সম্পর্ক

এই দুই দেশে বিবাহবিচ্ছেদের সুযোগ নেই, তাহলে?

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
এই দুই দেশে বিবাহবিচ্ছেদের সুযোগ নেই, তাহলে?
এই দুই দেশে বিবাহবিচ্ছেদের সুযোগ নেই, তাহলে?
<p>সম্পর্ক ভেঙে যেতেই পারে। একসঙ্গে পথচলার ইচ্ছা বদলে যাওয়া কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা নয়, বরং নানা বৈপরীত্য, জটিলতা ও বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বৈবাহিক সম্পর্ক আইনগত, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সহজ, স্বতঃস্ফূর্তভাবে শেষ হওয়াই সমীচীন। কিন্তু আইনের চোখে বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানার সুযোগ না থাকলে কী করার থাকে?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/rqe55e88/pexels-photo-7528519.avif"><figcaption>ফিলিপাইনে অধিকাংশ বিবাহিত দম্পতির জন্য প্রচলিত বিবাহবিচ্ছেদের সাধারণ আইন নেই</figcaption></figure><p>বিশ্বের অধিকাংশ দেশে বিবাহবিচ্ছেদের আইনি ব্যবস্থা থাকলেও ব্যতিক্রমও আছে। ফিলিপাইন ও ভ্যাটিকান সিটি এমন দুটি দেশ, যেখানে সাধারণ বিবাহবিচ্ছেদের সুযোগ নেই। তবে দাম্পত্যে সংকট তৈরি হলে দেশ দুটিতে স্বামী-স্ত্রীর সামনে কিছু আইনি ও ধর্মীয় বিকল্প আছে।</p><h3>ফিলিপাইন</h3><p>ফিলিপাইনে অধিকাংশ বিবাহিত দম্পতির জন্য প্রচলিত বিবাহবিচ্ছেদের সাধারণ আইন নেই। তবে আইনি বিচ্ছেদ (আইনগতভাবে আলাদা থাকা), বিয়ে বাতিল এবং বিয়েকে শুরু থেকেই অবৈধ ঘোষণার ব্যবস্থা আছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/arpsk3x0/pexels-photo-16519714.avif"><figcaption>ফিলিপাইনে আইনি বিচ্ছেদ মানেই বিবাহবিচ্ছেদ নয়। আদালত স্বামী-স্ত্রীকে আলাদা থাকার অনুমতি দিলেও তাঁদের বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকে</figcaption></figure><p>আইনি বিচ্ছেদ মানেই বিবাহবিচ্ছেদ নয়। আদালত স্বামী-স্ত্রীকে আলাদা থাকার অনুমতি দিলেও তাঁদের বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকে। ফলে তাঁরা সাধারণত নতুন করে বিয়ে করতে পারেন না।</p><p>শারীরিক নির্যাতন, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক কিংবা সঙ্গীকে পরিত্যাগ করার মতো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আইনি বিচ্ছেদের আবেদন করা যায়। অন্যদিকে বিয়ে বাতিল বা অবৈধ ঘোষণার ক্ষেত্রে বিয়েটি আইনগতভাবে বৈধ ছিল কি না, তা বিবেচনা করা হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/i8bge99f/pexels_photo_19103175.avif"><figcaption>ফিলিপাইনে একবার বিয়ের পর বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ</figcaption></figure><p>তবে ফিলিপাইনে মুসলিমদের জন্য পৃথক পারিবারিক আইন আছে। নির্দিষ্ট শর্তে এই আইনের আওতাভুক্ত দম্পতিরা তালাক, খুলা কিংবা আদালতের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদের সুযোগ পান।</p><p>এ ছাড়া বিদেশে হওয়া কিছু বিবাহবিচ্ছেদ নির্দিষ্ট শর্তে ওই দেশটিতে স্বীকৃতি পেতে পারে। তবে এককথায় একবার বিয়ের পর বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রথম সম্পর্ক থেকে আইনগতভাবে বের হয়ে নতুন করে বিয়ে করে সম্পর্কে থিতু হওয়া প্রায় অসম্ভব।</p><p>অনেকেই তাই দেশ পরিবর্তন করে নতুন দেশে থিতু হয়ে সেখানকার আইনে পছন্দের মানুষকে বিয়ে করে আবার সংসার শুরু করেন। তবে সেই সুযোগ খুব কম মানুষই পায়।</p><h3>ভ্যাটিকান সিটি </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/e0tosho9/pexels-photo-12095165.avif"><figcaption>ভ্যাটিকান সিটিতে বিয়ে এক অবিচ্ছেদ্য বন্ধন</figcaption></figure><p>এখানে বিয়ে এক অবিচ্ছেদ্য বন্ধন। ভ্যাটিকান সিটিতে ক্যাথলিক চার্চের ধর্মীয় আইন অনুযায়ী, বৈধ ও পরিপূর্ণভাবে সম্পন্ন বিয়েকে সাধারণভাবে বিচ্ছিন্ন করা যায় না। এই বিশ্বাসের ভিত্তিতে সেখানে প্রচলিত বিবাহবিচ্ছেদের ব্যবস্থা নেই।</p><p>তবে নির্দিষ্ট শর্তে কোনো বিয়েকে অবৈধ ঘোষণা করার সুযোগ আছে। এর মানে, বিয়েটি শুরু থেকেই ধর্মীয় আইনের শর্ত পূরণ করেছিল কি না, তা যাচাই করা। সম্পর্ক ভেঙে গেছে বলেই বিয়ে অবৈধ হয়ে যায় না।</p><p>এ ছাড়া নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে স্বামী-স্ত্রী আলাদা থাকতে পারেন। কিন্তু আলাদা থাকা মানেই বৈবাহিক বন্ধনের অবসান নয়। ফলে দ্বিতীয় বিয়ে করার সুযোগ নেই বললেই চলে। সে ক্ষেত্রে অন্য দেশের নাগরিকত্ব নিয়ে সেই দেশের আইনে প্রথম বিয়েকে অবৈধ ঘোষণা করে তারপর আইনগতভাবে দ্বিতীয় বিয়ের দিকে আগানো যেতে পারে। যা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল ও জটিল।</p><p><sup>সূত্র: এমএসএন</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/7lzmo5g7is">বিচ্ছেদ উদ্‌যাপনের নতুন ধারা ‘ডিভোর্স রিং’</a></aside>

Prothomalo

View more
বক-মহিষের সখ্য
বক-মহিষের সখ্য

<p>হাওরের মাঠে ঘাস খেয়ে বেড়ায় মহিষের পাল। তাদের ঘিরে ঘুরে বেড়ায় সাদা বক। কখনো মহিষের পিঠে বসে, কখনো পায়ের কাছে ঘোরাফেরা করে খাবারের সন্ধান করে পাখিগুলো। মহিষের শরীরে থাকা পোকামাকড় খুটে খায় বক। এভাবে একই পরিবেশে খাবারের খোঁজে দিন কাটে দুই প্রাণীর। প্রকৃতিতে টিকে থাকার এই সহজ সম্পর্ক যেন একে অপরের সঙ্গী হয়ে ওঠার গল্প। হাওরের বিস্তীর্ণ মাঠে বক আর মহিষের এমন দৃশ্য গ্রামীণ প্রকৃতির চেনা ছবি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/3h9xbodv/1.-Sylhetfriendship-between-egretsbuffaloesbirdsrural-naturehaor15102026.JPG"><figcaption>পানিতে গা ডুবিয়ে বসে আছে মহিষ। তার পিঠে বসেছে বক</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/e4nvwlot/2.-Sylhetfriendship-between-egretsbuffaloesbirdsrural-naturehaor15102026.JPG"><figcaption>বক-মহিষ মুখোমুখি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/cy9zh1g1/3.-Sylhetfriendship-between-egretsbuffaloesbirdsrural-naturehaor15102026.JPG"><figcaption>পানিতে নামার আগে বকগুলো</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/5y94x9kw/4.-Sylhetfriendship-between-egretsbuffaloesbirdsrural-naturehaor15102026.JPG"><figcaption>মহিষের পিঠে বসে আছে একটি বক, আরও একটি উড়ে এসে বসার প্রস্তুতি নিচ্ছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/1dm3q34j/5.-Sylhetfriendship-between-egretsbuffaloesbirdsrural-naturehaor15102026.JPG"><figcaption>মহিষের পিঠে তিন বকের বিচরণ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/lnt7nsjr/6.-Sylhetfriendship-between-egretsbuffaloesbirdsrural-naturehaor15102026.JPG"><figcaption>সারা দিন মহিষের পিঠ ও আশপাশে বসে খাবার খায় বকগুলো</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/l99hils7/7.-Sylhetfriendship-between-egretsbuffaloesbirdsrural-naturehaor15102026.JPG"><figcaption>পানি থেকে পাড়ে উঠছে মহিষ, পিঠে দাঁড়িয়ে আছে বক</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/xgcapdjh/8.-Sylhetfriendship-between-egretsbuffaloesbirdsrural-naturehaor15102026.JPG"><figcaption>মহিষ যেখানে, বকগুলোও সেখানে ভিড় করে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/nqqmp9t7/9.-Sylhetfriendship-between-egretsbuffaloesbirdsrural-naturehaor15102026.JPG"><figcaption>এবার পানি থেকে উঠেছে মহিষ, সঙ্গে বকগুলো </figcaption></figure>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
মুঠোফোন–কম্পিউটার থেকে মুছে ফেলা তথ্য উদ্ধার হবে, চট্টগ্রামেই যেভাবে শনাক্ত হবে সাইবার অপরাধ
মুঠোফোন–কম্পিউটার থেকে মুছে ফেলা তথ্য উদ্ধার হবে, চট্টগ্রামেই যেভাবে শনাক্ত হবে সাইবার অপরাধ

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/zegsk28v/WhatsApp-Image-2026-10-14-at-10.48.32-PM.jpeg"></figure><p>চট্টগ্রাম নগরে ৬৩ বিদেশি নাগরিককে গত সেপ্টেম্বর মাসে ল্যাপটপ, মুঠোফোন, ১৭০টি ডিভাইসসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা হয়। আসামিদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ঘটনার বিষয়ে তাঁরা মুখ খুলছেন না। এসব ডিভাইস দিয়ে তাঁরা কী করেছেন, কী তাঁদের উদ্দেশ্য, তা জানার জন্য ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষা দরকার। একমাত্র ভরসা ঢাকায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।</p><p> তবে এখন ইলেকট্রনিক নানা ডিভাইস ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আর ঢাকায় পাঠাতে হবে না। চট্টগ্রামেই করা যাবে এই পরীক্ষা। নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইনের ভেতর সিআইডি কার্যালয়ে পাশে গতকাল বুধবার দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘সাইবার পুলিশ সেন্টার’ সেন্টার উদ্বোধন করেন।</p><p> জানা গেছে, অন্য অপরাধের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার অপরাধ। চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে মামলা রয়েছে ১ হাজার ১১টি। এর মধ্যে বিচারাধীন ৯৬৭টি। উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ রয়েছে ২৮টির। পাঁচ বছরের বেশি বিচারাধীন ৬৫টি। ১০ বছরের বেশি বিচারাধীন ১৪টি।</p><p>আদালতের পাশাপাশি থানায়ও মামলা হচ্ছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে সাইবার আইনে হওয়া মামলার সংখ্যা ৫০। তবে এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীরা বেশি সাধারণ ডায়েরি ( জিডি) করে থাকেন। ঝামেলায় জড়াতে চান না। অনেকে লোকলজ্জার ভয়ে মামলা করেন না। প্রকল্পটির পরিচালক সিআইডি ঢাকার অতিরিক্ত ডিআইজি সরদার রুকন উজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ৫৯ কোটি ৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ব্যয়ে কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি সহায়তায় সাইবার পুলিশ সেন্টার করা হয়েছে।</p><blockquote>জানা গেছে, অন্য অপরাধের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার অপরাধ। চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে মামলা রয়েছে ১ হাজার ১১টি। এর মধ্যে বিচারাধীন ৯৬৭টি। উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ রয়েছে ২৮টির। পাঁচ বছরের বেশি বিচারাধীন ৬৫টি। ১০ বছরের বেশি বিচারাধীন ১৪টি।</blockquote><p>সরেজমিন দেখা গেছে, চারতলা এই ভবনের বিভিন্ন কক্ষে বসানো হয়েছে প্রয়োজনীয় আসবাব, কম্পিউটার ও ল্যাবের নানা সরঞ্জাম। দ্বিতীয় তলায় রয়েছে মোবাইল ফরেনসিক ল্যাব। সেখানে বসে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। রয়েছে ফরেনসিক গ্রহণ ও সভাকক্ষ। সিআইডি চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিশেষ পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, এখন থেকে চট্টগ্রাম বিভাগের ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য মুঠোফোন, ল্যাপটপসহ নানা ডিভাইস ঢাকা পাঠাতে হবে না। চট্টগ্রামেই পরীক্ষা করা যাবে। এতে সময় কম লাগবে। তিনি আরও বলেন, ফেসবুকে কেউ গুজব কিংবা অপপ্রচার চালালে সহজে শনাক্ত করা যাবে এই সাইবার সেন্টারে প্রযুক্তির সাহায্য। এতে সাইবার অপরাধ রোধ ও আগাম ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। ফলে অপরাধ কমবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/h0oxlyszuz">৮ তলার ভবনে নানা ডিভাইস নিয়ে ৬৩ বিদেশি নাগরিক কী করছিলেন, যা বলছে পুলিশ</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/yp0pqvr6/WhatsApp-Image-2026-10-14-at-10.48.56-PM.jpeg"><figcaption>চট্টগ্রামে সাইবার পুলিশ সেন্টার সেন্টার</figcaption></figure><p>৬৩ বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তারের মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট চট্টগ্রাম। জানতে চাইলে এটির দায়িত্বে থাকা উপপুলিশ কমিশনার শামীম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, কাউন্টার টেররিজমে তদন্তাধীন বেশির ভাগ মামলা সাইবার–সংক্রান্ত। এসব মামলার তদন্ত করতে ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষা খুবই প্রয়োজন। এর জন্য ঢাকা সিআইডিতে পাঠানো হয়। এতে অনেক সময়ক্ষেপণ হয়। এখন যেহেতু চট্টগ্রামে চালু হচ্ছে, তাতে সময় কম লাগবে।</p><aside><cite>শামীম হোসেন, উপপুলিশ কমিশনার, চট্টগ্রাম</cite>কাউন্টার টেররিজমে তদন্তাধীন বেশির ভাগ মামলা সাইবার-সংক্রান্ত। এসব মামলার তদন্ত করতে ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষা খুবই প্রয়োজন। এর জন্য ঢাকা সিআইডিতে পাঠানো হয়। এতে অনেক সময়ক্ষেপণ হয়। এখন যেহেতু চট্টগ্রামে চালু হচ্ছে, তাতে সময় কম লাগবে।</aside><p>পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাইবার পুলিশ সেন্টারের মাধ্যমে কম্পিউটার ও ডিজিটাল স্টোরেজ মিডিয়া থেকে গোপনীয় ডেটা উদ্ধার ও বিশ্লেষণ করা যাবে। এখানে মূল্যবান ডেটা সংরক্ষণ বা স্থানান্তর করা যাবে। অপরাধ ঢাকতে বা আলামত গায়েব করতে মুছে ফেলা তথ্য, মেমোরি ডাম্প, হার্ড ড্রাইভে ফাঁকা ফোল্ডার, বিভিন্ন জটিল ফাইলের ফরেনসিক পরীক্ষা করবে সাইবার পুলিশ সেন্টার। মুঠোফোন ফরেনসিকের মধ্যে রয়েছে অপরাধকাজে ব্যবহৃত মুঠোফোন ও যেকোনো ডিভাইস। ফরেনসিকে ল্যাবের মাধ্যমে মুঠোফোন, ট্যাব, জিপিএস, ডিভাইস, ড্রোন ইত্যাদি থেকে ডেটা উদ্ধার ও বিশ্লেষণ করা যাবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/pf0aa0192t">কক্সবাজারে ১ হাজার ৯৩৮টি আইফোন নিয়ে কী করছিলেন চীন ও তাইওয়ানের নাগরিকেরা </a></aside><p>সাইবার পুলিশ সেন্টারের মাধ্যমে যেসব ডেটা উদ্ধার ও বিশ্লেষণ করবে, তার মধ্যে আছে এসএমএস এবং এমএমএস বা এ–জাতীয় মুছে ফেলা ডেটা, কল লগ ও লিস্ট, ফোন আইএমইআই ও ইএসএন সম্পর্কিত তথ্য, ওয়েব ব্রাউজিং, ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সেটিংস, জিওলোকেশন তথ্য, ই-মেইল এবং ইন্টারনেট মিডিয়া ও ফর্ম, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং পরিষেবা, পোস্টসহ বিভিন্ন ডার্ক ও ডিপ ওয়েবসাইটের হোয়াইট কলার ক্রিমিনালদের অপরাধের আলামতগুলো। তা ছাড়া এই সেন্টারের মাধ্যমে অ্যাপ ডেটা, মেসেঞ্জার ডেটা ও ক্লাউড ড্রাইভে সংরক্ষিত ডেটাগুলো বিশ্লেষণ করে অপরাধ ও অপরাধীদের তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা হবে।</p><p>পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট চট্টগ্রামের উপপরিদর্শক রাসিব খান প্রথম আলোকে বলেন, সাইবার অপরাধের ধরনও দ্রুত বদলাচ্ছে। ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারণা, অনলাইন আর্থিক জালিয়াতি, অ্যাকাউন্ট দখল, ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণা, অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল মাধ্যমে হয়রানির মতো অপরাধের পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের নতুন নতুন ধরন সামনে আসছে। এসব অপরাধ শনাক্তের জন্য ফরেনসিক পরীক্ষা ছাড়া সম্ভব নয়। চট্টগ্রামে সাইবার পুলিশ সেন্টার হওয়ায় সাইবার অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করা যাবে।</p>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
রংতুলিতে শিশুদের স্বপ্নের আঁকিবুঁকি
রংতুলিতে শিশুদের স্বপ্নের আঁকিবুঁকি

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিশুদের কেউ প্রকৃতির সৌন্দর্য, কেউ গ্রামবাংলার দৃশ্য, আবার কেউ নিজের কল্পনার জগৎকে ছবির মাধ্যমে তুলে ধরে। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল তাদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও উৎসাহ-উদ্দীপনা।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
২০ টাকায় শিক্ষার্থীদের পেট ভরে খাবার, ছবেদ আলীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
২০ টাকায় শিক্ষার্থীদের পেট ভরে খাবার, ছবেদ আলীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

<p>কুড়িগ্রামের রৌমারীতে স্কুল ক্যানটিনে শিক্ষার্থীদের ২০ টাকায় খাবার দিচ্ছেন ছবেদ আলী। নিজের নানা সংকটের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের সামর্থ্যের কথা ভেবে নিয়েছেন এই উদ্যোগ। দেখুন ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
ঘর ভাঙার পর
ঘর ভাঙার পর

<p>বিল্টু মামার মেজাজ তিরিক্ষি। শত চেষ্টা করেও নিউজে আসতে পারছেন না। গত শীতে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন; ছবিতে কম্বলের আড়ালে মুখ ঢাকা পড়েছে। বৃক্ষরোপণ করেছেন; পত্রিকায় নাম এসেছে সভাপতির, মামাকে দেখা গেছে পেছনে কোদাল হাতে। প্রতিবাদে মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছিলেন; ব্যানারটা তাঁর উচ্চতার চেয়ে বড় হওয়ায় কেবল তাঁর পা দেখা যাচ্ছে।</p><p>অথচ দুই দিনের তারকাদের ঘর ভাঙলেও সংবাদ হয়! কেউ ঘর ভেঙে আলোচনায় আসেন, কেউ আলোচনায় আসার জন্য ঘর ভাঙেন। মামা দুটো পথই পরীক্ষা করতে চান। সমস্যা হলো, তিনি তারকা নন। মামি নিজেও ডিভোর্সে রাজি নন। মামা নাছোড় হয়ে তিন দিন বোঝালেন। বললেন, ‘প্রতিবছর আমরা ঘটা করে “বিচ্ছেদ দিবস” পালন করব।’ উম, মামি এতেও রাজি নন।</p><p>মামা মনে মনে বুদ্ধি আঁটলেন। বাড়ির সামনের পুরোনো ঘরটা বহুদিন ধরে খালি। এ ঘরটাই ভাঙবেন।</p><p>ঘর ভাঙার শ্রমিক ডাকলেন। সংবাদকর্মীদের আমন্ত্রণ পাঠালেন। দুই সাংবাদিক এলেন। একজন স্থানীয়, অন্যজন ভুল ঠিকানায়। মামা দুজনকেই সমান যত্নে বসালেন। ভুল করে আসা মানুষটিকেও বিরিয়ানি খাইয়ে সঠিক মানুষ বানানোর চেষ্টা করলেন।</p><p>একজন বুদ্ধি দিল, স্ত্রীকে সামনে রাখেন। মেয়েরা উদ্যোগ নিলে নিউজ করতে সুবিধা হয়।</p><p>ঘর ভাঙা শুরু হতেই পাশের স্কুলের প্রধান শিক্ষক এসে মামাকে জড়িয়ে ধরলেন। মামা ভাবলেন, ব্যক্তিগত শোক প্রকাশ করছেন। কিন্তু কাহিনি ভিন্ন। ঘরটির বাড়তি অংশের জন্য স্কুলের গলিটা সরু ছিল। শিশুদের চলাচলে অসুবিধা হতো। ঘর সরায় রাস্তা চওড়া হবে।</p><p>মামা বুক ফুলিয়ে ক্যামেরার দিকে ফেরেন। প্রধান শিক্ষক বললেন, ‘এই মহৎ কাজের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ভাবিকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তিনি সত্যিই একজন মহীয়সী নারী।...’</p><aside><cite></cite>‘এই মহৎ কাজের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ভাবিকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তিনি সত্যিই একজন মহীয়সী নারী।...’</aside><p>মামি মাথা নেড়ে মৃদু হাসলেন। এদিকে মামার হাতের হাতুড়ি হঠাৎ ভারী হয়ে গেল।</p><p>পরদিন সংবাদ বেরোল, ‘শিশুদের নিরাপত্তায় নিজের ঘর ভাঙলেন নারী’।</p><p>বড় ছবিতে মামি। পাশে প্রধান শিক্ষক। নিচের কোণে মামা, হাতে হাতুড়ি। সঙ্গে সঙ্গে মামা সাংবাদিককে ফোন করে নিজের নাম কোথায় আছে তা জানতে চাইলেন।</p><p>প্রতিবেদনে নাকি স্ত্রীকে স্বামীর সহযোগিতার কথা উল্লেখ আছে।</p><p>খুশির চোটে সন্ধ্যায় মামি সংবাদটি বাঁধিয়ে আনলেন। এদিকে মামা হিসাব কষছেন, ঘর ভাঙার মজুরি, মাইক, ব্যানার, বিরিয়ানি...। নিজের নামের প্রতি অক্ষরে প্রায় হাজার দুই খরচা।</p><p>এর মধ্যে মামি ফেসবুকে সংবাদটি দিয়েছেন। অভিনন্দন আসছে। এক সংগঠন তাকে সংবর্ধনাও দেবে। মামার দায়িত্ব মামিকে ঠিকমতো পৌঁছে দেওয়া।</p><p>মামা ভারাক্রান্ত মনে বাঁধানো সংবাদটি নামিয়ে সেখানে নিজের একটা বড় ছবি টাঙালেন।</p><p>মামি খেপে গেলেন। এমন মানুষের সঙ্গে সংসার করার চেয়ে আলাদা থাকাই ভালো।</p><p>কথাটা শুনে মামার মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। এত দিনে গিন্নি রাজি! তা ছাড়া মামি এখন পরিচিত মুখ। তার ঘর ভাঙলে নিশ্চয়ই খবর হবে!</p><p>সাংবাদিককে ফোন করতেই সম্ভাব্য শিরোনামও জানালেন, ‘ঘর ভাঙা সেই নারীর সংসারও ভাঙছে!’</p><aside><cite></cite>‘ঘর ভাঙা সেই নারীর সংসারও ভাঙছে!’</aside><p>মামা নিজের নামের জায়গাটার কথা জানতে চান, সাংবাদিক আশ্বস্ত করে বলেন, ভেতরে থাকবে, স্বামীর কারণেই সংসার ভাঙছে...!</p><p>মামা ফোন রেখে তাড়াতাড়ি মামির সংবাদের ছবিটা আবার টাঙিয়ে দিলেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/w7jkcfd4dv">আমার চিন্তা— রস+আলো আমাকে সামলাতে পারবে তো! মিশা সওদাগর</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/vm3hlrfc1h">তড়িৎ উক্তি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/9ixc8wrpeg">লোডশেডিং </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/xs8n5hu59n">উত্তপ্ত কাঁচাবাজার</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/hiksaptred">গ্যাঞ্জাম of সায়েন্সল্যাব</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/1b2pl7u0b9">ভদ্র ছেলেরা কখনো হাফপ্যান্ট পরে বাইরে যায়?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/uw52c84wv8">সবজান্তা সমীপেষু</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/89xajbzhk6">সেকালের বিজ্ঞাপন একালে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/816oy38o23">আহসান হাবীবের প্রিয় ৪ কৌতুক</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/2bbl7jm57n">ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে ফুলহাতা শার্ট পরা ছাড়া আর কী কী করা যেতে পারে?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/ild7ymelwa">তেলসংকটে মহাসমাধান</a></aside>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
কেন হুতিদের হামলা ঠেকাতে পারছে না সৌদি
কেন হুতিদের হামলা ঠেকাতে পারছে না সৌদি

কেন হুতিদের হামলা ঠেকাতে পারছে না সৌদি

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
৫ লাখ টাকার ডিজিটাল ঋণ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক, আবেদন করবেন কীভাবে
৫ লাখ টাকার ডিজিটাল ঋণ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক, আবেদন করবেন কীভাবে

<p>জরুরি প্রয়োজনে নগদ টাকার জোগানে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ডিজিটাল ঋণ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক। এ ঋণ পেতে ব্যাংকের শাখায় যেতে হবে না। এমনকি ঋণ প্রক্রিয়াকরণের জন্য কোনো সহায়ক নথি, জামিনদার বা চেকও জমা দিতে হবে না। যোগ্য গ্রাহকেরা অনলাইনে আবেদন করে কয়েক মিনিটের মধ্যে ঋণ অনুমোদনের সিদ্ধান্ত জানতে পারবেন।</p><p> ব্র্যাক ব্যাংকের এ ঋণের নাম ‘ইনস্ট্যান্ট লোন’। হাসপাতালে ভর্তি, বিয়ে, বাসাবাড়ি সংস্কার কিংবা ভ্রমণকালীন জরুরি অর্থের প্রয়োজনে এ ঋণ নেওয়া যাবে। ঋণ পরিশোধের জন্য গ্রাহকেরা ৩ থেকে ৬০ মাস পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদ বেছে নিতে পারবেন। মাসিক সমান কিস্তিতে (ইএমআই) ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হবে।</p><p><strong>কারা পাবেন</strong></p><p>ব্র্যাক ব্যাংকের ইনস্ট্যান্ট লোন পেতে আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ২১ বছর এবং সর্বোচ্চ ৬২ বছর হতে হবে। ব্র্যাক ব্যাংকে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেতন হিসাবধারীরা (স্যালারি অ্যাকাউন্টধারী) এ ঋণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তাঁদের মাসিক বেতন হতে হবে কমপক্ষে ১৫ হাজার টাকা। পাশাপাশি বর্তমান প্রতিষ্ঠানে অন্তত তিন মাসের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।</p><p>এ ছাড়া ব্যাংকের পণ্যের নীতিমালা অনুযায়ী নির্বাচিত চলতি হিসাব (কারেন্ট অ্যাকাউন্ট), সঞ্চয়ী হিসাব (সেভিংস অ্যাকাউন্ট) গ্রাহকের পাশাপাশি স্থায়ী আমানত (এফডিআর) ও মাসিক সঞ্চয় কর্মসূচির (ডিপিএস) গ্রাহকেরাও এ ঋণের জন্য যোগ্য হতে পারেন। তবে সব গ্রাহক স্বয়ংক্রিয়ভাবে এ ঋণ পাবেন না।</p><p><strong>কত টাকা পাবেন</strong></p><p>এ ঋণের সর্বোচ্চ সীমা পাঁচ লাখ টাকা। গ্রাহকের প্রয়োজন ও অনুমোদিত ঋণের পরিমাণ অনুযায়ী ঋণ নেওয়া যাবে। পরিশোধের মেয়াদ হবে ৩ বা ৬ মাস থেকে ৬০ মাস পর্যন্ত। ঋণের সুদের হার পরিবর্তনশীল। বাংলাদেশ ব্যাংকের সুদহার-সংক্রান্ত নির্দেশনা এবং ব্র্যাক ব্যাংকের প্রচলিত সুদহারের ভিত্তিতে তা নির্ধারিত হবে। এ ছাড়া রিটেইল বা খুচরা ঋণের জন্য ব্যাংকের নির্ধারিত শিডিউল অব চার্জেস (এসওসি) অনুযায়ী প্রযোজ্য মাশুল দিতে হবে।</p><p><strong>আবেদন করবেন যেভাবে</strong></p><p>এ ঋণের জন্য ব্যাংকের শাখায় যাওয়া কিংবা ব্যাংক প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করার প্রয়োজন নেই। যোগ্য গ্রাহকদের ব্যাংকের পাঠানো আমন্ত্রণমূলক এসএমএসের নির্দেশনা অনুসরণ করে আবেদন করতে হবে। ঋণ প্রক্রিয়াকরণের জন্য আলাদা কোনো সহায়ক নথি, জামিনদার বা চেক জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।</p><p>ব্যাংকের অফিস সময়ে আবেদন করলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঋণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। ছুটির দিন কিংবা অফিস সময়ের বাইরে আবেদন করলে পরবর্তী কার্যদিবসে তা প্রক্রিয়া করা হবে। ঋণ অনুমোদনের পর দুই মাসের মধ্যে ঋণের টাকা নিতে হবে গ্রাহককে। দুই মাস পরে অনুমোদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।</p><p><strong>ঋণ নেওয়ার আগে</strong></p><p>ঋণের সুদের হার পরিবর্তনশীল হওয়ায় আবেদন করার আগে প্রযোজ্য সুদের হার, প্রসেসিং ফি, অন্যান্য চার্জ এবং মাসিক কিস্তির পরিমাণ জেনে নেওয়া উচিত। ঋণের মেয়াদ যত বেশি হবে, সাধারণত মোট সুদের ব্যয়ও তত বাড়তে পারে। তাই নিজের মাসিক আয় ও নিয়মিত ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঋণের পরিমাণ ও পরিশোধের মেয়াদ নির্বাচন করা প্রয়োজন।</p>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
হাসান হাফিজ: এক জন্ম এভাবেই
হাসান হাফিজ: এক জন্ম এভাবেই

<p>হাসান হাফিজ সত্তর দশকের কবি। বহুপ্রজ কোবিদ। কবিতা লেখেন, গদ্য লেখেন, শিশুসাহিত্য করেন, সাংবাদিকতা করেন—দুই হাতে। প্রকাশিত গ্রন্থ দুই শতাধিক। গবেষণা গ্রন্থ, সাক্ষাৎকার গ্রন্থ, রঙ্গব্যঙ্গ, ফিচার গ্রন্থ, বিজ্ঞানবিষয়ক, শিশুতোষ রচনাসহ ইত্যাদির সম্ভার। কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ষাটের অধিক। এর মধ্যে দ্বিভাষিক দুটি—একসঙ্গে বাংলা ও ইংরেজি। বিভিন্ন সময়ে তাঁর কবিতা অনূদিত হয়েছে ইংরেজি, ফরাসি, চীনা, স্প্যানিশ, জার্মান, জাপানি, হিন্দি, উর্দু, আরবি, ফারসি ও চাকমা ভাষায়। বহু দেশ ঘুরেছেন। বহু পদক ও সম্মাননা পেয়েছেন। শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ পেয়েছেন। স্বভাবগতভাবে উচ্চকিত নন, পরিশ্রমী সাহিত্যিক। জন্ম ১৫ অক্টোবর, ১৯৫৫। সোনারগাঁওয়ের এলাহিনগরে। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় মাস্টার্স করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তার আগে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্স–মাস্টার্স করেছেন। মানে হলো তিনি ডাবল এমএ। যথোপযুক্ত সাফল্যমণ্ডিত জীবন। আজ আরেক ১৫ অক্টোবর। একজন কবি হাসান হাফিজের বয়স আজ ৭১ হলো। মানুষটা কেমন? কবি হাসান হাফিজ যে মানুষটা?—অসামান্য সরল। অজটিল। এই মানুষটার সঙ্গে আমার সখ্য ছাত্রজীবন থেকে। হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে আমাদের নৈকট্য সেই সখ্যকে আরও গাঢ় করেছে। হুমায়ূন আহমেদের অতি পছন্দের মানুষদের একজন ছিলেন হাসান ভাই। হুমায়ূন আহমেদ তাঁর প্রেমের উপন্যাস (প্রচ্ছদে লেখা ছিল) ‘তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে’ উৎসর্গ করেছিলেন হাসান ভাই এবং তাঁর সহধর্মিণীকে:</p><p> হাসান হাফিজ</p><p> শাহীন আখতার</p><p> যুগলেষু</p><blockquote>হুমায়ূন আহমেদের অতি পছন্দের মানুষদের একজন ছিলেন হাসান ভাই। হুমায়ূন আহমেদ তাঁর প্রেমের উপন্যাস (প্রচ্ছদে লেখা ছিল) ‘তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে’ উৎসর্গ করেছিলেন হাসান ভাই এবং তাঁর সহধর্মিণীকে:</blockquote><p>হুমায়ূন আহমেদের আরেকটা বইয়ের ভূমিকায় হাসান ভাইয়ের কথা দারুণভাবে আছে। সেই ভূমিকা হুবহু তুলে দিচ্ছি:</p><p>‘লেখকের কাছ থেকে লেখা আদায়ের অনেক রকম পদ্ধতি আছে। সবচে নিম্ন শ্রেণীর পদ্ধতিটি হল—গলায় গামছা বেঁধে লেখা আদায় করা। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আমার কবি-বন্ধু হাসান হাফিজ ‘সকল কাঁটা ধন্য করে’র লেখাগুলি আমাকে দিয়ে লিখিয়েছেন। মাঝে মাঝে এমনও হয়েছে আমি ক্ষিপ্ত হয়ে ভেবেছি, বড় একটা ডান্ডা দিয়ে হাসান হাফিজের মাথায় শক্ত বাড়ি দিই। তারপর থানা–পুলিশ যা হবার হবে।</p><p>‘বই আকারে বের করার আগে লেখাগুলি পড়তে গিয়ে ভাল লাগল। মনে হল হাসান হাফিজকে সাময়িকভাবে ক্ষমা করা যায়। আমি এর আগে কোন একটি বই-এ লিখেছিলাম—আত্মকথা–জাতীয় লেখা আর লিখব না। এই বইটিতে কিছু সেরকম রচনা ঢুকে গেছে। পাঠক-পাঠিকারা আমার সে কথা না রাখার অপরাধ ক্ষমা করে দেবেন—এই প্রার্থনা। বলতে ভুলে গেছি এই গ্রন্থের বেশির ভাগ লেখাই আমার প্রিয় পত্রিকা দৈনিক বাংলায় প্রকাশিত হয়েছে।’</p><p>হুমায়ূন আহমেদ</p><p>১২.১২.৯৪</p><p>সমুদ্রবিলাস</p><p>সেন্ট মার্টিন আইল্যান্ড</p><blockquote>সেই ১৯৯৪। হুমায়ূন আহমেদ তখনই তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয় লেখক। কোনো পত্রিকায় ধারাবাহিক রচনা লিখবেন—তাঁর জন্য এবং পত্রিকার জন্য বেশ ঝামেলাপূর্ণই ছিল ব্যাপারটা। ‘দৈনিক বাংলায়’ লিখেছিলেন তবু। প্রায় নিয়মিত লিখেছিলেন ‘সকল কাঁটা ধন্য করে’। সেটা সম্ভব হয়েছিল কীভাবে, বইয়ের ভূমিকা দ্রষ্টব্য। বড় লেখক, বড় আর্টিস্ট।</blockquote><p>সেই ১৯৯৪। হুমায়ূন আহমেদ তখনই তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয় লেখক। কোনো পত্রিকায় ধারাবাহিক রচনা লিখবেন—তাঁর জন্য এবং পত্রিকার জন্য বেশ ঝামেলাপূর্ণই ছিল ব্যাপারটা। ‘দৈনিক বাংলায়’ লিখেছিলেন তবু। প্রায় নিয়মিত লিখেছিলেন ‘সকল কাঁটা ধন্য করে’। সেটা সম্ভব হয়েছিল কীভাবে, বইয়ের ভূমিকা দ্রষ্টব্য। বড় লেখক, বড় আর্টিস্ট। বড় আর্টিস্ট যেমন দুই–তিন টানে একটা পোর্ট্রেট ড্রয়িং করতে পারেন, বড় লেখক তেমন দুই–তিন লাইনে একটা মানুষ লিখে দিতে পারেন। হুমায়ূন আহমেদ তাঁর কবি-বন্ধু হাসান হাফিজকে নিয়ে লিখেছেন—তাঁদের অন্তরঙ্গতা সেই পর্যায়ের ছিল। গলায় গামছা বেঁধে কথার কথা, হুমায়ূন আহমেদের কাছ থেকে লেখা আদায় করার কলাকৌশল হাসান ভাই ভালো জানতেন। সহজ কৌশল-সরল অন্তরঙ্গতা। হাসান ভাই সহজে মানুষের অন্তরঙ্গ হতে পারেন। ঘোরপ্যাঁচ নাই।</p><p>হাসান ভাইয়ের ষাটের অধিক কবিতার বইয়ের অধিকাংশের প্রচ্ছদই আমি করেছি। অধিকাংশ বইয়ের নামকরণের পেছনে আমার প্রচ্ছন্ন ভূমিকা আছে। হাসান ভাই দুই–তিনটা নাম ঠিক করে দেন, আমি ভোট দিয়ে একটা ফাইনাল করি। চলছে এভাবে। এত বছর ধরে আমাদের সম্পর্ক। হাসান ভাই আমাকে একটা বিশেষ নামে ডাকেন। সেটা এখানে প্রকাশ করছি না। ভালোবাসা, মায়া–মমতার সব গুমর সবখানে ফাঁস না করা ভালো।</p><p>এর ভালো হোক</p><p>ওর ভালো হোক</p><p>যে ভাবে সে</p><p>সেই ভালো লোক!</p><p>হাসান ভাই সেই ভালো লোকটা। ভালো মানুষটা।</p><p>শুভ জন্মদিন, হাসান ভাই।</p><p>শুভ জন্মদিন, কবি হাসান হাফিজ।</p><p>* ‘এক জন্ম এভাবেই’ হাসান হাফিজের একটি কাব্যগ্রন্থের নাম।</p>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
বিসিআইসিতে ২৭৪ জনের চাকরি, ৯ম ও ১০ম গ্রেডে বড় সুযোগ
বিসিআইসিতে ২৭৪ জনের চাকরি, ৯ম ও ১০ম গ্রেডে বড় সুযোগ

<p>৯ম ও ১০ম গ্রেডে যাঁরা চাকরি করতে চান, তাঁদের জন্য বড় একটি সুযোগ সামনে এসেছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) সেই সুযোগ এনে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রণাধীন দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কারখানা ও প্রতিষ্ঠানে ৯ম ও ১০ম গ্রেডের বিভিন্ন পদে মোট ২৭৪ জন কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে। বাংলাদেশের স্থায়ী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে পদগুলোতে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সুযোগ ১২ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।</p><p><strong>পদের বিবরণ, পদসংখ্যা ও বেতন স্কেল—<br></strong>১. ৯ম গ্রেড (বেতন স্কেল: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা)<br>-সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন): ২২টি<br>-নিরাপত্তা কর্মকর্তা: ৩টি (সর্বোচ্চ বয়স ৩৮ বছর, অভিজ্ঞতা প্রয়োজন)<br>-হিসাব কর্মকর্তা/অর্থ কর্মকর্তা: ২৫টি<br>-সহকারী প্রোগ্রামার: ৩টি<br>-সহকারী ব্যবস্থাপক (ক্রয়)/সহকারী ব্যবস্থাপক (বিক্রিয়): ১৫টি<br>-সহকারী রসায়নবিদ ও সহকারী প্রকৌশলী (রসায়ন): ৬২টি<br>-সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) ও কারিগরি কর্মকর্তা: ১৩টি<br>-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক): ১৮টি<br>-সহকারী প্রকৌশলী (পুর): ৩টি<br>২. ১০ম গ্রেড (বেতন স্কেল: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা)<br>-সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা: ১২টি<br>-সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা: ১টি (সর্বোচ্চ বয়স ৩৮ বছর, অভিজ্ঞতা প্রয়োজন)<br>-সহকারী হিসাব কর্মকর্তা/সহকারী অর্থ কর্মকর্তা: ৩১টি<br>-সহকারী অপারেশন অফিসার: ৩টি<br>-সহকারী বাণিজ্যিক কর্মকর্তা: ১৯টি<br>-উপসহকারী রসায়নবিদ ও উপসহকারী প্রকৌশলী (রসায়ন): ৪১টি<br>-উপসহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক): ৩টি</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-suggestion/1cj8ges9ts">বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল পদে আবেদন শুরু, জেনে নিন সব তথ্য</a></aside><p><strong>শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় সিজিপিএ-<br></strong>-পদ অনুযায়ী স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা ইনস্টিটিউট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, স্নাতকোত্তর, স্নাতক (সম্মান), বিএসসি বা ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকতে হবে। পদভেদে শিক্ষা জীবনের কোনো পর্যায়েই নির্ধারিত সিজিপিএ/জিপিএর নিচে থাকলে আবেদন গ্রহণ করা হবে না:</p><p><strong>নবম গ্রেড-<br></strong>-সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন), নিরাপত্তা কর্মকর্তা, হিসাব কর্মকর্তা/অর্থ কর্মকর্তা, সহকারী প্রোগ্রামার এবং সহকারী ব্যবস্থাপক (ক্রয়/বিক্রয়) পদের ক্ষেত্রে: শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে সিজিপিএ ২.৭৫ (৪.০০ স্কেলে) এবং জিপিএ ৩.৫০ (৫.০০ স্কেলে)-এর নিচে গ্রহণযোগ্য হবে না।<br>-সহকারী রসায়নবিদ, সহকারী প্রকৌশলী (রসায়ন, বিদ্যুৎ, যান্ত্রিক, পুর) এবং কারিগরি কর্মকর্তা পদের ক্ষেত্রে: শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে সিজিপিএ ৩.০০ (৪.০০ স্কেলে) এবং জিপিএ ৪.০০ (৫.০০ স্কেলে)-এর নিচে থাকা যাবে না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/2ids5wr0/292.jpg"><figcaption>আবেদনের সুযোগ ১২ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/n1r0ukeq2y">আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে বড় নিয়োগ, পদ ২২৮</a></aside><p><strong>দশম গ্রেড-<br></strong>এই গ্রেডের সব পদের (সহকারী প্রশাসনিক, সহকারী নিরাপত্তা, সহকারী হিসাব/অর্থ, সহকারী অপারেশন, সহকারী বাণিজ্যিক, উপসহকারী রসায়নবিদ ও উপসহকারী প্রকৌশলী) ক্ষেত্রে: শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে সিজিপিএ ২.২৫ (৪.০০ স্কেলে) এবং জিপিএ ২.৭৫ (৫.০০ স্কেলে)-এর নিচে গ্রহণযোগ্য হবে না।</p><p><strong>সুযোগ-সুবিধা ও শর্তাবলি-<br></strong>জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ৯ম ও ১০ম গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ও ভাতা প্রদান করা হবে। একজন প্রার্থী ৯ম গ্রেডভুক্ত যেকোনো ১টি পদ এবং ১০ম গ্রেডভুক্ত যেকোনো ১টি পদসহ সর্বোচ্চ ২টি পদে আবেদন করতে পারবেন। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ও নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পোস্টিংকৃত কর্মস্থলে ন্যূনতম ৩ বছর চাকরি করতে হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/c2d3vm0ica">চাকরি পাওয়ার হারে ইউরোপের শীর্ষ ১০ দেশ কোনগুলো</a></aside><p><strong>আবেদনপ্রক্রিয়া-<br></strong>আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।<br>– প্রার্থীরা <a href="https://www.bcic.gov.bd/" target="_blank" rel="nofollow">www.bcic.gov.bd</a> অথবা <a href="http://bcic.teletalk.com.bd/" target="_blank" rel="nofollow">http://bcic.teletalk.com.bd</a> ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবেন।<br>– সফলভাবে আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রাপ্ত ইউজার আইডি ব্যবহার করে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে ফি প্রদান করতে হবে।<br>– সাধারণ প্রার্থীদের জন্য সার্ভিস চার্জসহ পরীক্ষার ফি ২২৩ টাকা এবং অনগ্রসর প্রার্থীদের জন্য ৫৬ টাকা নির্ধারিত করা হয়েছে।</p><p><strong>আবেদনের সময়সূচি-<br></strong>অনলাইনে আবেদন শুরু: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১০টা।<br>আবেদনের শেষ তারিখ: ১২ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫টা।</p>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন