জেলা

বাড়িতে ফিরলেন বৃদ্ধ দম্পতি, প্রবাসী ছেলে পাঠাবেন মাসে এক লাখ টাকা

অক্টোবর ৯, ২০২৬
বাড়িতে ফিরলেন বৃদ্ধ দম্পতি, প্রবাসী ছেলে পাঠাবেন মাসে এক লাখ টাকা
বাড়িতে ফিরলেন বৃদ্ধ দম্পতি, প্রবাসী ছেলে পাঠাবেন মাসে এক লাখ টাকা
টাঙ্গাইলের সখীপুরে সম্পত্তি নিয়ে ছেলের সঙ্গে বিরোধের জেরে বাড়ি ছেড়ে আসা বৃদ্ধ দম্পতি নিজেদের বাড়িতে ফিরেছেন।

Prothomalo

View more
৪৯তম বিসিএসে ৬৫১ জনকে নিয়োগ, যোগদানের সময় জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
৪৯তম বিসিএসে ৬৫১ জনকে নিয়োগ, যোগদানের সময় জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

<p>৪৯তম (বিশেষ) বিসিএসে ৬৫১ জনকে ৯ম গ্রেডে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন আগেই জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) সরকারের প্রজ্ঞাপনের আলোকে <a href="https://shed.gov.bd/pages/notices/%E0%A7%AA%E0%A7%AF-%E0%A6%A4%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8-lhhe6l-6ac77d849422db94cd3dd9ff" target="_blank">শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপনে শিক্ষকদের</a> যোগদানের সময় ও ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের বিস্তারিত জানানো হয়েছে।</p><p> প্রজ্ঞাপনের সময়সূচি মতে, ১২ অক্টোবর ২০২৬ সশরীর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর যোগদান করতে হবে। পরে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৮ দিনব্যাপী আবাসিক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/rqx9koukja">দুর্গাপূজায় বর্ধিত ছুটির প্রজ্ঞাপন, ছুটিতে যা যা খোলা থাকবে</a></aside><p>শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ও ৫ অক্টোবর জারি হওয়া দুটি প্রজ্ঞাপনের ৬১১ জন ও ৪০ জন মিলিয়ে মোট ৬৫১ প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের প্রবেশ পদে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০২৬ অনুসারে ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০/- বেতনক্রমে প্রচলিত বিধিবিধানের আলোকে নিচে বর্ণিত শর্তে নিয়োগ প্রদান করা হলো। শর্তের মধ্যে রয়েছে—প্রার্থীকে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণকেন্দ্রে অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে; এ প্রশিক্ষণ শেষে তাঁকে তাঁর চাকরিসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার যেরূপ স্থির করবে, সেরূপ পেশাগত ও বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে; তাঁকে দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এ শিক্ষানবিশকাল অনূর্ধ্ব দুই বছর বৃদ্ধি করতে পারবে। শিক্ষানবিশকালে যদি তিনি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তাহলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ ব্যতিরেকে তাঁকে চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে। চাকরিতে যোগদানকালে যোগদানপত্রের সঙ্গে ৩০০ টাকা মূল্যের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে এ মর্মে একটি বন্ড সম্পাদন করতে হবে যে তিনি নিজে বা তাঁর পরিবারের কোনো সদস্য যৌতুক গ্রহণ করবেন না এবং যৌতুক প্রদান করবেন না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/3dnnuny0gp">নেদারল্যান্ডস উচ্চশিক্ষায় দিচ্ছে স্কলারশিপ, আবেদন যেভাবে</a></aside><p>প্রজ্ঞাপন আরও বলা হয়, ৬৫১ প্রার্থীকে ১২ অক্টোবর পূর্বাহ্নে আবশ্যিকভাবে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর সশরীর (যোগদানের স্থান: পল্লী উন্নয়ন একাডেমি-আরডিএ, বগুড়া) উপস্থিত হয়ে প্রভাষক পদে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে। পাশাপাশি এ প্রতিষ্ঠানে ১২ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৮ দিনব্যাপী আবাসিক ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে। নির্ধারিত তারিখে চাকরিতে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন মর্মে ধরে নেওয়া হবে এবং এ নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/r1gori2x38">আনসার–ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে ৬২ পদে চাকরি, বেতন স্কেল ৭১০০০ ও ১১৩০০০ টাকা</a></aside>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
এনএসইউতে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের বিশেষ বক্তৃতা
এনএসইউতে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের বিশেষ বক্তৃতা

<p>নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) সমসাময়িক বিশ্বরাজনীতি, বৈশ্বিক ক্ষমতার পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন নিয়ে বিশেষ বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ অক্টোবর ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি কনফারেন্স রুমে ‘জিও-স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসপেক্টস অব গ্লোবাল পলিটিকস’ শীর্ষক এ বিশেষ বক্তৃতায় বিশ্বের বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।</p><p> অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বক্তা ছিলেন সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট (২০০৪–২০১২), সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী (২০০৩–২০০৪) এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির সাবেক নেতা বরিস তাদিচ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সহ-উপাচার্য অধ্যাপক নেছার ইউ আহমেদ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুর রব খান, স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের (এসবিই) ডিন অধ্যাপক এ কে এম আতিকুর রহমান, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্সেসের (এসইপিএস) ডিন অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন এবং স্কুল অব হেলথ অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেসের (এসএইচএলএস) ডিন অধ্যাপক দীপক কুমার মিত্র।</p><p>বক্তব্যের শুরুতে বরিস তাদিচ প্রাথমিক জীবনে রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না থেকেও কীভাবে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে এগিয়েছিলেন, সে অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পরে সমসাময়িক বিশ্বরাজনীতিকে প্রভাবিত করা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে বিশ্বের ক্ষমতার ভারসাম্যে পরিবর্তন এবং বড় দেশগুলোর কৌশলগত স্বার্থ নিয়ে কথা বলেন তিনি। ইউরোপীয় রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে ইউরোপের বর্তমান ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বিস্তৃত প্রভাব তুলে ধরেন। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার সম্পর্কের গুরুত্বও উঠে আসে। সার্বিয়া ও ইউরোপের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি বুঝতে এসব শক্তিশালী দেশের কৌশলগত স্বার্থ ও পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝার ওপর গুরুত্ব দেন বরিস তাদিচ। তিনি সার্বিয়ার পররাষ্ট্রনীতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে এসব শক্তির সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ নীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/xg0rx3gm/2.JPG"></figure><p>বরিস তাদিচ ইউরোপের নিরাপত্তা ও সংঘাত প্রতিরোধের গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত এবং পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলছে। সংঘাত বড় আকার নেওয়ার আগেই তা প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও তিনি তুলে ধরেন।</p><p>সভাপতির বক্তব্যে এনএসইউর সহ–উপাচার্য অধ্যাপক নেছার ইউ আহমেদ বরিস তাদিচের নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সফর এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা ও মতামত ভাগ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা আমাদের বৈশ্বিক নেতাদের কাছ থেকে শেখার এবং সমসাময়িক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীরভাবে জানার সুযোগ তৈরি করে।’</p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
‘প্রেজেন্টেশন অ্যান্ড বিয়ন্ড’: উপস্থাপনার দিনব্যাপী কর্মশালা শনিবার
‘প্রেজেন্টেশন অ্যান্ড বিয়ন্ড’: উপস্থাপনার দিনব্যাপী কর্মশালা শনিবার

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় সারা দেশের নির্বাচিত তরুণেরা অংশ নেবেন। সকাল নয়টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মূল আয়োজন শুরু হবে। অনুষ্ঠান শেষ হবে বিকেল সাড়ে পাঁচটায়।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
সাবুদানা দিয়েও বানাতে পারবেন ডোনাট, দেখুন রেসিপি
সাবুদানা দিয়েও বানাতে পারবেন ডোনাট, দেখুন রেসিপি

<p>একটা সময় ছিল আমাদের এখানে সাবুদানাকে মনে করা হতো শুধু রোগীর পথ্য। অথচ এই সাবুদানা দিয়েই কিন্তু বানানো যায় মজাদার নানা পদ। বানাতে পারেন ডোনাটও।</p><h3>উপকরণ</h3><ul><li><p>সাবুদানা ১ কাপ</p></li><li><p>মাঝারি আকারের আলু ২টি (সেদ্ধ করে চটকে নেওয়া)</p></li><li><p>ভাজা চিনাবাদামগুঁড়া ৩-৪ টেবিল চামচ (আধা ভাঙা)</p></li><li><p>কুচানো কাঁচা মরিচ ২-৩টি</p></li><li><p>আদাকুচি বা বাটা আধা চা-চামচ</p></li><li><p>ধনেপাতাকুচি ২-৩ টেবিল চামচ</p></li><li><p>গোটা জিরা আধা চা-চামচ</p></li><li><p>লেবুর রস ১ চা-চামচ</p></li><li><p>মরিচের গুঁড়া বা চিলি ফ্লেক্স আধা চা-চামচ</p></li><li><p>লবণ স্বাদমতো</p></li><li><p>চিনির গুঁড়া সিকি চা-চামচ</p></li><li><p>সাদা তেল বা ঘি ডোনাট ভাজার জন্য</p></li></ul><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/hv7jjgk5ab">রান্নায় তেল ব্যবহার কমাতে এই বিষয় ৭ জেনে রাখুন</a></aside><h3>প্রণালি</h3><ul><li><p>সাবুদানা ভালো করে ধুয়ে ৩-৪ ঘণ্টা অল্প পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পানি শুষে দানাগুলো হয়ে উঠবে ঝরঝরে।</p></li><li><p>একটি বড় পাত্রে পানিঝরানো ঝরঝরে সাবুদানা, আলু, চিনাবাদামগুঁড়া, আদা, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতাকুচি, গোটা জিরা, মরিচের গুঁড়া, লেবুর রস, লবণ ও চিনি একসঙ্গে নিন। </p></li><li><p>হাত দিয়ে চেপে চেপে সব উপকরণ খুব ভালো করে মেখে একটি মণ্ড বা ডো তৈরি করে নিন।</p></li><li><p>এবার হাতে সামান্য তেল বা ঘি মাখিয়ে নিন। মিশ্রণটি থেকে লেচি কেটে প্রথমে গোল বলের মতো করুন। তারপর হাতের তালু দিয়ে হালকা চ্যাপটা করে নিন। </p></li><li><p>এবার আঙুলের সাহায্যে মাঝখানে একটি ফুটো তৈরি করুন। একদম ডোনাটের আকার দিন।</p></li><li><p>কড়াইতে পর্যাপ্ত তেল মাঝারি আঁচে ভালো করে গরম করে নিন। তেল যেন খুব বেশি ধোঁয়া ওঠা গরম না হয়, আবার ঠান্ডাও না থাকে। </p></li><li><p>এবার ডোনাটগুলো সাবধানে তেলের মধ্যে ছাড়ুন। মাঝারি আঁচে উল্টেপাল্টে দুই পিঠ সোনালি ও মুচমুচে হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। </p></li><li><p>আঁচ খুব বেশি বাড়ালে ওপরটা পুড়ে যাবে আর ভেতরটা কাঁচা থাকবে।</p></li><li><p>ভাজা হয়ে গেলে তেল ছেঁকে টিস্যু পেপারের ওপর তুলে রাখুন।</p></li><li><p>গরম গরম সাবুদানার ডোনাট ধনেপাতার চাটনি বা টমেটো সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন।</p></li></ul><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/yp226lmcod">কোন খাবার গ্যাসের সমস্যা বাড়ায়, কোনটা কমায়</a></aside>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
‘আমাকে মারতে এসেছেন, শান্ত হোন, ঠিকমতো নিশানা করুন’
‘আমাকে মারতে এসেছেন, শান্ত হোন, ঠিকমতো নিশানা করুন’

সিআইএর অবমুক্ত নথি আর প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণে ফিরে দেখা চে গুয়েভারার শেষ দিন। গুলি চালানোর আগে চে বলেছিলেন, ‘মনে রেখো, তুমি একজন মানুষকে হত্যা করছ।’

অক্টোবর ৯, ২০২৬
বন্যায় আটকে পড়া মানুষের সঙ্গে পোষা কুকুর উদ্ধারে হেলিকপ্টারে অভিযান
বন্যায় আটকে পড়া মানুষের সঙ্গে পোষা কুকুর উদ্ধারে হেলিকপ্টারে অভিযান

<p>চিলির তালাগান্তে পৌরসভায় বন্যায় আটকা পড়েন কয়েকজন বাসিন্দা। ৭ অক্টোবর হেলিকপ্টারে সাতজনকে উদ্ধার করে দেশটির পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে দুটি শিশুও রয়েছে। বিস্তারিত ভিডিওতে…</p><figure></figure>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শেখাতে হবে বাস্তব জীবনের প্রয়োজনে: ইউল্যাবে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তারা
শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শেখাতে হবে বাস্তব জীবনের প্রয়োজনে: ইউল্যাবে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তারা

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে দক্ষতার বড় ঘাটতি রয়েছে। এর জন্য শিক্ষার্থীদের দায়ী করা যায় না।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি অপারেটর: চুক্তিতে কী আছে
চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি অপারেটর: চুক্তিতে কী আছে

চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি অপারেটর: চুক্তিতে কী আছে

অক্টোবর ৯, ২০২৬
প্রকৃতির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিতে ছায়ানটের শরতের অনুষ্ঠান
প্রকৃতির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিতে ছায়ানটের শরতের অনুষ্ঠান

রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ও অতুল প্রসাদের গানে, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্যে সাজানো ছিল ছায়ানটের শরতের অনুষ্ঠান। পাঁচ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে শুক্রবার সকালে মোহাম্মদপুরে বসে এ আয়োজন।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন