ফুটবল

ফুটবলারদের পারিশ্রমিক: রোনালদো–মেসির আয় কত বাড়ল

অক্টোবর ২০, ২০২৬
ফুটবলারদের পারিশ্রমিক: রোনালদো–মেসির আয় কত বাড়ল
ফুটবলারদের পারিশ্রমিক: রোনালদো–মেসির আয় কত বাড়ল
<p>ফুটবলের রাজদণ্ড কি তবে নতুন প্রজন্মের হাতে চলে গেছে?</p><p>গত জুলাইয়ে লিওনেল মেসিকে দর্শক বানিয়ে লামিনে ইয়ামাল যখন বিশ্বকাপের ট্রফি উঁচিয়ে ধরলেন, তখন অন্তত তেমনই মনে হয়েছিল। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও তখন দর্শকের কাতারে। ফুটবলের মঞ্চে যেন নতুন যুগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। মেসি-রোনালদোর দিন ফুরিয়ে আসছে, শুরু হচ্ছে ইয়ামালদের দিন।</p><p>কিন্তু ফুটবল তো শুধু মাঠের খেলা নয়। মাঠের বাইরেও আরেকটি খেলা চলে। সেখানে গোল নেই, অ্যাসিস্ট নেই, ট্রফিও নেই। আছে ডলারের হিসাব। আর সেই খেলায় এখনো দুই বৃদ্ধ সিংহের দাপট। বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মেসি-রোনালদো বুঝিয়ে দিচ্ছেন, ফুটবলের আর্থিক সাম্রাজ্যে তাঁদের সিংহাসন এত সহজে দখল করা যাবে না।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সাময়িকী ‘ফোর্বস’ ২০২৬ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ আয়কারী ফুটবলারদের তালিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে যথারীতি এক নম্বরে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, দুইয়ে লিওনেল মেসি। টানা চতুর্থ মৌসুমে এবং গত ১৩ বছরের মধ্যে ১২তমবার বিশ্বের সর্বোচ্চ আয়কারী দুই ফুটবলারের নাম রোনালদো ও মেসি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/hxd2wl5t73">মেসি না রোনালদো: বয়স ৩০ পেরোনোর পর কে বেশি ভালো</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/39lepwfn/WhatsApp-Image-2026-10-20-at-18.28.48.jpeg"></figure><p>ভাবা যায়! মাঠে নতুন প্রজন্মের দাপট যতই বাড়ুক, টাকার অঙ্কে এখনো সেই পুরোনো দ্বৈরথ। যে দ্বৈরথ একসময় বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের মাঠ কাঁপাত, সেটিই এখন চলছে ব্যাংক হিসাব আর বাণিজ্যিক সাম্রাজ্যে।</p><p>রোনালদোর আয় শুনলে চোখ কপালে উঠতে পারে। ফোর্বসের হিসাবে এ বছর তাঁর আনুমানিক আয় ৩০ কোটি ডলার। এর মধ্যে মাঠ থেকে ২৫ কোটি ডলার, মাঠের বাইরে থেকে আরও ৫ কোটি ডলার।</p><p>সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসর থেকে বেতন-বোনাস মিলিয়ে চলতি মৌসুমে আনুমানিক ২৫ কোটি ডলার পাবেন পর্তুগিজ তারকা। আর বিভিন্ন পণ্যের প্রচার ও ব্যবসায়িক উদ্যোগ থেকে আসবে আরও ৫ কোটি ডলার। গত বছর তাঁর মোট আয় ছিল ২৮ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আয় বেড়েছে ২ কোটি ডলার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/0b9majsg/0x0.webp"><figcaption>ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো</figcaption></figure><p><br>রোনালদোর আর্থিক সাম্রাজ্যের বিশালত্ব বোঝাতে আরেকটি তথ্যই যথেষ্ট। চলতি বছরের শুরুতে প্রথম সক্রিয় ক্রীড়াবিদ হিসেবে ক্যারিয়ারে করের হিসাব বাদ দিয়ে মোট ২০০ কোটি ডলার আয়ের মাইলফলক পেরিয়েছেন তিনি।</p><p>একসময় রোনালদোর পরিচয় ছিল দুর্দান্ত এক গোলমেশিন। এখন তিনি নিজেই যেন একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। তাঁর ‘সিআর সেভেন’ ব্র্যান্ডের অধীনে বিভিন্ন পণ্য ও ব্যবসায়িক উদ্যোগ রয়েছে। ফুটবল মাঠে গোল করার পাশাপাশি ব্যবসার মাঠেও যে তিনি সমান দক্ষ, সেটি আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/sports-interview/t7ipdkbpif">‘মেসি ঈশ্বরের আশীর্বাদ পাওয়া এক জাদুকর, আর রোনালদো...’</a></aside><p>মেসির গল্পটা একটু অন্য রকম।</p><p>আর্জেন্টাইন মহাতারকা রোনালদোর মতো নিজের নামকে কেন্দ্র করে বিশাল ব্র্যান্ড গড়ে তোলার চেয়ে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক আর ব্যবসায়িক বিনিয়োগে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন ক্লাবের মালিকানায় বিনিয়োগের উদ্যোগ।</p><p>ফোর্বসের হিসাবে এ বছর মেসির আনুমানিক আয় ১৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার। ইন্টার মায়ামিতে খেলে পাবেন প্রায় ৭ কোটি ডলার। আর মাঠের বাইরে থেকে আয় করবেন সাড়ে সাত কোটি ডলার। অর্থাৎ মেসির ক্ষেত্রে মাঠের বাইরের আয় মাঠের আয়ের চেয়েও বেশি!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/0xvycms1/0x0.webp"><figcaption>লিওনেল মেসি</figcaption></figure><p>গত বছর তাঁর আয় ছিল ১৩ কোটি ডলার। এবার বেড়েছে দেড় কোটি ডলার। রোনালদোর মতো মেসিও এগিয়ে যাচ্ছেন ক্যারিয়ারে ২০০ কোটি ডলার আয়ের মাইলফলকের দিকে। আগামী এক বছরের মধ্যেই সেটি ছুঁয়ে ফেলতে পারেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।</p><p>দুই কিংবদন্তির ব্যবসায়িক দর্শন আলাদা। একজন নিজের নামকেই বানিয়েছেন ব্র্যান্ড, অন্যজন বড় বড় ব্র্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্ক আর বিনিয়োগকে করেছেন আয়ের অন্যতম ভিত্তি। কিন্তু ফলাফল প্রায় একই। ফুটবলের অর্থনীতিতে এখনো তাঁদের দাপটই সবচেয়ে বেশি।</p><p>ফোর্বসের হিসাবে, সর্বোচ্চ আয়কারী ১০ ফুটবলারের এ বছরের সম্মিলিত আয় প্রায় ৯৪ কোটি ২০ লাখ ডলার। এর মধ্যে শুধু রোনালদো ও মেসির আয়ই ৪৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অর্থাৎ শীর্ষ দশের মোট আয়ের প্রায় অর্ধেক এই দুজনের পকেটে যাচ্ছে!</p><p>গত বছর শীর্ষ দশের সম্মিলিত আয় ছিল ৯৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এবার তা সামান্য কমেছে। তবে তালিকায় থাকা বেশির ভাগ ফুটবলারের ব্যক্তিগত আয় বেড়েছে। </p><p>তারপরও শীর্ষ দশের সম্মিলিত আয় কিছুটা কমার কারণ গত বছর শীর্ষ দশে থাকা ফ্রান্সের সাবেক স্ট্রাইকার করিম বেনজেমা এবার বাদ পড়েছেন। গত বছর তাঁর আয় ছিল ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলারের মতো। তবে আল হিলালের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের পর বেনজেমা এখন ফ্রি এজেন্ট। তাঁর জায়গায় ৯ নম্বরে উঠে এসেছেন বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-15/q6q7n7oq/665469-01-02.jpg"><figcaption> কিলিয়ান এমবাপ্পে</figcaption></figure><p><br>এই রাজত্বে অবশ্য নতুন প্রজন্মের পদধ্বনিও শোনা যাচ্ছে। সবচেয়ে জোরে কড়া নাড়ছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।</p><p>রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা এক ধাপ এগিয়ে এবার উঠে এসেছেন তিন নম্বরে। তাঁর আনুমানিক আয় ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে মাঠ থেকে ৭ কোটি এবং মাঠের বাইরে থেকে ৩ কোটি ডলার। গত বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ৫০ লাখ ডলার।</p><p>মেসি-রোনালদোর আর্থিক সাম্রাজ্যে যে কখনো হানা দেওয়া যায় না, তা কিন্তু নয়। ২০২২ সালেই সেটি দেখিয়েছিলেন এমবাপ্পে। পিএসজির সঙ্গে চুক্তি নবায়নের সময় বিশাল অঙ্কের সাইনিং বোনাস পেয়ে সেবার সর্বোচ্চ আয়কারী ফুটবলার হয়েছিলেন তিনি। তবে সেই সিংহাসন ধরে রাখতে পারেননি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/1bb7pru07a">মেসি বিদায় নিলেন, থেকে গেলেন মেসি</a></aside><p>এমবাপ্পের ঠিক পেছনেই ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হলান্ড। নরওয়ের এই গোলমেশিনের আনুমানিক আয় ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার। ক্লাবের বেতন-বোনাস থেকে ৬ কোটি এবং মাঠের বাইরের বিভিন্ন খাত থেকে আড়াই কোটি ডলার।</p><p>পাঁচ নম্বরে রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তাঁর আনুমানিক আয় ৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-23/1h2r37ok/2026-08-23T130921Z918881693UP1EM8N10JKQHRTRMADP3SOCCER-ENGLAND-MCI-BOU.JPG"><figcaption>আর্লিং হলান্ড</figcaption></figure><p><br>এমবাপ্পে, হলান্ড ও ভিনিসিয়ুসের মধ্যে একটা মিল আছে। তিনজনেরই বয়স ২৬ কিংবা ২৭ বছর। ফুটবলের সেরা সময়টা তাঁদের সামনে পড়ে আছে। মাঠের পারফরম্যান্সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বাণিজ্যিক মূল্যও। মেসি-রোনালদোর কাছ থেকে আয়ের ব্যাটন নিজেদের হাতে তুলে নেওয়ার দৌড়ে আপাতত এগিয়ে এই তিনজন।</p><p>তবে ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় দাবিদার সম্ভবত এমন একজন, যাঁর বয়স এখনো ২০ বছরও হয়নি।<br>লামিনে ইয়ামাল!</p><p>বার্সেলোনার এই বিস্ময়বালক মাঠে যত দ্রুত প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙছেন, মাঠের বাইরেও তত দ্রুত এগোচ্ছেন বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য গড়ার পথে। আমেরিকান ঈগল, কোকা-কোলা ও ম্যাকডোনাল্ডসের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন স্পনসরশিপ চুক্তি করেছেন তিনি।</p><p>ফোর্বসের হিসাবে, চলতি মৌসুমে ইয়ামালের আনুমানিক আয় ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সর্বোচ্চ আয়কারীদের তালিকায় তিনি ছয় নম্বরে। গত বছর তাঁর আয় ছিল ৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আয় বেড়েছে ১ কোটি ২০ লাখ ডলার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-20/rg2qndom/Lamine_Yamal_20260717074926.webp"><figcaption>স্প্যানিশ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল </figcaption></figure><p><br>বয়সের তুলনায় এই অঙ্ক অবিশ্বাস্যই বলতে হবে। যে বয়সে অনেক ফুটবলার মূল দলে জায়গা পাওয়ার স্বপ্ন দেখেন, সেই বয়সেই ইয়ামাল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা ফুটবলারদের একজন।</p><p>তবে সব হিসাবের শেষে আবার ফিরে আসতে হয় সেই মেসি-রোনালদোর কাছেই।<br>একসময় তাঁদের লড়াই ছিল কে বেশি গোল করবেন, কে বেশি ব্যালন ডি’অর জিতবেন, কে হবেন সর্বকালের সেরা। এখন সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেকটাই সরে এসেছে মাঠের বাইরে। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতার তীব্রতা কমেনি।</p><p>ওদিকে ইয়ামাল, এমবাপ্পে, হলান্ডরা অপেক্ষায় আছেন। মাঠের রাজত্বের পাশাপাশি আর্থিক সাম্রাজ্যটাও নিজেদের করে নিতে চান তাঁরা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/o36v0k8nap">মেসি, এমবাপ্পে, ইয়ামাল, কেইন—ব্যালন ডি’অরে সাবেকদের ফেবারিট কে</a></aside><p>ফুটবলে প্রজন্মের পালাবদল হয়তো শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু টাকার খেলায় মেসি-রোনালদোর যুগ এখনো শেষ হয়নি।</p><p>মাঠের সিংহাসনে নতুন রাজা আসতে পারেন। কিন্তু সাম্রাজ্যের কোষাগারের চাবি এখনো দুই পুরোনো সম্রাটের হাতেই।</p>

Prothomalo

View more
বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে হত্যাচেষ্টায় ৩ শুটার গ্রেপ্তার
বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে হত্যাচেষ্টায় ৩ শুটার গ্রেপ্তার

<p>বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে…</p><figure></figure>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
সৌদিতে সুইটির মৃত্যুদণ্ড, মির্জাপুরে শোক
সৌদিতে সুইটির মৃত্যুদণ্ড, মির্জাপুরে শোক

সৌদিতে সুইটির মৃত্যুদণ্ড, মির্জাপুরে শোক

অক্টোবর ২০, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে কী নিয়ে আলোচনা হবে, জানালেন পররাষ্ট্রসচিব
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে কী নিয়ে আলোচনা হবে, জানালেন পররাষ্ট্রসচিব

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে মেট্রোরেলের ব্যয় কমানো ও ঋণের সুদের হার কমানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ২০ অক্টোবর দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এ তথ্য জানান। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
পুলিশের অভিযানে আটক ৮৫, বাড়ির মালিক অতিরিক্ত ডিআইজিকে ওএসডি
পুলিশের অভিযানে আটক ৮৫, বাড়ির মালিক অতিরিক্ত ডিআইজিকে ওএসডি

অভিযানে বাড়িটি থেকে ২৬ জন নারীসহ ৮৫ জনকে আটক করা হয়। সেখান থেকে গাঁজা, ইয়াবা, মদ ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

অক্টোবর ২০, ২০২৬
হাড়ের যত্নে সচেতন হোন আগে থেকেই
হাড়ের যত্নে সচেতন হোন আগে থেকেই

এ বছর আন্তর্জাতিক অস্টিওপোরোসিস ফাউন্ডেশন অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে তিনটি মূল পরামর্শ দিয়েছে।

অক্টোবর ২০, ২০২৬
একই আঙিনায় মসজিদ–মন্দির, সম্প্রীতির বন্ধন বছরের পর বছর
একই আঙিনায় মসজিদ–মন্দির, সম্প্রীতির বন্ধন বছরের পর বছর

<p>লালমনিরহাটের পুরান বাজারে একই আঙিনায় মসজিদ ও মন্দির। বছরের পর বছর সম্প্রীতির বন্ধনে ধর্মীয় আচার পালন করছে দুই সম্প্রদায়ের মানুষ। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে…</p><figure></figure>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
অর্থনীতির নোবেল ২০২৬: সংকট, প্রত্যাশা ও বিশ্বাসযোগ্য নীতির পাঠ
অর্থনীতির নোবেল ২০২৬: সংকট, প্রত্যাশা ও বিশ্বাসযোগ্য নীতির পাঠ

একটি দেশের অর্থনীতি যখন আকস্মিক কিংবা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়—উচ্চ মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধির শ্লথগতি এবং অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে, তখন অর্থনীতিকে গতি দিতে কিংবা তার লাগাম টানতে নীতিনির্ধারকেরা আসলে কী করতে পারেন?

অক্টোবর ২০, ২০২৬
ফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ সেই ভারত
ফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ সেই ভারত

৩৩–২০ গোলে ম্যাচ জিতে বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফির ফাইনালে উঠে গেছে বাংলাদেশ।

অক্টোবর ২০, ২০২৬
ইশরাকের অভিযানের তিন দিন পরও প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবন
ইশরাকের অভিযানের তিন দিন পরও প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবন

<p>রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকের আস্তানায় ইশরাক হোসেনের অভিযানের তিন দিন পরও চলছে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবন। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ স্থানীয় লোকজনের। বিস্তারিত ভিডিওতে…</p><figure></figure>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন