feature

সারা দিন রিল দেখতে হবে, লোক খুঁজছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

নভেম্বর ৬, ২০২৬
সারা দিন রিল দেখতে হবে, লোক খুঁজছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান
সারা দিন রিল দেখতে হবে, লোক খুঁজছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান
ফর্মে আবেদনকারীর নাম, ফোন নম্বর ও ঠিকানা দিতে হবে। এরপর বেছে নিতে হবে, তিনি পূর্ণকালীন চাকরির জন্য আবেদন করছেন, নাকি ইন্টার্নশিপের জন্য। কোন পদে আগ্রহী, সেটিও জানাতে হবে। এ ছাড়া জানাতে হবে বর্তমান বেতন ও প্রত্যাশিত বেতন। ফর্ম জমা দেওয়ার আগে জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) আপলোড করতে হবে।

Prothomalo

View more
চিকিৎসককে মারধর ও ডাকাতির অভিযোগ, অভিনেতা–অভিনেত্রী গ্রেপ্তার
চিকিৎসককে মারধর ও ডাকাতির অভিযোগ, অভিনেতা–অভিনেত্রী গ্রেপ্তার

মালয়ালম সিনেমার অভিনেতা বিবিন পেরুমপল্লি ও অভিনেত্রী অতুল্য চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের কেরালা রাজ্যের কোচি পুলিশ।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
‘আমার সোনার টুকরো ছেলেটিকে কেড়ে নিল, আমি এখন কী নিয়ে বাঁচব’
‘আমার সোনার টুকরো ছেলেটিকে কেড়ে নিল, আমি এখন কী নিয়ে বাঁচব’

ভালোবাসতেন অন্যদের মধ্যেও বই ছড়িয়ে দিতে। বইয়ের প্রতি এই ভালোবাসা থেকেই আরও দুই বন্ধুকে নিয়ে তাই করোনাকালে গড়ে তুলেছিলেন অনলাইনে বই বিক্রির প্ল্যাটফর্ম ‘বইপাড়া ডটকম’।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত করছেন লাইভ ভিডিও, মানুষের বাড়িঘরেও ঢুকে যাচ্ছেন
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত করছেন লাইভ ভিডিও, মানুষের বাড়িঘরেও ঢুকে যাচ্ছেন

কেউ কেউ ভিডিওতে উত্তরাকে ভারতের নয়াদিল্লি বলে পরিচয় দিচ্ছেন, বাংলাদেশিদের জীবনযাপন নিয়েও করছেন অবমাননাকর মন্তব্য। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই কখনো কখনো ঘরের ভেতরেও ঢুকে ভিডিও করেন তাঁরা।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
৫ উইকেট: বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে সবার ওপরে হাসান
৫ উইকেট: বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে সবার ওপরে হাসান

সিলেট টেস্টে আজ দ্বিতীয় দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫ উইকেট নেন হাসান মাহমুদ।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
বাড়িতে সারের মজুত, রাত সাড়ে ১১টায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
বাড়িতে সারের মজুত, রাত সাড়ে ১১টায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

রংপুরের তারাগঞ্জে অবৈধভাবে ১১৭ বস্তা সার মজুত রাখার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে নীলক্ষেতে  রাস্তা অবরোধ
অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে নীলক্ষেতে রাস্তা অবরোধ

লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জামিল হোসেন আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী কলেজের সামনের সড়ক আটকে বিক্ষোভ করছেন।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
দেড় শ বছরে মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কমেছে, কী এর কারণ?
দেড় শ বছরে মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কমেছে, কী এর কারণ?

<p>গবেষণায় দেখা গেছে, গত ১৫০ বছরে মানুষের গড় শরীরের তাপমাত্রা কমে বর্তমানে প্রায় ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৭.৫২ ডিগ্রি ফারেনহাইটে দাঁড়িয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/chqqmmmj/_SY_4901.jpg"><figcaption>পুরুষদের তুলনায় নারীদের শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা বেশি থাকে</figcaption></figure><p>সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ধরা হয় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট। মূলত জার্মান চিকিৎসক কার্ল উন্ডারলিচের দেড় দশক ধরে সংগৃহীত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই মানদণ্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৬০-এর দশকে থার্মোমিটারের নিয়মিত ব্যবহার ছিল না। সে সময় ১৫ বছর ধরে বিভিন্ন বয়সী ২৫ হাজার নারী-পুরুষের বগলের তাপমাত্রা সংগ্রহ করেন উন্ডারলিচ। এভাবে সংগৃহীত হয় ১০ লাখের বেশি তথ্য। </p><p>এই বিশাল তথ্যভান্ডার থেকে উন্ডারলিচ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরের গড় তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস নির্ধারণ করেন। তাপমাত্রা যদি ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১০০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপরে চলে যায় তবে তাকে জ্বরের ইঙ্গিত বলে মনে করা হয়। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, গত দেড় শ বছরে মানুষের শরীরের গড় তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বর্তমানে প্রাপ্তবয়স্কদের গড় স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৭.৫২° ফারেনহাইট।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/d6d4jihw34">আখরোট নাকি কাজুবাদাম—হৃদ্‌যন্ত্র ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য কোনটি ভালো?</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-25/kg3cms0i/KBRH2295.JPG"><figcaption>তাপমাত্রা যদি ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১০০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপরে চলে যায় তবে তাকে জ্বরের ইঙ্গিত বলে মনে করা হয়</figcaption></figure><h3>কমার কারণ কী?</h3><p>স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগবিশেষজ্ঞ জুলি পারসনেটের মতে, উন্ডারলিচ যে তথ্যভান্ডার তৈরি করেছিলেন তার বেশির ভাগেরই উৎস ছিল শ্রমজীবী রোগী। তবে বর্তমান সময়ে উন্নত জীবনযাপনকারীদের বেশির ভাগের সময় কাটে একটি আদর্শ পরিবেশে, যাকে বলা হয় ‘থার্মাল-নিউট্রাল জোন’ বা তাপীয়-নিরপেক্ষ অঞ্চল। এ পরিবেশে শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখার জন্য আমাদের শরীরকে বাড়তি কোনো পরিশ্রম করতে হয় না। </p><p>আর শরীরকে যদি পরিশ্রম করতে না হয়, তবে তা শক্তি উৎপন্ন করে না। আর শক্তি উৎপন্ন না হলে তাপও তৈরি হয় না। শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার এই প্রবণতা কেবল উন্নত দেশের মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। </p><p>সুইজারল্যান্ডের জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈবিক নৃতত্ত্ববিদ অ্যাড্রিয়ান জায়েগির দেওয়া তথ্যমতে, আমাজন রেইনফরেস্টে বসবাসকারী আধা যাযাবর আদিবাসী জনগোষ্ঠী সিমানেদের শরীরের গড় তাপমাত্রা ২০০০ সালের শুরুর দিকে ছিল প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু দুই দশকে আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে দ্রুত ইতিবাচক পরিবর্তনের পর ২০১৮ সালে তাদের শরীরের গড় তাপমাত্রা কমে হয়েছে ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/tu8e15hh/shwetashahnutritionist175639251837092117431648748689939016540.jpg"><figcaption>উচ্চতা বাড়লে তাপমাত্রা কমে আর ওজন বাড়লে কিছুটা বাড়ে</figcaption></figure><h3>শরীরের গড় তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণ কী?</h3><p>চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার পেছনে কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ চিহ্নিত করেছেন।</p><ul><li><p>সামগ্রিকভাবে মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নতি।</p></li><li><p>গড় আয়ু বৃদ্ধি। উন্ডারলিচের সময়ে মানুষের গড় আয়ু ছিল ৩৮ বছর, বর্তমানে যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।</p></li><li><p>তৎকালীন মানুষ এখনকার মতো স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করতেন না। তাঁরা নানা রকম স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগতেন। যেমন যক্ষ্মা, দাঁতের সমস্যা, আমাশয়, বাতজ্বর বা হাড়ের সংক্রমণ। রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা যখন প্রাণঘাতী এসব রোগের হাত থেকে শরীরকে রক্ষার চেষ্টা করত তখন তাকে প্রচুর ক্যালরি খরচ করতে হতো। আর ক্যালরি মানেই হলো তাপ।</p></li><li><p>সিমানে জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রেও টিকা এবং উন্নত স্যানিটেশন–ব্যবস্থার ফলে স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটেছে।</p></li><li><p>এ ছাড়া ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করাও এখন অনেক সহজ। যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৮৮ শতাংশ বাড়িতে শীতাতপনিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা রয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রায় সমান সংখ্যক বাড়িতে রয়েছে সেন্ট্রাল হিটিং বা কেন্দ্রীয় উষ্ণায়ন–ব্যবস্থা।</p></li></ul><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/i5xuuo0yj1">বাসন ধোয়ার স্পঞ্জ ও মাজুনি থেকে ক্যানসার হয়, কী বলছে গবেষণা</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/6xcxzx5h/IMGL0883.JPG"><figcaption>ভোরবেলা শরীরের তাপমাত্রা কমে যায়।</figcaption></figure><h3>উন্ডারলিচের দেওয়া তথ্যে কি কোন ভুল ছিল?</h3><p>ওপরের কারণগুলো ছাড়াও শরীরের গড় তাপমাত্রা কম দেখানোর পেছনে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়ের অবতারণা করেন মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা ইতিহাসবিদ এবং সংক্রামক রোগবিশেষজ্ঞ ফিলিপ ম্যাককোয়াক। তিনি মনে করেন, শরীরের গড় তাপমাত্রার মানদণ্ড স্থাপনকারী স্বয়ং উন্ডারলিচের পরিমাপ পদ্ধতিতেই ত্রুটি ছিল। ম্যাককোয়াক জানান, উন্ডারলিচের ব্যবহৃত একটি কাচের থার্মোমিটার সরাসরি পরীক্ষা করার সুযোগ তাঁর হয়েছিল। </p><p>তিনি লক্ষ করেন, সেগুলোর পরিমাপের মান বা ক্যালিব্রেশন আধুনিক থার্মোমিটারের তুলনায় প্রায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। অর্থাৎ ওই যন্ত্রগুলো দিয়ে নেওয়া যেকোনো তাপমাত্রার রিডিং প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি দেখাত। ম্যাককোয়াক জানান, সে সময়ে শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করা ছিল বেশ কষ্টসাধ্য ও জটিল। এ ছাড়া তখন মুখের ভেতর থার্মোমিটার না রেখে বগলের নিচে তাপমাত্রা পরিমাপ করা হতো, যা আজকের প্রচলিত পদ্ধতির চেয়ে আলাদা। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-06-23/x8nwbjjy/250A0282.JPG"><figcaption>বয়স্ক ব্যক্তিদের শরীরের তাপমাত্রা তুলনামূলক কম থাকে</figcaption></figure><h3>শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা যেসব বিষয়ের ওপর নির্ভর করে</h3><p><strong>১. বয়স</strong>: বয়স্ক ব্যক্তিদের শরীরের তাপমাত্রা তুলনামূলক কম থাকে। ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগবিশেষজ্ঞ ওয়ালিদ জাভেদ বলেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায়, শরীর আগের মতো সক্রিয় থাকে না, ফলে শক্তির ব্যবহারও কমে যায়।<br><strong>২. লিঙ্গ</strong>: পুরুষদের তুলনায় নারীদের শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা বেশি থাকে। ঋতুচক্রের প্রভাবের কারণে এমনটা হতে পারে। অনেক বয়স্ক নারীর ক্ষেত্রেও শরীরের তাপমাত্রা বেশি দেখা যায়। এর প্রকৃত কারণ বিজ্ঞানীদের কাছে এখনো অজানা।<br><strong>৩. দিনের সময়</strong>: ভোরবেলা শরীরের তাপমাত্রা কমে যায়। বোস্টন চিলড্রেনস হসপিটাল ও ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হসপিটালের রিউমাটোলজিস্ট জোনাথন হাউসমান জানান, শরীরের তাপমাত্রার একটি সার্কাডিয়ান রিদম বা দৈনিক ছন্দ রয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, রাত তিনটা থেকে ভোর পাঁচটার মধ্যে তাপমাত্রা কমে যায় এবং বিকেল চারটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। সম্ভবত দিনের বেলা শারীরিক সক্রিয়তা বেড়ে যাওয়ার কারণেই এমনটা ঘটে।<br><strong>৪. উচ্চতা ও ওজন:</strong> উচ্চতা বাড়লে তাপমাত্রা কমে আর ওজন বাড়লে কিছুটা বাড়ে। পারসনেটের মতে, উচ্চতা বেশি হলে শরীরের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল বাড়ে। ফলে শরীর থেকে বেশি তাপ বেরিয়ে যেতে পারে এবং তাপমাত্রা কিছুটা কমে। অন্যদিকে শরীরের ওজন বেশি হলে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।</p><h3>তাপমাত্রার নতুন নির্দেশিকা</h3><p>এই যে এত দিন ধরে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে শরীরের আদর্শ তাপমাত্রা ধরা হতো, সেটা কী পুনর্বিবেচনার সময় এসেছে? এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবছেন চিকিৎসাবিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসে এই প্রচলিত মানদণ্ড পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চিকিৎসকদের বহুল ব্যবহৃত বই ‘হ্যারিসনস প্রিন্সিপলস অব ইন্টারনাল মেডিসিন’ এবং অনলাইন চিকিৎসা তথ্যভান্ডার ‘আপ-টু-ডেট’। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞই একটি নির্দিষ্ট মানের ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব না দেওয়ার পরামর্শ দেন। </p><p>তাঁরা মনে করেন, ৩৬.৯৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ৩৭.০১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে কোনো আকাশ-পাতাল পার্থক্য নেই, যার ভিত্তিতে একটিকে স্বাভাবিক এবং অন্যটিকে অস্বাভাবিক বলা যায়। তবে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরের তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৬ ডিগ্রি ফারেনহাইটের নিচে নেমে গেলে কিংবা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপরে উঠলে তা গুরুতর শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।<br><strong><sup>সূত্র</sup></strong><sup>: বিবিসি</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/ld2kledja0">বাথরুম পরিষ্কার, তবু দুর্গন্ধ? কারণ হতে পারে এই ৭টি জিনিস</a></aside>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
ক্রিকেটের আলোচিত পাঁচ আম্পায়ার, যাঁদের ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনো সমালোচনা হয়
ক্রিকেটের আলোচিত পাঁচ আম্পায়ার, যাঁদের ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনো সমালোচনা হয়

<p>ক্রিকেট মাঠে আম্পায়ারের একটি সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে ম্যাচের চিত্র। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে এমন কয়েকজন আম্পায়ার রয়েছেন, যাঁদের সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড় বিতর্ক। দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে...</p><figure></figure>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
থানচি থেকে রুমা: দুর্গম পথে নিজেকে জানার অভিযান
থানচি থেকে রুমা: দুর্গম পথে নিজেকে জানার অভিযান

বান্দরবানের দুর্গম থানচি–রুমা সার্কিট ট্রেইলে চার দিনের রোমাঞ্চকর অভিযান। তিনটি বুনো জলপ্রপাতের সন্ধানে পাহাড়, বিপদ, ক্লান্তি আর ভয় জয় করে প্রকৃতির কাছে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কারের এক অবিস্মরণীয় গল্প।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।