প্রথম একটি পা কেটে ফেলার পর চিকিৎসকেরা অনেক চেষ্টা করেও এমপি হেলেনের দ্বিতীয় পা–টিও বাঁচাতে পারেননি। সেটিও গতকাল কেটে ফেলতে হয়েছে।
সেই বন্ধুত্বে আছে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পুরোনো দিনের স্মৃতি আর একে অপরকে নিয়ে হাসিঠাট্টা।
<p>শারদীয় ভোজে শেষপাতে রাখতে পারেন মুগ পায়েস। মুগডাল, দুধ, সাবুদানা ও নারকেলের মিশেলে তৈরি এই পায়েস উৎসব–রসনায় যোগ করবে বৈচিত্র্য। স্বাদও মাতিয়ে দিবে অতিথিদের। রেসিপি ও ছবি দিয়েছেন: <strong>সেলিনা শিল্পী</strong>। </p><h3>উপকরণ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/e4sgfhvm/6129658204393246982.jpg"><figcaption>মুগ পায়েসের প্রয়োজনীয় উপকরণ </figcaption></figure><p>মুগডাল আধা কাপ<br>সাবুদানা ৩ টেবিল চামচ<br>দুধ ১ কেজি<br>নারকেল কোরানো ১ কাপ<br>চিনি ১/২ কাপ বা স্বাদ মতো<br>এলাচ ৩/৪ টা<br>তেজপাতা ১ টা<br>ঘি ২ টেবিলচামচ<br>কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম কুচি ৩ টেবিল চামচ<br>জাফরান ১ চিমটি</p><h3>প্রণালি</h3><p>মুগডাল হালকা ভেজে নিন সুগন্ধ বের হওয়া পর্যন্ত। এরপর ভালোভাবে ধুয়ে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। সাবুও ধুয়ে নিন। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/pl4hif69/6129658204393246983.jpg"></figure><p>এবার একটি পাত্রে ঘি দিয়ে তাতে বাদাম ভেজে তুলে রেখে সেই ঘিতেই ডাল দিয়ে কিছু সময় নেড়ে নিন। এবার দুধ দিয়ে ফুটতে দিন। দুধ ফুটে উঠলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/asooo8ae/6129658204393246984.jpg"></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/ohaayh7i/6129658204393246985.jpg"></figure><p>তারপর সাবুদানা, নারকেল কোরা, তেজপাতা, এলাচ দিয়ে দিন। নেড়ে চেড়ে রান্না করুন ডাল সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত। সেদ্ধ হয়ে এলে বাদামকুচি ও জাফরান দিয়ে নামিয়ে নিন। এরপর ঠান্ডা করে আপনার পছন্দনীয় পাত্রে পরিবেশন করুন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/wn80hksl/6129658204393246986.jpg"></figure>
<p>অভিনেত্রী <strong>অর্চিতা স্পর্শিয়া</strong> ও <strong>প্রার্থনা ফারদিন দীঘি</strong>। দুজনই ফেসবুকে শেয়ার করেছেন একগুচ্ছ ছবি। দীঘিকে দেখা গেল পূজার সাজের ফটোশুটে আর স্পর্শিয়া দিলেন পূজার মণ্ডপে ঘোরার ছবি</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/4e4c4iay/85684485715205655900960419140687420156798376n.jpg"><figcaption>‘সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের’ বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/i92l1hpa/85831616515205655967627071473492448582705810n.jpg"><figcaption>লাল–সবুজ জরির পাড়ের নকশা করা শাড়িতে পূজার থিমে ফটোশুট করেছেন দীঘি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/7oejzzwm/85739294515205656167627057222097694317826669n.jpg"><figcaption>বেনারসি শাড়ির এই ছবিগুলো দ্রুতই অনুসারীদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/3xnlh6r9/860418506_1520565626762704_3548358501117701433_n.jpg"><figcaption>সালমা গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড দোকানের গয়না এবং ওমেন্স ডল বিউটি লাউঞ্জের সাজে তৈরি হয়েছে দীঘির এমন লুক</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/ix7597z3w7">বিচ্ছেদের গুঞ্জনে জল ঢেলে পূজায় প্রেমের ছবি শেয়ার করলেন কৌশানী মুখার্জি</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/2ugzobey/85710688020470773259546302133696717560422691n.png"><figcaption>এদিকে কয়েক দিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। আজ দিলেন পূজামণ্ডপে ঘোরার ছবি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/8pzv25yq/85588684616443898373778994878087217404681534n.png"><figcaption>ক্যাপশনে জানিয়েছেন ‘জেট ল্যাগড’ দুর্গাপূজা উদ্যাপনের কথা। দেশে ফিরেই হয়তো বেগুনি শাড়ি পরে মণ্ডপে ঘুরতে গিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/fnepgpgx/85544946813433866410597701787603340764948421n.png"><figcaption>ধানমন্ডির সার্বজনীন পূজা উদ্যাপন কমিটির সেই মণ্ডপে স্পর্শিয়া ছিলেন খোলা চুলে</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/3tp37p615d">পূজার মধ্যে কোন স্মৃতি ভাগ করে নিলেন মনামী ঘোষ, দেখুন ১২টি ছবি</a></aside>
পুজার সাজে সাদা-লালের আবেদন চিরকালীন। সেই চেনা রঙের মেলবন্ধনেই এবার নজর কাড়লেন টালিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহান।
অস্ট্রেলিয়ায় কোয়ালা, ক্যাঙ্গারু ও ওমব্যাটের মতো শত শত মার্সুপিয়াল বা থলিধারী প্রাণী দেখা যায়। কিন্তু এই থলিধারী প্রাণীগুলো কীভাবে অস্ট্রেলিয়ায় এল?
<p>কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্ট। বেলা দুইটা থেকে সেখানে আসতে শুরু করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। ট্রাকে করে আনা প্রতিমাগুলো দল বেঁধে কাঁধে করে কিংবা ভ্যানে করে নিয়ে আসেন সৈকতের বালুচরে। বিকেল চারটার দিকে মঞ্চের সামনের বিশাল বালুচর কয়েক শ প্রতিমায় ভরে ওঠে। একদিকে মঞ্চে চলছিল অতিথিদের বক্তব্য, অন্যদিকে প্রতিমা ঘিরে ভক্তরা ব্যস্ত ছিলেন শেষ মুহূর্তের পূজা-অর্চনায়। এ চিত্র আজ বুধবারের।</p><p>দেবী দুর্গার বিদায়বেলায় এই আয়োজন দেখতে লাবণী, সিগাল, সুগন্ধা ও কলাতলী—সৈকতের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে জড়ো হন বিপুলসংখ্যক মানুষ। আয়োজকদের হিসাবে, দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিল তিন লাখের বেশি। বিকেল পাঁচটার দিকে শহরের প্রাচীন সরস্বতীবাড়ি মন্দিরের পুরোহিত রানা ভট্টাচার্য মঞ্চে মন্ত্রপাঠ করেন। এরপর বিকেল ৫টা ৯ মিনিটে শুরু হয় বঙ্গোপসাগরে প্রতিমা বিসর্জন। ৪৫ মিনিটে একে একে ৩৮০টি প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।</p><p>কক্সবাজার জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি উদয় শংকর পাল প্রথম আলোকে বলেন, গত বছরের মতো এবারও শান্তিপূর্ণভাবে বিসর্জন উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হয়েছে, পর্যটন শহর কক্সবাজার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির শহর।</p><p><strong>প্রতিমা ঘিরে শেষ মুহূর্তের পূজা, বিদায়বেলায় বিষাদ</strong></p><p>কক্সবাজার জেলায় এবার ৩২৪টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৫৫টি মণ্ডপে প্রতিমাপূজা এবং ১৬৯টিতে ঘটপূজা হয়েছে। চকরিয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ৭১টি মণ্ডপ ছিল। এ ছাড়া কুতুবদিয়ায় ৪৪টি, রামুতে ৩৭টি, কক্সবাজার সদরে ৩১টি, ঈদগাঁওয়ে ২৯টি, মহেশখালীতে ২৮টি, কক্সবাজার পৌরসভায় ২৬টি, চকরিয়া পৌরসভায় ২৫টি, পেকুয়ায় ৯টি, উখিয়ায় ৯টি, মহেশখালী পৌরসভায় ৬টি ও টেকনাফে ৬টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে কক্সবাজার শহর, সদর উপজেলা, উখিয়া, টেকনাফ, রামু ও ঈদগাঁওয়ের বিভিন্ন মণ্ডপ থেকে প্রতিমা বিসর্জনের জন্য সৈকতে আনা হয়। এর আগে মণ্ডপগুলোতে পুরোহিতদের মন্ত্রপাঠ, পূজার ঘণ্টা, ঢাকের বাদ্য, ধূপ ও ফুলের অঞ্জলিতে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান ভক্তরা। ছয় দিনের পূজার আনন্দ শেষে বিদায়বেলায় তাঁদের মধ্যে নেমে আসে বিষাদের ছায়া।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/zz9d82q4/WhatsApp-Image-2026-10-21-at-6.40.46-PM.jpeg"><figcaption>ট্রাকে করে আনা প্রতিমাগুলো দল বেঁধে কাঁধে করে কিংবা ভ্যানে করে নিয়ে আসেন সৈকতের বালুচরে</figcaption></figure><p>বিকেলে সৈকতের বালুচরে প্রতিমা ঘিরে শেষ মুহূর্তের পূজা-অর্চনায় অংশ নেন ভক্তরা। অনেকে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন। দেবীর কপালে ও পায়ে সিঁদুর ছুঁইয়ে প্রণাম করেন। একে অপরের কপালে সিঁদুর পরিয়ে দেন। বিকেল পাঁচটায় মন্ত্রপাঠের পর বিসর্জন শুরু হলে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।</p><p>শহরের বৈদ্যঘোনার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ পাল বলেন, দেবীর বিদায়ে মন খারাপ হলেও উৎসবের আনন্দ সবাই ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। তাঁরা জগতের সব মানুষের মঙ্গল কামনা করেন।</p><p>ঘোনাপাড়ার কলেজছাত্রী আলপনা দাশ বলেন, লাখো মানুষের উপস্থিতিতে মাকে বিদায় জানাতে পেরে তিনি শান্তি পেয়েছেন। তবে মা চলে যাওয়ায় মন ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে।</p><p><strong>৪৫ মিনিটে ৩৮০ প্রতিমা বিসর্জন</strong></p><p>বিকেল ৫টা ৯ মিনিটে শহরের কালীবাড়ি মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা। এরপর একে একে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। সন্ধ্যা ছয়টার আগেই ৪৫ মিনিটে ৩৮০টি প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়।</p><p>উদয় শংকর পাল বলেন, বিসর্জনকে কেন্দ্র করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। শান্তিপূর্ণভাবে দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। এ জন্য তিনি জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।</p><p>প্রতিমা বিসর্জন উৎসবকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকে সমুদ্রসৈকতসহ পুরো শহরে চার স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/s12en5is/WhatsApp-Image-2026-10-21-at-6.41.37-PM.jpeg"><figcaption>প্রতিমা বিসর্জন দেখতে সৈকতে ভিড় করে লাখো মানুষ। আজ বিকেলে</figcaption></figure><p><strong>সম্প্রীতি ধরে রাখার তাগিদ</strong></p><p>প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতকে ঘিরে সরকার নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। পরিবেশ রক্ষা করে কক্সবাজারকে আরও আকর্ষণীয় করার পাশাপাশি ঢেলে সাজানোর কাজ চলছে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কয়েক লাখ মানুষের উপস্থিতিতে এই বৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন উৎসব প্রমাণ করেছে, কক্সবাজার সম্প্রীতির শহর। যেকোনো মূল্যে এই সম্প্রীতি ধরে রাখতে হবে।</p><p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কক্সবাজারের তিন সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফর রহমান কাজল, শামীম আরা স্বপ্না, জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পুলিশ সুপার এ এম সাজেদুর রহমান, রামকৃষ্ণ মিশন কক্সবাজারের সভাপতি ও শিক্ষাবিদ সোমেশ্বর চক্রবর্তী, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি দোলন ধর এবং দীপক শর্মা।</p><p>বক্তারা বলেন, এই বিশাল জনসমাগম বাঙালি সংস্কৃতি, বাঙালি চেতনা ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।</p><p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শংকর পাল। সঞ্চালনা করেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বপন দাশ।</p>
<p>সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় তাঁদের অপরাধ ও বিচারপ্রক্রিয়ার বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>
<p>নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় শিমখেত থেকে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। তার নাম মো. শাহেদ (১৭)। সে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চর নোমান এলাকার বাসিন্দা। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।</p><p>স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শাহেদের মা–বাবা বৃদ্ধ, উপার্জনে অক্ষম। বৃদ্ধ মা–বাবাসহ পরিবারের খরচ মেটাতে দিনমজুরির কাজ করত কিশোর মো. শাহেদ। আজ সকালে এক প্রতিবেশীর শিমখেতে কাজ করতে গিয়েছিল সে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খেতের মালিক গিয়ে দেখেন সেখানে শাহেদ অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পরে এক পল্লিচিকিৎসক এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান শাহেদের মৃত্যু হয়েছে।</p><p>স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাশেদ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, কিশোর শাহেদের মৃত্যুর পর থেকে তার মা হাসিনা বেগমের আহাজারি থামছে না। কিছুক্ষণ পরপর তিনি জ্ঞান হারাচ্ছেন। বাবা মো. খলিলও ছেলের শোকে নির্বাক হয়ে গেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘ছেলেটি ভদ্র ও নম্র হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিল। তার মৃত্যুতে পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’</p><p>জানতে চাইলে চর জব্বর থানার ছনখোলা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ও উপপরিদর্শক (এসআই) আলী হোসাইন প্রথম আলোকে বলেন, সকালে বেশ গরম পড়েছে এলাকায়। ধারণা করা হচ্ছে, এ সময় ওই কিশোর স্ট্রোক করেছে। শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই।’ তিনি বলেন, ‘পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করায় বিনা ময়নাতদন্তে লাশটি দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’</p>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন