<p>‘পাঁচ, পাঁচ–ই লাগবে, এটা ভিপি নুরের নির্দেশ’—এমন কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর লক্ষ্মীপুরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। অডিওটি লক্ষ্মীপুর জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি ফারুক হোসেনের। অডিও ছড়িয়ে পড়ার পর দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।</p><p> আজ সোমবার রাতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নাঈম হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।</p><p> বিজ্ঞপ্তিতে দলটি জানিয়েছে, ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতিবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নাদিম হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মুনতাজুল ইসলামের নির্দেশে তাঁকে সাংগঠনিক সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা জানানো হয়।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজ দুপুরের দিকে ছড়িয়ে পড়া ওই অডিও রেকর্ডে ফারুক হোসেনকে বিদেশ যেতে ইচ্ছুক এক ব্যক্তির কাছে পাসপোর্টের কাজ, ভিসা, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও বিএমইটি কার্ড বাবদ প্রাথমিক খরচের জন্য টাকা দাবি করতে শোনা যায়। দলীয় একটি সূত্র জানায়, তিনি এসব কাজে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন।</p><p>এদিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমার নাম বলে ধান্দাবাজি করে রেহাই পাওয়ার সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে অভিযুক্তকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপারকে (এসপি) বলা হয়েছে।’</p><p>অভিযোগগুলো অস্বীকার করে ফারুক হোসেন দাবি করেন, স্থানীয় একটি চক্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে তাঁর কণ্ঠ সম্পাদনা করে ওই অডিও তৈরি করেছে। তাঁর ভাষ্য, অডিওতে তাঁর বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।</p><p>ফারুক হোসেন আরও বলেন, ‘বহিষ্কারের বিষয়টি শুনেছি। আমার এলাকার সাকিব নামে এক ছোট ভাই পাসপোর্ট করে দেওয়ার কথা বলেছিল। এ জন্য আমি পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছিলাম। কিন্তু ওই পাঁচ হাজার টাকার কথাই এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিকৃত করে পাঁচ লাখ টাকা বানিয়ে অডিওতে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’</p><p>এ ব্যাপারে জানতে চাইলে যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুনতাজুল ইসলামে আজ রাত ১১টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘অডিওটা আমার শুনেছি। যাচাই করে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর উচ্চ পর্যায়ে কথা বলে তাঁকে বহিষ্কারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’</p>
ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে মিশন আচার্যের নিয়োগ চূড়ান্ত করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির দুধ পান করে ১৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
বাদ পড়া আরও ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে ৪৯তম (বিশেষ) বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-05/oax739ta/Bay_of_bengal_conversation1.jpeg"><figcaption>সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’-এর ‘ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও জাতীয় পুনর্মিলন’ শীর্ষক অধিবেশনে আলোচকেরা। ঢাকা, ৫ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p>অপরাধের বিচার জরুরি। সেই সঙ্গে দরকার রিকনসিলিয়েশন বা পুনর্মিলন। তা না হলে সমাজ গভীরভাবে বিভক্ত থাকে। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ, পার্বত্য অঞ্চলে সহিংসতা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। তেমনি দরকার রিকনসিলিয়েশন।</p><p>সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’-এর ‘ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও জাতীয় পুনর্মিলন’ শীর্ষক অধিবেশনে আলোচকদের বক্তব্যে এসব বিষয় উঠে এসেছে। রাজধানীর একটি হোটেলে সোমবার অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়। তিন দিনব্যাপী আয়োজনের শেষ দিন ছিল সোমবার।</p><p>এ অধিবেশনে বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকা, কম্বোডিয়া, ভারত ও নেপাল থেকে আসা শিক্ষক ও গবেষকেরা ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও রিকনসিলিয়েশনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তবে আলোচক হিসেবে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, বিশ্বজুড়ে প্রায়ই দেখা যায়, রিকনসিলিয়েশন প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। কারণ, এটিকে রাষ্ট্রীয় সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনি পরিণতি থেকে রক্ষা করার রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিচারহীন জাতীয় রিকনসিলিয়েশন কোনো শান্তি নয়, তা কেবল সংঘাতের মধ্যকার একটি সাময়িক বিরতি মাত্র।</p><p>কায়সার কামাল জাতিসংঘের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ১ হাজার ৬০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। যার মধ্যে ১২ থেকে ১৩ শতাংশই ছিল শিশু। এই ভয়হীন, আপসহীন প্রজন্ম একটি নতুন দেশ গড়ার জন্য লড়াই করেছিল, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার পাবে এবং অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।</p><blockquote>ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, সবাই অবগত যে অপশক্তিগুলো এখন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছে। দুর্ভাগ্যবশত, দেশ-বিদেশের কিছু গোষ্ঠী রিকনসিলিয়েশনের দোহাই দিয়ে তাদের পক্ষে কথা বলছে।</blockquote><p>উল্লেখ্য, জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান দলের প্রতিবেদনে প্রাক্কলন করা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়ে থাকতে পারে। অন্যদিকে সরকারি তালিকায় শহীদের সংখ্যা ৮৪৩। নতুন আবেদন নেই।</p><p>কায়সার কামাল বলেন, সবাই অবগত যে অপশক্তিগুলো এখন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছে। দুর্ভাগ্যবশত, দেশ-বিদেশের কিছু গোষ্ঠী রিকনসিলিয়েশনের দোহাই দিয়ে তাদের পক্ষে কথা বলছে। এ ধরনের চিন্তা দেশকে নতুন সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবে, যার পরিণতি হতে পারে অত্যন্ত ভয়াবহ ও অকল্পনীয়। তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ও দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চান, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রিকনসিলিয়েশনের কোনো সুযোগ নেই।</p><p>এ অধিবেশন সঞ্চালনা করেন নেপাল ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারনেশনাল কো-অপারেশন অ্যান্ড এনগেজমেন্টের গবেষণা পরিচালক প্রমোদ জয়সওয়াল। তিনি মনে করেন, ন্যায়বিচার দরকার। তবে রিকনসিলিয়েশন না হলে সমাজ গভীরভাবে বিভক্ত থাকতে পারে।</p><aside><cite>মাদালিৎসো জিলিলো ফিরি, দক্ষিণ আফ্রিকার উইটস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক </cite>যা একটি নতুন সমাজ কল্পনার পূর্বশর্ত ছিল। তা নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। কারণ, উদারনৈতিক প্রতিষ্ঠান বা গণতান্ত্রিক বন্দোবস্ত সাম্যের সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে সক্ষম হয়নি।</aside><p>জবাবদিহিকে অবশ্যই প্রতিশোধ থেকে আলাদা করতে হবে বলে মনে করেন প্রমোদ জয়সওয়াল। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার বেশির ভাগ সমাজেই জবাবদিহিকে প্রতিশোধের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হয়। রিকনসিলিয়েশন মানেই অতীত নিয়ে সম্পূর্ণ একমত হওয়া নয়। আবার এর মানে গুরুতর অন্যায় বা অপরাধগুলোকে ভুলে যাওয়া কিংবা ক্ষমা করে দেওয়াও নয়। বরং এমন পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে ব্যক্তি ও সম্প্রদায় মর্যাদার সঙ্গে সহাবস্থান করতে পারে। ঐতিহাসিক ক্ষোভগুলোকে স্বীকৃতি দিতে পারে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে একে অপরের ওপর আস্থা পুনর্গঠন করতে পারে।</p><p>ভারতের রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কারোরি সিং বলেন, যাঁরা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকেন, তাঁরা স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠেন। দক্ষিণ এশিয়ার পটভূমিতে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপালে দেখা যাচ্ছে এই স্বেচ্ছাচারিতাই সমস্যার সৃষ্টি করছে।</p><p>দক্ষিণ আফ্রিকার উইটস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মাদালিৎসো জিলিলো ফিরি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন (সত্য ও পুনর্মিলন কমিশন) হয়েছিল, যা একটি নতুন সমাজ কল্পনার পূর্বশর্ত ছিল। তা নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। কারণ, উদারনৈতিক প্রতিষ্ঠান বা গণতান্ত্রিক বন্দোবস্ত সাম্যের সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে সক্ষম হয়নি।</p><p>কম্বোডিয়া গৃহযুদ্ধের শিকার এবং সেখানে রিকনসিলিয়েশনের প্রচেষ্টা ১৯৯১ সালের আগেই শুরু হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন দেশটির সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক নিকি সিঙ্গার। তিনি বলেন, কম্বোডিয়ায় জাতীয় রিকনসিলিয়েশনের আওতায় ১৯৯৮ সালে খেমার রুজ (বিদ্রোহী গোষ্ঠী) সৈন্যদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনা এবং নিরস্ত্রীকরণ করা হয়।</p><aside><cite>নূরুল কবীর, সম্পাদক, নিউ এজ </cite>১৯৭১ সালের অপরাধকারীরা এখনো নিজেদের অপরাধ স্বীকার করতে প্রস্তুত নন। বরং তাঁরা এখনো মানবতার বিরুদ্ধে তাঁদের কর্মকাণ্ডের যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে তৎপর।</aside><p>নিকি সিঙ্গার মনে করেন, কম্বোডিয়ার বহু মানুষের মধ্যে ব্যক্তিগত পর্যায়ে এমন একটি ভাবনা কাজ করে যে তাঁরা যদি কেবল অতীতের দোষারোপের ওপরই মনোযোগ দিয়ে থাকেন, তবে সামনে এগোতে পারবেন না। সন্তান ও নাতি-নাতনিদের জন্য তাঁরা কেমন ভবিষ্যৎ ও ঐতিহ্য রেখে যেতে চান, সেটাও ভাবেন।</p><p>অধিবেশনের বক্তাদের একজন ছিলেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও <em>নিউ এজ</em> সম্পাদক নূরুল কবীর। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের অপরাধকারীরা এখনো নিজেদের অপরাধ স্বীকার করতে প্রস্তুত নন। বরং তাঁরা এখনো মানবতার বিরুদ্ধে তাঁদের কর্মকাণ্ডের যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে তৎপর। আবার পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা রয়েছে। এখনো দেখা যাচ্ছে সংঘাতরত পক্ষগুলোর উগ্র জাতীয়তাবাদী অবস্থান রয়েছে। একইভাবে ২০২৪ সালে গণতন্ত্রকামী আন্দোলনকারীদের যারা হত্যা করেছিল, তাদের পক্ষ থেকে কোনো অনুশোচনা দেখা যায় না। তারা এখনো আন্দোলনকারীদের চরমপন্থী, উগ্রবাদী বলে অভিযুক্ত করছে।</p><p>অবশ্যই এসব সমস্যা সমাধান করতে হবে বলে উল্লেখ করেন নূরুল কবীর। তিনি বলেন, তা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে বোঝাতে হবে যে তাদের কিছু ভুল ছিল। তিনি বিশ্বাস করেন, কোনো এক দিন তা করা সম্ভব হবে। কেবল তখনই সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার ওপর ভিত্তি করে সমাজ গঠনের জন্য নতুন যাত্রা শুরু করা যাবে।</p>
<p>আলোচিত সিরিয়াল ‘তেরে বিন’–এ মুরতাসিম চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি পেয়েছেন পাকিস্তানি অভিনেতা ওয়াহাজ আলী। পাকিস্তানের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার দর্শকের মাঝে আলাদা পরিচিতি রয়েছে তাঁর। </p><p>তাঁকে ঢাকার এক ফ্যাশন শোতে দেখা গেল। গত শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে ‘ইমিরা: দ্য ওয়েডিং চ্যাপ্টার’ শীর্ষক আয়োজনে অংশ নেন ওয়াহাজ আলী।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-05/066mbiec/83819593916558750925649978544233030543817323n.jpg"><figcaption>সেই ফ্যাশন শোতে অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়াও ছিলেন</figcaption></figure><p>সেই ফ্যাশন শোতে অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়াও ছিলেন। শোর ফাঁকে তোলা ওয়াহাজের সঙ্গে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ফারিয়া। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘জামদানি পরে গর্বের সঙ্গে হেঁটেছি, ভালোবাসা দিয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছি, আর স্মৃতি জমিয়েছি।’ দুজনের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।</p><p>ছবিতে নুসরাত ফারিয়াকে দেখা গেছে জামদানি মোটিফের গাঢ় বেগুনি স্ট্র্যাপলেস লেহেঙ্গা-চোলিতে। সঙ্গে ছিল টিকলি, গলার ভারী হার, ঝুমকা ও সোনালি চুড়ি। অন্যদিকে ওয়াহাজের পরনে ছিল গাঢ় নীল ফরমাল স্যুট ও একই রঙের শার্ট।</p><p>ছবিতে সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি ‘রিঅ্যাক্ট’ পড়েছে। অনেকে কমেন্টও করেছেন। নুরুল আমিন নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এবার তাহলে ওয়াহাজের সঙ্গে একটা সিনেমা করে ফেলো।’</p><p>ফ্যাশন শোতে মিস ওয়ার্ল্ডে বাংলাদেশ সামানজার সাঈদসহ আরও অনেকে অংশ নেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/dltc59w0in">ঘোরাঘুরির নতুন ছবি দিলেন নুসরাত ফারিয়া</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-05/e86fztrs/wahaj.official17747311673863039444068246666492175445.jpg"><figcaption>ওয়াহাজ আলী পাকিস্তানের টেলিভিশন নাটকের পরিচিত মুখ। </figcaption></figure><p>ওয়াহাজ আলী পাকিস্তানের টেলিভিশন নাটকের পরিচিত মুখ। ২০১৫ সালে ‘ইশক ইবাদত’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে তাঁর অভিষেক। এরপর ‘ইশক জালেবি’, ‘দিল নওয়াজ’, ‘ফিতুর’সহ বেশ কয়েকটি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন তিনি।</p><p>তবে তাঁকে আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে পরিচিত করে ‘তেরে বিন’। ২০২২ সালে প্রচার শুরু হওয়া নাটকটিতে মুরতাসিম খান চরিত্রে অভিনয় করেন ওয়াহাজ। তাঁর বিপরীতে ছিলেন ইয়ুমনা জায়েদি। নাটকটির গল্প ও দুই অভিনয়শিল্পীর রসায়ন দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।</p>
<p>ফিনল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ঐতিহাসিক শহর তুর্কুতে (পূর্বে ফিনল্যান্ডের রাজধানী ছিল) অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রবাসী বাঙালিদের ঐতিহ্যবাহী মিলনমেলা ‘বাংলাদেশি কালচারাল ডে ২০২৬’। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশীয় কৃষ্টি ও ঐতিহ্য ছড়িয়ে দিতে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ‘তুর্কু বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন’ (Turun Bangladeshilaisten Yhdistys-TBY) এক বিশেষ মেলা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করে। মেলায় আবহমান বাঙালি খাবার, বাঙালি পোশাক ও বাঙালি সংস্কৃতিকে প্রদর্শন এবং চর্চার মাধ্যমে ভিনদেশে নিজের সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন ফিনল্যান্ডপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। এ মেলা কেবল ফিনল্যান্ডে বাঙালিদের সবচেয়ে বড় মিলনমেলাই নয়, বাঙালি নবপ্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতি লালনেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকেরা মনে করেন। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান, কবিতা, নৃত্য ও বিভিন্ন মঞ্চপরিবেশনার মধ্য দিয়ে সুদূর ফিনল্যান্ডের বুকে প্রবাসীরা তুলে ধরেন একটুকরা বাংলাদেশ।</p><p>অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন আদিবা ফারাহ ও জাহিদ লিংকন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপস্থিত দর্শকমণ্ডলী ও অতিথিদের প্রতি সম্মান জানিয়ে সমবেত কণ্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ পরিবেশন করা হয়। সূচনাপর্বে আয়োজক সংগঠন টিবিওয়াই-এর দীর্ঘদিনের প্রেক্ষাপট ও সাংগঠনিক রূপরেখা তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি খাইরুল ইসলাম। তুর্কু শহরে আশি ও নব্বইয়ের দশক থেকে বাংলাদেশিদের সামাজিক তৎপরতা বিদ্যমান থাকলেও কমিউনিটিকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনার লক্ষ্যে ২০২৫ সালের ১৮ জুন সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে শতাধিক সক্রিয় সদস্য নিয়ে গঠিত এ সংগঠন নিয়মিত সামাজিক ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড, যেমন রমজানে ইফতার মাহফিল, কোরবানির ঈদ উদ্যাপন, ক্যারিয়ার উন্নয়ন সেমিনার এবং শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করে আসছে।</p><p>সাংস্কৃতিক পর্বের প্রথম চমক ছিল শিশুদের পরিবেশনায় ‘বাংলাদেশের ছয় ঋতু’ শীর্ষক বিশেষ মঞ্চ–উপস্থাপনা। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত—বাংলার এই বৈচিত্র্যময় ঋতুচক্রকে খুদে পরিবেশকেরা অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে মঞ্চে তুলে ধরে উপস্থিত সবার ভূয়সী প্রশংসা কুড়ায়।</p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote><p>অনুষ্ঠানের সাহিত্য ও আবৃত্তি পর্বে পরিবেশিত হয় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কবিতা ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’, জনপ্রিয় কবিতা ‘নিমন্ত্রণ’ ও ‘আমার বন্ধু’। এ ছাড়া আয়োজনের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ছিল একটি একক কি–বোর্ড ইনস্ট্রুমেন্টাল পরিবেশনা, যা দর্শককে সুরের ভিন্ন জগতে নিয়ে যায়।</p><p>নৃত্য ও নাট্যপর্বে দেশীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তোলা হয়। ঐতিহ্যবাহী ‘লীলাবালি’ ও ‘রূপবান-এ নাচে’ গানের সঙ্গে মনকাড়া নৃত্য পরিবেশিত হয়। এর পাশাপাশি পরিবেশিত হয় ‘ভাসাব দোহারে’ এবং রবীন্দ্রসংগীত ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’-এর নান্দনিক নৃত্য। পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি সংস্কৃতির সমৃদ্ধ ঐতিহ্য তুলে ধরে পরিবেশিত হয় বিশেষ নৃত্য ‘পাহাড়ি উৎসব’। আধুনিক সমাজব্যবস্থা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবকে ব্যঙ্গাত্মক আঙ্গিকে উপস্থাপন করতে মঞ্চস্থ হয় একটি একক রম্য নাটিকা ‘টিকটকার বান্ধবী’।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-05/gba7kiz7/4.jpg"></figure><p>সংগীতের বিভিন্ন ধাপে পরিবেশিত হয় তুর্কুর জনপ্রিয় বাংলা ব্যান্ড ‘নামছাড়া’–এর পরিবেশনায় কালজয়ী ও জনপ্রিয় বাংলা গানের একের পর এক পরিবেশনা। এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল ‘হারিয়ে যাও’, ‘আমার পথচলা’, ‘অপেক্ষা’, ‘তারায় তারায়’, ‘অন্ধ’, ‘ফিরিয়ে দাও’, ‘অসমাপ্ত’, ‘আলো’, ‘জাদুর শহর’, ‘বিস্ময়’, ‘বন্ধ জানালা’, ‘অবচেতন’, ‘পূর্ণতা’ এবং সব শেষে ঐতিহাসিক সংগীত ‘চলো বদলে যাই’। বাংলার মাটির সুরের সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধন ঘটিয়ে লোকসংগীতের একটি বিশেষ ফিউশন পরিবেশনাও রাখা হয়। স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সম্প্রীতি প্রকাশে পরিবেশিত হয় একটি ফিনিশ ভাষার গান ‘কেসায়ো’ (Kesäy)।</p><p>সমাপনী বক্তব্যে আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে সহসভাপতি মো. আবদুল্লাহ আল সাজ্জাদ উপস্থিত অভিভাবক, শিশু-কিশোর, স্বেচ্ছাসেবক এবং সাধারণ সদস্যদের সার্বিক সহযোগিতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রবাসের মাটিতে নিজস্ব সংস্কৃতি, ভাষা ও শিকড়ের সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যুক্ত রাখা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য রক্ষা করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। দর্শকের উষ্ণ করতালির মধ্য দিয়ে সফল ও সার্থকভাবে সমাপ্ত হয় ফিনল্যান্ডের তুর্কুর ‘বাংলাদেশি কালচারাল ডে ২০২৬’।</p>
<p>রংপুরের তারাগঞ্জে একটি মিনি পাম্পে অভিযান চালিয়ে মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার সয়ার ধোলাইঘাট বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।</p><p>ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের ধোলাইঘাট বাজারের ‘মা লক্ষ্মী মিনি পাম্পে’ অভিযান চালানো হয়। এ সময় পরিমাণে কম দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী কমল রায়কে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।</p><p>তারাগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি বলেন, পাম্পটি প্রতি লিটার তেলে ২৬ মিলি লিটার কম দিচ্ছিল। ওজন ও পরিমাপের ক্ষেত্রে অনিয়মের দায়ে পাম্পটির স্বত্বাধিকারীকে আইন অনুযায়ী ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।</p><p>অভিযানের সময় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), রংপুর এবং তারাগঞ্জ থানার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর আবাসিক এলাকায় প্লট দখল, রাস্তা বন্ধ এবং ভবন নির্মাণে বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। চাঁদা না পেয়ে নির্মাণশ্রমিকদের মারধর ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় থানায় একাধিক জিডি করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী প্লট ও ফ্ল্যাটমালিকেরা।</p><p> আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করে ‘সম্প্রসারিত রূপনগর আবাসিক এলাকা প্লট, বাড়ি ও ফ্ল্যাট মালিক কল্যাণ সমিতি’। এতে সমিতির সভাপতি এ কে এম শামসুজ্জামান লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।</p><p>লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) আওতাধীন রূপনগরের দুয়ারীপাড়া এলাকার এই আবাসন প্রকল্পের ‘ক’ ও ‘খ’ ব্লকে অন্তত অর্ধশত প্লটের মালিক চাঁদাবাজদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। গভীর রাতে ইট-বালু ও টিন দিয়ে স্থাপনা নির্মাণ, দেয়াল তুলে গেট তৈরি এবং ২০ ফুট চওড়া রাস্তায় লোহার অ্যাঙ্গেল ওয়েল্ডিং করে চলাচলের পথ আটকে দেওয়া হয়েছে।</p><p>এ ছাড়া প্রকল্পের খ-ব্লকের পূর্ব পাশে ৪০ ফুট প্রশস্ত রাস্তাসহ প্রায় ৯০ কাঠা জায়গা দখল করে বস্তি ও গ্যারেজ বসানো হয়েছে, যার আড়ালে চলছে মাদক ব্যবসা। এসব ঘটনায় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের মিরপুর কার্যালয় থেকে রূপনগর থানায় একাধিক জিডি ও লিখিত অভিযোগ করা হলেও পুলিশ কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।</p><h3>পুলিশের উপস্থিতিতে কাজ বন্ধের অভিযোগ </h3><p>সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, গত ১৮ জুলাই রূপনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুলসহ দুজন পুলিশ সদস্যের উপস্থিতিতে চাঁদাবাজেরা ড্যাফোডিল হোমস লিমিটেডের একটি নির্মাণাধীন প্রকল্পে গিয়ে শ্রমিকদের তাড়িয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। সিসিটিভি ফুটেজেও এর প্রমাণ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান এ ঘটনায় থানায় গিয়ে প্রতিকার না পেয়ে পরে সিএমএম আদালতে মামলা করেন।</p><p>এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্যের জন্য রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নোমান হোসাইনকে দুপুর থেকে কয়েক দফায় ফোন করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ রাত সোয়া ১০টায় ফোন করলে তিনি কেটে দেন।</p><p>রূপনগর আবাসিক এলাকা প্লট, বাড়ি ও ফ্ল্যাট মালিক সমিতির অভিযোগ, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে থাকা ২২ সদস্যের আনসার ক্যাম্পটি প্রায় দুই মাস আগে প্রত্যাহার করা হয়। ওই দিন রাতেই ক্যাম্পসহ দুটি প্লট দখল করে নেয় চক্রটি। শামসুজ্জামান বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে বরাদ্দ পাওয়া এই প্রকল্পে অনেকে ভবন তুলেছেন, অনেকে সীমানা ঘিরে রেখেছেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে একটি চক্র রাতের আঁধারে অন্যের জমিতে ঘর তুলে জবরদখল শুরু করেছেন।</p><p>দখলদার চক্রে ৩৬ থেকে ৩৮ জন জড়িত বলে অভিযোগ করা হয়। এই চক্রের সদস্য হিসেবে সালাউদ্দিন শিপু মোল্লা, আমজাদ হোসেন মোল্লা, জাকির হোসেন ওরফে শান্ত, শিহাব উদ্দিন, জামাল উদ্দিন ওরফে লম্বা জামাল, আব্দুল হক, নজরুল ইসলাম (নজু), আক্তার হোসেন, হুমায়ুন কবির স্বপন, মামুন, আইজল, মোবারক হোসেন মেম্বার, গালিব হোসেন আরিফ, রাজু, সুমন, এরশাদ খোকন, জাহিদ হোসেন, মিজান, রকি, ফয়েজ, কামাল ওরফে সিএনজি কামাল, আজিজুল হক জামাল, দুলাল, সোহেল, সোহেল আনসারী, আবুল কালাম আনসারী, বাশার ও সফিকসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়।</p><p>সমিতির দাবি, অভিযুক্তদের কেউ কেউ আগে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে এসব অপকর্ম করছেন। দখলে বাধা দিলে উল্টো হুমকি দেওয়া হচ্ছে।</p><p>প্লটমালিকদের নিরাপত্তা ও সম্পত্তির সুরক্ষায় অবিলম্বে এই চক্রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন সমিতির নেতারা।</p>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন