International

অভিজিৎ দিপকে, ধ্রুব রাঠিসহ দিল্লিতে আটক ৬ হাজার ও অন্যান্য খবর

অক্টোবর ১০, ২০২৬
অভিজিৎ দিপকে, ধ্রুব রাঠিসহ দিল্লিতে আটক ৬ হাজার ও অন্যান্য খবর
অভিজিৎ দিপকে, ধ্রুব রাঠিসহ দিল্লিতে আটক ৬ হাজার ও অন্যান্য খবর
সেগুনবাগিচায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দিতে গিয়ে চারজন আটক। গণশুনানি ছাড়া জ্বালানির দাম বাড়ানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সংসদীয় কমিটিতে

Prothomalo

View more
সাশ্রয়ী আবাসনে নতুন পরিকল্পনা দরকার
সাশ্রয়ী আবাসনে নতুন পরিকল্পনা দরকার

<p>সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে হলে নতুন পরিকল্পনা দরকার। এ জন্য ঢাকাকে আশপাশের ৪০-৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত সম্প্রসারণ করতে হবে। উন্নত করতে হবে যোগাযোগব্যবস্থা। বিদ্যমান ঢাকা শহরকে পুনর্গঠন করার পাশাপাশি বেদখল হওয়া খেলার মাঠ, জলাশয়, পার্ক উদ্ধারে উদ্যোগ নিতে হবে। সেই সঙ্গে কৃষিজমি বাঁচাতে উঁচু ভবন নির্মাণ করতে হবে। পরিবেশবান্ধব আবাসনকে জনপ্রিয় করতে লাগবে সরকারের প্রণোদনা। তা ছাড়া ক্রেতাদের মধ্যে আস্থার সংকট কাটাতে আবাসন কোম্পানিগুলোর কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।</p><p>প্রথম আলো ডট কম আয়োজিত নবম অনলাইন আবাসন মেলা ২০২৬ উপলক্ষে ‘রিয়েল এস্টেট কানেক্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের পাঁচটি অধিবেশনে আবাসন খাতের ব্যবসায়ী, স্থপতি ও বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিরা এ কথাগুলো বলেন।</p><p>রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আজ শনিবার অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান। তিনি বলেন, ‘সহজেই ঘরে বসে কিংবা বিদেশে থেকে যাতে ফ্ল্যাট ও প্লট কেনা যায়, সেই চিন্তাভাবনা থেকেই ৯ বছর আগে আমরা অনলাইন আবাসন মেলা শুরু করেছিলাম। এখন আবাসন খাতে এই মেলা বড় জায়গা করে নিয়েছে।’</p><p> ‘সময় এসেছে আবার, ঘরে বসেই স্বপ্নের আবাস খোঁজার’ শীর্ষক স্লোগানে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ১০ দিনের অনলাইন আবাসন মেলা শুরু হয়। শেষ হয় ৩ অক্টোবর। মেলা শেষে গতকাল আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের জন্য রিয়েল এস্টেট কানেক্ট নামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।</p><p><strong>আবাসনে নতুন পরিকল্পনা দরকার</strong><br>আজকের আয়োজনে ‘আবাসন খাতের পুনর্বিন্যাস: নীতি, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সমাপনী অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির রিয়েল এস্টেট বিভাগের প্রধান আমির আহমেদ। সেই অধিবেশনে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সাবেক সভাপতি আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ঢাকায় অভিবাসী হয়ে যাঁরা প্রতিদিন আসছেন, তাঁদের বড় অংশ দরিদ্র। তাঁরা শহরের উপকণ্ঠে থাকছেন। পরিকল্পনা ও কমপ্লায়েন্স না থাকার কারণে আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলো সেখানে যাবে না। তবে সাভার, গাজীপুর কিংবা মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত ঢাকাকে সম্প্রসারণের সুযোগ আছে।</p><p>একই অধিবেশনে রিহ্যাবের সাবেক সভাপতি তানভীরুল হক প্রবাল বলেন, ‘আমরা যশোর, রংপুরের মতো জায়গায় কাজ করছি। ঢাকার বাইরে আবাসন প্রকল্প করতে হবে। অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে পরিবেশবান্ধব ভবনগুলো বড়লোকদের ভবন হয়ে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য পরিবেশবান্ধব ভবন করতে হলে সরকারকে ভর্তুকি বা প্রণোদনা দিতে হবে।’</p><p>কৃষিজমি বাঁচাতে ৪০-৫০ তলা ভবন নির্মাণ ছাড়া উপায় নেই বলে মন্তব্য করেন ট্রপিক্যাল হোমসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শেখ রবিউল হক। তিনি বলেন, ৩০০ ফুট সড়ক থেকে নরসিংদী এবং বুড়িগঙ্গা থেকে পদ্মা সেতু পর্যন্ত সব জমি বিক্রি শেষ। তার মানে সেখানকার কৃষিজমি শেষ। অথচ ঢাকার ভেতরে ভবনের উচ্চতা ৭-৮ তলা। এসব ভবন ৪০-৫০ তলা পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারলে এত কৃষিজমি নষ্ট হতো না।</p><p>নতুন পরিকল্পনা হিসেবে ঢাকা শহরের বিদ্যমান ভবন পুনর্গঠন বা মানোন্নয়নের ওপর জোর দেন স্পেসজিরো লিমিটেডের এমডি মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই শহরের কেন্দ্রস্থলে থাকতে চাই। বিদ্যমান যে শহর, সেটি নিয়েও পরিকল্পনা করতে হবে। আবাসন খাতের পুনর্গঠনে বিদ্যমান ভবনগুলো বড় সম্পদ।’</p><p>অধিবেশনে এবিসি রিয়েল এস্টেটের এমডি শ্রাবন্তী দত্ত বলেন, সময়মতো ফ্ল্যাট হস্তান্তর ও ক্রেতার লগ্নি করা অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা, আইনগত কাগজপত্রের স্বচ্ছতার অভাব, নির্মাণ ব্যয় কমাতে ভবনের মানের সঙ্গে আপস করার কারণে আবাসন কোম্পানি ক্রেতাদের আস্থা হারায়। বাংলাদেশের বাস্তবতায় ক্রেতাদের বুঝতে হবে কোন কোম্পানি থেকে ফ্ল্যাট কিনবেন। সে জন্য ক্রেতাদেরও জানাশোনা থাকতে হবে।</p><p>রিহ্যাবের সভাপতি আলী আফজাল বলেন, ‘আবাসন খাতের কিছু মৌলিক বিষয় সংস্কার করতে হবে। ৩০ দিনে ভবনের নকশা পাস হওয়ার কথা থাকলেও ২ বছরেও তা হচ্ছে না। উন্নত বিশ্বে ৪ শতাংশ সুদে গৃহঋণ পাওয়া যায়। অথচ আমাদের দেশে গৃহঋণের সুদহার ১৪-১৫ শতাংশ। এই সুদহারে রাষ্ট্রের বড় অংশের মানুষের আবাসন নিশ্চিত করা কঠিন। তা ছাড়া নিবন্ধন খরচও এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় বেশি।’</p><figure><img alt="ছবি: প্রথম আলো" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-10/iv7xx5ik/an4423084647.jpg"></figure><p><strong>নতুন প্রজন্মের আবাসন</strong><br>এই আয়োজনে ‘ভবিষ্যতের আবাসন খাত’ শীর্ষক অপর এক অধিবেশন সঞ্চালনা করেন এসিআই প্রপার্টিজের পরিচালক তানভীর শাহরিয়ার রিমন।</p><p>অধিবেশনটিতে র্যানকন রিয়েল এস্টেটের এমডি মাশিদ রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বাড়ছে। ফলে আগামী দিনে প্রবৃদ্ধির নতুন ক্ষেত্র হবে আবাসন খাত। ঢাকায় কর্মজীবী নারী ও পুরুষ বাড়লেও তাঁদের জন্য কোনো আবাসন হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ, বৃষ্টির পানি ভবনের নিচে সংরক্ষণ, গাছ লাগানো, ভবনের ভেতরে তাপ কমাতে বিশেষায়িত গ্লাস লাগাতে হবে। এসব উদ্যোগ নিলেই আগামী প্রজন্মের জন্য টেকসই আবাসন হবে।</p><p>রূপায়ণ হাউজিং এস্টেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সাব্বির হোসেন খান বলেন, আগামী দিনের আবাসন হবে গেটেড কমিউনিটি। যেখানে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে। আবাসনকে সাধ্যের মধ্যে আনতে এক অঙ্কের সুদহারে ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে।</p><p>অধিবেশনে ইস্টার্ন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সালেকীন ইব্রাহিম বলেন, পরিবেশবান্ধব গাড়ি কেনায় ঋণের পরিমাণ বাড়িয়েছে সরকার। একই রকম সুবিধা দেওয়া হলে পরিবেশবান্ধব আবাসন কেনার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p><p>আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইপিডিসির রিটেইল বিজনেসের প্রধান মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘উন্নত দেশে আবাসন ঋণের সুদহার ৫ শতাংশ। আমাদের দেশে গৃহঋণের সুদহার কমাতে পুনঃ অর্থায়ন তহবিল চালু করা যেতে পারে। তাহলে গৃহঋণ বাড়বে। বর্তমানে প্রতিবছর গ্রাহকেরা যে পরিমাণ গৃহঋণ নিচ্ছেন, সেটি আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।’</p><p><strong>ক্রেতার আস্থায় জোর</strong><br>‘আস্থা অর্জনে আবাসন খাতের নতুন পথ’ শীর্ষক অপর এক অধিবেশনে বক্তব্য দেন আচিভ কনসালটিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা আসিফ ইকবাল। তিনি বলেন, আবাসন খাতে সত্য কথা বলাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। একজনকে সত্য বললে হবে না, প্রতিষ্ঠানের সবাইকে সত্য বলতে হবে। আস্থা একা গড়া যায় না, সবাইকে মিলে গড়তে হয়।</p><p>আসিফ ইকবাল আরও বলেন, ‘মানুষ তাঁর সর্বোচ্চ সঞ্চয় দিয়ে আকাশের নিচে একটা ছাদের স্বপ্ন দেখেন। সেখানে সামাজিক, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয়ভাবে আস্থার সংকট তৈরি করা হলে তা ক্রেতার জন্য দুঃখজনক। আমাদের মতো জনবহুল দেশে আবাসনের চাহিদা সব সময় থাকবে। তাহলে কেন আমরা আস্থার সংকট তৈরি করছি।’</p><p>‘আবাসন খাতের রূপান্তর: চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও উত্তরণ’ নিয়ে অপর এক অধিবেশনে বক্তব্য দেন বিটিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম মাহবুবুর রহমান। আরেকটি অধিবেশনে কথা বলেন বিজনেস স্ট্র্যাটেজিক ও করপোরেট ট্রেইনার মার্ক অনুপম মল্লিক।</p>

অক্টোবর ১০, ২০২৬
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আমির খসরুর ইন্তেকাল
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আমির খসরুর ইন্তেকাল

<p>ভয়েস অব আমেরিকার (ভিওএ) সাবেক বাংলাদেশ প্রতিনিধি আমির খসরু আর নেই। আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।</p><p>আমির খসরু দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও লিভারের নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ায় এক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ছিলেন।</p><p>আমির খসরু দৈনিক ইত্তেফাক-এর কূটনৈতিক সাংবাদিক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি কর্মজীবনে সংবাদ, দৈনিক খবর, চ্যানেল আইসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। আজকের বুধবার নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা সম্পাদনা করা ছাড়াও বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় কলাম লিখতেন।</p><p>আমির খসরু ছিলেন ওভারসিজ করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (ওকাব) সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। ছিলেন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং জাতীয় প্রেসক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির স্থায়ী সদস্য।</p><p>পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কাল রোববার লালমাটিয়া মসজিদে, জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে ও রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জানাজা শেষে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।</p>

অক্টোবর ১০, ২০২৬
মোটরসাইকেলে এসে যুবককে গুলি করে পালাল দুর্বৃত্তরা
মোটরসাইকেলে এসে যুবককে গুলি করে পালাল দুর্বৃত্তরা

খুলনার কাশেম সড়কে মোটরসাইকেলে এসে জনি নামের এক যুবককে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। আহত অবস্থায় তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে

অক্টোবর ১০, ২০২৬
সৌদির বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ, বাংলাদেশ বিমানের রিয়াদগামী দুটি ফ্লাইট স্থগিত
সৌদির বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ, বাংলাদেশ বিমানের রিয়াদগামী দুটি ফ্লাইট স্থগিত

<p>ঢাকা–রিয়াদ–ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুটি ফ্লাইট পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। ফ্লাইট দুটি হলো বিজি৩৩৯ ও বিজি৩৪০। সৌদি আরবের রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সব ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান। </p><p>আজ শনিবার এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফ্লাইট স্থগিতের তথ্য জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বিজ্ঞপ্তিতে রিয়াদ থেকে সব ফ্লাইট স্থগিতের কথা বলা হলেও এর কারণ উল্লেখ করেনি বিমান।</p><p>তবে ফ্লাইট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪–এর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াদগামী সব ফ্লাইট হয় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, নয়তো বাতিল করা হয়েছে। আজ শনিবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের পর এ সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।</p><p>বিমানের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। এ কারণে বিমানের নির্ধারিত বিজি৩৩৯ ও বিজি৩৪০ ফ্লাইটের যাত্রাও স্থগিত করা হয়েছে। ফ্লাইট দুটিতে টিকিট বুকিং করা যাত্রীদের বিমানবন্দরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।</p><p>বিমান জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ফ্লাইট দুটির নতুন সময়সূচি বা পরবর্তী অবস্থা সম্পর্কে আগামীকাল রোববার (১১ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হবে।</p><p>এদিকে ফ্লাইট স্থগিতের কারণে ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীদের সহায়তার জন্য বিমান কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে অথবা নিকটস্থ বিমানের টিকিট বিক্রয়কেন্দ্রে যেতে বলা হয়েছে। নতুন তথ্য বিমানের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইট ও অন্যান্য যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ফ্লাইট স্থগিতের কারণে যাত্রীদের অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।</p><p>রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট স্থগিতের তথ্য দিয়ে রয়টার্স বলেছে, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের সেখানে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছে। ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থাও যাচাই করতে বলা হয়েছে।</p>

অক্টোবর ১০, ২০২৬
চা-বাগানে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে আছে সমাধান
চা-বাগানে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে আছে সমাধান

সরকার দাবি করছে, পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানির দাম কম থাকায় জ্বালানি চোরাচালানের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছিল।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
‘ছেলেটা ভালো স্মৃতি নিয়ে ফিরুক’, সেই জার্মান তরুণকে ম্যাকবুক উপহার দিলেন ব্যবসায়ী
‘ছেলেটা ভালো স্মৃতি নিয়ে ফিরুক’, সেই জার্মান তরুণকে ম্যাকবুক উপহার দিলেন ব্যবসায়ী

জার্মান পর্যটকের কান্নার ভিডিও দেখে নিজের ছেলের কথা মনে পড়ে মুক্তি মাহমুদের। বাংলাদেশ থেকে ভালো স্মৃতি নিয়ে ফেরার জন্য তাঁকে ম্যাকবুক উপহার দিয়েছেন তিনি।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
ছয় বছরে ৩৪৮৭ শিশু ধর্ষণের শিকার
ছয় বছরে ৩৪৮৭ শিশু ধর্ষণের শিকার

এইচআরএসএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত দেশে মোট ধর্ষণের ঘটনা ছিল ৬ হাজার ১৫৩টি। এর মধ্যে শিশুধর্ষণের ঘটনা ৩ হাজার ৪৮৭টি।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
তমা মির্জা রায়হান রাফীকে মঞ্চে ডেকে নিলেন, রাতে ফেসবুক কী লিখলেন এই পরিচালক
তমা মির্জা রায়হান রাফীকে মঞ্চে ডেকে নিলেন, রাতে ফেসবুক কী লিখলেন এই পরিচালক

রায়হান রাফীকে ডেকে মঞ্চে নিলেন অভিনেত্রী তমা মির্জা। জানালেন তাঁর ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এই পরিচালকের।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
বেঙ্গল ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সের লভ্যাংশ ও অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা ঘোষণা
বেঙ্গল ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সের লভ্যাংশ ও অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা ঘোষণা

বেঙ্গল ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের ১২তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) সম্প্রতি রাজধানীর বনানী ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন