<p>রাজবাড়ীতে নিখোঁজের তিন দিন পর চৌধুরী ফুয়াদ হাসান ওরফে রোহান (১৯) নামের এক কলেজছাত্রের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদসী ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাড়ির কাছের একটি ডোবা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।</p><p> ফুয়াদ হাসান উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের ফরহাদ চৌধুরীর ছেলে। তিনি রাজবাড়ী শহরের একটি বেসরকারি টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।</p><p> ফুয়াদের দাদা মরহুম রোকন উদ্দিন চৌধুরী রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তাঁর ফুফাতো ভাই আরিফুল ইসলাম বর্তমানে রাজবাড়ী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।</p><p>ফুয়াদ হাসানের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার দুপুরে খাওয়ার সময় ফুয়াদের মুঠোফোনে একটি কল আসে। খাবার খেয়ে তিনি দ্রুত বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। বিকেল চারটা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাঁর মুঠোফোনে কল করেন। তবে তাঁর দুটি ফোনই বন্ধ পাওয়া যায়। তিনি একটি অ্যানড্রয়েড ও একটি বাটন ফোন ব্যবহার করতেন।</p><p>আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও পরিচিতদের কাছে খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় পরদিন মঙ্গলবার পরিবারের পক্ষ থেকে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরের একটি ডোবায় স্থানীয় লোকজন একটি বস্তা ভাসতে দেখেন। বস্তা থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় সন্দেহ হলে তাঁরা লাঠি দিয়ে বস্তাটিতে ধাক্কা দেন। এ সময় বস্তার ভেতর থেকে মানুষের একটি পা বেরিয়ে আসে। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দী লাশটি উদ্ধার করে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি ফুয়াদের বলে শনাক্ত করেন। রাত আটটার দিকে পুলিশ ফুয়াদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।</p><p>ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মীর মুনির হোসেন বলেন, ফুয়াদের লাশটি একটি বস্তার ভেতরে রাখা হয়েছিল। আরেকটি বস্তায় মাটি ভরে লাশের বস্তার সঙ্গে বেঁধে সেটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। লাশটি ফুলে ওঠার পর বস্তাটি পানিতে ভেসে উঠলে স্থানীয় লোকজন সেটি দেখতে পান।</p><p>পুলিশ সুপার বলেন, ৫ অক্টোবর থেকে কলেজছাত্র ফুয়াদ নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের পর থেকেই পুলিশ বিভিন্ন বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করছে। তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনের তথ্য, পারিবারিক বিরোধ, প্রেমঘটিত কোনো বিষয় ছিল কি না এবং বন্ধুদের মধ্যে কোনো বিরোধ ছিল কি না—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।</p><p>মীর মুনির হোসেন বলেন, ‘এখনো হত্যার কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।’</p>
চট্টগ্রামে ‘কিশোর গ্যাং’ নেতাকে জুলাই যোদ্ধা দাবি মেয়রের, অভিযানের পর ওসি বদলি
<p>রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় উদ্ধার কয়েকটি আলামতে গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ পাওয়া গেছে। খেজুরের বীজ, কামড় দেওয়া শসার অংশ ও সিগারেটের ফিল্টারে পাওয়া জৈবিক নমুনার সঙ্গে তাঁদের ডিএনএ মিলে গেছে বলে জানিয়েছেন রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।</p><p> বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে সনাতন চক্রবর্তী প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঢাকার সিআইডি ফরেনসিক ল্যাবে ওদের (সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ) ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়েছে। সেখান থেকে প্রতিবেদন আজ হাতে পেয়েছি। আলামতে পাওয়া খেজুরের বিচি, শসা ও সিগারেটের অংশে তাদের ডিএনএর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।’</p><p>তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের পরে গণপতি চক্রবর্তীর শয়নকক্ষে খেজুরের বিচি, কামড় দেওয়া শসার অংশ ও সিগারেটের মুড়া পাওয়া গিয়েছিল। ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা এসব আলামতসহ বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার উদ্দেশে নেওয়া হয়। পরদিন ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকার সিআইডি কার্যালয়ে তাঁদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।</p><p>ডিবি পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে ৩৫টির বেশি আলামত সংগ্রহ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ফল কাটার চাকু, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম, সিগারেটের শেষাংশ, নানরুটি, শসা, খেজুর, বেসিনের দাগ এবং নিহত শিশুর খাতায় পাওয়া একটি লেখাসহ বিভিন্ন আলামত রয়েছে। এসব আলামত কয়েক দফায় ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/49ja1y3jjf">রংপুরে চার খুন: এক ভরি উদ্ধার, বাকি স্বর্ণালংকার কোথায়, কী বলছে পুলিশ</a></aside><p>গত ২১ আগস্ট দিবাগত রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, কলেজপড়ুয়া মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ১২ বছরের ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর নগরের কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তাঁদের প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।</p><p>পুলিশ জানিয়েছে, সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। মামলাটি প্রথমে নগরের কোতোয়ালি থানা-পুলিশ তদন্ত করলেও পরে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় রংপুর ডিবিকে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/rud5dw8e0b">রংপুরে চার খুন: ডিএনএ পরীক্ষার জন্য দুই আসামিকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে</a></aside>
<p>চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি একনলা বন্দুক, ১৬টি গুলিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।</p><p> আজ বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার দিকে সলিমপুর ইউনিয়নের আলীনগর বাহাদুরঘোনা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।</p><p> গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন রাসেল (৩০), মোরশেদ (২৮), বাবু (২৫) ও সাব্বির (৩২)।</p><p>পুলিশ জানায়, জঙ্গল সলিমপুরের পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীদের অবস্থান ও অস্ত্র মজুতের তথ্য পেয়ে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।</p><p>অভিযানে থাকা ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলমগীর প্রথম আলোকে বলেন, বাহাদুরঘোনা এলাকায় একদল সন্ত্রাসী সংঘবদ্ধ হয়ে অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে তাঁরা সেখানে অভিযান চালান। সেখান থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।</p>
<p>বাংলাদেশে প্রযুক্তি, পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতে বিনিয়োগ-বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহী লিথুয়ানিয়া। এ জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায় উত্তর-পূর্ব ইউরোপের দেশটি।</p><p> আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হকের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা জানান লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্রবিষয়ক ভাইস মিনিস্টার ভিডমান্টাস ভার্বিকাস। রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআইয়ের কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানায়।</p><p>লিথুয়ানিয়ার এমন আগ্রহকে স্বাগত জানিয়েছেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক। এ জন্য দেশটির ভিসাপ্রক্রিয়া সহজ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য ভিন্ন দেশে গিয়ে ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বেশ কষ্টসাধ্য।</p><p>ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশ লিথুয়ানিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক। তিনি বলেন, লিথুয়ানিয়ার উন্নত প্রযুক্তি, পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ লাভবান হতে পারে।</p><p>লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্রবিষয়ক ভাইস মিনিস্টার জানান, তাঁদের মূল লক্ষ্য হলো ইউরোপের পাশাপাশি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাজার সম্প্রসারণ। বাংলাদেশ এ অঞ্চলের একটি কৌশলগত বাণিজ্যকেন্দ্র। সে জন্য ঢাকায় ভিসা সেবাকেন্দ্র চালু করা কিংবা শেনজেনভুক্ত অন্য কোনো দেশের কনস্যুলেটের মাধ্যমে ভিসা জটিলতা সহজ করার উপায় খোঁজা হচ্ছে।</p><p>লিথুয়ানিয়ায় আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য ‘ডিজিটেক সামিট’ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান ভিডমান্টাস ভার্বিকাস।</p><p>বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব মো. আলমগীর, ভারতে নিযুক্ত লিথুয়ানিয়ার ডেপুটি হেড অব মিশন লুকাস কিসিয়েলিউস, পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ইন্দো-প্যাসিফিক রিজিওনের অ্যাটাচে মিস. ক্রিসটিনা প্রমুখ।</p>
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/i3y2pkr5/WhatsApp-Image-2026-10-08-at-11.16.36-PM.jpeg"></figure><p>পণ্যের নতুন ক্রয়াদেশ, উৎপাদন, কাঁচামাল ও প্রস্তুত পণ্যের মজুত এবং আমদানি কমে যাওয়ায় গত সেপ্টেম্বরে দেশে শিল্প উৎপাদন খাতের ব্যবসার গতি কমেছে। এ সময় সেবা খাতও সংকোচনের ধারা থেকে বের হতে পারেনি। আর নির্মাণ খাতও নতুন করে সংকোচনের ধারায় চলে গেছে। শুধু কৃষি খাত সম্প্রসারণের ধারায় ছিল। ফলে উৎপাদন, নির্মাণ ও সেবা খাতের দুর্বলতার কারণে গত মাসে সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতির গতি আরও কমে গেছে। এ তথ্য উঠে এসেছে পিএমআইয়ের মূল্যায়নে।</p><p> পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স বা পিএমআইয়ের মাধ্যমে প্রতি মাসে অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি প্রকাশ করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার গত মাসের পিএমআই প্রকাশ করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সূচকের অবস্থানের তথ্য জানানো হয়। পিএমআইয়ের মূল্যায়নে দুই বছর ধরে অর্থনীতি উত্থান–পতনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ গত সেপ্টেম্বরে পিএমআই মান কমে ৪৮ দশমিক ৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগস্টে পিএমআই মান ছিল ৪৯ দশমিক ৯ পয়েন্ট।</p><p>ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ যৌথভাবে পিএমআই প্রণয়ন করছে।</p><p>অর্থনীতির প্রধান খাত কৃষি, ব্যবসা, নির্মাণ, উৎপাদন ও সেবা খাতের ৪০০টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের মতামতের ভিত্তিতে এই সূচকের মান নির্ধারণ করা হয়। সূচক তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাঁচামাল ক্রয়, পণ্যের ক্রয়াদেশ, কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। মূলত পিএমআই মান শূন্য থেকে ১০০ নম্বরের মধ্যে পরিমাপ করা হয়। সূচকের মান ৫০-এর বেশি হলে অর্থনীতির সম্প্রসারণ এবং ৫০-এর নিচে হলে সংকোচন বোঝায়।</p><p>গত মাসে পিএমআইয়ের জরিপে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা পাঁচ কারণে ব্যবসা–বাণিজ্য ও অর্থনীতি নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সেগুলো হচ্ছে দফায় দফায় জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, কাঁচামাল ও পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি, ভোক্তাদের দুর্বল ক্রয়ক্ষমতা, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ঘাটতি এবং ব্যাংকঋণপ্রাপ্তির সীমাবদ্ধতা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সামগ্রিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে ব্যবসা–বাণিজ্যের আগাম পরিকল্পনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। জ্বালানি ও অন্যান্য ব্যয়ের চাপ অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে মনে করেন তাঁরা।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জরিপে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যবসায়িক আস্থার ক্ষেত্রে সতর্কতার চিত্র দেখা যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা মূলত অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধি, নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ, অর্থায়নে সহজ প্রবেশাধিকার এবং ব্যয়চাপ হ্রাসের ওপর নির্ভর করবে—এমনটা বলছেন ব্যবসায়ীরা। তবে কিছু প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত অর্ডার, নির্ভরযোগ্য ক্রেতা এবং আসন্ন শীতকাল ও ব্যবসার মৌসুমে চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনায় আগামী মাসগুলোতে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের উন্নতির আশা প্রকাশ করেছে।</p><p>উৎপাদন খাতের পিএমআই গত মাসে ২ দশমিক ৬ পয়েন্ট কমে ৪৪ দশমিক ৮–এ দাঁড়িয়েছে, যা পিএমআইয়ের পতনে বড় ভূমিকা রেখেছে। গত আগস্টে উৎপাদন খাতের পিএমআই মান ছিল ৪৭ দশমিক ৪ পয়েন্ট। একইভাবে গত মাসে নির্মাণ খাতের পিএমআই মান ৩ দশমিক ৮ পয়েন্ট কমে ৪৮ দশমিক ৫ পয়েন্টে নেমেছে।</p><p>এ ছাড়া সেবা খাত টানা দুই মাস ধরে সংকোচন পর্যায়ে রয়েছে। গত মাসে খাতটির পিএমআই মান ৪৯ পয়েন্টে নেমেছে। এ খাতে নতুন ব্যবসা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংকোচনে ফিরে এসেছে। কর্মসংস্থানে সংকোচনের গতি কিছুটা কমেছে। অন্যদিকে কৃষি খাতে টানা ১৩ মাস সম্প্রসারণের ধারা অব্যাহত আছে। যদিও এই খাতের পিএমআই মান আগের মাসের তুলনায় ১ দশমিক ৩ পয়েন্ট কমে ৫৫ দশমিক ২ হয়েছে। এই খাতে নতুন ব্যবসা, ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও কর্মসংস্থানে সম্প্রসারণের গতি কমেছে।</p><p>পিএমআই মান নিয়ে পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ এক বিবৃতিতে বলেন, সেপ্টেম্বরের পিএমআই থেকে দেখা যাচ্ছে, উৎপাদন, নির্মাণ ও সেবা খাতের দুর্বলতার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনো চাপের মধ্যে রয়েছে। কৃষি খাতের অব্যাহত সম্প্রসারণ অর্থনীতিতে কিছুটা স্থিতিশীলতা ধরে রেখেছে। মাসরুর রিয়াজ আরও বলেন, সবগুলো খাতেই সামান্য ইতিবাচক প্রত্যাশা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের একটি সম্ভাবনাময় ভিত্তি তৈরি করছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি পুনরুদ্ধারে অভ্যন্তরীণ ও রপ্তানি চাহিদা জোরদার করা, নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা কমানো এবং ব্যয়বৃদ্ধির চাপ নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p>বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে ৪ অক্টোবর কুমিল্লা শহরের বাসা থেকে বের হয়েছিল সেখানকার একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৫)। আজ বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার নির্জন এলাকার একটি ফসলি জমি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলের পাশে একটি পরিত্যক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশাও পাওয়া গেছে।</p><p> লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ জানতে পারে, ওই কিশোরী প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও পরে কক্সবাজারে গিয়েছিল। গতকাল বুধবার বিকেলে পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছিল, রাতে কুমিল্লায় ফিরবে; কিন্তু রাতে আর বাসায় ফেরা হয়নি।</p><p> বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর উত্তরপাড়ার মানুমুড়া জঙ্গল-সংলগ্ন ফসলি জমি থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় লোকজন কাঁচিকাটা-হরিশ্চর বাজার সড়কের পাশে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পড়ে থাকতে দেখে আশপাশে খোঁজ করেন। পরে সড়ক থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে ফসলি জমির আইলের পাশে তাঁরা মরদেহটি দেখতে পান।</p><p>স্থানীয় বাসিন্দা তমাল বণিক বলেন, মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। মেয়েটির গলায় গামছা প্যাঁচানো এবং মুখে মাটি লেগে ছিল।</p><p>ওই কিশোরীর গ্রামের বাড়ি যশোর সদর উপজেলায়। তার পরিবার কুমিল্লা শহরে থাকে। শহরের একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল সে। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ফেব্রুয়ারির পর ওই ছাত্রী আর বিদ্যালয়ে যায়নি।</p><p>ওই কিশোরীর বাবা কুমিল্লায় চাকরি করেন। তিনি বলেন, ৪ তারিখ বান্ধবীর বাসায় যাবে বলে বাসা থেকে বের হয় মেয়ে। এর মধ্যে বিভিন্ন সময় তার ফোনে যোগাযোগ করা হলে সে বান্ধবীর বাসায় আছে বলে জানায়। গতকাল রাত আনুমানিক পৌনে দুইটার দিকে সে মেসেজ (খুদে বার্তা) এবং ‘লাইভ লোকেশন’ (ওই সময় মেয়েটির অবস্থান যেখানে ছিল) পাঠায়। মেসেজে তাকে এসে নিয়ে যেতে বলে। তিনি বলেন, ‘তখন আমি ঘুমে ছিলাম। পরে সকালে মেসেজ দেখি। তারপর লাইভ লোকেশনে এসে মেয়ের মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে দেখতে পাই।’</p><p>লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, উদ্ধারের সময় মরদেহের পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত হয়। কিশোরীর গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়।</p><p>পদুয়ার বাজারে নামার পর ওই কিশোরী কীভাবে লালমাইয়ের ওই স্থানে গেল, তা তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস। তিনি বলেন, ‘নূরজাহান হোটেল থেকে ঘটনাস্থল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সিএনজিচালিত অটোরিকশাটির বিষয়েও তদন্ত চলছে। আমরা অটোরিকশা ধরে তদন্ত এগোচ্ছি।’</p><p>পুলিশের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ৪ অক্টোবর বাসা থেকে বের হওয়ার পর ওই কিশোরী পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে কুমিল্লা এসে পরে সে কক্সবাজারে যায়। বুধবার দুপুরের পর কক্সবাজার থেকে বাসে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা দেয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পদুয়ার বাজারের নূরজাহান হোটেলের সামনে বাস থেকে নামে বলে পুলিশ জানায়।</p><p>পুলিশ জানিয়েছে, অটোরিকশাটির ভেতর পোশাক ও ভ্যানিটি ব্যাগ পাওয়া গেছে। তবে সেগুলো ওই কিশোরীর কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p><p>রাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে লালমাই থানায় হত্যা মামলা করেন ওই কিশোরীর বাবা। পরে তার মরদেহ নিয়ে পরিবার যশোরের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়।</p><p>ওই কিশোরীর বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ের সঙ্গে কী হয়েছে, কারা তাকে হত্যা করেছে, পুরো ঘটনা জানতে চাই। জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করার দাবি জানাই।’</p>
<p>যানজট, আবাসনসংকট, জলাবদ্ধতা, পরিবেশদূষণ ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের মতো নানা সমস্যায় জর্জরিত দেশের শহরগুলো। এসব সংকট মোকাবিলা করে কীভাবে আরও বাসযোগ্য, পরিবেশবান্ধব ও নাগরিকবান্ধব শহর গড়ে তোলা যায়, তা নিয়ে আলোচনার জন্য ঢাকায় এক মঞ্চে বসছেন দেশ-বিদেশের নগরপ্রধান, স্থপতি ও নগর–পরিকল্পনাবিদেরা।</p><p> এ লক্ষ্য নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ আর্কসামিট ২০২৬’। বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের (বাস্থই) আয়োজনে এই সম্মেলন আগামী রোববার পর্যন্ত চলবে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘কো–ক্রিয়েটিং সিটিজ ফর অল’ বা ‘সবার জন্য সম্মিলিতভাবে নগর গড়ে তোলা’।</p><p> বাস্থইয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ ‘মেয়রস টকস’। এতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নগরপ্রধান ও নগর প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন। তাঁরা নিজ নিজ শহরের সমস্যা, নগর ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা এবং নাগরিক সুবিধা বাড়াতে নেওয়া উদ্যোগ তুলে ধরবেন।</p><p>আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছেন শ্রীলঙ্কার কলম্বো মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের মেয়র ভ্রাই ক্যালি বালথাজার, ফিলিস্তিনের রামাল্লাহর ডেপুটি মেয়র মাজেদ জামাল আমিন আবদুলফাত্তাহ এবং নেপালের ললিতপুরের মহালক্ষ্মী পৌরসভার ডেপুটি মেয়র লক্ষ্মী মহার্জন। এ ছাড়া নেপালের ধনগড়ি উপমহানগরের প্রতিনিধি দিজ রাজ ভাট্টা সম্মেলনে অংশ নেবেন।</p><p>সম্মেলনে থাইল্যান্ডের আইডিআইএন আর্কিটেক্টসের প্রতিষ্ঠাতা জেরাভেই হংসাকুল, চীনের আর্কাসিয়ার সভাপতি অধ্যাপক উ জিয়াং এবং জর্ডানের খাম্মাশ আর্কিটেক্টসের প্রতিষ্ঠাতা আম্মার ইয়াসের আহমাদ খাম্মাশের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। কলম্বো ও রামাল্লাহর নগর–পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরাও এতে অংশ নেবেন।</p><p>দেশের নগর প্রশাসনের প্রতিনিধিদের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, বরিশাল, কুমিল্লা ও খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদেরও কর্মসূচিতে রাখা হয়েছে।</p><p>আয়োজকদের মতে, শহরের উন্নয়ন কেবল নতুন ভবন, সড়ক কিংবা অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নগরবাসীর চলাচল, আবাসন, উন্মুক্ত স্থান, পরিবেশ, ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং নাগরিক সুবিধায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্থপতি ও পরিকল্পনাবিদদের সরাসরি আলোচনার সুযোগ তৈরি করতেই মেয়রস টকস আয়োজন করা হচ্ছে।</p><p>চার দিনের সম্মেলনে স্থাপত্যশিক্ষা নিয়েও আন্তর্জাতিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন আর্কিটেকচারাল এডুকেশন ২০২৬’-এর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘রিথিঙ্কিং আর্কিটেকচারাল এডুকেশন ফর ফিউচার প্র্যাকটিস’। এতে ভবিষ্যতের পেশাগত চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্থাপত্যশিক্ষার পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা হবে।</p><p>পাশাপাশি থাকছে ‘আর্কিটেক্টস টকস’, বাংলাদেশের সমকালীন স্থাপত্যে উদীয়মান প্রতিভাদের নিয়ে আলোচনা, ‘আইএবি বিল্ড-এক্সপো’, ‘বিল্ড টকস’, ‘এসিওয়াইএ টকস’, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা এবং পেশাজীবীদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আয়োজন।</p><p>বাস্থই জানিয়েছে, উন্নত শহর গড়ে তোলা শুধু স্থপতিদের দায়িত্ব নয়। এ জন্য নগর কর্তৃপক্ষ, নীতিনির্ধারক, প্রকৌশলী, পরিকল্পনাবিদ, শিক্ষাবিদ, শিল্প খাত এবং সাধারণ নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সম্মেলনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি নগর উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হবে। সংগঠনটির প্রত্যাশা, এই আয়োজনের আলোচনা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় ভবিষ্যতে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও বাসযোগ্য শহর গড়ে তোলার উদ্যোগে ভূমিকা রাখবে।</p>
আগামীকাল তাদের মাটিতে প্রথমবার দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে নামছে বাংলাদেশ। তিন ওয়ানডে সিরিজের সব ম্যাচই ব্রিসবেনে।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন