বাংলাদেশ

নতুন চার বইয়ের অনুমোদন, এসব বইয়ে কী থাকছে

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
নতুন চার বইয়ের অনুমোদন, এসব বইয়ে কী থাকছে
নতুন চার বইয়ের অনুমোদন, এসব বইয়ে কী থাকছে
<p>আগামী শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে দুটি করে মোট চারটি নতুন বই যুক্ত হচ্ছে। চতুর্থ শ্রেণির বই দুটি হলো ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ ও ‘খেলাধুলা’। আর ষষ্ঠ শ্রেণির বই দুটির নাম ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ ও ‘আনন্দময় শিক্ষা’।</p><p> আজ রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) পৃথক সভায় বই চারটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p><p> এনসিসিসি দুটি। একটি মাধ্যমিকের, আরেকটি প্রাথমিকের জন্য। প্রাথমিকের এনসিসিসিতে চতুর্থ শ্রেণির দুটি বই এবং মাধ্যমিকের এনসিসিসির সভায় ষষ্ঠ শ্রেণির বই দুটির অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন সাপেক্ষে এ অনুমোদন দেওয়া হয় বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেছেন, যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, সে অনুযায়ী আগামীকালের (আজ সোমবার) মধ্যে পরিমার্জন করে বইগুলো চূড়ান্ত করা হবে।</p><p>সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব আবদুল খালেক, প্রধান তথ্য কমিশনার নাহরিন ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসচিব জেসমিন নাহার প্রমুখ।</p><p>এনসিটিবির সূত্রমতে, দুই শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বই চারটি বাধ্যতামূলক হবে। তবে এসব বিষয়ে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে না; ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা হবে। নতুন বইগুলোর মোট সংখ্যা দেড় কোটির বেশি। অনুমোদনের দিনেই বইগুলো ছাপার কাজ পাওয়া মুদ্রণকারীদের নোটিশ অব অ্যাওয়ার্ড (নোয়া) দেওয়া হয়েছে।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন বই ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’র অন্যতম লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে কারিগরি শিক্ষার প্রতি আগ্রহ তৈরি করা। কয়েকটি অধ্যায়ে এটির বিষয়বস্তু সাজানো হয়েছে। অধ্যায়গুলো হলো কারিগরি শিক্ষা পরিচিতি, চারপাশের প্রযুক্তি ও নতুন বিশ্ব, যারা বানায় তারাই পৃথিবী বদলায়, সমস্যা ও সমাধান করি, ছোট উদ্যোগ বড় সম্ভাবনা, ভবিষ্যৎ পেশা ও দক্ষতা, সবুজ প্রযুক্তি ও টেকসই জীবনযাপন এবং শব্দকোষ।</p><blockquote>* বই চারটি বাধ্যতামূলক হবে। তবে এসব বিষয়ে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে না; ধারাবাহিক মূল্যায়ন হবে।* বইগুলোর মোট সংখ্যা দেড় কোটির বেশি।</blockquote><p>ষষ্ঠ শ্রেণির আরেক নতুন বই ‘আনন্দময় শিক্ষা’য় মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ বইও কয়েকটি অধ্যায়ে সাজানো। এর মধ্যে রয়েছে আমি ও আমরা, আমার পুষ্টি ও স্বাস্থ্যগত জীবনযাপন, প্রযুক্তির সঙ্গে খেলি, নতুন কিছু করি, পরিষ্কার থাকি পরিচ্ছন্ন রাখি, উদ্‌যাপনের দিনগুলো ও আনন্দে থাকি, আনন্দে রাখি।</p><p>চতুর্থ শ্রেণির নতুন বই ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’তে সংস্কৃতির ধারণা, ব্যক্তিজীবনে সংস্কৃতির প্রভাব, জাতীয়, ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব, বিজয় দিবস, একুশে ফেব্রুয়ারি এবং সাংস্কৃতিক চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা হবে। আর ‘খেলাধুলা’ বইয়ে আটটি খেলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, কাবাডি, দাবা, অ্যাথলেটিকস, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট।</p><h3>আরও যত পরিবর্তন </h3><p>আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরিবর্তন আনছে এনসিটিবি। এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও ব্রিগেড ফোর্স, বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনা এবং নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভূমিকা যুক্ত করার বিষয় রয়েছে।</p><p>এ ছাড়া নবম-দশম শ্রেণির বাংলা বইয়ে যুক্ত করা হচ্ছে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ। পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা-সম্পর্কিত বর্ণনাতেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও এ বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। ফলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের পাঠ্যবই, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সংশোধিত বই এবং বর্তমান বিএনপি সরকারের সময়ে প্রস্তুত করা বইয়ে স্বাধীনতার ঘোষণার বর্ণনা তিন ধরনের রূপ পাচ্ছে।</p><h3>বইয়ের ছবি নিয়ে বিতর্ক </h3><p>২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বইয়ে প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লার আইকন (ছবি) রাখা হয়েছিল। তবে এ নিয়ে বিতর্কের পর ছবিটি বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে বইটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিটিবি।</p><p>এনসিটিবির একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, বইটির সংশ্লিষ্ট পাতাটি পরিবর্তন করে প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে কোনো ছবি বা আইকন ছাড়াই বই ছাপানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে যেসব বই ছাপিয়ে পাঠানো হয়েছিল, সেগুলো ফেরত এনে এবং সরবরাহের অপেক্ষায় থাকা বইগুলো সংশোধন করে দেওয়া হবে। আলাদা কোনো খরচ ছাড়াই মুদ্রণকারীরা ওই সংশোধন করে দিতে রাজি হয়েছেন। ফলে এনসিটিবির বাড়তি খরচ হবে না।</p><p>প্রসঙ্গত, চলতি বছরের পাঠ্যবইয়ে দাঁড়িপাল্লার ছবিটি ছিল না। আগামী বছরের পাঠ্যবইয়ের জন্য নতুন করে ছবিটি যুক্ত করা হয়েছিল। এ ঘটনার পর এনসিটিবির একজন কর্মকর্তাকে আজ খাগড়াছড়িতে বদলি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই কর্মকর্তা শিক্ষা ক্যাডারের সদস্য।</p><p>এদিকে কয়েকটি পাঠ্যবইয়ে নৌকার ছবি থাকা নিয়েও একটি পক্ষের মধ্যে বিতর্ক উঠেছে। তবে এ বিষয়ে এনসিটিবির একাধিক কর্মকর্তার দাবি, বিষয়বস্তু ও আধেয়র সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ছবিগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। আবহমান বাংলার সবুজ প্রকৃতি বোঝাতে নৌকা, ধান কাটা ও এ ধরনের প্রাসঙ্গিক দৃশ্য পাঠ্যবইয়ে রয়েছে। এসব ছবি এবারই প্রথম ব্যবহার করা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দুই দফায় এবং বর্তমান বিএনপি সরকারের আমলে আগামী শিক্ষাবর্ষের বই পরিমার্জনের সময়ও ছবিগুলো রাখা হয়েছে।</p>

Prothomalo

View more
জীবিকায় নতুন শুরু
জীবিকায় নতুন শুরু

প্রথম আলোর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘একটি ভালো কাজ’ করেছে চাঁদপুর বন্ধুসভা। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৪ অক্টোবর একজন হকারকে আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন বন্ধুরা।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন চার বই
চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন চার বই

চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন চার বই

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
ঝড়ে বিপর্যস্ত ইউরোপের উত্তরাঞ্চল, বিদ্যুৎ ও ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন, শত শত ফ্লাইট বাতিল
ঝড়ে বিপর্যস্ত ইউরোপের উত্তরাঞ্চল, বিদ্যুৎ ও ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন, শত শত ফ্লাইট বাতিল

<p>শক্তিশালী ঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ইউরোপের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন দেশ। সেখানে দেড় লাখের বেশি বাড়িঘর বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বাতিল করা হয়েছে শত শত ফ্লাইট। বন্ধ হয়ে গেছে মুঠোফোনের নেটওয়ার্কও।</p><p> সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বয়ে যাওয়া বোয়েলো ও অস্টেন নামের দুটি ঝড়ে যুক্তরাজ্যে ৮২ হাজারের বেশি, ফ্রান্সে প্রায় ৬০ হাজার এবং জার্মানিতে অন্তত ১০ হাজার বাড়ি বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।</p><p> স্কটল্যান্ডের পশ্চিমাঞ্চলের আর্গাইল অ্যান্ড বিউট কাউন্সিল এলাকায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৩৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে গেছে। ঝড়ে গাছ ও বিদ্যুতের তার পড়ে দেশটির বিভিন্ন স্থানে সড়ক ও রেলপথ বন্ধ হয়ে গেছে।</p><p>ঝড়ের সময় চার লাখের বেশি বাড়িঘরের বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের এনার্জি নেটওয়ার্কস অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি আরও জানায়, শুক্রবার স্টর্ম অস্টেনের তোড়ে ইংল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূলের ব্রাইটনে পুরোনো জেটির একটি অংশ উড়ে গেছে। ২০০৩ সালে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে জেটিটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।</p><p>ইউরোপে এ বছরের শরৎকালের প্রথম বড় ঝড়ের তাণ্ডবের মধ্যে ইংলিশ চ্যানেলের অপর পারে ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলেও শক্তিশালী ঝোড়ো বাতাস আঘাত হেনেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে ভবিষ্যতে আবহাওয়া চরম বৈরী হতে পারে।</p><p>ফ্রান্সের বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এনেদিস জানিয়েছে, শনিবার অস্টেন ঝড়ের তীব্রতা যখন সবচেয়ে বেশি ছিল, তখন দেশটির প্রায় ২ লাখ ৮৮ হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না। রোববার দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৫৯ হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। এর বেশির ভাগই নরম্যান্ডি ও ব্রিটানি অঞ্চলে। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে এনেদিসের ২ হাজার ৬০০ বিদ্যুৎকর্মী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী কাজ করছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/q49ctb5j/KZ3S43XSNBIWVAQQIF6PYKKXVE.avif"><figcaption>অস্টেন ঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টি ঝরছে। এর মধ্যে ছাতা মাথায় চলাচল করছেন পথচারীরা। যুক্তরাজ্যের লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিট। ২৩ অক্টোবর </figcaption></figure> <p>জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রাইবুর্গ ইম ব্রাইসগাউ শহর ও আশপাশের এলাকায় রোববার অস্টেন ঝড়ের কারণে ১০ হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে শহরটির প্রধান হাসপাতাল শুধু জরুরি রোগীদের চিকিৎসা দিতে বাধ্য হয়। একই কারণে মুঠোফোনের নেটওয়ার্কও বন্ধ হয়ে যায়। দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার নাসটাটেন শহরে শরৎকালীন মেলা চলার সময় অস্টেন ঝড়ের বাতাসে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত একটি মাচা উড়ে যায়। এতে দুজন গুরুতর আহত হন।</p><p>জার্মানির আবহাওয়া সংস্থা ডিডব্লিউডি পূর্বাভাস দিয়েছে, রোববার দেশটির উত্তর উপকূলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে। নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামেও ঝড় আঘাত হেনেছে। শনিবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে গাছ পড়ে চারজন আহত হয়েছেন।</p><h3>শত শত ফ্লাইট বাতিল </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/s6feq3lw/KLESFEGTEVJ45LMPISYT73SV6Y.avif"><figcaption>অস্টেন ঝড়ে যুক্তরাজ্যের ব্রাইটনের পরিত্যক্ত একটি জেটির অংশ ভেঙে পড়েছে। এতে জেটিটি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২৩ অক্টোবর</figcaption></figure><p>ঝড়ের কারণে উত্তর ইউরোপজুড়ে শত শত ফ্লাইট বাতিল বা অন্য রুটে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইউরোপের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামের শিফলে রোববার কয়েক ডজন ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিমানবন্দরটির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯০টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ার হিসাব পেয়েছে এএফপি। এর বেশির ভাগই প্যারিস, রোম, ডাবলিনসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরগামী ফ্লাইট। এ ছাড়া বিমানবন্দরটিতে অবতরণের কথা ছিল, এমন কয়েক ডজন ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।</p><p>ঝড়ের কারণে ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চল ও স্কটল্যান্ডেও উড়োজাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে।</p>

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
ধর্ষণের শিকার তরুণীর সন্তান প্রসব, নবজাতক নিয়ে গেছেন অভিযুক্ত যুবকের লোকজন
ধর্ষণের শিকার তরুণীর সন্তান প্রসব, নবজাতক নিয়ে গেছেন অভিযুক্ত যুবকের লোকজন

<p>বাবা মারা গেছেন ১২ বছর আগে। মা সংসার সামলাচ্ছেন। নানির চিকিৎসার জন্য মা যখন ঢাকায় ছিলেন, তখন ২১ বছর বয়সী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে একই গ্রামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি। গত শুক্রবার রাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দেন। জন্মের পর নবজাতককেও নিয়ে যান ধর্ষণে অভিযুক্ত যুবকের লোকজন।</p><p> কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় এ ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর মামলা না করতে এবং স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।</p><p> অভিযুক্ত যুবকের বাবা প্রবাসে থাকেন। ওই যুবকের চাচা বিষয়টি আপস–মীমাংসার চেষ্টা করছেন বলে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।</p><p>ভুক্তভোগীর মায়ের অভিযোগ, তাঁর বৃদ্ধ অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ সময় ঢাকার হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। ওই সময় বাড়িতে থাকা মেয়েকে ওই যুবক একাধিকবার ধর্ষণ করে। ভয়ে মেয়েটি প্রথম দিকে কাউকে কিছু জানায়নি।</p><p>পরে মেয়ের শারীরিক অবস্থায় পরিবর্তন ও নানা জটিলতা দেখা দিলে বিষয়টি বুঝতে পারেন মা। মেয়ের কাছ থেকে বিস্তারিত জানার পর অভিযুক্তের পরিবারকে ঘটনাটি জানান তিনি। তবে পরিবারের অভিযোগ, প্রথম দিকে অভিযুক্তের স্বজনেরা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। উল্টো ভুক্তভোগীকে নিয়ে নানা অপবাদ দেওয়া হয়।</p><p>ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, একপর্যায়ে অভিযুক্ত যুবক ঘটনা স্বীকার করেন। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের প্রস্তাব দিলে অভিযুক্তের পরিবার তা নাকচ করে দেয়। পরে আইনি পদক্ষেপের পরিবর্তে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাপ দেওয়া হয় বলে তাদের অভিযোগ।</p><blockquote>ভুক্তভোগীর পরিবারের ভাষ্য, ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে নবজাতককে অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে তারা শুনেছে। শিশুটিকে কার কাছে দেওয়া হয়েছে, বর্তমানে সে কোথায় রয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও তারা কিছুই জানে না।</blockquote><p>ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, অভিযুক্তের বাবা প্রবাসে থাকায় তাঁর চাচা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগে যুক্ত হন। একই গ্রামের প্রভাবশালী এক ব্যক্তির মাধ্যমে ভুক্তভোগীর মাকে আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার প্রস্তাব দেওয়া হয়।</p><p>পরিবারটির ভাষ্য, ভুক্তভোগীর মাকে একাধিকবার ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে বিষয়টি মীমাংসার জন্য চাপ দেওয়া হয়। ঘটনা প্রকাশ না করার জন্য ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁদের। তাঁরা জানান, স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে অভিযুক্তের পরিবারের পক্ষ থেকে তিন লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।</p><h3>নবজাতককে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ </h3><p>ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, গত শুক্রবার রাতে তরুণীর প্রসবব্যথা উঠলে তাঁকে চৌদ্দগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে একটি ছেলেসন্তানের জন্ম হয়। সন্তান জন্মের পরপরই অভিযুক্তের পক্ষের লোকজন নবজাতককে নিয়ে যান।</p><p>ভুক্তভোগীর পরিবারের ভাষ্য, পরে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে নবজাতককে অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে তারা শুনেছে। শিশুটিকে কার কাছে দেওয়া হয়েছে, বর্তমানে সে কোথায় রয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও তারা কিছুই জানে না।</p><p>ভুক্তভোগীর বড় বোন বলেন, ‘শুক্রবার রাতে আমার বোন একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দিয়েছে। কিন্তু আমাদের পারিবারিক অবস্থা ও সামাজিক স্বীকৃতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে নবজাতককে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। বোনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার হিসেবে তিন লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।’</p><p>সালিসে যুক্ত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে গ্রামের ওই প্রভাবশালী ব্যক্তি বলেন, তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তির চাচার দোকানে বসে ছিলেন। অন্যরা বাড়ির ভেতরে গিয়ে সমঝোতা করেছেন বলে তিনি জেনেছেন। তবে সমঝোতায় কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি তিনি। নবজাতক বিক্রির বিষয়েও কিছু জানেন না বলে তিনি দাবি করেন।</p><p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তির চাচা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমার সঙ্গে বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না। আমি এ সম্পর্কে কিছুই জানি না। কারা কীভাবে কী করেছে, তা আপনারা খোঁজ নেন।’</p><p>আজ রোববার সন্ধ্যায় ঘটনাটির বিষয়ে জানতে চাইলে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফ হোছাইন বলেন, এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ দায়ের করলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
হেবরন এখন ‘ভুতুড়ে শহর’
হেবরন এখন ‘ভুতুড়ে শহর’

<p>ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের অবরুদ্ধ হেবরন শহরে বড় ধরনের অভিযান চালাচ্ছে দখলদার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। শহরের কিছু অংশ এখন পুরোপুরি ইসরায়েলি বাহিনীর দখলে। গত শুক্রবার বন্দুকধারীর গুলিতে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর হেবরনে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। ওই দিন দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পাশাপাশি সন্দেহভাজন হামলাকারী দুই ফিলিস্তিনিও নিহত হন।</p><p>স্বাধীন সাংবাদিক জ্যাসপার নাথানিয়েল আল–জাজিরাকে বলেছেন, হেবরন এখন ‘ভুতুড়ে শহরে’ পরিণত হয়েছে। কারণ, ‘সব বাসিন্দাকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, হামলায় সন্দেহভাজন হামলাকারী নিহত দুই ফিলিস্তিনি যে পাড়ায় থাকতেন, সেনাবাহিনী সেই ‘পুরো পাড়া’ তছনছ করে দিয়েছে। পরিবারগুলোকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের বাড়িতে ‘এক্স’ চিহ্ন এঁকে দেওয়া হয়েছে।</p><p>যে তল্লাশিচৌকিতে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল, তার কাছেও বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বন্দুকের মুখে পরিবারগুলোকে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়।</p><p>নাথানিয়েল আরও বলেন, ‘মনে হচ্ছে, সেনাবাহিনী নিজেরাই জানে না, এখানে তারা কী করছে। আমরা এখানে মূলত সেনাদের দাঁড়িয়ে থাকতেই দেখছি।’</p><h3>রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সামরিক অভিযান </h3><p>আল–জাজিরার সাংবাদিক নূর ওদেহ বলেন, হেবরনে সামরিক অভিযানের সঙ্গে রাজনীতি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। মনে রাখতে হবে, ইসরায়েলের কট্টরপন্থী নেতা ইতামার বেন-গভির একজন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী। তিনি হেবরন শহরেই অবৈধভাবে বসবাস করেন। বসতিবিষয়ক মন্ত্রীও হেবরনের আরেক বসতি স্থাপনকারী। সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে এই হামলা হওয়ার পর তাঁরা প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন। নিজেদের সমর্থকগোষ্ঠীর মধ্যে অবস্থান আরও মজবুত করতে চেয়েছিলেন তাঁরা। সেটাই তাঁরা করতে পেরেছেন।</p><p>ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচও অবৈধ বসতি স্থাপনকারী। তবে তিনি হেবরনের নন। তিনি বলেছেন, অবিলম্বে বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ তিনি নিজেই দিয়েছেন।</p><p>তাই এই সামরিক অভিযান আসলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই সাজানো হয়েছে। এটি একটি আদর্শগত চূড়ান্ত লক্ষ্য পূরণে কাজ করছে। সেই লক্ষ্য হলো হেবরন দখল করা। ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক দিক থেকে ফিলিস্তিনি ও ইহুদি—উভয়ের কাছেই হেবরন গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>হেবরন শহরের ভেতরে বসতি স্থাপনকারীরা আছেন। এখন সেনারাও বিভিন্ন পাড়ার নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছেন। সেগুলো মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার ঘোষণাও দিচ্ছেন। এসবের মধ্য দিয়ে এই লড়াইয়ের পরিসর আরও বাড়ছে। আদর্শগত বিভাজন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/fylh0wvn7r">পশ্চিম তীরে গুলিতে ইসরায়েলি দুই সেনা নিহত, ’৬৭ সালের মতো অভিযানের হুমকি নেতানিয়াহুর</a></aside>

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
হাতীবান্ধা সীমান্তে বন্য প্রাণীর আক্রমণে তিনজন আহত, ভুক্তভোগীরা বলছেন, ‘বাঘ’ এসেছে
হাতীবান্ধা সীমান্তে বন্য প্রাণীর আক্রমণে তিনজন আহত, ভুক্তভোগীরা বলছেন, ‘বাঘ’ এসেছে

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে বন্য প্রাণীর আক্রমণে নারীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। আজ রোববার বিকেল চারটার দিকে উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের আমঝোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
চীনের কুনমিংয়ে বাংলাদেশি চক্ষুরোগীদের জন্য ‘গ্রিন চ্যানেল’ উদ্বোধন
চীনের কুনমিংয়ে বাংলাদেশি চক্ষুরোগীদের জন্য ‘গ্রিন চ্যানেল’ উদ্বোধন

<p>চীনের কুনমিংয়ে বাংলাদেশি চক্ষুরোগীদের জন্য একটি ‘গ্রিন চ্যানেল’ উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার কুনমিংয়ে ‘হুয়াক্সিয়া অপথালমোলজি ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন কুনমিংয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল জেনারেল শাহনাজ রানু। এরপর তিনি ‘কুনমিং হুয়াক্সিয়া আই হসপিটাল’-এ বাংলাদেশি রোগীদের জন্য স্থাপিত এই ‘গ্রিন চ্যানেল’-এর ফলক উন্মোচন করেন।</p><p> এ সময় উপস্থিত ছিলেন কনস্যুলেট জেনারেলের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) রিদওয়ানুর রহমান এবং হুয়াক্সিয়া চক্ষু হাসপাতালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ঝাং ঝিইয়ং।</p><p>চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাংলাদেশি রোগীদের জন্য এটিই প্রথম কোনো বিশেষায়িত চক্ষুসেবা ব্যবস্থা। এই ‘গ্রিন চ্যানেল’-এর মাধ্যমে চিকিৎসা নিতে আগ্রহী বাংলাদেশি চক্ষুরোগীরা ভ্রমণের আগেই প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও চিকিৎসা-নথি পর্যালোচনা করার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া হাসপাতালে পৃথক আন্তর্জাতিক ডেস্ক, অগ্রাধিকারভিত্তিক অ্যাপয়েন্টমেন্ট, দোভাষী সহায়তা এবং দেশে ফেরার পর ফলোআপ সেবা পাওয়া যাবে।</p><p>উদ্বোধনী বক্তব্যে কনসাল জেনারেল শাহনাজ রানু জনস্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি এবং চক্ষুচিকিৎসায় দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সাফল্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসার মান, নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাই কনস্যুলেট জেনারেলের প্রধান প্রত্যাশা। একই সঙ্গে বাংলাদেশি চক্ষুচিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ, টেলি-কনসালটেশন এবং বাংলাদেশের চক্ষু প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান শাহনাজ।</p>

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
শাদাবের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের অবিশ্বাস্য জয়, শেষ জুটিতে রেকর্ড
শাদাবের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের অবিশ্বাস্য জয়, শেষ জুটিতে রেকর্ড

ত্রিদেশীয় সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে অবিশ্বাস্যভাবে ১ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি করে দলকে জিতিয়েছেন শাদাব খান।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
জাপান সফর: বাংলাদেশ কী চাইছে, জাপান কী চাইছে?
জাপান সফর: বাংলাদেশ কী চাইছে, জাপান কী চাইছে?

রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ এবং সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এ আয়োজনে কথা বলেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকেরা

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন