মধ্যপ্রাচ্য

সৌদি আরবে ৭টি হামলার দাবি হুতিদের, মক্কায় পড়ল ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
সৌদি আরবে ৭টি হামলার দাবি হুতিদের, মক্কায় পড়ল ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ
সৌদি আরবে ৭টি হামলার দাবি হুতিদের, মক্কায় পড়ল ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ
এদিকে সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের দিকে হুতিদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।

Prothomalo

View more
নির্বাচনের আগে নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে ইসরায়েলে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ
নির্বাচনের আগে নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে ইসরায়েলে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

বিক্ষোভকারীরা সরকারের বিরোধিতার পাশাপাশি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার সময় নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতার স্বাধীন তদন্ত দাবি করেন।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
জালে মাছ কম, তবু উৎসবের কমতি নেই
জালে মাছ কম, তবু উৎসবের কমতি নেই

মাছ মিলুক বা না মিলুক, বুড়ির বাঁধে (জলকপাট) মাছ ধরার আনন্দটা শুধু মাছ পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
ঢাকার এই রাস্তায় সেদিন প্রথম জ্বলেছিল বৈদ্যুতিক বাতি
ঢাকার এই রাস্তায় সেদিন প্রথম জ্বলেছিল বৈদ্যুতিক বাতি

ঢাকার রাস্তায় বিদ্যুতের বাতি জ্বালানোর উদ্যোগ এক দিনের পরিকল্পনা ছিল না। এর পেছনে ছিল নবাব আহসানউল্লাহর দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
সম্প্রীতির এই ধারাবাহিকতা অটুট থাকুক
সম্প্রীতির এই ধারাবাহিকতা অটুট থাকুক

সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় করেন।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
ঢাকার ৯ স্থানে বায়ুদূষণ অনেক বেশি
ঢাকার ৯ স্থানে বায়ুদূষণ অনেক বেশি

ঢাকার বাতাসে প্রধান দূষক পিএম ২.৫। এর ঘনত্ব ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৮৮ দশমিক ৫ মাইক্রোগ্রাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বার্ষিক নির্দেশিত মানের প্রায় ১৭ গুণ বেশি।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
সাইবার ঝুঁকি বিশ্বজুড়ে, প্রভাব বাংলাদেশেও
সাইবার ঝুঁকি বিশ্বজুড়ে, প্রভাব বাংলাদেশেও

জরুরি সতর্কবার্তার পর বাংলাদেশে ভূমিসেবা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ কিছু ওয়েবসাইট বন্ধ করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
কক্সবাজারে সাগরে গোসলে নেমে এত মৃত্যু, কারণ কী
কক্সবাজারে সাগরে গোসলে নেমে এত মৃত্যু, কারণ কী

কক্সবাজারে সাগরে গোসল করতে নেমে গত ১২ বছরে ৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাগরে ভেসে যাওয়ার সময় জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ১ হাজার ২০০ জনকে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
হ্যান্ডবলে লড়াইয়ে শেষ হাসি মারমা বাজারের
হ্যান্ডবলে লড়াইয়ে শেষ হাসি মারমা বাজারের

<p>টানটান উত্তেজনা, দ্রুতগতির আক্রমণ আর গোলের পর গোল। বান্দরবানের ফাতেমা রানী মিশন মাঠে মাহাঃ ওয়াগ্যোয়াই পোয়েঃ উপলক্ষে আয়োজিত হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ছিল উৎসবমুখর। শিরোপার লড়াইয়ে মারমা বাজার একাদশ ও জাদিতং যুব সংঘ মেতে ওঠে সমানে সমান লড়াইয়ে। শেষ পর্যন্ত জাদিতং যুব সংঘকে ৩৩–২৮ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় মারমা বাজার একাদশ। মাঠে বিপুল দর্শকের উপস্থিতি আর মধ্যবিরতিতে তরুণীদের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পুরো আয়োজনকে দেয় ভিন্ন মাত্রা। খেলা শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/203u74c7/1.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>ফানুস উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মারমা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/wqeh2lt1/2.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>ফাইনাল শুরুর আগে দুই দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে অতিথিদের কুশলবিনিময়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/1epionoc/3.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>রেফারির বাঁশি, শুরু হলো কাঙ্ক্ষিত শিরোপার লড়াই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/f6g4ttt5/4.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেদ করে বল জালে জড়ানোর জোর চেষ্টা জাদিতং যুব সংঘের এক খেলোয়াড়ের</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/0oe0atq9/5.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>একবিন্দু ছাড় নয়—মাঠে বল দখলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/txo0zvjd/6.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>আক্রমণের উদ্দেশ্যে সতীর্থের দিকে বল বাড়িয়ে দিচ্ছেন এক খেলোয়াড়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/cgvdwuwn/7.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>শরীর শূন্যে ভাসিয়ে প্রতিপক্ষের জালে বল ছুড়ছেন মারমা বাজার একাদশের এক খেলোয়াড়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/4n29ykag/8.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>রক্ষণ ভেঙে গোলপোস্টের দিকে ক্ষিপ্রগতিতে ছুটে চলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/rjxeps2h/9.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>বল জালে জড়াতেই বাঁধভাঙা উল্লাস!</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/l6n3hykl/10.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>মাঠের চারপাশে বসে ফাইনালের উত্তেজনা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছেন দর্শকেরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/mazgy2ee/11.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>খেলার মধ্যবিরতিতে ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি পোশাকে তরুণীদের বর্ণিল নৃত্য পরিবেশনা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/6vsw6rrb/12.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>মাঠে খেলার নিয়ম ও সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করছেন দুই রেফারি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/rne93sgf/13.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>ফাউল করায় জাদিতং যুব সংঘের এক খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখাচ্ছেন রেফারি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/6cqkfj2s/14.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>অতিথিদের কাছ থেকে রানার্সআপের ট্রফি নিচ্ছেন জাদিতং যুব সংঘের খেলোয়াড়েরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/3fvxlf0e/15.-BandarbanhandballsportsMarma-Bazar-XIJaditong-Youth-Association25102026.JPG"><figcaption>অতিথিদের হাত থেকে ট্রফি ও মেডেল নিচ্ছেন চ্যাম্পিয়ন দল মারমা বাজারের খেলোয়াড়েরা</figcaption></figure>

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
এই পৃথিবী পাখিদের হোক
এই পৃথিবী পাখিদের হোক

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় এ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। বন্ধুরা হেঁটে হেঁটে সাধারণ মানুষের মধ্যে পাখি সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিভিন্ন সচেতনতামূলক পোস্টারের মাধ্যমে পাখি শিকার, ক্রয়-বিক্রয় ও অবৈধ বাণিজ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করা হয়।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন