<p>দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী সিটি গ্রুপের ঋণকে এখনই খেলাপি ঋণ হিসেবে নথিভুক্ত না করতে ঋণদাতা ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শিল্পগ্রুপটি যাতে তাদের সমস্যা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ পুনর্গঠন ও পুনঃ তফসিলের সুবিধা দেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসা চালাতে গ্রুপটিকে মূলধন জোগান দিতে ঋণদাতা ব্যাংকের সমন্বয়ে একটি জোট গঠনেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p> বাংলাদেশ ব্যাংকে আজ রোববার সকালে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় এক বৈঠকে এসব পরামর্শ দেওয়া হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, ডেপুটি গভর্নর কবির আহাম্মদ ও সরোয়ার হোসেন, ঋণদাতা কয়েকটি ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী ও সিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাসান উপস্থিত ছিলেন।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কয়েকটি ব্যাংক সিটি গ্রুপের ঋণকে খেলাপি হিসেবে নথিভুক্ত করে এই ঋণ আদায়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গ্রুপটির ২৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খেলাপি না করার নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। সে সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় কয়েকটি ব্যাংক গ্রুপটির ঋণ খেলাপি হিসেবে নথিভুক্ত করেছে। এ অবস্থায় গ্রুপটির ঋণ আপাতত খেলাপি না করতে ঋণদাতা ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।</p><p>সভায় ঋণদাতা ব্যাংকগুলোর পক্ষে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসরুর আরেফিন, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ব্যাংক এশিয়ার এমডি সোহেল আর কে হুসেইন, ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি তারেক রেফাত উল্লাহ খান, প্রাইম ব্যাংকের এমডি ফয়সাল রহমান, ইস্টার্ন ব্যাংকের এমডি হাসান ও. রশিদ, পূবালী ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ আলী, সাউথইস্ট ব্যাংকের এমডি খালিদ মাহমুদ খানসহ আরও কয়েকটি ব্যাংকের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।</p><p>বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সিটি গ্রুপ আগে কখনো খেলাপি হয়নি। এ ছাড়া গ্রুপটির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও নেই। এ জন্য সবাই চায় গ্রুপটি সমস্যা কাটিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াক। সব ব্যাংকই গ্রুপটিকে সহায়তা দিতে আগ্রহী। বাংলাদেশ ব্যাংকও বলেছে, ব্যাংকগুলোকে এমন কোনো সিদ্ধান্ত না নিতে, যাতে গ্রুপটি আরও খারাপ হয়ে যায়। সহায়তা পেলে গ্রুপটি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।</p><p>জানা যায়, দেশি-বিদেশি ৪৭টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে সিটি গ্রুপের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা।</p><p>কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের আগের নির্দেশনার সময় পেরিয়ে যাওয়ায় কয়েকটি ব্যাংক নতুন করে গ্রুপটির ঋণ খেলাপি হিসেবে নথিভুক্ত করেছে। এক ব্যাংকে খেলাপি হলে অন্য ব্যাংক থেকে কোনো সুবিধা পাওয়া যায় না। এ কারণে সমস্যায় পড়েছে গ্রুপটি। এ কারণে সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না, যাতে গ্রুপটির ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়।</p><p>সভার বিষয়ে পূবালী ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘গ্রুপটিকে স্বাভাবিক ধারায় ফেরাতে নানা পরামর্শ উঠে এসেছে সভায়। গ্রুপটির ব্যবসা যাতে সচল থাকে, ব্যাংকগুলো সে বিষয়ে সচেষ্ট। আমরা সবাই চাই, গ্রুপটি ঘুরে দাঁড়াক।’</p><p>এদিকে সভায় ঋণদাতা ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্যাংকের পর্ষদে ঋণখেলাপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হলে তাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সুবিধা হয়।</p><p>জানতে চাইলে সাউথইস্ট ব্যাংকের এমডি খালিদ মাহমুদ খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘চলতি মাসের মধ্যে গ্রুপটির ঋণ নিয়মিত করতে এককালীন কিছু টাকা জমা দেবে সিটি গ্রুপ। এরপর আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রস্তাব পাঠাব। কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুমোদন দিলে গ্রুপটি ভালো অবস্থায় পৌঁছাবে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/mqnsmofvmp">সিটি গ্রুপের সংকট: একটি প্রতিষ্ঠানের গল্প, নাকি একটি ব্যবস্থার সতর্কবার্তা</a></aside>
<p> সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদসহ দেশটির বিভিন্ন স্থান লক্ষ্য করে আজ রোববার সকালে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। এই হামলার মধ্যেই আজ রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দুটি টার্মিনালে আবারও কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।</p><p> বেশ কিছুদিন ধরে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি সৌদি আরবে হামলা চালিয়ে আসছে। ইরান–সমর্থিত হুতি গত শনিবার দাবি করে, ওই দিন সৌদি আরবের বিমানবন্দর, তেল স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে তারা সাতটি হামলা চালিয়েছে। সৌদি আরব দাবি করেছে, হুতিরা দেশটির পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।</p><p> এদিকে ইয়েমেনের তাইজ শহর ঘিরে দেশটির সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে লড়াই তীব্র হয়েছে। শহরে আটকে পড়া আট লাখ মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানোর সময় ফুরিয়ে আসছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।</p><h3>রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত</h3><p>সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, রিয়াদ লক্ষ্য করে রোববার সকালে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও একটি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় খামিস মুশাইত শহর লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও প্রতিহত করা হয়েছে।</p><p>এ ছাড়া সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে ছোড়া আরও ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি সামরিক জোট।</p><h3>বিমানবন্দরের বিষয়ে হুতিদের হুঁশিয়ারি</h3><p>রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে ১০ অক্টোবর হুতিদের হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত ও তিন শতাধিক আহত হওয়ার পর বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। তবে শনিবার রাতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, রোববার (গতকাল) থেকে ২ নম্বর টার্মিনালে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট আবার চলবে। অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য নির্ধারিত থাকবে ১ নম্বর টার্মিনাল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/qz2eycnuzw">হুতিদের ভান্ডারে কতটা ভয়ংকর অস্ত্র আছে, কোথা থেকে আসছে, সৌদি আরব কেন হামলা ঠেকাতে পারছে না</a></aside><p>হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বিমানবন্দরটিকে ‘অনিরাপদ’ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক ও স্থানীয় বিমান সংস্থা, কর্মী ও যাত্রীকে সেটি ব্যবহার না করার জন্য হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সেখানে যেকোনো পরিস্থিতির পরিণতির দায় সৌদি কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p><p>হুতিদের এসব হামলায় সৌদি আরবের ব্যবসা, বিমান চলাচল ও স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে আল–জাজিরার প্রতিবেদনে।</p><h3>সাত স্থানে হামলার দাবি হুতিদের</h3><p>খালিজ টাইমস–এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার হুতিদের ঘোষিত লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল কিং খালিদ, কিং ফাহাদ ও নাজরান বিমানবন্দর, ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনা, রাবিগ তেল শোধনাগার, তেল পাইপলাইন ও পাম্পিং স্টেশন এবং খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটি।<br>হুতিদের দাবি, সৌদি আরবের পূর্ব থেকে পশ্চিমে অপরিশোধিত তেল পরিবহনের পাইপলাইন ও পাম্পিং স্টেশনে তারা সফলভাবে হামলা চালিয়েছে।<br>সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর জানায়, শনিবার দুটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর ধ্বংসাবশেষ মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে পড়েছে। জেদ্দার আল নুজহা, তায়েফের ওয়াদি জলিল ও রাবিগের মাস্তুরাহ সেন্টারেও ধ্বংসাবশেষ পড়েছে।</p><p>হুতিরা শহর দুটিকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগকে ‘বড় মিথ্যা’ বলে আখ্যা দিয়েছে। এর আগে তারা বলেছিল, পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করবে না তারা।</p><h3>তাইজে তীব্র লড়াই</h3><p>ইয়েমেনের তাইজ শহরের কাছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জাবাল সাবর পাহাড় অভিমুখে গতকাল এগিয়েছেন হুতি যোদ্ধারা। তাঁরা তাইজ অবরোধ করে সৌদি আরব–সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারের অন্তর্বর্তী রাজধানী এডেনের সঙ্গে প্রধান সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন।<br>ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর দাবি, শনিবার হুতিদের লক্ষ্য করে তারা সাত শতাধিক হামলা চালিয়েছে। এতে ইরান–সমর্থিত গোষ্ঠীটির তিন শতাধিক যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/e168iksmnj">হুতিরা কি আসলেই এতটা শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, সৌদি বাহিনী কেন তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে পারছে না</a></aside>
দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইটের স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়িয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস
<p>যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় নতুন কুঁড়ির দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করবেন। দ্বিতীয় আসরে অংশগ্রহণের জন্য ইতিমধ্যে ১৬ লাখ ২৩ হাজার জন অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করেছে। যেখানে প্রথম আসরে রেজিস্ট্রেশনের সংখ্যা ছিল মাত্র ১ লাখ ৬৮ হাজার। দ্বিতীয় আসরে রেজিস্ট্রেশন করা খেলোয়াড়দের নিয়ে ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠন করা হবে। এতে প্রায় ১৪ লাখ ক্রীড়াবিদ নতুন কুঁড়ির এই আসরে অংশগ্রহণ করবে।</p><p>রোববার বিকেলে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭’ (সিজন-২) উদ্বোধনের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করতে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান। আগামী বছরের মে অথবা জুন মাসে খেলার ফাইনাল রাউন্ড হওয়ার কথা আছে।</p><p>আমিনুল হক বলেন, ‘দেশের তৃণমূলে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনার জন্যই নতুন কুঁড়ির এ আয়োজন। নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরে বিজয়ী অনেক ক্রীড়াবিদ এখন বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। আমরা তাদের হারিয়ে যেতে দিতে চাই না; বরং তাদের প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলা ও পড়াশোনার দায়িত্ব সরকার বহন করবে। নতুন কুঁড়ির আয়োজনের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আমূল পরিবর্তন আসবে এবং খেলাধুলার মাধ্যমে দেশের সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন সম্ভব হবে।’</p><p>খুলনা জেলা স্টেডিয়ামকে পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ স্টেডিয়ামে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে প্রণীত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম, বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে সারা বছর খেলাধুলা চলবে।</p><p>পরিদর্শনকালে জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খান, খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোল্লা খায়রুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p><p>এর আগে প্রতিমন্ত্রী খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম, বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।</p>
গাঢ় মেরুন দেয়ালের সামনে হালকা গোলাপি-বেজ রঙের স্যাটিন ম্যাক্সি গাউনে ধরা দিলেন জয়া আহসান। হল্টার নেক আর কাটআউট প্যাটার্ন এবং স্যাটিন মৃদু ঝিলিক।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দুজনেই না যাওয়ায় কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ শুরু হচ্ছে, দিনে যেতে পারবেন সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক
যোগেন চৌধুরী বলেন, ‘আমি মানবমুক্তিতে বিশ্বাস করি। যারা মানুষের মুক্তির কথা বলে, তাদের পথ ভিন্ন। আমিও চাই দুর্দশা, দুর্গতি, অন্যায় থেকে মানুষের মুক্তি হোক।
লালমনিরহাটের হরিণচড়া মাঝের চরে এক বছর ধরে শিশুদের নিয়ে কাজ করছে রংপুর বন্ধুসভার উদ্যোগে পরিচালিত ‘আলোর পাঠশালা’। পাঠশালার এক বছর পূর্তি ও প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শিশুদের পড়ার সুযোগ বাড়াতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এই লাইব্রেরি। প্রাথমিকভাবে ২০০টি বই নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছে এর। পূজার ছুটির পর ধীরে ধীরে বইয়ের সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন