মধ্যপ্রাচ্য

ইরানে আবার হামলার ইঙ্গিত দিলেন নেতানিয়াহু

অক্টোবর ২০, ২০২৬
ইরানে আবার হামলার ইঙ্গিত দিলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আবার হামলার ইঙ্গিত দিলেন নেতানিয়াহু
<p>ইরানে আবার হামলা চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তিনি ইরানের সরকারের পতন ঘটানোর ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গত রোববার ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর আলোচনায় ইরান সরকারের পতন ঘটানোর বিষয়ে নতুন উদ্যোগ নিয়ে কথা হয়েছে।</p><p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়। এর পাল্টা জবাবে ইসরায়েলে হামলা চালায় তেহরান। হামলা চালানো হয় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতেও। যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় ইরান। বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দামে অস্থিরতা শুরু হয়। যুদ্ধ শুরুর ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়নি। এর মধ্যেই নতুন হামলার ইঙ্গিত দিলেন নেতানিয়াহু।</p><p>এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু ইরান সরকারের পতন ঘটানোর বিষয়ে নতুন উদ্যোগ নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ইরানের সরকারের পতন ঘটাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গতকালসহ বহুবার আমি এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করেছি।’</p><p>মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সোমবার অঘোষিত সফরে ইসরায়েল গিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ইরান প্রসঙ্গে আলোচনা করেছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/kz30pn0xhj">ইসরায়েলে গোপন সফরে হেগসেথ, নেতানিয়াহুর সঙ্গে কী কথা হলো</a></aside><p>ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র ডোরন স্পিলম্যান নিশ্চিত করেছেন, নেতানিয়াহুর সঙ্গে হেগসেথের বৈঠক হয়েছে নেগেভ মরুভূমি অঞ্চলের উভদা বিমানঘাঁটিতে। তিনি রয়টার্সকে বলেন, নেতানিয়াহু ও হেগসেথ আঞ্চলিক হুমকি মোকাবিলায় আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক—উভয় কৌশলের ক্ষেত্রে মার্কিন-ইসরায়েল অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন।</p><p>তবে হেগসেথের এই সফরের বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/75dmmzx96e">ইসরায়েলের নির্বাচনে ‘কিংমেকার’ কে এই আব্বাস, নেতানিয়াহুকেও সরিয়েছিলেন তিনি</a></aside>

Prothomalo

View more
সরকারপ্রধান হিসেবে চট্টগ্রামের দুর্গাপূজায় প্রথম এলেন তারেক রহমান
সরকারপ্রধান হিসেবে চট্টগ্রামের দুর্গাপূজায় প্রথম এলেন তারেক রহমান

<p>চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী যাত্রা মোহন সেন হলের (জে এম সেন হল) দুর্গা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান জে এম সেন হলে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন। আজ মঙ্গলবার রাত সোয়া আটটার দিকে দলীয় নেতা-কর্মী ও মন্ত্রীদের নিয়ে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় আয়োজক কমিটির হাতে ২০ লাখ টাকার চেকও তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।</p><p>এর আগে এর আগে সামরিক বিমানযোগে আজ সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে রাজশাহী থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতি মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p><p>চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিখিল কুমার নাথ প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জে এম সেন হলে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। এর আগে ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া চট্টগ্রামের জে এম সেন হলে জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন।’</p><p>অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি এটুকু বলার জন্য—এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার, এই দেশ আমাদের সকলের। আমরা যেই ধর্মের হই না কেন, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশি। যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে আমরা বড় হচ্ছি, আমরা এই দেশের নাগরিক। আমাদের একমাত্র পরিচয়, ধর্মের পরিচয় নয়; আমাদের একমাত্র পরিচয়, আমরা বাংলাদেশের নাগরিক।’</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে এই বাংলাদেশের মানুষ জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিল। যুদ্ধের মাধ্যমে তারা এই প্রিয় মাতৃভূমিকে ছিনিয়ে এনেছিল...যাঁরা যুদ্ধ করেছিলেন, যাঁরা শহীদ হয়েছিলেন, সেদিন কিন্তু আমরা দেখিনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিষ্টান। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। সে সময়ও ছাত্র-জনতাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীরা রাজপথে নেমে এসেছিলেন। সেদিনও কিন্তু আমরা দেখিনি, আমার পাশের কর্মীটি কোন ধর্মের।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/x4zwwmq9/WhatsApp_Image_2026_10_20_at_10_48_11_PM.jpeg"><figcaption>পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় দর্শনার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান</figcaption></figure><p>তারেক রহমান বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে এই দেশের মানুষ, এই দেশের ছাত্র-জনতা এক স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। সে সময় কেউ কিন্তু আমরা জিজ্ঞেস করিনি, গুলি খাওয়া মানুষটি মুসলমান, নাকি হিন্দু, নাকি বৌদ্ধ, নাকি খ্রিষ্টান। স্বৈরাচার গুলি করেছে, ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছে। আমার ভাই শহীদ হয়েছেন, আমার ভাই আহত হয়েছেন। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, তাঁর ধর্মপরিচয় কী। ডাক্তারও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে জিজ্ঞেস করেননি, তাঁর ধর্মপরিচয় কী। তাঁর ধর্মপরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দেবেন, এমন ঘটনা ঘটেনি।’</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুসলমান হিসেবে বাংলাদেশে যদি সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু এই শব্দ দিয়ে কাউকে যাচাই-বাছাই করতে হয়, তাহলে হয়তো আমি এখানে সংখ্যাগুরু। কিন্তু আমি যখন লন্ডনে ছিলাম, আমি কি সংখ্যাগুরু ছিলাম? সেই দেশে তো অন্য ধর্মের মানুষ বেশি। আমি তো ওখানে সংখ্যালঘু ছিলাম। কাজেই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু কোনো বিষয় নয়। বিষয় একটাই—আপনি বাংলাদেশি।’</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই দেশের আইন আমার জন্য যেভাবে প্রযোজ্য, এই দেশের আইন আপনার জন্যও প্রযোজ্য। এই দেশের ওপর আপনার যে অধিকার আছে, এই দেশের ওপর আমারও সেই অধিকার আছে। এই রাষ্ট্র আপনাকে যা দেবে, এই রাষ্ট্র আমাকে তা-ই দেবে। ১৯৭১ থেকে ২০২৪—লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একটিই ছিল, সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত—সেটি একটি বাংলাদেশ গড়া, যেখানে আমরা সকলে শান্তিতে থাকব, একটি বাংলাদেশ গড়া, যেখানে আমরা সকলে মিলেমিশে থাকব।’</p><p>সবার সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, আপনি মুসলমান হোন, আপনি বৌদ্ধ হোন, খ্রিষ্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ, আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।’</p>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
রণদাপ্রসাদ সাহা বাড়ির পূজামণ্ডপে মন্ত্রীসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা
রণদাপ্রসাদ সাহা বাড়ির পূজামণ্ডপে মন্ত্রীসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খানের পাশাপাশি ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স তৃষিতা মওলা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

অক্টোবর ২০, ২০২৬
এখন থেকে ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে দিতে হবে বলে কুরিয়ার সার্ভিসের গুদামে ঢুকে ভাঙচুর-লুটপাট
এখন থেকে ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে দিতে হবে বলে কুরিয়ার সার্ভিসের গুদামে ঢুকে ভাঙচুর-লুটপাট

<p>‘এখন থেকে জমির ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনকে দিতে হবে’—এই কথা বলে রাজধানীর হাজারীবাগে এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিসের গুদাম ও কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগ উঠেছে। ভাঙচুর শেষে কয়েক লাখ টাকার পণ্য ও সিসি ক্যামেরা খুলে নিয়ে গেছে সন্ত্রাসীরা।</p><p>আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে শিকদার মেডিকেল কলেজসংলগ্ন ওই কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।</p><p>ঘটনার বর্ণনা করে এ জে আর গ্রুপের কর্মকর্তারা জানান, সন্ধ্যায় শতাধিক ব্যক্তি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। প্রথমে তারা কার্যালয়ের আশপাশের বাড়ির সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে দেয়। পরে সন্ত্রাসীদের একটি দল দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের হুমকি দেয়। সন্ত্রাসীরা মুখোশ ও হেলমেট পরা ছিল। পরে গুদামে ঢুকে ক্যামেরা ও ডিভিআর (ফুটেজ সংরক্ষণের যন্ত্র) খুলে নেয়। যাওয়ার আগে কার্যালয়ের আসবাব ভাঙচুর ও বেশ কয়েকটি ল্যাপটপ লুট করে নেয় হামলাকারীরা।</p><p>প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই বছর আগে শিকদার গ্রুপের কাছ থেকে চুক্তির মাধ্যমে জমিটি ভাড়া নেয় এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিস। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গুদাম ও কার্যালয় নির্মাণ করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী এত দিন শিকদার গ্রুপকে ভাড়া দিয়ে আসছিল তারা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/kp9xxxx0/WhatsApp-Image-2026-10-20-at-11.20.34-PM.jpeg"></figure><p>সন্ত্রাসীদের বরাত দিয়ে এজেআরের কর্মকর্তারা আরও জানান, হামলাকারীরা দাবি করে শিকদার গ্রুপের মালিকের সঙ্গে কথা হয়েছে। এখন থেকে জমির ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে দিতে হবে। ভাড়া না দিলে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলেও নিরাপত্তাকর্মীদের হুমকি দেয় তারা। কার্যালয়টি থেকে প্রতিদিন ৪০০ গাড়ি সারা দেশে পণ্য আনা নেওয়ার কাজ করে। হামলার পর তাদের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।</p><p>হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের নাম করে একটি দল কার্যালয়ে ভাঙচুর ও হুমকি দিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কাউকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতে দেওয়া হবে না।</p>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
চুম্বনদৃশ্য নিয়ে নতুন ভাবনা হ্যাথাওয়ে ও জনসনের
চুম্বনদৃশ্য নিয়ে নতুন ভাবনা হ্যাথাওয়ে ও জনসনের

হলিউডের নতুন সিনেমা ‘ভেরিটি’তে অ্যান হ্যাথাওয়ে ও ডাকোটা জনসনের সঙ্গে একাধিক অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করেছেন জশ হার্টনেট।

অক্টোবর ২০, ২০২৬
কৃষকদের মহা মিলনমেলা: দেশজুড়ে চলছে ‘সোনালীকা ডে ২০২৬’
কৃষকদের মহা মিলনমেলা: দেশজুড়ে চলছে ‘সোনালীকা ডে ২০২৬’

<p>ট্রাক্টরের ফ্রি সার্ভিসিং, পার্টসে বিশেষ ছাড়, ফ্রি স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নতুন বুকিং অফার নিয়ে দেশজুড়ে চলছে এসিআই মোটরসের বর্ণাঢ্য আয়োজন ‘সোনালীকা ডে ২০২৬’। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
চার ব্রোকারেজ হাউসের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা ৫ লাখ টাকা করে ফেরত পাবেন
চার ব্রোকারেজ হাউসের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা ৫ লাখ টাকা করে ফেরত পাবেন

<p>দেশের শেয়ারবাজারের চারটি ব্রোকারেজ হাউসের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ পাবেন। ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ‘ইনভেস্টরস প্রোটেকশন ফান্ড’ থেকে এই অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।</p><p>আজ সোমবার বিএসইসির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান। পরে বিএসইসি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।</p><p>যে চার ব্রোকারেজ হাউজের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা অর্থ ফেরত পাবেন, সেগুলো হচ্ছে বাংকো সিকিউরিটিজ লিমিটেড, তামহা সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও শাহ মোহাম্মদ সগীর অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের যাচাইকৃত ও অনিষ্পন্ন দাবির বিপরীতে এই অর্থ দেওয়া হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।</p><p>দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) গত ২৯ সেপ্টেম্বর শেয়ারবাজারে অর্থ আত্মসাৎ ও জালিয়াতির শিকার হওয়া বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করে। প্রথম দফায় মশিউর সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক দেওয়া হয়।</p><p>পুঁজিবাজারে অর্থ আত্মসাৎ ও জালিয়াতি করে খেলাপি হওয়া পাঁচটি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের ১৭ হাজার ৩৩২ জন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর ৭২ কোটি টাকা পাওনা পরিশোধ করবে ডিএসই।</p><p><strong>কমোডিটি ডেরিভেটিভসে ৬ সংস্থা</strong></p><p>এদিকে দেশে প্রথমবারের মতো চালু হতে যাওয়া কমোডিটি এক্সচেঞ্জে লেনদেনের অনুমোদন পেয়েছে ছয় ব্রোকারেজ হাউস। গতকাল বিএসইসির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে সোহেল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এনএলআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, বি রিচ লিমিটেড, পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড।</p><p>এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) চালু হতে যাওয়া কমোডিটি এক্সচেঞ্জে লেনদেন করা যাবে। তবে ভবিষ্যতে ব্রোকারেজ হাউসের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আগামী বছরের মধ্যে সিএসইতে  কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু হওয়ার কথা রয়েছে।</p>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
বাভুমার ক্যারিয়ার–সর্বোচ্চ ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার ৪২৫
বাভুমার ক্যারিয়ার–সর্বোচ্চ ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার ৪২৫

১৭৯ রান করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। গেবেখা টেস্টের তৃতীয় দিনে ৪২৫ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

অক্টোবর ২০, ২০২৬
কেরানীগঞ্জে সিটিজেনস ব্যাংকের উপশাখা চালু
কেরানীগঞ্জে সিটিজেনস ব্যাংকের উপশাখা চালু

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/f8a50ami/WhatsApp-Image-2026-10-20-at-9.41.06-PM.jpeg"><figcaption>সিটিজেনস ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলমগীর হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে সম্প্রতি ঢাকার কেরানীগঞ্জের রুহিতপুরে ব্যাংকের একটি উপশাখার উদ্বোধন করেন। এ সময় ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. আবদুল লতিফসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন</figcaption></figure><p>সিটিজেনস ব্যাংক সম্প্রতি ঢাকার কেরানীগঞ্জের রুহিতপুরে একটি উপশাখা খুলেছে। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলমগীর হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে উপশাখাটির উদ্বোধন করেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিটিজেনস ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>উপশাখাটির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সিটিজেনস ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. আবদুল লতিফসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।</p><p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলমগীর হোসেন বলেন, সিটিজেনস ব্যাংক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে কাস্টমাইজড অর্থায়ন সমাধান, কার্যকর মূলধন সহায়তা, ট্রেড ফাইন্যান্স বা বাণিজ্য অর্থায়ন এবং পরামর্শমূলক সেবা প্রদান করা হবে, যাতে স্থানীয় উদ্যোক্তারা দক্ষতার সঙ্গে ব্যবসা সম্প্রসারণে এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সক্ষম হন।</p><p>আলমগীর হোসেন আরও বলেন, খুচরা গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের আমানত পণ্য, ভোক্তা ঋণ, রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়সংক্রান্ত সেবা এবং আধুনিক ডিজিটাল ব্যাংকিং–সুবিধা প্রদান করা হবে, যা তাঁদের পরিবর্তনশীল আর্থিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সামগ্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।</p>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
উখিয়ার আশ্রয়শিবিরে দিনে ১৫ হাজার সাবান উৎপাদন, পরিদর্শনে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত
উখিয়ার আশ্রয়শিবিরে দিনে ১৫ হাজার সাবান উৎপাদন, পরিদর্শনে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত

<p>কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালী রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-২০) একটি কারখানায় প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার সাবান উৎপাদিত হচ্ছে। এসব সাবান রোহিঙ্গা শরণার্থীদের লন্ড্রি ও শৌচাগারের কাজে ব্যবহারের জন্য বিনা মূল্যে সরবরাহ করা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে চালু হওয়া কারখানাটিতে এ পর্যন্ত প্রায় সাত লাখ সাবান উৎপাদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিচালনাকারী সংস্থা।</p><p>সাবানের গুণমান ও উৎপাদনপ্রক্রিয়া দেখতে কারখানাটি পরিদর্শন করেছে জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাঁরা উখিয়ার ২০ নম্বর আশ্রয়শিবিরে কারখানাটিতে যান। এটি পরিচালনা করছে বেসরকারি সংস্থা পালস।</p><p>সকাল ১০টার দিকে ঢাকা থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। পরে সড়কপথে তাঁরা উখিয়ার আশ্রয়শিবিরে যান। বেলা একটার দিকে কারখানায় পৌঁছে সাবান তৈরির উপাদান, উৎপাদনপ্রক্রিয়া ও সাবানের গুণমান পরীক্ষা করেন তাঁরা।</p><p>এ সময় জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপ রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকার সুযোগ এবং আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।</p><p>পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেজনিয়াক, বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জুলিয়েট মুরেকেইসোনি, মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের কার্যালয়ের রাজনৈতিক বিষয়ক কর্মকর্তা ডানকান উইলসন এবং সহযোগী জনতথ্য কর্মকর্তা পিয়া থেট চায়েল।</p><p>প্রতিনিধিদলকে সাবান উৎপাদনপ্রক্রিয়া, কারখানার ব্যবস্থাপনা এবং এ উদ্যোগের মাধ্যমে সৃষ্ট জীবিকার সুযোগ সম্পর্কে অবহিত করেন পালসের নির্বাহী পরিচালক আবু মোরশেদ চৌধুরী। এ সময় কারখানার রসায়নবিদও সাবান তৈরির প্রক্রিয়া ও কেন্দ্রের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। বিকেলে প্রতিনিধিদলটি ঢাকার উদ্দেশে আশ্রয়শিবির ত্যাগ করে।</p><p>আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় এবং যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) অর্থায়নে পালসের অংশীদারত্বে এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর লক্ষ্য রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আত্মনির্ভরশীলতা, মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন, স্বাস্থ্যবিধি চর্চা ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করা।</p><p>আবু মোরশেদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারিতে আশ্রয়শিবিরে সাবান উৎপাদনের কারখানাটি চালু হয়। সেখানে ৩৬ জন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার সাবান উৎপাদন করছেন। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদিত দুই ধরনের—লন্ড্রি ও টয়লেট সাবান উৎপাদনের পর আইওএমের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আইওএম বিনা মূল্যে এসব সাবান রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছে দেয়। এ পর্যন্ত উৎপাদিত প্রায় সাত লাখ সাবানই রোহিঙ্গাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।</p>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন