত্রী তখনই স্পষ্ট করেছিলেন, ইসরায়েলের নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা ছিল না।</p><p>ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারেও একই ধরনের অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছে চ্যানেল টুয়েলভ। নেতানিয়াহুর কড়া সমালোচক বারাক বলেন, সেনাপ্রধানকে না জানিয়ে মোসাদের মাধ্যমে ইরানকে ঘিরে একটি ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন নেতানিয়াহু।</p><p>শুক্রবারের এই প্রতিবেদনের আগেও একই ধরনের কয়েকটি খবর প্রকাশিত হয়েছিল। ইসরায়েলের নির্বাচনের ঠিক আগে সেগুলো প্রকাশিত হয়েছিল।</p><p>ভোটের দুই দিন আগে ২৫ অক্টোবর চ্যানেল টুয়েলভ জানায়, নেতানিয়াহু ও সেনাপ্রধান ইয়াল জামিরের মধ্যে ‘নজিরবিহীন বিরোধ’ চলছিল। বিরোধের কারণ ছিল প্রধানমন্ত্রীর একটি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ। প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের আশঙ্কা ছিল, ওই পদক্ষেপ ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত বাধাতে পারে।</p><p>নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে চ্যানেলটি জানায়, জামির ওই সামরিক পদক্ষেপ নিতে আপত্তি জানাচ্ছিলেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা করতে চেয়েছিলেন। পাশাপাশি পদক্ষেপটির আইনগত অনুমোদনসংক্রান্ত নথিতে নেতানিয়াহুর স্বাক্ষরও চেয়েছিলেন। কী পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।</p><p>চ্যানেলটি তখন জানিয়েছিল, আগের ২৪ ঘণ্টায় বিরোধ চরমে পৌঁছায়। ওই প্রতিবেদনও সামরিক বিধিনিষেধ মেনে প্রচার করা হয়েছিল।</p><p>এক সামরিক সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এমন এক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যা এই সংবেদনশীল সময়ে ইরানের সঙ্গে সংঘাতের ঝুঁকি বৃদ্ধি করতে পারে। এতে পরিস্থিতি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করারও আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।</p><p>বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে চ্যানেল টুয়েলভের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁদের ভাষ্যমতে, সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। তাঁদের আশঙ্কা, রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিজেদের সুবিধার জন্য ইরান ইস্যুকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন।</p><p>২৫ অক্টোবর রাতে চ্যানেল ফোরটিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ প্রতিবেদন নিয়ে নেতানিয়াহুকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি একে ‘বাজে কথা’ বলে উড়িয়ে দেন। বলেন, জামিরের সঙ্গে তাঁর ‘কোনো বিরোধ নেই’।</p><p>একই সাক্ষাৎকারের শুরুর দিকে নেতানিয়াহু বলেন, সম্প্রতি তিনি ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী ও মোসাদকে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর পতন ঘটানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এ বক্তব্যের সঙ্গে চ্যানেল টুয়েলভের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা নির্দিষ্ট নির্দেশটির সম্পর্ক আছে বলে মনে হয়নি।</p><p>চ্যানেল টুয়েলভের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, পালমাহিম বিমানঘাঁটিতে এক বৈঠকেও নেতানিয়াহু ও জামিরের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। বৈঠকের পরিবেশ ছিল ‘অত্যন্ত তিক্ত’।</p><p>চ্যানেল টুয়েলভ এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তার বক্তব্যও উদ্ধৃত করেছে। তিনি বলেছেন, ‘গত কয়েক দিনে জামির যে ভূমিকা রেখেছেন, ইতিহাস তা ভুলবে না’। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/umvihu6o/Roman-Gofman.jpg"><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যৌথ সংবাদ সম্মেলনের আগে অপেক্ষা করছেন মোসাদপ্রধান রোমান গফম্যান। হোয়াইট হাউসের স্টেট ডাইনিং রুমে, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ </figcaption></figure><p>নির্বাচনের এক দিন আগে ২৬ অক্টোবর চ্যানেল টুয়েলভ ও থার্টিন আরও একটি খবর প্রচার করে। এতে বলা হয়, নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ (ইরানের বিরুদ্ধে) সামরিক পদক্ষেপ নিতে চেয়েছিলেন। সেনাপ্রধান জামির একাই সেটার বিরোধিতা করেন। অন্য কোনো নিরাপত্তাপ্রধান তাতে আপত্তি জানাননি। সামরিক বাহিনীর আশঙ্কা ছিল, ওই পদক্ষেপ ইরানের সঙ্গে সংঘাত বাধাতে পারে। নির্বাচনও ভেস্তে যেতে পারে।</p><p>একই দিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালানোর জন্য কয়েক সপ্তাহ ধরে চেষ্টা করছিলেন নেতানিয়াহু। তবে জামিরের বাধায় তা এগোয়নি।</p><p>সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, এর কয়েক দিন আগে জামিরের মনে আরেকটি উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। তিনি আশঙ্কা করছিলেন, নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে আলাদা কোনো পদক্ষেপ নিতে চাইছেন, যা সরাসরি প্রকাশ্য হামলার পর্যায়ে পড়বে না। জামিরের ধারণা ছিল, এমন পদক্ষেপ ভুল হবে। এতে ইসরায়েলে হামলা চালাতে ইরান উসকানি পেতে পারে।</p><p>শুক্রবার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রেসিডেন্ট হারজগ জানান, ৬৭ জন আইনপ্রণেতার প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন দিয়েছে। অন্যদিকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানিয়েছে ৪৬ জন আইনপ্রণেতার প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো।</p><p><strong>সরকার গঠনের আহ্বান জানাবেন প্রেসিডেন্ট</strong></p><p>ইসরায়েলে ফলাফল স্পষ্ট হলেও সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার আগে দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আরও আলোচনা করবেন বলে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ। আজ রোববার গঠনের জন্য যেকোনো একটি পক্ষকে আমন্ত্রণ জানানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তিনি।</p><p>আইজেনকটের দল ইয়াশার দ্রুত তাঁকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। দলটির ভাষ্য, ২০১৫ সালের পর কোনো প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী এত বেশি আইনপ্রণেতার সমর্থন পাননি।</p><p>ইসরায়েলি আরব দল ও জোটের সমর্থন পাওয়ার পর আইজেনকটের প্রতি এখন নবনির্বাচিত ৬৭ আইনপ্রণেতার সমর্থন রয়েছে। প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ বলেছেন, তিনি রোববারের মধ্যে নতুন সরকার গঠনের জন্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবেন।</p><p><strong>‘আমরা ইরানের সঙ্গে কথা বলছি’</strong></p><p>ভেস্তে যাওয়া হামলা নিয়ে প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে চ্যানেল টুয়েলভে এল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে কাতারের মধ্যস্থতায় আলোচনায় অগ্রগতির খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে হামলার বিষয়টিও বিবেচনা করছেন বলে খবর রয়েছে।</p><p>চলতি সপ্তাহের শুরুতে চ্যানেল টুয়েলভ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের গত মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ট্রাম্পকে একটি অনুরোধ করেছিলেন নেতানিয়াহু। ভোট শেষ হওয়ার পরপরই যেন ইরানের বিরুদ্ধে আবার যুদ্ধ শুরু করা হয়। ওই নির্বাচনে দেশজুড়ে বড় পরাজয়ের মুখে পড়েছে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি।</p><p>তবে চ্যানেলটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনায় আরও সময় দিতে চান ট্রাম্প।</p><p>প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর আশঙ্কা, আলোচনার ফলে ইরানের ওপর চাপ অনেকটা কমে যেতে পারে। অন্যদিকে ট্রাম্প চান, এই কূটনৈতিক চেষ্টায় ইসরায়েল যেন হস্তক্ষেপ করা থেকে আপাতত বিরত থাকে।</p><p>গতকাল হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকেরা ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, ইরানের প্রতি তাঁর বার্তা কী। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা ইরানকে পরাজিত করেছি। ইরানে আমরা খুব ভালো করছি। আমরা ইরানের সঙ্গে কথা বলছি। ছয় বা সাত মাসে আমরা একজন সেনাও হারাইনি।’</p><p>ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, তিনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে থামাতে না পারলে আজ ইসরায়েল, এমনকি পুরো মধ্যপ্রাচ্যেরই অস্তিত্ব থাকত না।</p><p>নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘কেউ এটা বলতে চায় না; কিন্তু সবাই জানে, এটাই সত্য।’</p>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।
অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনাকে।