bangladesh

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের সামনেই সংঘর্ষ, আহত ৩০

অক্টোবর ৭, ২০২৬
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের সামনেই সংঘর্ষ, আহত ৩০
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের সামনেই সংঘর্ষ, আহত ৩০
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের সামনেই সংঘর্ষে জড়ায় চার গ্রামের মানুষ। পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় আহত হন ৩০ জন

Prothomalo

View more
ফেনীতে দুর্গাপূজায় ‘মদ খেয়ে নাচানাচি’ করলে ধরে আনার ঘোষণা পুলিশ সুপারের
ফেনীতে দুর্গাপূজায় ‘মদ খেয়ে নাচানাচি’ করলে ধরে আনার ঘোষণা পুলিশ সুপারের

দুর্গাপূজায় ‘মদ খেয়ে নাচানাচি’ করলে পুলিশ ঘাড়ে ধরে নিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
দেড় ঘণ্টায় এক কুকুরের কামড়ে হাসপাতালে ৩৩ জন
দেড় ঘণ্টায় এক কুকুরের কামড়ে হাসপাতালে ৩৩ জন

<p>কেউ যাচ্ছিলেন বাসায়, কেউবা ঘুরছিলেন রাস্তায়। এমন সময় কুকুরের কামড়ে শিশু, নারী, পুরুষসহ ৩৩ জন আহত হয়ে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।</p><p> বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে কুমারখালী শহরের হলবাজার, আমতলা, ইন্দ্রা মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে এসব ঘটনা ঘটে। কুকুরের কামড়ে আহত ব্যক্তিরা কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।</p><p> কুকুরের কামড়ে আহত মো. রোকনুজ্জামান নামের এক ব্যক্তি বলেন, তিনি কুমারখালী হলবাজার এলাকায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ একটি কালো কুকুর এসে কামড় দিয়ে চলে যায়। তাঁর পায়ে ক্ষত রয়েছে। চিকিৎসক তাঁকে ভ্যাকসিন দিয়েছেন।</p><p>রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের সহকারী সার্জন প্রত্যয় বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, ৩৩ জন হাসপাতালে এসেছিলেন। অনেকের বড় ধরনের ক্ষত দেখা গেছে। তাঁদের মধ্যে ২৭ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। অন্যদের বৃহস্পতিবার সকালে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p><p>স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সন্ধ্যা থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে পথচারীদের কামড় দেয় একটি ‘পাগলা’ কুকুর। পরে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কালো রঙের কুকুরটি শহরের আমতলা, হলবাজার মোড় হয়ে সর্বশেষ নন্দলালপুর ইউনিয়নের চড়াইকোল এলাকায় দেখা গেছে।</p><p>বুধবার রাতে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, কুকুরের কামড় বা আঁচড়ের ক্ষতস্থান সাবান ও পানি দিয়ে ধৌত করছেন কেউ। আবার কাউকে দেওয়া হচ্ছে ভ্যাকসিন। জরুরি বিভাগের সামনে স্বজন ও রোগীদের উপচে পড়া ভিড়।</p><p>বুধবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার চড়াইকোল এলাকার বাসিন্দা আফজাল হোসেন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন। তিনি বলেন, নামাজ পড়ে বাইরে আসতেই একটি কালো কুকুর কামড় দিয়ে দৌড়ে চলে যায়। চিকিৎসক বললেন, কাল (বৃহস্পতিবার) আসতে।</p><p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নাভিদ সারওয়ার বলেন, একটি কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে অনেকেই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। কুকুরটিকে শনাক্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।</p>

অক্টোবর ৮, ২০২৬
ঢাকাই ছবির প্রথম নয় মাস মন্দা, পরের তিন মাসে কী
ঢাকাই ছবির প্রথম নয় মাস মন্দা, পরের তিন মাসে কী

বছরের নয় মাস শেষ। ঢালিউডের চলতি বছরের চিত্র অনেকটাই পরিষ্কার। সিনেমা মুক্তিতে ধারাবাহিকতা ছিল না, সেভাবে প্রত্যাশিত অনেক ছবিও ব্যবসায়িক সাফল্য পায়নি

অক্টোবর ৮, ২০২৬
ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য কেনা হবে ১৪ লাখ টন ক্রুড অয়েল
ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য কেনা হবে ১৪ লাখ টন ক্রুড অয়েল

