International

জন্মের পর থেকে মায়ের কোলে আছে স্লথশাবক, থাকবে কয়েক মাস

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
জন্মের পর থেকে মায়ের কোলে আছে স্লথশাবক, থাকবে কয়েক মাস
জন্মের পর থেকে মায়ের কোলে আছে স্লথশাবক, থাকবে কয়েক মাস
<p>মায়ের পেট আঁকড়ে ধরে থাকা ছোট্ট স্লথের মিষ্টি অভিষেক হলো যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগো চিড়িয়াখানায়। চিড়িয়াখানাটিতে জন্ম নিয়েছে দুই আঙুলবিশিষ্ট প্রজাতির ওই স্লথশাবক। বিস্তারিত ভিডিওতে…</p><figure></figure>

Prothomalo

View more
তাহসিফ সাউরির মৃত্যু ঘিরে রহস্য, পুলিশি হেফাজতে যা বলেছেন দীপ
তাহসিফ সাউরির মৃত্যু ঘিরে রহস্য, পুলিশি হেফাজতে যা বলেছেন দীপ

<p>বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির মৃত্যু ঘিরে রহস্য ডানা মেলেছে। এই ঘটনায় তাহসিফের বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই দীপকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। বিস্তারিত বিশ্লেষণে... </p><figure></figure>

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
জনসমক্ষে ‘কারাবন্দী’ ট্রাম্প, তেহরানে অভিনব আয়োজন
জনসমক্ষে ‘কারাবন্দী’ ট্রাম্প, তেহরানে অভিনব আয়োজন

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/jnsmkshe-karabndee-tramp-tehrane-ovinb-ayojn</figure>

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
এসেই চালায় গুলি, যেতে যেতে বলল, ‘আজ পুষ্পপাড়া স্বাধীন’
এসেই চালায় গুলি, যেতে যেতে বলল, ‘আজ পুষ্পপাড়া স্বাধীন’

গুলিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ শ্রমিক লীগের পাবনা সদর উপজেলার আহ্বায়ক আবদুস সালাম ও তাঁর ভাগনে আতাইকুলা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি রিপন হোসেন নিহত হন।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
ফিলিপসের সেঞ্চুরি, অবশেষে ভারতকে থামাতে পারল নিউজিল্যান্ড
ফিলিপসের সেঞ্চুরি, অবশেষে ভারতকে থামাতে পারল নিউজিল্যান্ড

<blockquote>নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ২৫৯/৭। ভারত: ২০ ওভারে ১৭২/৯। ফল: নিউজিল্যান্ড ৮৭ রানে জয়ী।</blockquote><p>ভারত সিরিজ জিতে নিয়েছিল আগেই। লক্ষ্য বলতে ছিল যদি নিউজিল্যান্ডকে ধবলধোলাই করা যায়!</p><p>তবে সিরিজের শেষ প্রান্তে এসে ঘুরেই দাঁড়াল স্বাগতিকেরা। আজ চতুর্থ টি–টুয়েন্টিতে ভারতকে ৮৭ রানে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। </p><p>বিস্তারিত আসছে।</p>

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার ঘটনায় মর্মাহত অমর্ত্য সেন, সহিংসতার বিরুদ্ধে বললেন
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার ঘটনায় মর্মাহত অমর্ত্য সেন, সহিংসতার বিরুদ্ধে বললেন

<p>শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক সহিংসতার বিরুদ্ধে  শক্তিশালী সুরক্ষাব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর অনুপ্রবেশের ঘটনায় হতবাক হয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।</p><p>যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় গ্লোবাল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা শুভেন্দু ভদ্রকে পাঠানো এক সংহতি বার্তায় সেন বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ঘটনায় তিনি ‘গভীরভাবে মর্মাহত’।</p><p>গতকাল বৃহস্পতিবার অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের এক সভায় পাঠ করে শোনানো হয় তাঁর বার্তা। সেই বার্তায় অমর্ত্য সেন বলেছেন, ‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভয়াবহ হামলার খবর শুনে আমি হতবাক। রাজনৈতিক সহিংসতা থেকে মানুষকে রক্ষা করার প্রয়োজন রয়েছে। আমার দেশের অন্য সবার মতো, বিভিন্ন ক্যাম্পাসে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদেরও সমর্থন প্রয়োজন।’</p><p>এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা স্মরণ করে এই অর্থনীতিবিদ বলেছেন, ‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েই ৭০ বছর আগে আমি আমার শিক্ষকতা জীবন শুরু করেছিলাম। এই মহান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমার সংহতি অত্যন্ত গভীর।’</p><p>অমর্ত্য সেনের মতে, ‘সহিংসতা থেকে মুক্তি আমাদের সবার একটি অধিকার। যে সহিংসতা চালানো হয়েছে, তার পেছনের সাম্প্রদায়িক ভাবনার নিঃশর্ত নিন্দা প্রাপ্য।’</p><p>ভারতের হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ( আরএসএস) সহযোগী অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে গত ১৯ আগস্ট। তখন স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই), ফেটসু, এইডসো এবং এসবিভিপি-সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। তার প্রেক্ষাপটেই অমর্ত্য সেনের এই বক্তব্য উঠে এসেছে।</p><p>গত ১৯ আগস্ট এবিভিপি এবং এসএফআইয়ের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাঙচুর, এর ঐতিহ্যবাহী প্রতীকের ক্ষতিসাধন এবং বহিরাগতদের অননুমোদিত প্রবেশের ঘটনা ঘটেছিল।</p><p>গত ৯ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী গেরুয়া রঙের ‘সম্মান, পবিত্রতা, গৌরব ও শুদ্ধতা’ সমুন্নত রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গোলপার্ক থেকে যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত একটি গেরুয়া পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।</p>

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
উত্তরাখণ্ডে ৬ আরোহী নিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত
উত্তরাখণ্ডে ৬ আরোহী নিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

প্রবল তুষারপাতের মধ্যে আজ শুক্রবার বেলা সোয়া ২টার দিকে বদরিনাথ থেকে হেলিকপ্টারটি উড্ডয়ন করে। এরপর হাতি পর্বত এলাকার কাছাকাছি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
যেভাবে কৃত্রিম ফুলের তোড়া বানিয়ে চলে সুমাইয়ার পড়াশোনা–সংসার
যেভাবে কৃত্রিম ফুলের তোড়া বানিয়ে চলে সুমাইয়ার পড়াশোনা–সংসার

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/zevabe-krritrim-fuler-tora-baniye-cle-sumayar-prasona-sngsar</figure>

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
‘সহজ মানুষ’-এর আনুশেহ কেন বড় মঞ্চে নেই?
‘সহজ মানুষ’-এর আনুশেহ কেন বড় মঞ্চে নেই?

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/shj-manush-er-anuseh-ken-br-mnce-nei</figure>

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
শৈশবের জ্বরে থমকে গেল চার ভাই-বোনের জীবন, কাটছে না দুর্ভোগ
শৈশবের জ্বরে থমকে গেল চার ভাই-বোনের জীবন, কাটছে না দুর্ভোগ

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/soisber-jwre-thmke-gel-car-vai-boner-jeebn-katche-na-durvog</figure>

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।