জেলা

বরিশালে স্টেডিয়ামের নতুন রূপ, ক্রিকেটে পরিবর্তন দেখার অপেক্ষা

নভেম্বর ৬, ২০২৬
বরিশালে স্টেডিয়ামের নতুন রূপ, ক্রিকেটে পরিবর্তন দেখার অপেক্ষা
বরিশালে স্টেডিয়ামের নতুন রূপ, ক্রিকেটে পরিবর্তন দেখার অপেক্ষা
বিসিবির সূচি অনুযায়ী, ১৫ ডিসেম্বর টি-টুয়েন্টি সংস্করণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ডি-থ্রি টুর্নামেন্ট।

Prothomalo

View more
জাতীয় চার নেতার নামের জাহাজের নাম বদল
জাতীয় চার নেতার নামের জাহাজের নাম বদল

জাতীয় চার নেতার নামের জাহাজের নাম বদল

নভেম্বর ৬, ২০২৬
নেতানিয়াহুকে কি যেতেই হচ্ছে, আরব দলগুলোর সমর্থনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে আইজেনকট
নেতানিয়াহুকে কি যেতেই হচ্ছে, আরব দলগুলোর সমর্থনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে আইজেনকট

প্রেসিডেন্ট হারজগ জানান, ৬৭ জন আইনপ্রণেতার প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন দিয়েছে। অন্যদিকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানিয়েছে ৪৬ জন আইনপ্রণেতা।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
‘স্যরি’ না বলেও কীভাবে ক্ষমা চাইবেন
‘স্যরি’ না বলেও কীভাবে ক্ষমা চাইবেন

পারিবারিক শিক্ষায় ছোটবেলা থেকে আমরা শিখি, ভুল করলে ‘স্যরি’ বলতে হয়। ‘আপুর কাছে গিয়ে স্যরি বল’, এমন ধমক অনেকেরই মনে আছে। ফলে ক্ষমা চাওয়া হয়ে ওঠে দায় সারার একটা নিয়ম, মন থেকে আসা কিছু নয়।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
শয্যাদৃশ্যের আগে স্ত্রীর অনুমতি নিয়েছিলেন অভিনেতা
শয্যাদৃশ্যের আগে স্ত্রীর অনুমতি নিয়েছিলেন অভিনেতা

‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’র অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানালেন অভিনেতা মোহিত মালিক ও অভিনেত্রী রসিকা দুগাল।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
৩২ কেজি ওজনের কামানের গোলা, নাকি মদের বোতল—আজব বস্তুটি নিয়ে চীন-মার্কিন বাগ্‌যুদ্ধ
৩২ কেজি ওজনের কামানের গোলা, নাকি মদের বোতল—আজব বস্তুটি নিয়ে চীন-মার্কিন বাগ্‌যুদ্ধ

গত সপ্তাহে পাপুয়া নিউগিনির রাজধানী পোর্ট মোরেসবির একটি নির্মাণাধীন স্থাপনায় ৩২ কেজি ওজনের বিশালাকার বস্তুটি উদ্ধার করা হয়। এরপরই স্থানীয় পুলিশ চার চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করে।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার থেকে এক দিনেই উধাও আড়াই লাখ কোটি ডলার
যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার থেকে এক দিনেই উধাও আড়াই লাখ কোটি ডলার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতে এই দরপতনের অন্যতম কারণ টেক্সাসের গভর্নর নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর জয়। এআই প্রযুক্তির বিকাশে যুক্তরাষ্ট্রের এই অঙ্গরাজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
রাজধানীতে চলছে জাতীয় এসএমই নারী উদ্যোক্তা সামিট ও পণ্য মেলা
রাজধানীতে চলছে জাতীয় এসএমই নারী উদ্যোক্তা সামিট ও পণ্য মেলা

নারী উদ্যোক্তাদের এমন বৈচিত্র্যময় পণ্যের সমাহার নিয়ে রাজধানীর সোবহানবাগে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের (বিআইএম) প্রাঙ্গণে চলছে জাতীয় এসএমই নারী-উদ্যোক্তা সামিট ও পণ্য মেলা। উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্যের প্রচার, বাজার সম্প্রসারণ এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ৫ নভেম্বর শুরু হয়েছে তিন দিনের এই আয়োজন।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
নিরাপদ খাদ্যের খোঁজে মাটির কাছে ফেরা: পাবনায় ৮ প্রাকৃতিক কৃষক ও কৃষি প্রতিষ্ঠান পেলেন ব্যতিক্রমী সম্মাননা
নিরাপদ খাদ্যের খোঁজে মাটির কাছে ফেরা: পাবনায় ৮ প্রাকৃতিক কৃষক ও কৃষি প্রতিষ্ঠান পেলেন ব্যতিক্রমী সম্মাননা

নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা শুধু উৎপাদনের পরিমাণে নয়, নির্ভর করে মাটির সুস্বাস্থ্য ও চাষের পদ্ধতির ওপরও। এই ভাবনা থেকেই পাবনায় আটজন প্রাকৃতিক কৃষক ও কৃষি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দিয়েছে বিকে ফাউন্ডেশন। প্রাকৃতিক কৃষির চর্চাকে উৎসাহিত করতেই ছিল এই ব্যতিক্রমী আয়োজন।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
সন্তান আপনার পরামর্শ প্রত্যাখ্যান করলেও কেন মেনে নেবেন, জেনে নিন
সন্তান আপনার পরামর্শ প্রত্যাখ্যান করলেও কেন মেনে নেবেন, জেনে নিন

<p>শিশুরা বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে সচেতন হতে শুরু করে। একই সঙ্গে তৈরি হয় স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ্রহ। তবে এ সময়ও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা মা-বাবার মতামত ও সহযোগিতা চায়। তবে সব সময় যে তা গ্রহণ করবে তেমনটাও<strong> </strong>কিন্তু নয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-01-15/dzd8xp2s/prothomalo_bangla2024_09_111ubb9pneKBRH7221.webp"><figcaption>সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মা-বাবার মতামত চাইলেও অনেক সময় তারা তা গ্রহণ করে না</figcaption></figure><p>‘মা, আজকের অনুষ্ঠানে কোন পোশাকটা পরলে ভালো লাগবে?’ মায়ের কাছে জানতে চাইল ছোট্ট রাফা। দুটি পোশাকের মধ্যে একটি বেছে দিলেন মা। কিন্তু তার উত্তর, ‘না, এটা পরব না।’ মা অন্য একটি পোশাক দেখালেন। সেটিও পছন্দ হলো না। অথচ কিছুক্ষণ পর দেখা গেল, সে নিজেই প্রথম পোশাকটি পরে তৈরি হচ্ছে। এমন ঘটনা অনেক মা-বাবার কাছেই পরিচিত। </p><p>সন্তান কোনো বিষয়ে তাঁদের মতামত জানতে চায়, কিন্তু পরামর্শ পাওয়ার পরই তা প্রত্যাখ্যান করে। কখনো খাবার বেছে নেওয়া, কখনো ঘুরতে যাওয়ার জায়গা ঠিক করা, আবার কখনো খেলনা কেনার সময়ও এমন আচরণ করে। এতে মা-বাবা ভাবতে পারেন, নিজের সিদ্ধান্ত সন্তান নিজেই যদি নিতে চায়, তাহলে তাঁদের কাছে জানতে চাওয়ার প্রয়োজন কী?</p><h3>নিজের পছন্দ বুঝতে শেখা</h3><p>ধরা যাক, সন্তান বিকেলে বাইরে ঘুরতে যেতে চায়। সে মা-বাবাকে জিজ্ঞেস করল, ‘আজ কোথায় গেলে ভালো হবে?’ মা-বাবা কাছের পার্কে যাওয়ার কথা বললেন। </p><p>কিন্তু সন্তান জানাল, সেখানে যেতে তার ভালো লাগছে না; বরং সে অন্য কোথাও যেতে চায়। মা-বাবার প্রস্তাব শুনে হয়তো সে বুঝতে পারল, পার্কে যাওয়ার চেয়ে অন্য জায়গায় যাওয়ার ইচ্ছাই তার বেশি। এ ক্ষেত্রে সন্তান হয়তো মা-বাবার কাছ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চায়নি; বরং তাঁদের মতামত শুনে নিজের পছন্দের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে চেয়েছে। অনেক সময় অন্য কারও পরামর্শ শুনলে নিজের চাওয়াটা আরও পরিষ্কার হয়, অর্থাৎ পরামর্শ প্রত্যাখ্যান করার মধ্য দিয়েও শিশু বুঝতে পারে সে আসলে কী চায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/0v8ox8z85a">শিশু মিথ্যা বললে অভিভাবকেরা যে ৫টি ভুল করেন</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/8ggyaeac/_SY_2992.JPG"><figcaption>সন্তানকে কোনো বিষয়ে পরামর্শ দিলেও সেই সিদ্ধান্ত সরাসরি চাপিয়ে না দেওয়াই ভালো</figcaption></figure><h3>সিদ্ধান্ত নয়, চায় আশ্বাস</h3><p>কোনো বিষয়ে দ্বিধায় থাকলে শিশুরা মা-বাবার কাছে মতামত চায়। কিন্তু মা-বাবাই সিদ্ধান্ত দেবেন, সব সময় এমন উদ্দেশ্য তাদের থাকে না। অনেক সময় তারা শুধু জানতে চায়, মা-বাবা কী ভাবছেন। তাঁদের মতামত শুনে নিজের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আশ্বস্ত হতে চায়। </p><p>তাই সন্তান কোনো বিষয়ে পরামর্শ চাইলে সরাসরি সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে জানতে চাওয়া যেতে পারে, ‘তুমি কি চাও আমি তোমার হয়ে একটি বেছে দিই, নাকি কোনটি আমার বেশি পছন্দ, সেটি বলব?’ এতে সন্তান বুঝতে পারবে, মা-বাবার কাছ থেকে মতামত নেওয়া আর তাঁদের হাতে সিদ্ধান্তের দায়িত্ব তুলে দেওয়া এক না।</p><h3>জোর করলে বাড়তে পারে বিরোধ</h3><p>সন্তান বারবার পরামর্শ প্রত্যাখ্যান করলে মা-বাবা বিরক্ত হয়ে বলতে পারেন, ‘তুমিই তো আমাকে বেছে দিতে বলেছ, এখন আমার কথাই শুনতে হবে।’ এমন প্রতিক্রিয়ায় ছোট একটি সিদ্ধান্তও মা-বাবা ও সন্তানের মধ্যে মতের লড়াইয়ে পরিণত হতে পারে। সন্তান তখন মনে করতে পারে, সাহায্য চাইলে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা হারাতে হবে। ফলে পরে সে আরও বেশি বিরোধিতা করতে পারে কিংবা কোনো বিষয়ে মা-বাবার কাছে সাহায্য চাইতেই অনাগ্রহী হয়ে উঠতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/35xh0baf/MG1017.jpg"><figcaption>সন্তানের মতভিন্নতাকে স্বাভাবিকভাবে নিন</figcaption></figure><h3>যেভাবে সামলাবেন</h3><p>এ ধরনের পরিস্থিতিতে মা-বাবার ধৈর্য ধরে সন্তানের চাহিদা বোঝার চেষ্টা করা জরুরি। যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন—<br><strong>১.</strong> সন্তান কী ধরনের সাহায্য চায়, বুঝুন। সে কি শুধু মতামত জানতে চায় নাকি সত্যিই চায় মা-বাবা সিদ্ধান্ত দিক, শুরুতেই বিষয়টি পরিষ্কার করে নিন।<br><strong>২.</strong> বিকল্প কমিয়ে দিন। একসঙ্গে অনেকগুলো বিকল্প না দিয়ে দু–তিনটি পছন্দ সামনে রাখুন। এতে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হতে পারে।<br><strong>৩.</strong> মতভিন্নতাকে স্বাভাবিকভাবে নিন। সন্তান আপনার পরামর্শ পছন্দ না করতেই পারে। এ নিয়ে তর্ক না করে তার পছন্দের কারণ জানতে চান।<br><strong>৪.</strong> প্রয়োজনে সীমা নির্ধারণ করুন। নিরাপত্তা, সময় কিংবা পারিবারিক নিয়মের সঙ্গে কোনো সিদ্ধান্ত জড়িত থাকলে কেন নির্দিষ্ট কিছু বিকল্পের মধ্যেই বেছে নিতে হবে, তা বুঝিয়ে বলুন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/153amja6li">সন্তান জন্মের দেড় মাস পরই র‍্যাম্পে বারবারা পালভিন</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/7tjuyfws/MG2585.jpg"><figcaption>ছোটখাটো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দিলে সন্তানও ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে</figcaption></figure><p>তবে সন্তান যদি প্রায় প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিয়েই দ্বিধায় থাকে, তাহলে বিষয়টি একটু খেয়াল করা প্রয়োজন। সে কি ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভয় পায়, মা-বাবাকে হতাশ করতে চায় না নাকি নিজের পছন্দ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত নয়—এসব বিষয় বোঝার চেষ্টা করতে হবে।<br>মা-বাবা তার হয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন, সব সময় সন্তানের এমনটা প্রয়োজন হয় না। কখনো কখনো সে শুধু চায়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় মা-বাবা পাশে থাকুন। এই পার্থক্য বুঝতে পারলে দৈনন্দিন ছোটখাটো বিষয় নিয়ে অযথা বিরোধ কমতে পারে। একই সঙ্গে সন্তানও ধীরে ধীরে নিজের পছন্দ ও সিদ্ধান্তের প্রতি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারে।<br><strong><sup>তথ্যসূত্র</sup></strong><sup>: টাইমস অব ইন্ডিয়া</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/d6d4jihw34">আখরোট নাকি কাজুবাদাম—হৃদ্‌যন্ত্র ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য কোনটি ভালো?</a></aside>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।