ক্রিকেট

ফিফটির পর ৬ উইকেট, অবিশ্বাস্য মিনহাসে পাকিস্তানের বড় জয়

অক্টোবর ২০, ২০২৬
ফিফটির পর ৬ উইকেট, অবিশ্বাস্য মিনহাসে পাকিস্তানের বড় জয়
ফিফটির পর ৬ উইকেট, অবিশ্বাস্য মিনহাসে পাকিস্তানের বড় জয়
আরাফাত মিনহাসের ব্যাট হাতে ফিফটি ও ক্যারিয়ার সেরা ৬ উইকেটে ইংল্যান্ডকে ৮৭ রানে হারিয়ে রাওয়ালপিন্ডি ত্রিদেশীয় সিরিজে বড় জয় পেল পাকিস্তান।

Prothomalo

View more
‘হায় সেলুকাস!..তরুণদেরকে আরেকবার জাগতে হবে’, ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির
‘হায় সেলুকাস!..তরুণদেরকে আরেকবার জাগতে হবে’, ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির

<p>পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) আবদুল্লাহ আল জহিরের মালিকানাধীন বাড়ি থেকে ৮৪ জন নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।</p><p>মঙ্গলবার রাতে নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে শফিকুর রহমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, জনদুর্ভোগ নিরসন ও অপকর্ম দমনের পরিবর্তে সরকার এখন বিরোধী দলের চরিত্র হননে ব্যস্ত।</p><p>ফেসবুক স্ট্যাটাসে জামায়াতের আমির লেখেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত একজন অতিরিক্ত ডিআইজির মালিকানাধীন একটি বাড়ি থেকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার দায়ে ৮৪ জন নারী-পুরুষকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। একই সঙ্গে বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পণ্য (মাদক) উদ্ধার করা হয়েছে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘এখান থেকেই বোঝা যায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কতটা অবনতি হয়েছে। দেশের সর্বত্র আইনশৃঙ্খলাবিরোধী ও অসামাজিক কার্যকলাপের পাশাপাশি চাঁদাবাজির মহোৎসব, ছিনতাই, লুণ্ঠন ও ডাকাতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।’</p><p>পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বাড়িতে এমন ঘটনা প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান লেখেন, ‘স্বয়ং পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মালিকানাধীন বাড়িতে এ ধরনের অপকর্ম সংঘটিত হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।’ স্ট্যাটাসের শেষাংশে তরুণদের জাগার আহ্বান জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘হায় সেলুকাস! আমাদের এই বাংলাদেশ! তরুণদের আরেকবার জাগতে হবে।’</p><p><strong>বিভাগীয় তদন্তের দাবি</strong></p><p>এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে একই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের শাস্তি এবং বাড়ির মালিক অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান।</p><p>বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব বলেন, পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মালিকানাধীন বাড়িতে এ ধরনের ঘটনা উদ্বেগজনক ও লজ্জাজনক। ঘটনার নেপথ্যে যাঁরা জড়িত এবং এ ধরনের অপরাধের যাঁরা পৃষ্ঠপোষকতা করেন, তাঁদেরও খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান তিনি।</p><p>এ ছাড়া মাদকের বিস্তার রোধে সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব বিভাগ ও দেশবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান জামায়াতের এই নেতা।</p>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
‘পারিবারিক বন্ধু’ কেন এই হামলা করলেন, সেই রহস্য খুঁজছে পুলিশ
‘পারিবারিক বন্ধু’ কেন এই হামলা করলেন, সেই রহস্য খুঁজছে পুলিশ

<p>অস্ট্রেলিয়ায় ফেডারেল পার্লামেন্টের স্বতন্ত্র নারী সদস্য (এমপি) হেলেন হেইন্সকে (৬৫) নিজের কার্যালয়ের সামনে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় সবচেয়ে বড় বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে হামলাকারীর পরিচয়। সন্দেহভাজন ওই হামলাকারী এমপির ২০ বছরের পুরোনো পারিবারিক বন্ধু। ঠিক কী কারণে দীর্ঘদিনের চেনা একজন মানুষ এমন ভয়াবহ হামলা চালালেন, এখন সে প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছে পুলিশ।</p><p>গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তির বাবা জানিয়েছেন, ওই এমপি তাঁদের পারিবারিক বন্ধু। ২০ বছরের পুরোনো এই সম্পর্ক।</p><p>৪৩ বছর বয়সী ব্রেন্ডন নিউজান্ট নামের ওই ব্যক্তি কেন এমন ভয়ংকর হামলা চালালেন, তা নিয়ে সবাই অবাক। কারণ, ব্রেন্ডন সব সময় এমপি হেলেনের কাজের প্রশংসা করতেন এবং তাঁকে দারুণ সমর্থন করতেন।</p><p>পুলিশ তাঁকে একজন পরিবেশকর্মী হিসেবে শনাক্ত করেছে। ব্রেন্ডন মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিবেশবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর পাস করেছেন। তিনি এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরায়েলকে সমর্থনের কারণে ব্রিটেনের সমালোচনা করেছিলেন।</p><p>ইন্ডি আসনের স্বতন্ত্র এমপি হেলেন হেইন্স পরিবেশের পক্ষে কথা বলতেন এবং গাজায় ইসরায়েলি ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া সরকারের নীরবতার নিন্দা জানাতেন। এসব কারণে ব্রেন্ডন আগে তাঁর প্রশংসাও করেছিলেন।</p><p>হেলেন এমপি হওয়ার পর ফেসবুকে সমর্থন জানিয়ে পোস্ট শেয়ার করেছিলেন ব্রেন্ডন। এমনকি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় কনজারভেটিভ দলের অর্থায়নে হওয়া ‘স্বতন্ত্র-বিরোধী প্রচারণার’ সমালোচনা করে একটি পোস্ট এমপি হেলেনকেও ট্যাগ করেছিলেন তিনি।</p><p>ব্রেন্ডনের বাবা রড নিউজান্ট একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেছেন, তাঁর পরিবার ২০ বছর ধরে মিসেস হেইন্সের বন্ধু। তিনি এই ‘ভয়াবহ অপরাধের’ তদন্তে পুলিশকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, কয়েক মাস ধরে ব্রেন্ডনের আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা যাচ্ছিল।</p><p>রড নিউজান্ট বিবৃতিতে বলেন, ‘হেলেন হেইন্স আমাদের স্থানীয় সমাজের একজন গভীরভাবে সম্মানিত, মূল্যবান এবং অনেক প্রিয় সদস্য।’ তিনি বলেন, ‘হেলেন ২০ বছরের বেশি সময় ধরে আমাদের বন্ধু এবং গতকাল তাঁর সঙ্গে যা ঘটেছে, তা চরম ধ্বংসাত্মক এবং ভাবনার অতীত। আমাদের সব ভালোবাসা ও প্রার্থনা হেলেন এবং তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে রয়েছে।’</p><p>এত ভালো সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কেন তিনি এই হামলা করলেন? মঙ্গলবার গোয়েন্দারা ব্রেন্ডনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে হামলার আসল উদ্দেশ্য এখনো অস্পষ্ট।</p><p>পুলিশ ধারণা করছে, ব্রেন্ডনের মানসিক সমস্যা থাকতে পারে। তিনি সামাজিক মাধ্যমে ‘দীর্ঘস্থায়ী ব্যথায়’ ভোগার কথাও বলেছিলেন এবং জানিয়েছিলেন যে তিনি ‘নিঃস্ব’ বা আর্থিকভাবে কষ্টে আছেন।</p><p>ধারণা করা হচ্ছে, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের আগে ব্রেন্ডনকে একবার মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/arf56qu8/Aus-MP-Attacked-2.jpg"><figcaption>অস্ট্রেলিয়ার ওয়াঙ্গারাট্টায় এমপি হেলেন হেইন্সের ওপর গাড়ি হামলার ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছেন পুলিশ সদস্যরা। ১৯ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p><strong>অনলাইনে খুব রাগ দেখাতেন ব্রেন্ডন</strong></p><p>ব্রেন্ডন অনলাইনে রাজনীতি নিয়ে অনেক সরব ছিলেন। ২০২৪ সালের একটি পোস্টে গাজায় যুদ্ধ বন্ধের জন্য ইসরায়েলকে আহ্বান জানানোর পর তিনি সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারেরও সমালোচনা করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, ‘ইসরায়েল যে রাফায় নির্দোষ মানুষের ওপর বোমা বর্ষণ করছে, তার একমাত্র কারণ হলো, আপনাদের মতো মানুষ তাদের এটা করার জন্য কূটনৈতিক ঢাল এবং সামরিক সহায়তা দেয়।’</p><p>আরেকটি পোস্টে ব্রেন্ডন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংকে আক্রমণ করেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে ‘হাজার হাজার শিশু হত্যার জন্য ইসরায়েলকে দায়মুক্তি দেওয়ার’ অভিযোগ তোলেন।</p><p>মজার ব্যাপার হলো, এমপি হেলেনের চিন্তাভাবনাও ব্রেন্ডনের মতোই ছিল। একজন সাবেক ধাত্রী মিসেস হেইন্স স্বাস্থ্যবিষয়ক প্ল্যাটফর্মে প্রচার চালিয়েছিলেন এবং ২০১৯ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর ‘শক্তিশালী পরিবেশ সুরক্ষার পক্ষে জোরালো কণ্ঠস্বর’ হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।</p><p>পরিবেশ ধ্বংসকারীদের কঠোর শাস্তির বিধান রেখে অস্ট্রেলিয়ার সংরক্ষণ আইন সংস্কারের প্রস্তাবে হেইন্স সমর্থন জানিয়েছিলেন। এমনকি ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা নিয়েও তিনি বারবার কথা বলেছেন।</p><p><strong>ভয়ংকর সেই ঘটনা</strong></p><p>সোমবার মেলবোর্নের উত্তর-পূর্বে ওয়াঙ্গারাট্টায় নিজ নির্বাচনী কার্যালয়ের বাইরে হেলেন হেইন্সের ওপর ব্রেন্ডন নিউজান্ট তাঁর টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজারটি দুবার তুলে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।</p><p>হেইন্স তাঁর নির্বাচনী এলাকায় একটি ডগ পার্কের উদ্বোধনে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি কার্যালয়ের বাইরে নিজের গাড়ির পেছন থেকে জিনিসপত্র নামাচ্ছিলেন, ঠিক সে সময় গাড়িটি তাঁর দিকে ধেয়ে আসে।</p><p>প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তাঁরা সাদা রঙের ল্যান্ড ক্রুজারটিকে ওয়াঙ্গারাট্টার পূর্বে ৪০০ মানুষের শহর টারাউইনগির প্রধান সড়কে ইউটার্ন নিতে দেখেন। এরপর এটি কার পার্কে ঢুকে তাঁকে (হেইন্স) ধাক্কা দেয় এবং পরে উল্টো দিকে (রিভার্স) গিয়ে তাঁকে দ্বিতীয়বার ধাক্কা দেয়।</p><p>আরেকজন প্রত্যক্ষদর্শী সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে বলেছেন, তাঁরা গাড়িটিকে হেলেন হেইন্সকে কয়েকবার ধাক্কা দিতে দেখেছেন।</p><p>এই ভয়াবহ হামলার কারণে ৬৫ বছর বয়সী হেইন্সের একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। মেলবোর্নের আলফ্রেড হাসপাতালে চিকিৎসকেরা তাঁর অন্য পা বাঁচানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।</p><p>সাহায্য করতে এগিয়ে আসা পথচারীরা জানান, সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তির কাছে একটি ছুরি ছিল এবং তাঁকে এলোমেলো কথা বলতে দেখা যায়।</p><p>রিকি জেফরিস নামের একজন সেলুনকর্মী গাড়ির দিকে দৌড়ে যান। তিনি ব্রেন্ডনকে গাড়ি থেকে টেনে বের করেন এবং পুলিশ আসা পর্যন্ত তাঁকে শক্ত করে ধরে রাখেন। একটি দোকানের কর্মী কোডি লাপোইদেভিনও এ সময় দ্রুত এগিয়ে এসে তাঁকে সাহায্য করেন।</p><p>জেফরিস বলেন, ‘তার কাছে একটি ছুরি ছিল। সে এটি বের করেনি। আমি তার নড়াচড়া দেখে ভরসা পাচ্ছিলাম না, তাই আমি কেবল তার পকেট থেকে ওটা বের করে ছুড়ে ফেলে দিই।’</p><p>পথচারীরা হেইন্সের পায়ে সাময়িক ব্যান্ডেজ লাগিয়ে দেন এবং পুলিশকে ডাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ কর্মকর্তারা ব্রেন্ডনকে আটক করেন। হেইন্সকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে মেলবোর্নে উড়িয়ে নেওয়া হয়।</p>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
সরকারপ্রধান হিসেবে চট্টগ্রামের দুর্গাপূজায় প্রথম এলেন তারেক রহমান
সরকারপ্রধান হিসেবে চট্টগ্রামের দুর্গাপূজায় প্রথম এলেন তারেক রহমান

<p>চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী যাত্রা মোহন সেন হলের (জে এম সেন হল) দুর্গা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান জে এম সেন হলে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন। আজ মঙ্গলবার রাত সোয়া আটটার দিকে দলীয় নেতা-কর্মী ও মন্ত্রীদের নিয়ে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় আয়োজক কমিটির হাতে ২০ লাখ টাকার চেকও তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।</p><p>এর আগে এর আগে সামরিক বিমানযোগে আজ সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে রাজশাহী থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতি মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p><p>চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিখিল কুমার নাথ প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জে এম সেন হলে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। এর আগে ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া চট্টগ্রামের জে এম সেন হলে জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন।’</p><p>অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি এটুকু বলার জন্য—এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার, এই দেশ আমাদের সকলের। আমরা যেই ধর্মের হই না কেন, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশি। যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে আমরা বড় হচ্ছি, আমরা এই দেশের নাগরিক। আমাদের একমাত্র পরিচয়, ধর্মের পরিচয় নয়; আমাদের একমাত্র পরিচয়, আমরা বাংলাদেশের নাগরিক।’</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে এই বাংলাদেশের মানুষ জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিল। যুদ্ধের মাধ্যমে তারা এই প্রিয় মাতৃভূমিকে ছিনিয়ে এনেছিল...যাঁরা যুদ্ধ করেছিলেন, যাঁরা শহীদ হয়েছিলেন, সেদিন কিন্তু আমরা দেখিনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিষ্টান। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। সে সময়ও ছাত্র-জনতাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীরা রাজপথে নেমে এসেছিলেন। সেদিনও কিন্তু আমরা দেখিনি, আমার পাশের কর্মীটি কোন ধর্মের।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/x4zwwmq9/WhatsApp_Image_2026_10_20_at_10_48_11_PM.jpeg"><figcaption>পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় দর্শনার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান</figcaption></figure><p>তারেক রহমান বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে এই দেশের মানুষ, এই দেশের ছাত্র-জনতা এক স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। সে সময় কেউ কিন্তু আমরা জিজ্ঞেস করিনি, গুলি খাওয়া মানুষটি মুসলমান, নাকি হিন্দু, নাকি বৌদ্ধ, নাকি খ্রিষ্টান। স্বৈরাচার গুলি করেছে, ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছে। আমার ভাই শহীদ হয়েছেন, আমার ভাই আহত হয়েছেন। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, তাঁর ধর্মপরিচয় কী। ডাক্তারও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে জিজ্ঞেস করেননি, তাঁর ধর্মপরিচয় কী। তাঁর ধর্মপরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দেবেন, এমন ঘটনা ঘটেনি।’</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুসলমান হিসেবে বাংলাদেশে যদি সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু এই শব্দ দিয়ে কাউকে যাচাই-বাছাই করতে হয়, তাহলে হয়তো আমি এখানে সংখ্যাগুরু। কিন্তু আমি যখন লন্ডনে ছিলাম, আমি কি সংখ্যাগুরু ছিলাম? সেই দেশে তো অন্য ধর্মের মানুষ বেশি। আমি তো ওখানে সংখ্যালঘু ছিলাম। কাজেই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু কোনো বিষয় নয়। বিষয় একটাই—আপনি বাংলাদেশি।’</p><p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই দেশের আইন আমার জন্য যেভাবে প্রযোজ্য, এই দেশের আইন আপনার জন্যও প্রযোজ্য। এই দেশের ওপর আপনার যে অধিকার আছে, এই দেশের ওপর আমারও সেই অধিকার আছে। এই রাষ্ট্র আপনাকে যা দেবে, এই রাষ্ট্র আমাকে তা-ই দেবে। ১৯৭১ থেকে ২০২৪—লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একটিই ছিল, সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত—সেটি একটি বাংলাদেশ গড়া, যেখানে আমরা সকলে শান্তিতে থাকব, একটি বাংলাদেশ গড়া, যেখানে আমরা সকলে মিলেমিশে থাকব।’</p><p>সবার সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, আপনি মুসলমান হোন, আপনি বৌদ্ধ হোন, খ্রিষ্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ, আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।’</p>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
রণদাপ্রসাদ সাহা বাড়ির পূজামণ্ডপে মন্ত্রীসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা
রণদাপ্রসাদ সাহা বাড়ির পূজামণ্ডপে মন্ত্রীসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খানের পাশাপাশি ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স তৃষিতা মওলা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

অক্টোবর ২০, ২০২৬
‘এখন থেকে ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে দিতে হবে’ বলে কুরিয়ার সার্ভিসের গুদামে ঢুকে ভাঙচুর-লুটপাট
‘এখন থেকে ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে দিতে হবে’ বলে কুরিয়ার সার্ভিসের গুদামে ঢুকে ভাঙচুর-লুটপাট

<p>‘এখন থেকে জমির ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনকে দিতে হবে’—এই কথা বলে রাজধানীর হাজারীবাগে এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিসের গুদাম ও কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগ উঠেছে। ভাঙচুর শেষে কয়েক লাখ টাকার পণ্য ও সিসি ক্যামেরা খুলে নিয়ে গেছে সন্ত্রাসীরা।</p><p>আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে শিকদার মেডিকেল কলেজসংলগ্ন ওই কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।</p><p>ঘটনার বর্ণনা করে এ জে আর গ্রুপের কর্মকর্তারা জানান, সন্ধ্যায় শতাধিক ব্যক্তি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। প্রথমে তারা কার্যালয়ের আশপাশের বাড়ির সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে দেয়। পরে সন্ত্রাসীদের একটি দল দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের হুমকি দেয়। সন্ত্রাসীরা মুখোশ ও হেলমেট পরা ছিল। পরে গুদামে ঢুকে ক্যামেরা ও ডিভিআর (ফুটেজ সংরক্ষণের যন্ত্র) খুলে নেয়। যাওয়ার আগে কার্যালয়ের আসবাব ভাঙচুর ও বেশ কয়েকটি ল্যাপটপ লুট করে নেয় হামলাকারীরা।</p><p>প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই বছর আগে শিকদার গ্রুপের কাছ থেকে চুক্তির মাধ্যমে জমিটি ভাড়া নেয় এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিস। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গুদাম ও কার্যালয় নির্মাণ করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী এত দিন শিকদার গ্রুপকে ভাড়া দিয়ে আসছিল তারা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/kp9xxxx0/WhatsApp-Image-2026-10-20-at-11.20.34-PM.jpeg"><figcaption>এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয় থেকে সিসি ক্যামেরা ও ডিভিআর নিয়ে গেছে হামলাকারীরা। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর হাজারীবাগে</figcaption></figure><p>সন্ত্রাসীদের বরাত দিয়ে এজেআরের কর্মকর্তারা আরও জানান, হামলাকারীরা দাবি করে শিকদার গ্রুপের মালিকের সঙ্গে কথা হয়েছে। এখন থেকে জমির ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে দিতে হবে। ভাড়া না দিলে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলেও নিরাপত্তাকর্মীদের হুমকি দেয় তারা। কার্যালয়টি থেকে প্রতিদিন ৪০০ গাড়ি সারা দেশে পণ্য আনা নেওয়ার কাজ করে। হামলার পর তাদের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।</p><p>হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের নাম করে একটি দল কার্যালয়ে ভাঙচুর ও হুমকি দিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কাউকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতে দেওয়া হবে না।</p>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
চুম্বনদৃশ্য নিয়ে নতুন ভাবনা হ্যাথাওয়ে ও জনসনের
চুম্বনদৃশ্য নিয়ে নতুন ভাবনা হ্যাথাওয়ে ও জনসনের

হলিউডের নতুন সিনেমা ‘ভেরিটি’তে অ্যান হ্যাথাওয়ে ও ডাকোটা জনসনের সঙ্গে একাধিক অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করেছেন জশ হার্টনেট।

অক্টোবর ২০, ২০২৬
কৃষকদের মহা মিলনমেলা: দেশজুড়ে চলছে ‘সোনালীকা ডে ২০২৬’
কৃষকদের মহা মিলনমেলা: দেশজুড়ে চলছে ‘সোনালীকা ডে ২০২৬’

<p>ট্রাক্টরের ফ্রি সার্ভিসিং, পার্টসে বিশেষ ছাড়, ফ্রি স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নতুন বুকিং অফার নিয়ে দেশজুড়ে চলছে এসিআই মোটরসের বর্ণাঢ্য আয়োজন ‘সোনালীকা ডে ২০২৬’। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
চার ব্রোকারেজ হাউসের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা ৫ লাখ টাকা করে ফেরত পাবেন
চার ব্রোকারেজ হাউসের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা ৫ লাখ টাকা করে ফেরত পাবেন

<p>দেশের শেয়ারবাজারের চারটি ব্রোকারেজ হাউসের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ পাবেন। ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ‘ইনভেস্টরস প্রোটেকশন ফান্ড’ থেকে এই অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।</p><p>আজ সোমবার বিএসইসির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান। পরে বিএসইসি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।</p><p>যে চার ব্রোকারেজ হাউজের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা অর্থ ফেরত পাবেন, সেগুলো হচ্ছে বাংকো সিকিউরিটিজ লিমিটেড, তামহা সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও শাহ মোহাম্মদ সগীর অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের যাচাইকৃত ও অনিষ্পন্ন দাবির বিপরীতে এই অর্থ দেওয়া হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।</p><p>দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) গত ২৯ সেপ্টেম্বর শেয়ারবাজারে অর্থ আত্মসাৎ ও জালিয়াতির শিকার হওয়া বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করে। প্রথম দফায় মশিউর সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক দেওয়া হয়।</p><p>পুঁজিবাজারে অর্থ আত্মসাৎ ও জালিয়াতি করে খেলাপি হওয়া পাঁচটি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের ১৭ হাজার ৩৩২ জন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর ৭২ কোটি টাকা পাওনা পরিশোধ করবে ডিএসই।</p><p><strong>কমোডিটি ডেরিভেটিভসে ৬ সংস্থা</strong></p><p>এদিকে দেশে প্রথমবারের মতো চালু হতে যাওয়া কমোডিটি এক্সচেঞ্জে লেনদেনের অনুমোদন পেয়েছে ছয় ব্রোকারেজ হাউস। গতকাল বিএসইসির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে সোহেল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এনএলআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, বি রিচ লিমিটেড, পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড।</p><p>এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) চালু হতে যাওয়া কমোডিটি এক্সচেঞ্জে লেনদেন করা যাবে। তবে ভবিষ্যতে ব্রোকারেজ হাউসের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আগামী বছরের মধ্যে সিএসইতে  কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু হওয়ার কথা রয়েছে।</p>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
বাভুমার ক্যারিয়ার–সর্বোচ্চ ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার ৪২৫
বাভুমার ক্যারিয়ার–সর্বোচ্চ ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার ৪২৫

১৭৯ রান করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। গেবেখা টেস্টের তৃতীয় দিনে ৪২৫ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

অক্টোবর ২০, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন