bangladesh

পর্যটন মেলায় ভ্রমণে নানা ছাড়

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
পর্যটন মেলায় ভ্রমণে নানা ছাড়
পর্যটন মেলায় ভ্রমণে নানা ছাড়
<p>বিমানের টিকিটে ১৫ শতাংশ, ক্রুজ ভ্রমণে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়। হোটেলে এক রাত বুকিং দিয়ে তিন রাত থাকার সুযোগ, ভিসা প্রক্রিয়াকরণের খরচেও ৫০ শতাংশ ছাড়। এমন নানা অফার নিয়ে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে শুরু হয়েছে তিন দিনের বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬। মেলায় অংশ নিয়েছে বিভিন্ন দেশের পর্যটন সংস্থা, বিমান সংস্থা, হোটেল, ট্যুর অপারেটর ও ভ্রমণসেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ মেলা চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/wsrcszsg/Turisam-FairDipu29102601.jpg"><figcaption>পর্যটন মেলায় একটি প্রতিষ্ঠানের স্টলে দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন কর্মীরা। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/f5bvk1zu/Turisam-FairDipu29102602.jpg"><figcaption>স্টলে ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য ও বিভিন্ন প্যাকেজ সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন দর্শনার্থীরা। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/v2rxdqfk/Turisam-FairDipu29102603.jpg"><figcaption>বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের স্টলে পর্যটনবিষয়ক তথ্য দেখছেন দর্শনার্থীরা। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/plczc6hh/Turisam-FairDipu29102604.jpg"><figcaption>একটি পর্যটন ও হোটেল প্রতিষ্ঠানের স্টলে প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলছেন দর্শনার্থীরা।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/mres9sv2/Turisam-FairDipu29102606.jpg"><figcaption>স্টলে আগ্রহী এক ভ্রমণকারীর তথ্য লিখে রাখছেন স্টলের প্রতিনিধিরা।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/u04uf91d/Turisam-FairDipu29102607.jpg"><figcaption> পাকিস্তানের পর্যটনবিষয়ক স্টলে দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/wf8tojkp/Turisam-FairDipu29102608.jpg"><figcaption>ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরছেন প্রতিনিধিরা।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/5e67alzo/Turisam-FairDipu29102609.jpg"><figcaption>মেলা ঘুরে দেখছেন দর্শনার্থীরা। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/b88wczww/Turisam-FairDipu29102610.jpg"><figcaption>পর্যটন মেলার থাইল্যান্ডের স্টলে খোঁজখবর নিচ্ছেন দর্শনার্থীরা। </figcaption></figure>

Prothomalo

View more
শিশুর মানসিক বিকাশ: অভিভাবকদের করণীয় ও পরামর্শ
শিশুর মানসিক বিকাশ: অভিভাবকদের করণীয় ও পরামর্শ

<p>প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২৫ সালের ২ আগস্ট প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৭১তম পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত থেকে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল এবং মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মেখলা সরকার পরামর্শ প্রদান করেন। ‘সন্তানের মনের সংকটে অভিভাবকের করণীয়’—এই বিষয়ের ওপর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞগণ। উক্ত আলোচনা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।</p><p>সভায় শিশুর সঠিক মানসিক বিকাশ ও বেপরোয়া আচরণ রোধে অভিভাবকদের বিশেষ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক মোহিত কামাল। তিনি বলেন, অনেক সময় অভিভাবকেরা সন্তানের আবেগ ও চাহিদা অনুধাবন করেন না এবং তাদের সমস্যার কথা শোনেন না। এর ফলে শিশুরা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ‘আইডেন্টিটি ক্রাইসিস’ বা আত্মপরিচয়ের সংকটে ভোগে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস কমে যায়।</p><p>এই পরিস্থিতি এড়াতে অভিভাবকদের করণীয় সম্পর্কে তিনি জানান:</p><ul><li><p><strong>সুযোগ তৈরি:</strong> সন্তানের সঙ্গে পরিবারের সবার ভালো যোগাযোগের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।</p></li><li><p><strong>মতামতের মূল্যায়ন:</strong> বিভিন্ন বিষয়ে পারিবারিক আলোচনায় সন্তানদের যুক্ত করতে হবে এবং তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। এতে শিশুর আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিগত দক্ষতার উন্নতি ঘটে।</p></li><li><p><strong>সিদ্ধ চাপিয়ে না দেওয়া:</strong> সন্তানের মতামত না নিয়ে জোর করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিলে তারা বেপরোয়া ও বিধ্বংসী আচরণ করতে পারে। তাই পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থার পরিবেশ বজায় রাখা জরুরি।</p></li></ul>

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় ৬ হামলার দাবি হুতিদের
সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় ৬ হামলার দাবি হুতিদের

<p>ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় ছয়টি হামলা চালানোর দাবি করেছে। গোষ্ঠীটির মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন।</p><p> চলতি সপ্তাহের শুরুতে তেহরানে সৌদি আরব ও ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের এক বৈঠক হয়। সেখানে দুই পক্ষ সংলাপের মাধ্যমে হুতি ও সৌদি আরবের মধ্যকার সংঘাত মেটানোর বিষয়ে একমত হয়েছিল। এর পরই এসব হামলার খবর এল।</p><p> ওই বৈঠকে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনার পর দুই পক্ষ থেকে ইতিবাচক বক্তব্য এলেও হুতি ও সৌদি আরব একে অপরের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।</p><p>গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে হুতি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে। দেশটির পূর্ব ও পশ্চিম উপকূল থেকে রাজধানী রিয়াদ এবং দক্ষিণের নাজরান অঞ্চল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।</p><blockquote>সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের পর ছড়িয়ে পড়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে রিয়াদে এক সৌদি নাগরিক আহত হয়েছেন। সংস্থাটির মুখপাত্র রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাকে জানান, ধ্বংসাবশেষের আঘাতে একটি বাড়ি ও একটি গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</blockquote><p>ইয়াহিয়া সারির বিবৃতি অনুযায়ী, হুতিরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাস তানুরা তেল শোধনাগারে এবং আবকাইক এলাকায় সৌদি আরামকোর একটি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এ ছাড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ড্রোন দিয়ে দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাবিগ তেল শোধনাগারে হামলার দাবি করেছে তারা। নাজরান অঞ্চলে সৌদি সামরিক বাহিনীর একটি সদর দপ্তরেও হামলার কথা জানিয়েছে হুতিরা।</p><p>তবে হুতিদের এসব দাবির পক্ষে কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/ygpynndzxe">সৌদি-হুতি যুদ্ধে বাংলাদেশের শ্রমিক কেন আলোচনার কেন্দ্রে</a></aside><p>গতকাল হুতি মুখপাত্রের হামলার দাবির আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, হুতিদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের দিকে যাওয়ার সময় তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সেগুলো শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি এ তথ্য জানান।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/spy2twdx5p">সৌদি আরব লক্ষ্য করে আবার হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, ধ্বংসের দাবি আরব জোটের</a></aside><p>সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের পর ছড়িয়ে পড়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে রিয়াদে এক সৌদি নাগরিক আহত হয়েছেন। সংস্থাটির মুখপাত্র রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাকে জানান, ধ্বংসাবশেষের আঘাতে একটি বাড়ি ও একটি গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p><p>ক্ষেপণাস্ত্র দুটি ধ্বংসের খবর প্রকাশের আগে রিয়াদ ও আল-খারজ প্রদেশ এবং নাজরান শহরে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল।</p>

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
জাপান ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে কেমন হলো ব্রাজিল দল
জাপান ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে কেমন হলো ব্রাজিল দল

নভেম্বরে দুটি প্রীতি ম্যাচ সামনে রেখে গতকাল রাতে ব্রাজিলের স্কোয়াড ঘোষণা করেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
আবার চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ, নিঃসঙ্গ সিংহ, হায়েনা ও উল্লুকের সঙ্গী আনছে জাতীয় চিড়িয়াখানা
আবার চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ, নিঃসঙ্গ সিংহ, হায়েনা ও উল্লুকের সঙ্গী আনছে জাতীয় চিড়িয়াখানা

<p>জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ গত অর্থবছরে চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে দরপত্র, কার্যাদেশ, আন্তর্জাতিক অনুমতিসহ বেশির ভাগ প্রক্রিয়া শেষ হলেও সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়। চলতি অর্থবছরে আবার দুটি চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ নিয়েছে রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি জাতীয় চিড়িয়াখানা তিনটি সিংহ, দুটি হায়েনা ও তিনটি উল্লুক কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এসব প্রাণী কেনার জন্য ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ আছে।</p><p> জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক মো. শাহিনুর আলম প্রথম আলোকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, চিড়িয়াখানায় থাকা সিংহ, হায়েনা ও উল্লুকের সঙ্গী নেই। দীর্ঘ সময় ধরে তারা নিঃসঙ্গ। তারা যেন সঙ্গী পায়, সে জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া চিড়িয়াখানায় কোনো চিতাবাঘ নেই। এই প্রাণীর প্রতি দর্শনার্থীদের আগ্রহ রয়েছে। তাই চিতাবাঘও কেনা হবে।</p><p> চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, চিতাবাঘ, সিংহ, হায়েনা ও উল্লুক কেনার জন্য ১২ অক্টোবর ইজিপিতে (ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা) দরপত্র দেওয়া হয়। ২৬ অক্টোবর দরপত্র উন্মুক্ত হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান এসব প্রাণী সরবরাহ করার জন্য আবেদন করেছে, এখন তাদের আবেদন মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সব প্রক্রিয়া শেষে আগামী জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে এসব প্রাণী দেশে আসতে পারে।</p><h3>সঙ্গী পাচ্ছে হায়েনা, সিংহ, উল্লুক</h3><p>জাতীয় চিড়িয়াখানায় একটি চিত্রা হায়েনা ও একটি ডোরাকাটা হায়েনা আছে। চিত্রা হায়েনাটি ২০১৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে সঙ্গীহীন। ডোরাকাটা হায়েনাটিরও সঙ্গী নেই। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একটি চিত্রা হায়েনা ও একটি ডোরাকাটা হায়েনা কেনা হবে, যাতে চিড়িয়াখানায় থাকা হায়েনা দুটি সঙ্গী পায়। সঙ্গী পেলে তারা প্রজনন করতেও পারবে।</p><p>জাতীয় চিড়িয়াখানায় ‘দীপ’ নামের আফ্রিকান সাদা সিংহটি সঙ্গীহীন আছে ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে। এ ছাড়া দুটি আফ্রিকান স্ত্রী সিংহ রয়েছে। নাম মুক্তা ও ডেইজি। মুক্তা ২০১৯ সাল থেকে ও ডেইজি ২০২৩ সাল থেকে পুরুষ সঙ্গীহীন।</p><p>চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা তিনটি আফ্রিকান সিংহ কেনার জন্য দরপত্র দিয়েছে। এর মধ্যে দুটি পুরুষ ও একটি মাদি, যাতে নিঃসঙ্গ সিংহী দুটি সঙ্গী পায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-30/5xpghlys/Animal-2.jpg"><figcaption>চারটি ওয়াইল্ড বিস্ট একটি খাঁচায়। চারটিকেই একসঙ্গে সবুজ ঘাস খেতে দেখা যায়</figcaption></figure><p>জাতীয় চিড়িয়াখানায় বর্তমানে মোট পাঁচটি সিংহ রয়েছে। আরও কেনা হচ্ছে তিনটি। এর মধ্যে এক জোড়া সিংহ রংপুর চিড়িয়াখানায় দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একটি উল্লুকও রয়েছে জাতীয় চিড়িয়াখানায়। এটি ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর থেকে নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা তিনটি উল্লুক কেনার জন্য দরপত্র দিয়েছে। এর মধ্যে দুটি পুরুষ এবং একটি মাদি। চিড়িয়াখানায় থাকা নিঃসঙ্গ উল্লুককে সঙ্গী দেওয়া হবে। এক জোড়া বাড়তি উল্লুকও আনা হবে।</p><p>জানা গেছে, জাতীয় চিড়িয়াখানায় ১০টি প্রাণী সঙ্গীহীন জীবন কাটাচ্ছে। সেগুলো হলো, গন্ডার, কেশোয়ারি পাখি, ক্যাঙারু, ইন্ডিয়ান সারস ক্রেন, হামাদ্রিয়াস বেবুন, উল্লুক, কুলু বানর, আফ্রিকান সাদা সিংহ, চিত্রা হায়েনা ও ডোরাকাটা হায়েনা। কোনোটি একা আছে প্রায় ১৭ বছর, কোনোটি এক বছরের কিছু বেশি সময় ধরে।</p><p>এ ছাড়া জাতীয় চিড়িয়াখানায় এমন কিছু প্রাণী আছে, যাদের প্রজাতির অন্য সদস্য আছে, কিন্তু বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গী নেই। যেমন দুটি আফ্রিকান স্ত্রী সিংহ, দুটি পুরুষ হনুমান লেঙ্গুর, লোনাপানির তিনটি পুরুষ কুমির ও মিঠাপানির দুটি পুরুষ কুমির। এসব সঙ্গীহীন প্রাণীর মধ্যে হায়েনা, সিংহ ও উল্লুককে সঙ্গী দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে চলতি অর্থবছরে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সামনে সঙ্গীহীন অন্য প্রাণীদের সঙ্গী দেওয়ার জন্য নতুন প্রাণী কেনা হবে।</p><h3>আবার চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ</h3><p>২০২৫-২৬ অর্থবছরে চারটি চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ নিয়েছিল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। অর্থবছর শেষ হয়েছে গত ৩০ জুন। অর্থবছর শেষ পর্যায়ে থাকায় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের বিল জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ২৩ জুন। সে কারণে কার্যাদেশে ২০ জুনের মধ্যে চিতাবাঘ সরবরাহের শর্ত রাখা হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণীগুলো সরবরাহ করতে পারেনি। চলতি অর্থবছরে আবার চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এবার দুটি চিতাবাঘ কিনতে দরপত্র দেওয়া হয়েছে।</p><p>জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালকের কার্যালয় জানিয়েছে, শেষ মুহূর্তে যেন জটিলতা তৈরি না হয়, সে জন্য এবার আগেভাগেই প্রাণী কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করা যায়, আগামী জানুয়ারি কিংবা ফেব্রুয়ারির মধ্যে চিতাবাঘসহ দরপত্রের সব প্রাণী আনা সম্ভব হবে।</p><h3>কেমন আছে কমন ইল্যান্ড ও ওয়াইল্ড বিস্ট</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/g6fr10qn/lonely-animal-4.JPG"><figcaption>নিঃসঙ্গ ডোরাকাটা হায়েনা। জাতীয় চিড়িয়াখানা, মিরপুর</figcaption></figure><p>গত অর্থবছরে চিতাবাঘ আনতে না পারলেও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দুটি কমন ইল্যান্ড ও দুটি ওয়াইল্ড বিস্ট আমদানি করা হয়েছিল। কমন ইল্যান্ডের একটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী। আর ওয়াইল্ড বিস্ট দুটি পুরুষ। গত জুনে তাদের জাতীয় চিড়িয়াখানায় আনা হয়।</p><p>২৪ অক্টোবর সরেজমিনে দেখা যায়, কমন ইল্যান্ড দুটিকে একটি খাঁচায় রাখা হয়েছে। তারা সবুজ ঘাস খাচ্ছিল। দেখতে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী মনে হয়েছে। পুরুষ ওয়াইল্ড বিস্ট দুটির খাঁচায় আরও দুটি ওয়াইল্ড বিস্ট রয়েছে। অর্থাৎ মোট চারটি ওয়াইল্ড বিস্ট একটি খাঁচায়। চারটি প্রাণীকেই একসঙ্গে সবুজ ঘাস খেতে দেখা যায়।</p><p>জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক প্রথম আলোকে বলেন, গত অর্থবছর আমদানি করা প্রাণীগুলো ভালো আছে। বেশ বড় হয়ে গেছে। দেখতেও সুন্দর হয়েছে। কমন ইল্যান্ড দুটির প্রজননের সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে। ওয়াইল্ড বিস্ট দুটিও আগের দুটির সঙ্গে ভালোভাবে মিশে গেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/x4xrv56i09">জাতীয় চিড়িয়াখানায় ১৩ বছর ধরে একা গন্ডার, সঙ্গীহীন আরও ৯ প্রাণী</a></aside>

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
তাহমিমা আনামের নতুন উপন্যাস নিয়ে সিরিজ, যুক্ত ‘এমিলি ইন প্যারিস’-এর চিত্রনাট্যকার
তাহমিমা আনামের নতুন উপন্যাস নিয়ে সিরিজ, যুক্ত ‘এমিলি ইন প্যারিস’-এর চিত্রনাট্যকার

তাহমিমা আনামের নতুন উপন্যাস ‘গুড বুকস’ অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে টেলিভিশন সিরিজ।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না
ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না

গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশার এই নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করতে পারবে না।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
ছোবল খেয়ে মুঠোফোনের আলোয় সাপ ধরলেন, নিয়ে গেলেন হাসপাতালে
ছোবল খেয়ে মুঠোফোনের আলোয় সাপ ধরলেন, নিয়ে গেলেন হাসপাতালে

সাপের ছোবল খেয়ে জ্যান্ত সাপ ধরে হাসপাতালে নিয়ে আসেন এক ব্যক্তি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
ছুটির দিনে ঢাকায় কোথায় কী আয়োজন, দেখে নিন একনজরে
ছুটির দিনে ঢাকায় কোথায় কী আয়োজন, দেখে নিন একনজরে

গুলশানে শরৎ উৎসব ও কনসার্ট, আগারগাঁওয়ে সাত ব্যান্ডের মেটাল সংগীতের আসর, শিল্পকলা একাডেমিতে মঞ্চনাটক—সব মিলিয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিনোদনের নানা আয়োজন রয়েছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
আপনি কত বড় মিথ্যাবাদী?
আপনি কত বড় মিথ্যাবাদী?

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/31phdpe5/Untitled-1-06g.jpg"></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/v95rje7240">আমি হলাম গ্লোবাল ডিগবাজি স্টার: জায়েদ খান</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/l2v7tpucaz">চাঁদ দখল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/9yko8mw3h1">সবজান্তা সমীপেষু</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/kjqv1isuow">বন্ধু ফার্মেসি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/d4fl17cod8">রসচিঠি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/g9j6k83pp1">ডাব সমাচার</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/6dfwgsqw20">Lieসেন্স</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/6ivlyjbko1">চাঁদা নিয়ে বিখ্যাত কবি–সাহিত্যিকেরা যা লিখতেন</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/u86yf3kq5z">অজুহাতের কামব্যাক</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/72zdocu7yj">এলাকার ট্যালেন্টেড বড় ভাই রবীন্দ্রনাথ</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/dkgc2prfwa">কোথায় কোথায় কালি মাখানো যায়?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/l7r2uxvti0">রস+আলো নোবেল ২০২৬</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/z87t7zqecu">স্মার্টফোনের অবসর চেয়ে আবেদন</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/bdeu25pngs">রসচিঠি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/tx4yiwxen9">সবজান্তা সমীপেষু</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/trarpa7245">দুটি কলেজের সংঘর্ষ বন্ধ করার বিভিন্ন পদ্ধতি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/bwluvlmmu8">বিবাহিত পুরুষ চেনার সহজ উপায়</a></aside>

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।