<p>ইস্টার্ন রিফাইনারিতে প্রক্রিয়াকরণের জন্য ২০২৭ সালে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আবুধাবি থেকে ১৪ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল (ক্রুড অয়েল) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ইস্টার্ন রিফাইনারি হচ্ছে একমাত্র রাষ্ট্রমালিকানাধীন জ্বালানি তেল শোধনাগার।</p><p> সৌদি আরামকো ও আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির (এডনক) কাছ থেকে জিটুজি ভিত্তিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এ তেল আমদানি করবে।</p><p> আজ বুধবার ঢাকায় সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ–সংক্রান্ত প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।</p><p>বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে (ডিপিএম) সৌদি আরবের সৌদি আরামকো এবং আবুধাবির এডনক থেকে ক্রুড অয়েল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। এ আমদানির অর্থায়নের উৎস হিসেবে আন্তর্জাতিক ইসলামিক বাণিজ্য অর্থায়ন সংস্থার (আইটিএফসি) ঋণের কথা বলা হয়েছে।</p><p>জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানায়, বিপিসি জিটুজি চুক্তির আওতায় দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরামকো ও এডনক থেকে ক্রুড অয়েল আমদানি করে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে প্রক্রিয়াজাত করে আসছে। ইস্টার্ন রিফাইনারির পুরোনো প্ল্যান্টে ‘অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড অয়েল’ ও ‘মারবান ক্রুড অয়েল’ (এডনক) প্রক্রিয়াজাত করা তুলনামূলকভাবে বেশি উপযোগী ও আর্থিকভাবে লাভজনক। এ ছাড়া চাহিদা অনুযায়ী অন্য কোনো দেশ বা সরবরাহকারীর কাছ থেকে এসব ক্রুড অয়েল পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। এ কারণে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন ও জনস্বার্থে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে ক্রুড অয়েল আমদানির প্রস্তাব করা হয়।</p><p>এ ছাড়া আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বিপিসির পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে দরপত্র প্রস্তুত ও দাখিলের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ২১ দিন করার প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে বৈঠকে।</p><p>এদিকে মরক্কো থেকে ৪২৭ কোটি ৮০ লাখ ৪০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সরকারি পর্যায়ে চুক্তির আওতায় মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস এসএ থেকে ঐচ্ছিক পঞ্চম লটে এ সার আমদানি করা হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) এ সার আমদানি করবে। এর ব্যয় পরিশোধ করা হবে কৃষি ভর্তুকি বাবদ বরাদ্দ বাজেট থেকে।</p>

অক্টোবর ৭, ২০২৬
ক্যানসার চিকিৎসা সহজলভ্য করতে ১৭টি নতুন রেডিওথেরাপি মেশিন যুক্ত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ক্যানসার চিকিৎসা সহজলভ্য করতে ১৭টি নতুন রেডিওথেরাপি মেশিন যুক্ত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

<p>সরকার ক্যানসারের রোগীদের চিকিৎসা সহজ ও সহজলভ্য করতে ১৭টি নতুন রেডিওথেরাপি মেশিন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে যুক্ত করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।</p><p> স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, এই ১৭টি নতুন রেডিওথেরাপি মেশিনের মধ্যে ঢাকা শহরের বিভিন্ন বিশেষায়িত হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে ছয়টি এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ১১টি মেশিন স্থাপন করা হবে। প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান ও ম্যানপাওয়ার (জনবল) প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।</p><p> আজ বুধবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। দেশের ক্যানসার চিকিৎসাব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে ক্যানসারের রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। দরিদ্র মানুষের জন্য ক্যানসারের চিকিৎসা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির যন্ত্র নষ্ট থাকায় অনেক রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই ১৭টি রেডিওথেরাপি মেশিন কেনা হচ্ছে।</p><p>মন্ত্রী বলেন, ক্যানসারের মতো জটিল রোগে সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা গেলে অনেক রোগীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব। কিন্তু অর্থের অভাব এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকটের কারণে দরিদ্র মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে। আগামী দিনে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পরিবার পরিকল্পনা খাতকে শক্তিশালী করতে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী এক বছরব্যাপী ব্যাপক জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী নিয়ে প্রচারাভিযান শুরু করা হবে। কর্মসূচিতে র‌্যালি, মেলা ও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি পরিবার পর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘দুটির বেশি সন্তান নয়, একটি হলে ভালো’ স্লোগানকে সামনে রেখে বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানো হবে। শুধু প্রচার-প্রচারণায় সীমাবদ্ধ না থেকে পরিবার পরিকল্পনার প্রয়োজনীয় সামগ্রীও মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।</p><p>সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ১ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৭ এই ক্যাম্পেইন চলবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এ কর্মসূচির আওতায় মাঠপর্যায়ে প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি ঘরে ঘরে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও পরামর্শ পৌঁছে দেওয়া হবে।</p><p>ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক প্রটোকল অনুসরণ করেই দেশে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ও স্যালাইন সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। ডেঙ্গুর ধরন পরিবর্তন এবং ডেঙ্গু–পরবর্তী কার্ডিয়াক জটিলতা বৃদ্ধি পাওয়ায় চিকিৎসকদের সজাগ থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মশা নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।</p><p>স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৪ হাজার ৩৫৬ জন। এর মধ্যে ৮৮ হাজার ২৯৯ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে সুস্থ হওয়ার হার প্রায় ৯০ শতাংশ। তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়মিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আ ন ম বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ।</p>

অক্টোবর ৭, ২০২৬
আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির যত রেকর্ড ও অর্জন
আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির যত রেকর্ড ও অর্জন

শেষ হলো আন্তর্জাতিক ফুটবলে লিওনেল মেসির পথচলা। সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার দীর্ঘ পথচলায় ছাপ ফেলেছেন রেকর্ড বইয়ের অসংখ্য পাতায়।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে জার্মান রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার
বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে জার্মান রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার

<p>বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে জার্মানির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে দ্রুত মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি (এফটিএ) সম্পাদন, বিমান যোগাযোগ জোরদার এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p><p> আজ বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে জার্মান রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন।</p><p>সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত লোটজ নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশ-জার্মানি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি এফটিএ দ্রুত চূড়ান্ত করা এবং বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।</p><p>বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী স্থিতিশীলতার কথা তুলে ধরে জার্মানির রাষ্ট্রদূত বলেন, দেশের বর্তমান বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের প্রতি জার্মান কোম্পানিগুলোর আগ্রহ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।</p><p>বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের উন্নয়নে জার্মানির দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা ও অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু কার্যক্রম, সংস্কৃতি এবং অভিবাসন ও চলাচলের ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।</p><p>এ সময় উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে যৌথ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে নিজেদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।</p><p>সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করে, উচ্চপর্যায়ের নিয়মিত যোগাযোগ বাংলাদেশ-জার্মানির দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বে নতুন গতি সঞ্চার করবে।</p>

অক্টোবর ৭, ২০২৬
জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ-ক্যামেরাসহ উধাও যুবক
জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ-ক্যামেরাসহ উধাও যুবক

নাটোর রেলস্টেশনে একজন জার্মান পর্যটকের গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন এক যুবক।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা হলেন সুফিউর রহমান
জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা হলেন সুফিউর রহমান

<p>জেনেভায় বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ সুফিউর রহমান জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা নির্বাচিত হয়েছেন। উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৬৩তম অধিবেশনে এ অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের সাবেক ওই কূটনীতিককে উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।</p><p> আজ বুধবার জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ তাদের এক্স-পোস্টে মোহাম্মদ সুফিউর রহমানকে উপদেষ্টা নির্বাচনের তথ্য প্রকাশ করেছে।</p><p> উপদেষ্টা কমিটি জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের একটি বিশেষজ্ঞ সংস্থা। মানবাধিকার–সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা ও পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি পরিষদের অনুরোধে বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত ও সুপারিশ দেয় ওই কমিটি। কমিটি মূলত আন্তর্জাতিক আইনবিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ কূটনীতিকদের নিয়ে গঠন করা হয়।</p><p>সাবেক কূটনীতিক সুফিউর রহমান ১৯৯৯ ও ২০০০ সালে জেনেভায় বাংলাদেশ মিশনে কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন।</p><p>বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমান অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কায় হাইকমিশনার ও মিয়ানমারে রাষ্ট্রদূত ছিলেন। অবসরে যাওয়ার পর তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স’ (এসআইপিজি) এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো হিসেবে কাজ করছেন।</p>

অক্টোবর ৭, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন