পাঠক-নাগরিক

ওরহান গাজী: ওসমানীয় সাম্রাজ্যের মহাদিগন্ত সূচনায় ঐতিহাসিক নাম—তৃতীয় পর্ব

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
ওরহান গাজী: ওসমানীয় সাম্রাজ্যের মহাদিগন্ত সূচনায় ঐতিহাসিক নাম—তৃতীয় পর্ব
ওরহান গাজী: ওসমানীয় সাম্রাজ্যের মহাদিগন্ত সূচনায় ঐতিহাসিক নাম—তৃতীয় পর্ব
ওরহান গাজী ১৩২৮ সালে রোমান সাম্রাজ্যের একসময়ের রাজধানী নিকিয়া শহর (বর্তমানে ইজনিক) অবরোধের উদ্যোগ নেন।

Prothomalo

View more
ইসরায়েলের ২ সেনা নিহত: পশ্চিম তীরে গাজার মতো অভিযানের প্রস্তুতি, শহরে শহরে তল্লাশি শুরু
ইসরায়েলের ২ সেনা নিহত: পশ্চিম তীরে গাজার মতো অভিযানের প্রস্তুতি, শহরে শহরে তল্লাশি শুরু

অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরনে গতকাল ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীর গুলিতে ইসরায়েলি দুই সেনা নিহত হন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাঁরা উদ্ধারকারী ব্রিগেডের সদস্য ছিলেন।

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
মগবাজারে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি: পুলিশ
মগবাজারে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি: পুলিশ

আজ শনিবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে এই ঘটনা ঘটে। হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
কারণ জানান, ন্যায্যতা নিশ্চিত করুন
কারণ জানান, ন্যায্যতা নিশ্চিত করুন

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রতিটি ধাপ পেরিয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশ পাওয়ার পরও নিয়োগের গেজেটে নাম নেই।

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
নদীভাঙন থেকে বরগুনার মানুষকে বাঁচান
নদীভাঙন থেকে বরগুনার মানুষকে বাঁচান

উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে বারবার নিঃস্ব হওয়া থেকে বাঁচাতে হলে জিও ব্যাগ ফেলার মতো অস্থায়ী বা জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের গতানুগতিক মানসিকতা থেকে অবিলম্বে বেরিয়ে আসতে হবে।

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর
সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ে প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে রাখা হয়েছে দাঁড়িপাল্লার ছবি। বিতর্ক শুরু হওয়ায় প্রতীকটি পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে এনসিটিবি।

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
১০টি হাঁসের ডিম দিয়ে শুরু, এখন ১৬ একর খামারের মালিক বিবি রহিমা
১০টি হাঁসের ডিম দিয়ে শুরু, এখন ১৬ একর খামারের মালিক বিবি রহিমা

খামারের আয়ে নিজের পরিবারের সচ্ছলতা এসেছে বলে জানালেন রহিমা। তিনি বলেন, খামারের আয় দিয়ে নিজের দুই ছেলে ও চার মেয়ের পড়াশোনা ও পরিবারের খরচ চালিয়েছেন।

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্যেও ইইউর বাজারে জুতা রপ্তানিতে চমক
তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্যেও ইইউর বাজারে জুতা রপ্তানিতে চমক

<p>ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে চীনের সঙ্গে দাম নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের। ফলে ইইউ থেকে ক্রয়াদেশ কিছুটা কমছে। তারপরও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা নতুন ক্রয়াদেশ ও অন্য বাজারে রপ্তানি বাড়তে থাকায় সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জুতা রপ্তানিও বাড়ছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে তৈরি পোশাকের চেয়ে জুতা রপ্তানিতে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে।</p><p>রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ৪২ কোটি মার্কিন ডলারের জুতা রপ্তানি হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ৩১ কোটি ডলারের জুতা। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে জুতা রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়েছে ৩৩ শতাংশ। যদিও এই সময়ে দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ৬ শতাংশের মতো।</p><p>খাত–সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বছর মার্কিন সরকারের পাল্টা শুল্ক আরোপের পর দেশটির বাজারে প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় উচ্চ শুল্কের মুখোমুখি হয় চীন। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্ক বেড়ে যাওয়ায় চীন তখন তৈরি পোশাক ও জুতার মতো পণ্য রপ্তানিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে আগ্রাসী ভূমিকায় নামে। দাম কমিয়ে ইউরোপের ক্রেতা ধরতে মরিয়া হয়ে ওঠে চীনের রপ্তানিকারকেরা। ইইউতে চীন যে দামে জুতা রপ্তানি করে, সেই দামে রপ্তানি করা বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ, বাংলাদেশে তৈরি চামড়াবিহীন জুতার কাঁচামালের সিংহভাগই আসে চীন থেকে। চীনের চেয়ে দাম বেশি হওয়ায় ইইউর ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে জুতা কেনা কমিয়ে দেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শুল্কের কারণে বাধাগ্রস্ত হয় চীন। তাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের জুতার ক্রয়াদেশ বাড়তে শুরু করে। পাশাপাশি ভারতের বাজারেও বাংলাদেশের জুতা রপ্তানি বাড়ছে। আবার চলতি অর্থবছর প্রথমবারের মতো মেক্সিকোতে জুতা রপ্তানি শুরু করেছে বাংলাদেশের একটি কারখানা। ফলে জুতা রপ্তানি সামগ্রিকভাবে বেড়েছে।</p><p>বাংলাদেশ থেকে চামড়া ও চামড়াবিহীন দুই ধরনের জুতা রপ্তানি হয়। তবে এখনো চামড়ার জুতার রপ্তানির পরিমাণই বেশি। বাংলাদেশ থেকে গত অর্থবছর মোট ১২২ কোটি ডলারের জুতা রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে ৫৭ শতাংশ চামড়ার জুতা। বাকি ৪৩ শতাংশ চামড়াবিহীন জুতা। যদিও বৈশ্বিক বাজারে ঠিক উল্টো চিত্র।</p><p>বর্তমানে বিশ্বে অর্থের হিসাবে রপ্তানি হওয়া জুতার ৬৩ শতাংশ চামড়াবিহীন এবং ৩৭ শতাংশ চামড়ার জুতা—এমনটাই জানিয়েছে পর্তুগিজ ফুটওয়্যার, কম্পোন্যান্ট অ্যান্ড লেদার গুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এপিআইসিসিএপিএস) উদ্যোগে গঠিত সংবাদমাধ্যম ওয়ার্ল্ড ফুটওয়্যার।</p><p>ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ১৩০ কোটি ডলারের জুতা রপ্তানি হয়। পরের বছর তা কমে ১১৯ কোটি ডলারে নেমে আসে। আর বিদায়ী অর্থবছরে জুতা রপ্তানিতে আড়াই শতাংশ প্রবৃদ্ধি ছিল। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া জুতার মধ্যে ৪০ শতাংশ ছিল চামড়াবিহীন জুতা। পরের বছর সেটি বেড়ে ৪৪ শতাংশ হয়।</p><p><strong>উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ছে</strong></p><p>চামড়াবিহীন জুতা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এনপলি ফুটওয়্যার গত অর্থবছর ৩ কোটি ৮০ লাখ ডলারের চামড়াবিহীন জুতা রপ্তানি করেছে, যা দেশীয় মুদ্রায় ৪৬৭ কোটি টাকা। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছর সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের চামড়াবিহীন জুতা রপ্তানি বেড়েছিল ১ দশমিক ৬২ শতাংশ।</p><p>প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে কারখানাটিতে ৩ হাজার কর্মী কাজ করেন। বর্তমানে তাঁরা দিনে ১৪ হাজার জোড়া জুতা উৎপাদন করেন। ক্রয়াদেশ বেড়ে যাওয়ায় আগামী মাস থেকে উৎপাদন বাড়াতে কারখানায় আরেক পালা (শিফট) চালু করা হবে। নতুন করে নিয়োগ হবে দেড় হাজার কর্মী। তাতে জুতা রপ্তানি আরও বাড়বে।</p><p>জানতে চাইলে এনপলি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রিয়াদ মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘তিনটি মার্কিন ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান আমাদের কারখানায় পণ্য উৎপাদন করাতে আগ্রহী। তবে তাদের কিছু শর্ত রয়েছে। সেসব শর্তে পরিপালনে আমরা কারখানার উন্নয়নে নতুন করে বিনিয়োগ করব। কারখানার উন্নয়ন হয়ে গেলে দুই বা তিন শিফটে উৎপাদন হবে।’</p><p><strong>ইইউর ক্রেতারা ক্রয়াদেশ কমাচ্ছে</strong></p><p>দেশের জুতা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ফাইভ-আর ফুটওয়্যার চলতি অর্থবছর থেকে মেক্সিকোতে জুতা রপ্তানি শুরু করেছে। বাংলাদেশ থেকে আগে কখনো দেশটিতে জুতা রপ্তানি হয়নি।</p><p>এমন তথ্য দিয়ে ফাইভ-আর ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাসির খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘চীনাদের কারণে ইইউর বাজারে আমাদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে। ফলে আমাদের উদ্যোক্তারা এখন যুক্তরাষ্ট্র ও এশিয়ার বাজারের দিকে বেশি নজর দিচ্ছেন। এ ছাড়া জুতার বৈশ্বিক চাহিদাও পরিবর্তিত হচ্ছে। চাহিদা বাড়তে থাকায় আগামী বছরগুলোতে চামড়াবিহীন জুতা রপ্তানিতে ৫০-৬০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। এ জন্য বন্ড সুবিধাসহ অন্যান্য জটিলতা দূর করতে হবে।’</p>

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
বন্ধু ফার্মেসি
বন্ধু ফার্মেসি

<p>বন্ধু মানেই সুখে-দুঃখে পাশে থাকা। তবে সব বন্ধু এক রকম নয়। কেউ বিপদে অ্যান্টিবায়োটিক, কেউ হতাশায় স্যালাইন, আবার কেউ পাওনা টাকা চাইলেই গ্যাস্ট্রিকের রোগী! চলুন, বন্ধুত্বের ফার্মেসি থেকে চিনে নিই পাঁচ ধরনের বন্ধুকে।</p><p>আইডিয়া: জাকা‌রিয়া সুমন</p><p>আঁকা: পরিচিতি সরকার জয়ীতা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/3r7pa6k7/Untitled-1-06.jpg"></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/tqj93qdgim">বেয়ার গ্রিলস ইন অ্যাডভেঞ্চারাস বাংলাদেশ</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/z87t7zqecu">স্মার্টফোনের অবসর চেয়ে আবেদন</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/bdeu25pngs">রসচিঠি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/88lpnc5wio">রসচিঠি ২০</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/mrplq2ed70">ইলিশ আছে, ইলিশ হ্যাজ!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/trarpa7245">দুটি কলেজের সংঘর্ষ বন্ধ করার বিভিন্ন পদ্ধতি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/kdnfiunl2l">চাঁদাবাজের বর্ণ পরিচয়</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/1b2pl7u0b9">ভদ্র ছেলেরা কখনো হাফপ্যান্ট পরে বাইরে যায়?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/hiksaptred">গ্যাঞ্জাম of সায়েন্সল্যাব</a></aside>

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
ঝাঁক বেঁধে বকের ওড়াউড়ি
ঝাঁক বেঁধে বকের ওড়াউড়ি

<p>গ্রামজুড়ে রয়েছে উঁচু উঁচু গাছ, দূর আকাশে ঝাঁক বেঁধে উড়ছে বক পাখি। কখনো গাছের মগডালে বসেছে আর দূর থেকে সবুজের মাঝে সাদা সাদা ছোপ দেখা যাচ্ছে। বক কখনো উড়ছে, আবার কখনো খুনসুটিতে মেতে উঠছে। গ্রামবাংলার চিরাচরিত এই দৃশ্য বগুড়া সদর উপজেলা ভান্ডার পাইকা গ্রামের।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-23/eapnl4ox/1.-Boguraheronnaturebeauty23102026.jpg"><figcaption>দূর গ্রামের গাছের ওপর দিয়ে উড়ছে একঝাঁক বক পাখি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-23/cebsd2nl/2.-Boguraheronnaturebeauty23102026.jpg"><figcaption>গাছের মগডালে বসেছে বক পাখি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-23/29fvqa6h/3.-Boguraheronnaturebeauty23102026.jpg"><figcaption>সাদা ধবধবে বক পাখির ঝাঁক</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-23/z0cagv6j/4.-Boguraheronnaturebeauty23102026.jpg"><figcaption>মেহগনিগাছে এসে বসেছে বক পাখি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-23/8y4s2993/5.-Boguraheronnaturebeauty23102026.jpg"><figcaption>গাছের ডালে বক পাখির ওড়াউড়ি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-23/fvp4i8uo/6.-Boguraheronnaturebeauty23102026.jpg"><figcaption>আমগাছের মাথায় বসেছে বক পাখি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-23/a56as2j7/7.-Boguraheronnaturebeauty23102026.jpg"><figcaption>ইউক্যালিপটাসগাছে বসেছে ধবধবে বক পাখি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-23/vt8r8zmu/8.-Boguraheronnaturebeauty23102026.jpg"><figcaption>সবুজের মাঝে একলা বসেছে বক পাখি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-23/w49kea1k/9.-Boguraheronnaturebeauty23102026.jpg"><figcaption>ডাকছে একটি বক পাখি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-23/g70ajiy6/10.-Boguraheronnaturebeauty23102026.jpg"><figcaption>গাছের ডালে ডালে বক পাখির ঝাঁক</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-23/83l5ck9b/11.-Boguraheronnaturebeauty23102026.jpg"><figcaption>ঝাঁক বেঁধে উড়ছে বক পাখি </figcaption></figure>

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন