activities

কাফকার ‘দ্য মেটামরফোসিস’ নিয়ে জাবি বন্ধুসভার পাঠচক্র

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
কাফকার ‘দ্য মেটামরফোসিস’ নিয়ে জাবি বন্ধুসভার পাঠচক্র
কাফকার ‘দ্য মেটামরফোসিস’ নিয়ে জাবি বন্ধুসভার পাঠচক্র
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মুক্ত ছাদে জাবি বন্ধুসভার সাপ্তাহিক পাঠচক্র অনুষ্ঠিত হয়। এই আসরে কাফকার কালজয়ী সাহিত্যকর্মটি নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও সাহিত্যিক বিচার-বিশ্লেষণ এক বিশেষ মাত্রা যোগ করে।

Prothomalo

View more
মাদক গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রায়ই ‘খারাপ বন্ধুর সঙ্গ’ কতটা দায়ী
মাদক গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রায়ই ‘খারাপ বন্ধুর সঙ্গ’ কতটা দায়ী

<p>প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৮২তম অনলাইন পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন বিশিষ্ট শিশু-কিশোর ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আহমেদ হেলাল। এইবারের বিষয়টি ছিল—‘সন্তানের আচরণ ও বন্ধু নির্বাচন: অভিভাবক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব।’ উক্ত অনুষ্ঠান থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।</p><p><strong>মাদক গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রায়ই ‘খারাপ বন্ধুর সঙ্গ’কে মূল কারণ হিসেবে দায়ী করা হয়। মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে এ বিষয়ে আপনার বৈজ্ঞানিক অভিমত কী?</strong></p><p>এর উত্তরে ডা. আহমেদ হেলাল বলেন, ‘এটি অভিভাবকদের একটি অত্যন্ত সাধারণ মনস্তাত্ত্বিক প্রতিরক্ষামূলক চিন্তা। অনেক অভিভাবক এসে বলেন, ‘আমার সন্তান তো খুবই ভালো ছিল, শুধু ওই খারাপ বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে বা মাদক গ্রহণ শুরু করেছে।’ কিন্তু বিষয়টি যদি আমরা বিপরীত কোণ থেকে চিন্তা করি—আপনার সন্তান যদি মানসিকভাবে এতটাই দৃঢ় ও ইতিবাচক হতো, তবে তার প্রভাবে সেই তথাকথিত 'খারাপ' বন্ধুরা কেন মাদক ছেড়ে ভালো হয়ে গেল না?</p><p>বাস্তবতা হলো, কোনো বন্ধুই একা কাউকে মাদকাসক্ত করা বা মাদক ছাড়ানোর মূল ভূমিকা পালন করতে পারে না। অভিভাবকদের এই চিন্তাধারা কিছুটা সংকীর্ণ। মূল কারণ হলো, ওই সন্তানের ভেতরে হয়তো আগে থেকেই কোনো মনস্তাত্ত্বিক দুর্বলতা, মানসিক চাপ বা ঝুঁকিপূর্ণ প্রবণতা ছিল। সেই ফাঁক দিয়েই সে মাদকের দিকে পা বাড়িয়েছে। তাই শুধু বন্ধুর ওপর দোষ না চাপিয়ে সন্তানের নিজস্ব মানসিক গঠন ও পারিবারিক পরিবেশের দিকে গভীর নজর দেওয়া প্রয়োজন।</p>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
আপনার বউয়ের ড্রেস দরকার, ওষুধ নয়!
আপনার বউয়ের ড্রেস দরকার, ওষুধ নয়!

<p>অফিস থেকে ফিরে বাসায় ঢুকে কই একটু বউয়ের আদর-সোহাগ পাব তা না, বউ উল্টো খাটের এককোণে মুখ গোমড়া করে বসে আছে।</p><p>জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী হলো তোমার?’</p><p>‘জানি না।’</p><p>‘আচ্ছা, জানতে হবে না তোমার। আমি ফ্রেশ হয়ে আসি, তুমি চা বানাও।’</p><p>‘চা বানাতে ইচ্ছে করছে না।’</p><p>‘আচ্ছা তাহলে শাড়ি পরো, বাইরে থেকে ঘুরে আসি।’</p><p>‘বাইরে যেতে ইচ্ছে করছে না।’</p><p>এরপরের প্রশ্ন কী করব, তা ভেবে পাচ্ছি  না! তাও বললাম, ‘পাকিস্তানি ড্রেস পাওয়া যায় যে Laveez BD তে নাকি সব কাপড়ে ২০% ছাড় দিছে! যাবা নাকি?’</p><p>মেঘ সরে সূর্যের আলো দেখা দিলে যেমন আমরা খুশি হই, তেমনি বউ খুশি হয়ে রান্নাঘরের দিকে গেল। কিন্তু আমি তো জানি না, ছাড় আসলে দিচ্ছে কি না!</p><p>অফিস থেকে এসে মাথা পুরা হ্যাং হয়ে আছে। এক কাপ চা না খেলে এই হ্যাং আউট হবে না। এখন মনে হচ্ছে, চায়ের নেশায় বিপদেই না পড়লাম!</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/reo238w2pv">প্রেমে ব্যর্থতার বিশ্ব রেকর্ড</a></aside><p>৩০ মিনিট পর ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি বউ নীল শাড়ি পরে বসে আছে। বললাম, ‘কী ব্যাপার?’</p><p>‘চা খেয়ে নাও দ্রুত। আমি আজ দুইটা ড্রেস কিনব।’</p><p>ধরাটা তো বড়সড় করে খাইলাম! মাসের শেষ, পকেটের যা-তা  অবস্থা। আর শপিং করে না দিলে আগামী দুই দিন ভাতও পাব কি না সন্দেহ আছে।</p><p>দোকানে ঢুকে দেখি, একপাশে সাদা অ্যাপ্রন পরা এক নারী বসে আছেন। আমার বেশ কৌতূহল হলো। বউও মনে হলো এ ব্যাপারে জানে না! মনে হলো, এটা তাদের নতুন সার্ভিস।</p><p>‘বসুন না আপনারা। আমি একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। আপনার বউয়ের কি আজ মন খারাপ ছিল, যার কারণে এখানে এসেছেন?’</p><p>বউকে ড্রেস পছন্দ করতে পাঠিয়ে দিয়ে ডাক্তারকে বললাম, ‘মাসের শেষ; দুইটা ড্রেস কিনে না দিলে রক্ষা নেই।’</p><p>ডাক্তার বললেন, ‘ঠিক আছে, আমি ব্যাপারটা দেখব। কিন্তু শর্ত প্রযোজ্য। আপনি যে ভাবিকে আগামী মাসে অন্তত একটা ড্রেস কিনে দেবেন, সেটার জন্য পনেরো শ টাকা জমা করে যান। বাকিটা আমি সামলে নেব।’</p><p>‘কোনো ওষুধও দিয়েন যেন তার বিষণ্নতা দূর হয়।’</p><p>‘দেব। আপনি চিন্তা করবেন না।’</p><p>‘অফারটা মন্দ নয়। অন্তত ৬/৭ হাজার টাকা খরচের চেয়ে এই অল্প টাকা জমা তেমন কিছুই না।  টাকার রশিদ নিয়ে বউকে গিয়ে বললাম, ‘ড্রেস পছন্দ হয়েছে?’</p><p>‘হ্যাঁ। ৩টা ড্রেস পছন্দ হয়ে গেছে! কী যে সুন্দর ড্রেসগুলা!’</p><p>‘ডাক্তার কেন জানি তোমাকে ডাকছে। পেমেন্ট করার আগে ওনার সাথে একটু দেখা করে আসো।’</p><p>প্রায় মিনিট দশেক পরে একটা প্রেসক্রিপশন নিয়ে ফিরে এসে বলল, ‘চলো আজ বাসায় যাই। অন্য দিন নেব। আজ ভালো লাগছে না।’</p><p>পনেরো শ টাকা কি গচ্চা গেল! বাসায় গিয়ে বললাম, ‘প্রেসক্রিপশনটা দাও, ওষুধ নিয়ে আসি।’</p><p>প্রেসক্রিপশন খুলে দেখি, সেখানে ডাক্তার লিখেছে, ‘আপনার বউয়ের নতুন ড্রেস দরকার, মেডিসিন না! দয়া করে আগামী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে ৩টা ড্রেস নিতে আসবেন। তা না হলে পনেরো শ টাকার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।’</p><p>প্রেসক্রিপশন হাতে ভ্যাবাচেকা খেয়ে দাঁড়িয়ে আছি। আর তখন বউ হেসে হেসে বলছে, ‘কী! কেমন দিলাম? আর বলবা, রান্না ভালো হয় নাই?’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/hjysl5gcgx">পরের জন্মে AI হব</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/d81h8wf9u2">হরেক রকম ভাইয়া</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/ndpscyuh1s">বিদ্যুৎ কবে আসবে, সুপর্ণা!</a></aside>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া ১০৩ বছর বয়সী প্রবীণ জানালেন দীর্ঘ জীবনের রহস্য
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া ১০৩ বছর বয়সী প্রবীণ জানালেন দীর্ঘ জীবনের রহস্য

<p>যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় স্বাস্থ্য ও লাইফস্টাইলভিত্তিক ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হেলদি’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারের দিনও নিয়মের ব্যতিক্রম হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার কলম্বাসে ওয়াইএমসিএতে (ইয়াং মেনস ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন) সার্কিট ট্রেনিং শেষ করে হাসিমুখে বেরিয়েছিলেন ১০৩ বছর বয়সী জেমস স্নিড।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/igi8a0jo/THLD26-100-Years-StrongJamesSneed1Courtesy-James-I-Sneed.jpg"><figcaption>১০৩ বছর বয়সী জেমস স্নিড</figcaption></figure><p>তাঁর বয়সের অর্ধেকের কাছাকাছি মানুষ যেখানে সপ্তাহে দু-এক দিন শরীরচর্চা করেন, সেখানে জেমস সপ্তাহে তিন দিন ‘সিলভার স্নিকার্স’ ফিটনেস ক্লাসে অংশ নেন। বয়স্ক নাগরিকদের (সাধারণত ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী) জন্য ডিজাইন করা একটি জনপ্রিয় স্বাস্থ্য, ফিটনেস ও ওয়েলনেস প্রোগ্রাম হলো সিলভার স্নিকার্স। এখানেই জেমস স্নিড কার্ডিও, ওজন তোলা, রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ড ও সার্কিট ট্রেনিং—সবই করেন।</p><p>‘দ্য হেলদি’কে জেমস বলেন, ‘আমি ওদের মতো সবকিছু করতে পারি না। তবে যতটুকু পারি করি। আর প্রতিদিন একটু একটু করে ভালো করার চেষ্টা করি।’</p><p>এই মানসিকতার উৎস কী? উত্তরে জেমস জানান, ছোটবেলায় শেখা একটি ‘মন্ত্র’। শত বছরের বেশি সময় ধরে যে মন্ত্র তিনি জীবনে কাজে লাগিয়ে আসছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/tcnqi3y9kp">চার বছর আগে চিকিৎসক বলেছিলেন ‘আয়ু বড়জোর ছয় মাস’</a></aside><h3>ভালো, আরও ভালো, সবচেয়ে ভালো </h3><p>ছোটবেলায় আলাবামায় এক শিক্ষকের কাছ থেকে একটি ছড়া শিখেছিলেন জেমস। আজও অনায়াসে বলতে পারেন, ‘গুড, বেটার, বেস্ট, নেভার লেট ইট রেস্ট। টিল দ্য গুড বিকাম বেটার অ্যান্ড বেটার বিকাম বেস্ট।’</p><p>১৯৩২ সালের দিকে শেখা এই মন্ত্রই যেন তাঁর জীবনদর্শন হয়ে উঠেছে। আর গবেষণাও বলছে, ইতিবাচক ও নিজের মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এমন বাক্য নিজেকে বারবার মনে করানো মানসিক স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। জেমসের এই মন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তাঁর ধর্মীয় বিশ্বাস ও জীবনের গভীর উদ্দেশ্য।</p><p>তবে জীবনের উদ্দেশ্য খুব বড় কিছু হতে হবে, এমন নয়। ২০২৫ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে মাত্র এক ঘণ্টা স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজও বয়স্কদের জৈবিক বয়স বাড়ার প্রক্রিয়াকে ধীর করার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।</p><p>শারীরিক সক্রিয়তাও জেমসের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ৩৬ হাজারের বেশি মানুষকে নিয়ে ২০ বছরের এক গবেষণায় নিয়মিত সক্রিয় থাকা মৃত্যুঝুঁকি কমানোর সবচেয়ে শক্তিশালী পূর্বাভাসগুলোর একটি হিসেবে উঠে এসেছে।</p><h3>ছোটবেলা থেকেই সংগ্রাম </h3><p>শৈশবে জেমস মার্বেল ও বেসবল খেলতেন, বাড়ির বাগানে বেগুন চাষ করতেন। মাত্র ৯ বছর বয়সে তাঁর মা মারা যান। এরপর দাদি তাঁকে ও তাঁর দুই ছোট বোনকে বড় করেন।</p><p>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জেমস স্কুলপড়ুয়া। পার্ল হারবারে হামলার খবরের পর যুদ্ধে যোগ দেন। এর কয়েক মাস পরই, যেদিন তাঁর বয়স ১৮ হয়ে যায়, নাম লেখান সেনাবাহিনীতে।</p><p>সেনাবাহিনীর একটি পরীক্ষায় ১৫০-এর মধ্যে ১৩৫ নম্বর পেয়ে সর্বোচ্চ গ্রেডে জায়গা করে নেন। এরপর তাঁকে ট্যাংক চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। উত্তর আফ্রিকা ও ইতালিতে দায়িত্ব পালনের পর যুদ্ধের শেষ দিকে তাঁকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলেও পাঠানো হয়।</p><p>যুদ্ধের দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে জেমস বলেন, ‘কে ভয় পেত না? চারদিকে বিমান থেকে বোমা পড়ছে, সব সময় সাইরেন বাজছে। ঘুমানোরও সুযোগ নেই। তখন ওপরের সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আর কারও দিকে তাকানোর ছিল না।’</p><h3>যুদ্ধ শেষ, শুরু হলো পারিবারিক জীবন </h3><p>যুদ্ধ শেষে আলাবামায় ফিরে মাত্র ৫০ থেকে ৭৫ সেন্ট দৈনিক আয় করেও নিজের হাতে পরিবারের জন্য বাড়ি তৈরি করেন জেমস। তাঁর পাঁচ সন্তানই কলেজে পড়াশোনা শেষ করেন। তাঁর স্ত্রী মিনিও পড়াশোনা করে শিক্ষকতা শুরু করেন। আর তাঁদের এলাকার শ্বেতাঙ্গ স্কুলে কৃষ্ণাঙ্গ শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তির পথিকৃৎদের একজন হন।</p><p>জেমস নিজেও নাগরিক অধিকার আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। আলাবামার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্টেট ট্রুপার নিয়োগের উদ্যোগে অংশ নিয়েছেন। একই সঙ্গে বড় বাগান করতেন। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সবজি ফলাতেন, যাতে আশপাশের কেউ খাবারের অভাবে থাকলে তাঁকে দিতে পারেন। তাঁর এই দীর্ঘদিনের সামাজিক কাজের স্বীকৃতিও মিলেছে। তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে আলাবামা সিনিয়র সিটিজেনস হল অব ফেমে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/gr32lifpuw">সকালের যে ৭টি রুটিন আপনার আয়ু বাড়াতে সাহায্য করবে</a></aside><h3>১০৩ বছরেও থামেননি </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/ei1q9feq/This-103-Year-Old-WWII-VeteranCourtesy-JamesSneed2.jpg"><figcaption>জেমস বলেন, ‘আমি অনেক হতাশার মধ্য দিয়ে গেছি। কিন্তু সক্রিয় থাকি, শান্ত থাকি। আর ওপরওয়ালা যা করতে বলেন, তা-ই করি। তাই কোনো কিছুই আমাকে খুব বেশি বিচলিত করে না।’</figcaption></figure><p>১০০ বছর বয়সে জেমসের মেয়ে জ্যানেট তাঁকে নিজের সঙ্গে জর্জিয়ার কলম্বাসে নিয়ে আসেন। তাঁর সক্রিয় জীবনযাপন যেন থেমে না যায়, সে জন্য তাঁকে ওয়াইএমসিতে (ইয়াং মেনস ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন) নিয়ে যাওয়া শুরু করেন। এখন তিনি সেখানকার সবচেয়ে বয়স্ক সক্রিয় সদস্য।</p><p>জেমস বলেন, ‘আমি অনেক হতাশার মধ্য দিয়ে গেছি। কিন্তু সক্রিয় থাকি, শান্ত থাকি। আর ওপরওয়ালা যা করতে বলেন, তা-ই করি। তাই কোনো কিছুই আমাকে খুব বেশি বিচলিত করে না।’</p><p>জীবন সম্পর্কে অন্যদের জন্য তাঁর পরামর্শটিও সরল, ‘যতটা ভালো আপনি করতে পারেন, যত বেশি মানুষের জন্য করতে পারেন, যেখানেই পারেন—ভালো কিছু করে যান।’</p><p><sup>সূত্র: দ্য হেলদি</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/xb4ojh64jv">প্রতিদিন মাত্র ৫ মিনিট দ্রুত হাঁটলেই কি আয়ু বাড়তে পারে? গবেষণা জানাচ্ছে চমকপ্রদ তথ্য</a></aside>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ 
৫ লাখ ২২ হাজার
বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ ৫ লাখ ২২ হাজার

বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
পৃথক দুই হামলায় হরমুজের কাছে ডুবে গেছে দুটি জাহাজ
পৃথক দুই হামলায় হরমুজের কাছে ডুবে গেছে দুটি জাহাজ

<p>হরমুজ প্রণালির কাছে পৃথক দুটি হামলায় দুটি জাহাজ ডুবে গেছে। গত ১০ দিনে এই নৌপথের আশপাশে হামলার ঘটনা বেড়েছে। দেখুন ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস: চাকরিপ্রার্থীদের কী অপরাধ
নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস: চাকরিপ্রার্থীদের কী অপরাধ

আমার নিজেরই মনে হচ্ছিল যদি দেশটা ছাড়তে পারতাম! অনেকে দেশের দূরদূরান্ত থেকে এসেছে। রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা—কোনো জায়গা বাকি নেই।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সায়েন্স ফেলোশিপ, আবেদন করুন দ্রুত
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সায়েন্স ফেলোশিপ, আবেদন করুন দ্রুত

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন বছরের সায়েন্স ফেলোশিপে আবেদন চলছে।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
গ্রাহকদের মিষ্টিমুখ করিয়ে টাকা ফেরত দিচ্ছে ন্যাশনাল ব্যাংক
গ্রাহকদের মিষ্টিমুখ করিয়ে টাকা ফেরত দিচ্ছে ন্যাশনাল ব্যাংক

রাজধানীর দিলকুশা শাখায় সকালে লেনদেন শুরুর প্রথম এক ঘণ্টায় ৪০ জন গ্রাহককে ৩২ লাখ টাকার বেশি ফেরত দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যালয়ে নারী শিক্ষককে থাপ্পড়, বিএনপি নেতাকে শোকজ
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যালয়ে নারী শিক্ষককে থাপ্পড়, বিএনপি নেতাকে শোকজ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে এক সহকারী শিক্ষককে থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে ওয়ার্ড বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন