অপরাধ

ঢাকার ফুটপাতে একজনকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, ঘটনাটি আসলে কী ঘটেছিল

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
ঢাকার ফুটপাতে একজনকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, ঘটনাটি আসলে কী ঘটেছিল
ঢাকার ফুটপাতে একজনকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, ঘটনাটি আসলে কী ঘটেছিল
এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ব্যক্তিকে মারধরের সময় উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঘটনাটি দেখছিলেন।

Prothomalo

View more
তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে চায় নেদারল্যান্ডস, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে চায় নেদারল্যান্ডস, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে নেদারল্যান্ডস। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেশটির মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার বৈঠকে এ আলোচনা হয়।

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
পিআইবির অতিথি গবেষণায় চূড়ান্ত চার প্রস্তাব, প্রত্যেকে পাচ্ছেন ৩ লাখ টাকা
পিআইবির অতিথি গবেষণায় চূড়ান্ত চার প্রস্তাব, প্রত্যেকে পাচ্ছেন ৩ লাখ টাকা

প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের অতিথি গবেষণা কার্যক্রমে চূড়ান্তভাবে চারটি প্রস্তাব নির্বাচিত হয়েছে। ১৭১টি প্রস্তাবের মধ্য থেকে তিন স্তরের মূল্যায়নে নির্বাচিতরা প্রত্যেকে তিন লাখ টাকা বৃত্তি পাবেন।

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
ফারজানা রুপার পক্ষে ট্রাইব্যুনালে লড়তে বার কাউন্সিলে আবেদন ব্রিটিশ দুই আইনজীবীর
ফারজানা রুপার পক্ষে ট্রাইব্যুনালে লড়তে বার কাউন্সিলে আবেদন ব্রিটিশ দুই আইনজীবীর

<p>মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপার পক্ষে বিদেশি আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পেতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আবেদন করেছেন যুক্তরাজ্যের দুই আইনজীবী। তাঁরা হলেন লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারসের জোনাথন প্রাইস ও নিকিলা কৌশিক। ১ অক্টোবর বার কাউন্সিলে ই-মেইল পাঠিয়ে তাঁরা এ আবেদন করেন।</p><p>ফারজানা রুপার পক্ষে ওই দুই বিদেশি আইনজীবীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনার অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বুধবার বার কাউন্সিলে আলাদা একটি আবেদন করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুব শফিক। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বিদেশি দুই আইনজীবী ই-মেইলে যে আবেদন করেছিলেন, তার মুদ্রিত কপি (হার্ড কপি) আজ বার কাউন্সিলে জমা দেওয়া হয়েছে।</p><p>মাহবুব শফিক আরও বলেন, বার কাউন্সিলে জমা দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ট্রাইব্যুনালে ফারজানা রুপার পক্ষে লড়ার অনুমতি চেয়ে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারসের আইনজীবী জোনাথন প্রাইস ও নিকিলা কৌশিক ১ অক্টোবর ই-মেইলে আবেদন করেন। আগামী ১ নভেম্বর ফারজানা রুপার মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। ট্রাইব্যুনালে বিদেশি কোনো আইনজীবীর উপস্থিত হওয়ার জন্য বার কাউন্সিলের পূর্বানুমতি আবশ্যক। কিন্তু তাঁদের আবেদনে বার কাউন্সিল এখনো সাড়া দেয়নি। মামলাটির বিচারকাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। তাই ফারজানা রুপার পক্ষে বিদেশি আইনজীবীদের জরুরি ভিত্তিতে এ মামলায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া প্রয়োজন।</p><p>২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদসহ আসামি ৪১ জন। এ মামলার আসামিদের মধ্যে একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাও রয়েছেন। তাঁরা বর্তমানে কারাগারে আছেন।</p><p>এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেকটি মামলায় বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের জন্য গত ডিসেম্বরে বার কাউন্সিলে আবেদন করেছিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। একই ধরনের মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানও বিদেশি আইনজীবী চেয়ে গত জানুয়ারিতে বার কাউন্সিলে আবেদন করেছিলেন। তবে বার কাউন্সিল এখন পর্যন্ত এসব আবেদনের কোনোটিতেই সাড়া দেয়নি।</p>

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
ঐকমত্য চান শিক্ষাবিদেরা, বিরোধী 
দল অংশ নেবে, আশা সরকারের
ঐকমত্য চান শিক্ষাবিদেরা, বিরোধী দল অংশ নেবে, আশা সরকারের

<p>শিক্ষাবিদদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত সংসদীয় বিশেষ কমিটি।</p><p>সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ চায় বিএনপি, তবে তারা অংশ না নিলেও প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অন্যদিকে সংবিধানকে টেকসই ও সর্বজনগ্রহণযোগ্য করতে নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা কমানো এবং ক্ষমতার ভারসাম্য ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন শিক্ষাবিদেরা।</p><p> মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে শিক্ষাবিদদের সঙ্গে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত সংসদীয় বিশেষ কমিটি মতবিনিময় সভা করেছে। ওই সভাতে এসব বিষয় উঠে এসেছে। বিশেষ কমিটি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করছে। </p><p>বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন বিশেষ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ। বিরোধী দল অংশ না নিলে সংবিধান সংশোধনে বিতর্ক হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিতর্ক তৈরি হবে কি না জানি না, তবে বিতর্ক করার একটা সুযোগ থাকবে। আমরা সব সময় আহ্বান জানাব, বিরোধী দল যেন আমাদের সংবিধান সংশোধন–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটিতে অংশগ্রহণ করে এবং তাদের মতামত দেয়।’</p><p>সংবিধান সংশোধনের বিল সংসদে আনা হলে বিরোধী দল অংশ নেবে, এমন আশা প্রকাশ করে বিশেষ কমিটির সভাপতি বলেন, তারা যদি তাদের ভূমিকা সঠিকভাবে পালন না করে, সেটা জাতি দেখবে। তবে বিএনপি তাদের অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে।</p><p>শিক্ষাবিদদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠক অত্যন্ত সমৃদ্ধ, গুরুত্বপূর্ণ ও জ্ঞানগর্ভ ছিল উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষকেরা সংবিধানের বিভিন্ন অংশে কী কী বিষয় প্রতিফলিত হওয়া দরকার, তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত হয়নি, অথচ জাতির দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে প্রয়োজন—এমন বিষয় নিয়েও তাঁরা মতামত দিয়েছেন।</p><p>বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংবিধানের ব্যাখ্যা এবং মৌলিক কাঠামোসংক্রান্ত বিষয়ে বিচার বিভাগের এখতিয়ার কী হবে, তা সাংবিধানিকভাবে নির্ধারণের ওপর আলোচকেরা গুরুত্ব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের একটি অঙ্গ যাতে অন্য অঙ্গের ওপর খবরদারি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/ycv0ap45/Salahuddin_Ahmad_01.jpeg"><figcaption>বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত সংসদীয় বিশেষ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে</figcaption></figure><p>তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও এর গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ বিষয়ে শিক্ষাবিদদের অনেকে লিখিত মতামত দেবেন। তবে বৈঠকে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব চূড়ান্ত হয়নি।</p><p>সংবিধানে উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান কমিটির সভাপতি। তিনি বলেন, উচ্চকক্ষে কোন কোন শ্রেণি বা এলাকার প্রতিনিধিত্ব থাকবে, প্রতিনিধিরা কীভাবে নির্বাচিত হবেন, জেলাভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব থাকবে কি না এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা রাখা যায় কি না—এসব বিষয়ে মতামত দিয়েছেন শিক্ষাবিদেরা।</p><h3>নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা কমানোর পরামর্শ</h3><p>বৈঠক সূত্র জানায়, একজন শিক্ষাবিদ স্বৈরতন্ত্র বন্ধ করা সংবিধানের মূল বিষয় হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন। বিদ্যমান ব্যবস্থায় নির্বাহী বিভাগের প্রধানের যে ক্ষমতা, তা কমানোর প্রয়োজন বলে মত দেন। এ ছাড়া সংবিধানের ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য উচ্চ আদালত থেকে পৃথক সাংবিধানিক আদালত গঠন করা, সংবিধান সংশোধন পদ্ধতিতে বদল আনার প্রস্তাব দিয়েছেন কেউ কেউ। সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় সমাজের উচ্চ শ্রেণির মতামতের ওপর সীমাবদ্ধ না রেখে সাধারণ মানুষের মতামত ও প্রত্যাশার প্রতিফলন নিশ্চিত করার কথাও এসেছে বৈঠকে।</p><p>বৈঠক শেষে জাতীয় অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, শতভাগ ঐকমত্য সম্ভব নয়। তবে যত বেশি ঐকমত্য হবে, সংবিধান তত বেশি টেকসই ও মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। গোয়েন্দা বাহিনীসহ রাষ্ট্রের যেসব সংস্থার বল প্রয়োগের ঘটনা জবাবদিহির আওতায় আনার ব্যবস্থাও সংবিধানে থাকা দরকার বলে তিনি মন্তব্য করেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/y07yo49f/Salahuddin_Ahmad_02.jpeg"><figcaption>মতবিনিময় সভায় উপস্থিত শিক্ষাবিদদের কয়েকজন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে</figcaption></figure><p>অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দীন খান বলেন, রাষ্ট্রব্যবস্থায় বারবার সংকট তৈরির পেছনে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বৈষম্যমূলক রাজনীতি এবং ‘বিজয়ী সবকিছু পাবে’ নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা রাষ্ট্রকে স্বৈরতান্ত্রিক করে তোলে।</p><p>অধ্যাপক সামিনা লুৎফা বলেন, নারীদের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে তাঁরা বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন। এর মধ্যে কিছু আইনের সংশোধনসংক্রান্ত। এ ছাড়া সংবিধানে ‘মহিলা’ শব্দের পরিবর্তে ‘নারী’, ‘উপজাতি’র পরিবর্তে ‘ভিন্ন জাতিসত্তা’ এবং ‘উপসম্প্রদায়ের’ পরিবর্তে ‘ধর্মীয় সম্প্রদায়’ শব্দ ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।</p><h3>আরও যাঁরা উপস্থিত ছিলেন</h3><p>বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ও সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ। অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সলিমুল্লাহ খান, গীতি আরা নাসরিন, সামিনা লুৎফা, মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, কে এইচ লুৎফুল এলাহী, আবদুল্লাহ আল মামুন, একরামুল হক, আবদুল লতিফ মাসুম, শামীমা সুলতানা, কাজী মো. মাহবুবুর রহমান, মোহাম্মদ একরামুল হক, নেসার ইউ আহমেদ প্রমুখ।</p><p>২৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট সংবিধান–বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে দিনব্যাপী আলোচনার প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ।</p>

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
১৪ দিনের দাওয়াতি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন চরমোনাই পীর
১৪ দিনের দাওয়াতি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন চরমোনাই পীর

<p>১৪ দিনের দাওয়াতি সফরে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে বিদায় জানাতে দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন নেতারা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৪ দিনের সফরে চরমোনাই পীর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন মসজিদ ও মুসলিম কমিউনিটিতে দাওয়াতি সভায় বক্তব্য দেবেন এবং ব্যবসায়ী ও বৈশ্বিক বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।</p><p><strong>আটকে পড়া প্রবাসীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার দাবি</strong></p><p>সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার কারণে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় ঢাকা বিমানবন্দরে আটকে পড়া প্রবাসী শ্রমিকদের সহায়তার দাবি জানিয়েছে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন।</p><p>মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা খলিলুর রহমান বলেন, ‘সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে হুতিদের হামলার কারণে ৬০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর ফলে হাজার হাজার প্রবাসী শ্রমিক ঢাকা বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন। সীমিত আয়ের এসব মানুষের ঢাকায় থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা নেই। সরকারকে এই শ্রমিকদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।’</p><p>বিবৃতিতে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি আরও বলেন, ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় এই শ্রমিকেরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নিয়ে টিকিটের টাকা ফেরত (রিফান্ড) দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।</p>

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
কুষ্টিয়া–ঢাকাসহ দেশব্যাপী লালন স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন
কুষ্টিয়া–ঢাকাসহ দেশব্যাপী লালন স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/9nw8hmwv/Lalon.jpg"><figcaption>ফকির লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে কুষ্টিয়া–ঢাকাসহ বিভাগীয় পর্যায়ে দেশব্যাপী লালন স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে</figcaption></figure><p>ফকির লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া–ঢাকাসহ দেশজুড়ে লালন স্মরণানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। তাঁর গান, দর্শন ও মানবতাবোধের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নানা কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়।</p><p>বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দিবসটি স্মরণে ১৭ থেকে ১৯ অক্টোবর কুষ্টিয়ায় তিন দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।</p><p>কুষ্টিয়ার পাশাপাশি ঢাকায়ও রয়েছে নানা আয়োজন। ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ছয়টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে ‘লালন স্মরণানুষ্ঠান’। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম। অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে থাকবেন শিল্পী ও গবেষক অধ্যাপক আহমেদ শাকিল হাসমী।</p><p>আয়োজনে সভাপতিত্ব করবেন যুগ্ম সচিব ও শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হারুন-অর-রশীদ। আলোচনা পর্ব শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করবেন দেশের প্রথিতযশা লালনশিল্পী, শিল্পকলা একাডেমির সংগীতশিল্পী এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) শিল্পীরা।</p><p>এ ছাড়া ১৭ অক্টোবর দেশের সব বিভাগীয় শহর ও অন্যান্য জেলাতেও লালন সাঁইয়ের জীবন ও দর্শনের ওপর ভিত্তি করে বড় পরিসরে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।</p>

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
সচিবালয়ে ৬ নম্বর ভবনের দ্বিতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড
সচিবালয়ে ৬ নম্বর ভবনের দ্বিতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড

<p>প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন নেভানো গেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জানা যায়নি।</p><p>মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে সচিবালয়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্তব্যরত কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের দ্বিতীয় তলার বাথরুমের ওপরের ছাদের অংশে আগুন লাগে। খবর পেয়ে সচিবালয়ের ভেতরে থাকা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। তবে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিভে যায়।</p><p>রোজিনা আক্তার বলেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।</p><p>এর আগে ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর গভীর রাতে সচিবালয়ে আগুন লাগে। ৭ নম্বর ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে প্রথম আগুনের সূত্রপাত। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের টানা ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। সেই আগুনে ভবনটির চারটি তলায় অবস্থিত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়; সড়ক পরিবহন ও সেতু, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নথিপত্র, কম্পিউটার ও আসবাব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। দেয়াল ও মেঝেতেও বড় ক্ষতি হয়। আগুন নেভাতে গিয়ে ট্রাকচাপায় মো. সোহানুর জামান নামে ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্য নিহত হন।</p><p>সে সময় অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনার কারণ বের করতে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত হয় বৈদ্যুতিক স্পার্ক (স্ফুলিঙ্গ) থেকে। সাধারণত সকেট-প্লাগে লুজ কানেকশন (দুর্বল সংযোগ), কেবলে ত্রুটিপূর্ণ সংযোগ ইত্যাদি কারণে বৈদ্যুতিক স্পার্ক হয়ে থাকে। এ ঘটনায় কোনো বিস্ফোরকের উপস্থিতি শনাক্ত করা যায়নি।</p>

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
চাঁদাবাজ ও জমি দখলকারীদের যে পরিচয়ই থাকুক কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: ডিএমপি কমিশনার
চাঁদাবাজ ও জমি দখলকারীদের যে পরিচয়ই থাকুক কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: ডিএমপি কমিশনার

<p>মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ ও জমি দখলকারীরা যে পরিচয় বা অবস্থানেই থাকুক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। তিনি বলেছেন, এসব অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না।</p><p>মঙ্গলবার সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এ নির্দেশ দেন ডিএমপি কমিশনার। সভার সঞ্চালনা এবং সেপ্টেম্বর মাসের সার্বিক অপরাধচিত্র তুলে ধরেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) ফারুক হোসেন।</p><p>ডিএমপি কমিশনার বলেন, অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সহযোগিতা বাড়াতে হবে। স্থানীয় নাগরিকদের সঙ্গে নিয়ে অপরাধের মূল কারণ চিহ্নিত করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। এ জন্য প্রতিটি থানা এলাকায় বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার পাশাপাশি পুলিশকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।</p><p>সভা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো দল যেন তৎপরতা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনোভাবেই যাতে তারা মিছিল বা জমায়েত করতে না পারে, সে জন্য সব থানার ওসিদের তৎপরতা বাড়াতে বলা হয়েছে। এ ধরনের তৎপরতার তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি পুলিশের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।</p><p><strong>সেপ্টেম্বরের কাজে পুরস্কৃত যাঁরা</strong></p><p>সভায় সেপ্টেম্বর মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ডিএমপি কমিশনার।</p><p>ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেপ্টেম্বর মাসে অপরাধ বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছে মিরপুর বিভাগ এবং শ্রেষ্ঠ থানা হয়েছে মিরপুর। দ্বিতীয় আদাবর এবং তৃতীয় হয়েছে উত্তরা-পশ্চিম থানা। সহকারী কমিশনারদের (এসি) মধ্যে প্রথম হয়েছেন মোহাম্মদপুর অঞ্চলের এসি আবদুল্লাহ আল মামুন এবং দ্বিতীয় হয়েছেন মিরপুর অঞ্চলের এসি আবুল বাসার মোল্যা।</p><p>শ্রেষ্ঠ উপপরিদর্শকদের (এসআই) মধ্যে প্রথম হয়েছেন মিরপুর থানার তারেক রহমান, দ্বিতীয় ডেমরা থানার কাকন মিয়া এবং তৃতীয় হয়েছেন কদমতলী থানার অশোক কুমার সরকার। সহকারী উপপরিদর্শকদের (এএসআই) মধ্যে প্রথম হয়েছেন মোহাম্মদপুর থানার ইমদাদুল হক, দ্বিতীয় পল্টন থানার দুর্জয় বড়ুয়া এবং তৃতীয় হয়েছেন যাত্রাবাড়ী থানার মোহাম্মদ মজলিশ মিয়া।</p><p>গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছে ডিবি-লালবাগ বিভাগ। শ্রেষ্ঠ টিম লিডার হয়েছেন এই বিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিমের অতিরিক্ত উপকমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন। ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছে ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগ। শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক সার্জেন্টদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন মহাখালী অঞ্চলের সার্জেন্ট আঞ্জুম আল হাসিব এবং দ্বিতীয় হয়েছেন বিমানবন্দর অঞ্চলের মারুফ রহমান ভূঁইয়া।</p><p>সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার আবুল বাশার তালুকদার, মো. শফিকুল ইসলাম, মাসুদ করিম, মোহাম্মদ শামসুল হক, মোহাম্মদ ওসমান গণি, আনিছুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নেবে ইতালি, কর্মসূচি আগামী মাসে
প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নেবে ইতালি, কর্মসূচি আগামী মাসে

<p>ইতালীয় ভাষা, দেশটির সংস্কৃতি ও সামাজিক রীতিনীতি এবং কাজের প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতার প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বৈধ পথে দক্ষ কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইতালি সরকার। এ লক্ষ্যে আগামী মাসে একটি বিশেষ কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে দেশটি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের ইতালিতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।</p><p>মঙ্গলবার বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। এ সময় দুই দেশের মধ্যে বৈধ অভিবাসনের সুযোগ বাড়ানো, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ইতালির ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং দক্ষ জনশক্তি পাঠানো নিয়ে আলোচনা হয়।</p><p>বৈঠকে বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের দায়িত্বশীল ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার প্রশংসা করেন ইতালির রাষ্ট্রদূত। দুই দেশের পারস্পরিক অংশীদারত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি যেকোনো সমস্যা, চ্যালেঞ্জ কিংবা নতুন সম্ভাবনায় বিশ্বস্ত বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।</p><p>বৈঠকে দুই দেশের জনগণের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। বর্তমানে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি নাগরিক ইতালিতে স্থায়ীভাবে ও সুনামের সঙ্গে বসবাস করছেন। তাঁদের পাঠানো অর্থ বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বলে উল্লেখ করা হয়। এ সময় অনিয়মিত পথ পরিহার করে বৈধ অভিবাসনের সুযোগ কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ইতালির ভিসা পাওয়ার সংখ্যা বাড়ানো এবং প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়টিও আলোচনায় আসে।</p><p>বাংলাদেশ সরকারের তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ এবং দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর লক্ষ্য সামনে রেখে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির রূপরেখা তুলে ধরেন ইতালির রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নেওয়ার উদ্দেশ্যে ইতালি সরকার আগামী মাসে বিশেষ আয়োজন করতে যাচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় আগ্রহীদের ইতালীয় ভাষা, দেশটির নাগরিক সংস্কৃতি ও সামাজিক রীতিনীতি এবং কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক ও কারিগরি দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের ইতালিতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।</p><p>এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি পাঠানো এবং তরুণদের জন্য তৃতীয় ভাষা শিক্ষা নিশ্চিত করা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি হবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুসংহত হবে।</p><p>সাক্ষাৎকালে ইতালির প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় দেশটির দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ফেদেরিকো জাম্পারেলি।</p>

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন