জেলা

সীতাকুণ্ডে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটিতে ধাক্কা দিল মাইক্রোবাস, মা-মেয়ে নিহত

অক্টোবর ২১, ২০২৬
সীতাকুণ্ডে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটিতে ধাক্কা দিল মাইক্রোবাস, মা-মেয়ে নিহত
সীতাকুণ্ডে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটিতে ধাক্কা দিল মাইক্রোবাস, মা-মেয়ে নিহত
বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যালয় এলাকায় পৌঁছালে মাইক্রোবাসটি সড়কের পাশে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি ও বিলবোর্ডের খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে যায়।

Prothomalo

View more
ব্যাডমিন্টনে জেলা মাতিয়ে পুলিশ হওয়ার স্বপ্ন মিষ্টির
ব্যাডমিন্টনে জেলা মাতিয়ে পুলিশ হওয়ার স্বপ্ন মিষ্টির

<p>এক হাতে পাঠ্যবই, অন্য হাতে ব্যাডমিন্টনের ব্যাট। চোখভরা ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন আর বুকে অভাবকে জয় করার অদম্য সাহস। বাবা-মাকে হারিয়ে দাদির স্নেহছায়ায় বেড়ে ওঠা এক কিশোরীর এই দীপ্ত পথচলা আজ অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণা। বলছিলাম রাজশাহী আলোর পাঠশালার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সানজিদা পারভীন মিষ্টির কথা।</p><p>ছোটকালেই বাবাকে হারায় মিষ্টি। এরপরই নেমে আসে সংসারের চরম অনটন। দাদির আদরে ও আশ্রয়ে বেড়ে ওঠা এই একমাত্র সন্তানটি জীবনের নানা টানাপোড়েনের মুখোমুখি হলেও থমকে যায়নি। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত রাজশাহী আলোর পাঠশালায় পড়াশোনা শুরু করে সে। মিষ্টির কাছে পড়াশোনা কেবল শ্রেণি পার হওয়ার মাধ্যম নয়, বরং নিজের ও পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের একমাত্র হাতিয়ার।</p><p>জীবনের বাস্তবতা মিষ্টিকে অনেক কম বয়সেই পরিপক্ব করে তুলেছে। তার স্বপ্ন বড় হয়ে সে পুলিশ অফিসার হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে মানুষের পাশে থাকার পাশাপাশি নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে দূর করতে চায় পরিবারের অভাব-অনটন ও দুঃখ-কষ্ট।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/8759xzvy/%E0%A6%A4.png"><figcaption>সানজিদা পারভীন মিষ্টি যখন ব্যাডমিন্টন অনুশীলনে।</figcaption></figure><p>স্বপ্নের ব্যাপ্তি মিষ্টির বইয়ের পাতার মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই, ছড়িয়ে পড়েছে খেলার মাঠেও। প্রাথমিক বিদ্যাপীঠ 'নতুন কুঁড়ি' থেকেই ব্যাডমিন্টনের প্রতি টান। নিয়মিত কঠোর অনুশীলন আর খেলার প্রতি তীব্র অনুরাগের কারণে মিষ্টি ইতিমধ্যেই জেলা পর্যায়ে ব্যাডমিন্টন খেলছে। খেলায় আরও বড় সাফল্য অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিদিন নিজেকে প্রস্তুত করছে সে।</p><p>প্রতিভার বিকাশ ও স্বপ্নের পথে আলোর দিশারী হিসেবে কাজ করছে রাজশাহী আলোর পাঠশালা। সুবিধাবঞ্চিত এই শিশুদের জন্য বিদ্যালয়টি কেবল পড়াশোনার কেন্দ্র নয়, বরং প্রতিকূল পরিবেশ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর এক নতুন প্ল্যাটফর্ম।</p><p>জীবনের কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও স্বপ্ন দেখার এই অদম্য সাহসের নাম সানজিদা পারভীন মিষ্টি। সময়ের পরিক্রমায় সে জেলা ছাড়িয়ে জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য পাবে কিংবা পুলিশ অফিসার হয়ে দেশের সেবা করবে—সে উত্তর সময়ের কাছে। তবে প্রতিকূলতাকে জয় করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার যে দৃষ্টান্ত সে তৈরি করেছে, তা ইতিমধ্যেই অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশুর জন্য এক আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে।</p>

অক্টোবর ২১, ২০২৬
ম্যাকগ্রাকে ছাড়িয়ে স্টার্কের নতুন ইতিহাস
ম্যাকগ্রাকে ছাড়িয়ে স্টার্কের নতুন ইতিহাস

<p>ক্রিকেটের ইতিহাসে কিছু নাম আছে, যাঁদের পেছনে ছুটতে ছুটতেই অনেকের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায়। গ্লেন ম্যাকগ্রা তেমনই এক নাম। অস্ট্রেলিয়ার সোনালি যুগের সেই নিখুঁত পেসার। </p><p>ব্যাটসম্যানদের কাছে যিনি ছিলেন এক দুঃস্বপ্ন। লাইন, লেংথের ধারাবাহিকতার আদর্শ উদাহরণ।<br>সেই ম্যাকগ্রাকেই এবার পেছনে ফেললেন মিচেল স্টার্ক।</p><p>দক্ষিণ আফ্রিকার গেবেখায় টেস্টের তৃতীয় দিনে ইতিহাসের পাতায় নিজের নামটা নতুন করে লিখলেন অস্ট্রেলিয়ার ৩৬ বছর বয়সী বাঁহাতি পেসার। টেস্টে ৪৫০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়ে ভেঙে দিলেন ম্যাকগ্রার দীর্ঘদিনের এক রেকর্ড।</p><p>তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে উইয়ান মুল্ডারকে ফিরিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের ৪৫০তম উইকেটটি পান স্টার্ক। তাঁর বলে ম্যাট রেনশর চমৎকার ক্যাচ। আর তাতেই ইতিহাস!</p><p>টেস্ট ক্রিকেটে বলের হিসাবে দ্রুততম ৪৫০ উইকেটের মালিক এখন স্টার্ক। ম্যাকগ্রার লেগেছিল ২৩ হাজার ৪৭৪ বল। স্টার্কের মাত্র ২০ হাজার ৫৭৭। অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি পেসারের চেয়ে ২ হাজার ৮৯৭ বল কম ডেলিভারি দিয়েই এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন স্টার্ক।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-07/19kzomzm/574835-01-02.jpg"><figcaption>টেস্টে ৪৫০ উইকেট নেওয়া প্রথম বাঁহাতি বোলার</figcaption></figure><p>ম্যাকগ্রার রেকর্ড ভাঙাই অবশ্য শেষ কথা নয়। স্টার্ক এমন এক কীর্তি গড়েছেন, যা টেস্ট ক্রিকেটের প্রায় দেড় শ বছরের ইতিহাসে আর কোনো বাঁহাতি বোলার পারেননি।<br>টেস্টে ৪৫০ উইকেট নেওয়া প্রথম বাঁহাতি বোলার তিনি।</p><p>ওয়াসিম আকরামের মতো সুইংয়ের জাদুকরও যেখানে পৌঁছাতে পারেননি, সেখানে পৌঁছে গেলেন স্টার্ক। পাকিস্তানের কিংবদন্তি আকরামের টেস্ট উইকেট ৪১৪টি। শ্রীলঙ্কার বাঁহাতি স্পিনার রঙ্গনা হেরাথের ৪৩৩টি। দুজনকেই ছাড়িয়ে স্টার্ক এখন বাঁহাতি বোলারদের একক রাজা।</p><p>অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ইতিহাসেও ৪৫০ উইকেটের ক্লাবটা খুব ছোট। এত দিন সেখানে ছিলেন মাত্র তিনজন। শেন ওয়ার্ন, গ্লেন ম্যাকগ্রা ও নাথান লায়ন। এবার তাঁদের পাশে স্টার্ক। অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ বোলার হিসেবে ছুঁলেন এই মাইলফলক।</p><p>তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে বাভুমাকেও ফিরিয়েছেন স্টার্ক। তাতে তাঁর টেস্ট উইকেটসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৫১।</p>

অক্টোবর ২১, ২০২৬
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১ পদে চাকরির সুযোগ
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১ পদে চাকরির সুযোগ

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ২১ শিক্ষক–কর্মকর্তা–কর্মচারী নিয়োগ দেবে। ১৪ পদের জন্য নির্ধারিত ফরমে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

অক্টোবর ২১, ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি গান বানাতে পারে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি গান বানাতে পারে

<p>বিকেলের অলস সময়ে কানে হেডফোন গুঁজে প্রিয় কোনো গান শোনার অনুভূতির কথা ভাবুন তো! হঠাৎ যদি জানতে পারেন, যে সুরটা শুনে আপনার মন ভালো হয়ে গেল, যে গানের কথাগুলো আপনাকে ছুঁয়ে গেল, তার কোনোটিই কোনো মানুষ লেখেনি! পুরো গানটি বানিয়েছে একটা মেমোরি চিপ আর কিছু গাণিতিক কোড।</p><p>কথাটা শুনে কেমন একটু খটকা লাগছে, তাই না? আমরা এত দিন ধরে জেনে এসেছি, ছবি আঁকা, গল্প লেখা কিংবা সুর বাঁধার মতো কাজগুলো কেবলই মানুষের অনুভূতির প্রকাশ। কিন্তু গত কয়েক মাসে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে এমন এক বিপ্লব এসেছে, যা আমাদের এই পুরোনো ধারণাকে বড়সড় ধাক্কা দিচ্ছে। আজকের গল্পটা এআইয়ের সেই নতুন মিউজিক্যাল জাদু নিয়েই। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হচ্ছে জেনারেটিভ অডিও এআই।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/1fx5kxhhf4">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে মৃত্যু হতে পারে ১০০ কোটি মানুষের, সতর্ক করলেন বিল গেটস</a></aside><blockquote>এআইয়ের ভেতরে থাকা নিউরাল নেটওয়ার্ক এই কোটি কোটি গান বিশ্লেষণ করে দেখেছে, কোনো মেলোডি বা সুরের পর কোন নোটটা বসালে মানুষের শুনতে ভালো লাগে।</blockquote><h2><strong>৩ মিনিটে আস্ত একটা গান!</strong></h2><p>আপনি হয়তো এর মধ্যেই টেক্সট বা ছবি তৈরির এআইয়ের কথা শুনেছেন। কিন্তু বর্তমানে সুনো কিংবা উদোর মতো সার্ভিসগুলো যা করছে, তা এককথায় অবিশ্বাস্য।</p><p>আপনি ল্যাপটপে শুধু লিখলেন—‘বৃষ্টির দিনের বিষণ্নতা নিয়ে একটা মেলোডিয়াস বাংলা গান বানিয়ে দাও, যেখানে অ্যাকোস্টিক গিটার আর বাঁশির সুর থাকবে।’ ব্যস, মাত্র দুই থেকে তিন মিনিটের মধ্যে এআই আপনার জন্য সম্পূর্ণ নতুন একটা গান তৈরি করে দেবে! আর সেই গানে কেবল গিটার বা বাঁশির সুরই থাকবে না, সেখানে থাকবে চমৎকার গানের কথা, তাল এবং একজন কাল্পনিক গায়কের নিখুঁত কণ্ঠস্বর। সুরের মধ্যে কোথায় গায়ক একটু দম নেবে, কোথায় গলা একটু কাঁপবে—সবকিছুই এআই ফুটিয়ে তোলে একেবারে আসল মানুষের মতো!</p><p>হয়তো ভাবছেন, একটা যন্ত্র কীভাবে এমন অনুভূতির ছোঁয়া দিয়ে সুর সৃষ্টি করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে গণিত ও প্যাটার্ন চেনার ক্ষমতায়। এআই কিন্তু কোনো খাতা-কলম নিয়ে সুর বাঁধতে বসে না। একে বিশ্বের কোটি কোটি গান শুনিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এআইয়ের ভেতরে থাকা নিউরাল নেটওয়ার্ক এই কোটি কোটি গান বিশ্লেষণ করে দেখেছে, কোনো মেলোডি বা সুরের পর কোন নোটটা বসালে মানুষের শুনতে ভালো লাগে। দুঃখের গানে ড্রামসের বিট কেমন হয়, আর আনন্দঘন গানে কর্ড কীভাবে বদলায়।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/iahq39gugs">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভুল: অ্যালগরিদম কি আসলেই নিরপেক্ষ</a></aside><blockquote>অনেক তরুণ সুরকার এখন এআইকে শত্রু না ভেবে নিজের সহযোগী বানিয়ে নিচ্ছেন। মাথায় কোনো সুরের আইডিয়া এলে তাঁরা এআই দিয়ে চটজলদি তার একটা ডেমো বা খসড়া বানিয়ে নিচ্ছেন।</blockquote><h2><strong>তবে কি মানুষের সংগীতসাধনা ফুরিয়ে যাবে</strong></h2><p>এই প্রশ্নটি এখন বিশ্বজুড়ে বড় বড় সংগীতশিল্পী আর বিজ্ঞানীদের ঘুম হারাম করে দিচ্ছে—‘এআই যদি সেকেন্ডের মধ্যে গান বানিয়ে ফেলে, তবে মানুষের তৈরি সুরের কদর কি কমে যাবে?’</p><p>একটু গভীরভাবে ভাবলেই বুঝবেন, ব্যাপারটা মোটেও তেমন নয়। এআই কোটি কোটি সুরের প্যাটার্ন মিলিয়ে গান বানাতে পারে সত্য, কিন্তু তার পেছনে কোনো অভিজ্ঞতা বা অনুভূতি থাকে না। একজন মানুষ যখন প্রেমে পড়ে, প্রিয় মানুষকে হারায় কিংবা কোনো সামাজিক অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে গান লেখে, সেই সুরের পেছনে থাকে একটা সত্যিকারের জীবনের গল্প। এআই অ্যালগরিদম কেবল সেই সুরের একটি বাহ্যিক রূপ তৈরি করতে পারে, কিন্তু মানুষের ভেতরের সেই সত্যিকারের অনুভূতির জন্ম দিতে পারে না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/6qddpzod/AI_Music_Creation_Tools.jpg"><figcaption>এআই কোটি কোটি সুরের প্যাটার্ন মিলিয়ে গান বানাতে পারে সত্য, কিন্তু তার পেছনে কোনো অভিজ্ঞতা বা অনুভূতি থাকে না</figcaption></figure><p>তাই অনেক তরুণ সুরকার এখন এআইকে শত্রু না ভেবে নিজের সহযোগী বানিয়ে নিচ্ছেন। মাথায় কোনো সুরের আইডিয়া এলে তাঁরা এআই দিয়ে চটজলদি তার একটা ডেমো বা খসড়া বানিয়ে নিচ্ছেন। তারপর নিজের মেধা আর আবেগ দিয়ে সেটিকে আরও নিখুঁত করে তুলছেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কাজ কিন্তু কেবল জটিল ল্যাবরেটরিতেই সীমাবদ্ধ নয়, তা আজ আমাদের সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চার ভেতরেও প্রবেশ করেছে। যন্ত্র আমাদের শেখাচ্ছে কীভাবে দ্রুত কাজ করা যায়, কিন্তু মানুষ হিসেবে আমাদের আসল শক্তি হলো আমরা সেই কাজে ‘প্রাণ’ দিতে পারি। এআই হয়তো হাজারটা সুর তৈরি করতে পারবে, কিন্তু কোন সুরটা আমাদের হৃদয়ে গিয়ে দোলা দেবে, সেই অনুভূতিটুকু চিরকাল মানুষ হিসেবে আমাদেরই থেকে যাবে!</p><h4>সূত্র: এমআইটি টেকনোলজি রিভিউ</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/p6hcro9u3s">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্ম: ভুল থেকে শেখা শুরু</a></aside>

অক্টোবর ২১, ২০২৬
এমপি–মন্ত্রীরা অ্যাকশনে : চেইন অব কমান্ডের ‘চেইন’ ঠিক করবে কে?
এমপি–মন্ত্রীরা অ্যাকশনে : চেইন অব কমান্ডের ‘চেইন’ ঠিক করবে কে?

মাদকদ্রব্য প্রতিরোধে সদ্য বিদায়ী প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন যে ‘বলিষ্ঠ’ পদক্ষেপ নিয়েছেন, সে কথাও বলা হয়নি।

অক্টোবর ২১, ২০২৬
টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, জিততে হবে অন্তত ৪১ রানে
টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, জিততে হবে অন্তত ৪১ রানে

শুধু জিতলেই হবে না, ব্যবধানও বড় হতে হবে—এমন সমীকরণে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আফগানিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ। লাইভ ব্লগে জানুন তাৎক্ষণিক ঘটনাপ্রবাহ।

অক্টোবর ২১, ২০২৬
নিহত যুবদল নেতার মাথার খুলির ভেতরে বুলেট পাওয়া গেছে: পুলিশ
নিহত যুবদল নেতার মাথার খুলির ভেতরে বুলেট পাওয়া গেছে: পুলিশ

মাগুরা পৌরসভার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে নিহত যুবদল নেতা শাকের হোসেনের (৩৯) মাথার খুলির ভেতর থেকে একটি বুলেট পাওয়া গেছে।

অক্টোবর ২১, ২০২৬
গত চ্যাম্পিয়নস লিগে বর্ষসেরা, এবার চোটে ছিটকে গেলেন তৃতীয় ম্যাচেই
গত চ্যাম্পিয়নস লিগে বর্ষসেরা, এবার চোটে ছিটকে গেলেন তৃতীয় ম্যাচেই

২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের এসিএল চোটের খবর নিশ্চিত করে পিএসজি জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কাভারাস্কেইয়ার ডান হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করানো হবে।

অক্টোবর ২১, ২০২৬
বাংলাদেশিরা কীভাবে রাশিয়ায় গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছেন?
বাংলাদেশিরা কীভাবে রাশিয়ায় গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছেন?

<p>ভালো চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন অনেক বাংলাদেশি তরুণ। পরে দালালের খপ্পরে পড়ে যুদ্ধক্ষেত্রে যেতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। যুদ্ধে মারা গেলেও দেশে ফিরছে না তাঁদের লাশ। বিস্তারিত ভিডিও বিশ্লেষণে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ২১, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন