bangladesh

বাংলাদেশ নীতিতে ভুল দুই বছর পরও বুঝতে পারছে না ভারত: আলী রীয়াজ

অক্টোবর ৭, ২০২৬
বাংলাদেশ নীতিতে ভুল দুই বছর পরও বুঝতে পারছে না ভারত: আলী রীয়াজ
বাংলাদেশ নীতিতে ভুল দুই বছর পরও বুঝতে পারছে না ভারত: আলী রীয়াজ
বাংলাদেশকেন্দ্রিক ভারতের নীতিতে ভুল আছে বলে মন্তব্য করেছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের সাবেক প্রধান এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাবেক সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ

Prothomalo

View more
ইরানের হামলায় লস অ্যাঞ্জেলেস বা সান দিয়েগো ধ্বংস হতে পারে, বললেন ট্রাম্প
ইরানের হামলায় লস অ্যাঞ্জেলেস বা সান দিয়েগো ধ্বংস হতে পারে, বললেন ট্রাম্প

ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট নেতা এবং রিপাবলিকান পার্টির বেশ কয়েকজন নেতা–কর্মী তাঁর এ মন্তব্যের তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
রেলগেটের ফলের বাজার
রেলগেটের ফলের বাজার

রেললাইনের পাশে ভোর থেকেই জমে ওঠে ফলের পাইকারি বাজার। কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর রেলগেট এলাকায় নিলামে হাঁকডাকে চলে আপেল, কমলা, মাল্টা, আঙুর, ড্রাগন ফল ও ডালিমের বেচাকেনা।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
সন্তানের বন্ধু নির্বাচন: নৈতিকতার বিচার নাকি আচরণের মূল্যায়ন?
সন্তানের বন্ধু নির্বাচন: নৈতিকতার বিচার নাকি আচরণের মূল্যায়ন?

<p>প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৮২তম অনলাইন পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন বিশিষ্ট শিশু-কিশোর ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আহমেদ হেলাল। এইবারের বিষয়টি ছিল—‘সন্তানের আচরণ ও বন্ধু নির্বাচন: অভিভাবক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব।’ উক্ত অনুষ্ঠান থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।</p><p><strong>ছোটবেলা থেকেই আমরা সন্তানদের শিখাই ‘ভালো বন্ধু’ বেছে নিতে এবং ‘খারাপ বন্ধু’ এড়িয়ে চলতে। মানসিক স্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে এই ধরনের ট্যাগিং বা নির্দেশনা কতটা যুক্তিযুক্ত?</strong></p><p>এর উত্তরে ডা. আহমেদ হেলাল জানান, ‘মানসিক স্বাস্থ্য ও শিশু-কিশোর মনস্তত্ত্বের দিক থেকে বিচার করলে—‘ভালো বন্ধু’ বা ‘খারাপ বন্ধু’—এই দুটো শব্দ নৈতিকতার বিচারক কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর মতো কোনো বিষয় নয়। প্রতিটি শিশুই ভালো, প্রতিটি সন্তানই সুন্দর; জন্মগতভাবে কারো ভেতরে খারাপ কিছু থাকে না। আমরা যখন খুব সহজে সন্তানের কোনো বন্ধুকে ‘খারাপ’ বলে চিহ্নিত করি, তখন আমরা অজান্তেই সেই শিশুটির ওপর এক ধরনের সামাজিক তকমা বা ‘ট্যাগ’ বসিয়ে দিই, যা তার মানসিক বিকাশের জন্য চরম ক্ষতিকর এবং অত্যন্ত অনুচিত।’</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের মূল নজর দেওয়া উচিত আচরণের বৈশিষ্ট্যের ওপর। বন্ধুদের যেসব গুণ বা আচরণ অনুকরণীয় ও ইতিবাচক, সেগুলো গ্রহণ করতে হবে। আর যে আচরণগুলো ক্ষতিকর, সেগুলোকে পরিহার করতে হবে। তবে কোনো বন্ধুর আচরণ অপছন্দ হলে তাকে সরাসরি ‘বাতিল’ বা বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া সঠিক সমাধান নয়। বরং অভিভাবক ও সন্তান—উভয়ের দায়িত্ব হওয়া উচিত সেই বন্ধুকে সেই ক্ষতিকর বা অনুপযোগী আচরণ থেকে বের করে আনার চেষ্টা করা।’</p>

অক্টোবর ৭, ২০২৬
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬। শতকরার ওপর শূন্যস্থান পূরণ
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬। শতকরার ওপর শূন্যস্থান পূরণ

প্রাথমিক গণিত: শূন্যস্থান পূরণ করো

অক্টোবর ৭, ২০২৬
কাউকে টক্সিক বলার আগে নিজেকে যে প্রশ্নগুলো করবেন
কাউকে টক্সিক বলার আগে নিজেকে যে প্রশ্নগুলো করবেন

উদ্দেশ্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা নয়। বরং ক্ষতিকর আচরণ শনাক্ত করা, নিজের ভূমিকা বোঝা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সীমারেখা তৈরি, সম্পর্ক মেরামত কিংবা সরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এ বিষয়ে কিছু দৃষ্টিভঙ্গি দিতে পারে, কিন্তু মানুষের আচরণ বোঝার একমাত্র উৎস হওয়া উচিত নয়।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
মেসির বিদায়ের রাতে ওতামেন্দিরও শেষ গান
মেসির বিদায়ের রাতে ওতামেন্দিরও শেষ গান

<p>লিওনেল মেসির বিদায় বলেই রাতটা আলাদা ছিল। মনুমেন্তালে আলো ছিল তাঁকে ঘিরে। গ্যালারির চোখ ছিল তাঁর দিকে। কিন্তু আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিতে একই রাতে আরেকজনও শেষবারের মতো মাঠে নেমেছিলেন। নিকোলাস ওতামেন্দি।</p><p>বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে মেসির মতোই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলেছেন আর্জেন্টিনার এই ৩৮ বছর বয়সী ডিফেন্ডারও। তাঁরও বিদায়টা হয়েছে স্মরণীয়।</p><p>ম্যাচের প্রথম গোলটি যে তাঁর!</p> <aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/1bb7pru07a">মেসি বিদায় নিলেন, থেকে গেলেন মেসি</a></aside><p>২০২৬ বিশ্বকাপের পরই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন ওতামেন্দি। বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটাকেই ভেবেছিলেন শেষ। কিন্তু লিওনেল স্কালোনি তাঁকে এই ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতিতে শুধু বেনিন ম্যাচের জন্য দলে ডাকেন। কারণটা ছিল স্পষ্ট, মেসির বিদায়ের দিন সতীর্থদের একজন হয়ে পাশে থাকার সুযোগ। সুযোগটা ওতামেন্দি পেয়েছেন। তার চেয়েও বেশি কিছু পেয়েছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/zfqpc8o0/2026-10-07t004658z1942336287up1ema70269q2rtrmadp3soccer-friendly-arg-ben.jpg"><figcaption>আর্জেন্টিনার প্রথম গোলের পর জার্সির লোগোতে চুমু নিকোলাস ওতামেন্দির</figcaption></figure> <p>ক্রিস্তিয়ান ‘কুতি’ রোমেরোর সঙ্গে এদিন আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ সামলেছেন তিনি। বেনিন প্রথমার্ধে কয়েকবার আর্জেন্টিনাকে অস্বস্তিতে ফেলেছিল। কিন্তু ওতামেন্দি ছিলেন নিজের জায়গায় দৃঢ়। প্রতিপক্ষকে আর্জেন্টিনার গোলমুখের কাছে খুব বেশি যেতে দেননি।</p><p>তারপর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এল সেই মুহূর্ত। মেসির নিখুঁত ক্রস। বক্সে একেবারে অরক্ষিত ওতামেন্দি। পা বাড়িয়ে বল জালে পাঠালেন। শেষ ম্যাচে শেষ গোল। এর চেয়ে সুন্দর বিদায়ের চিত্রনাট্য আর কী হতে পারে!</p><p>কিছুক্ষণ পর তাঁকে তুলে নেওয়া হলো। লিসান্দ্রো মার্তিনেজ মাঠে নামলেন। আর ওতামেন্দি যখন মাঠ ছাড়ছেন, তখন মনুমেন্তাল উঠে দাঁড়িয়েছে। চারপাশে করতালি। বিদায়ের আগে একে একে সতীর্থদের সঙ্গে আলিঙ্গন করলেন। হাত মেলালেন। শেষবারের মতো জড়িয়ে ধরলেন অধিনায়ক মেসিকেও।</p> <aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/8p20gc4ige">মেসির বিদায়ী ম্যাচের অ্যালবাম: আবেগ আর ভালোবাসার গল্প</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-07/330cc1b8-0c40-4574-80e0-6a0bdbb4f478/453552-01-02.jpg"><figcaption>মেসির পাশেই বহুদিনের দুই সতীর্থ আনহেল দি মারিয়া ও নিকোলাস ওতামেন্দি</figcaption></figure><p>পরে টিওয়াইসি স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওতামেন্দি বললেন, ‘এই ম্যাচটা ছিল বাড়তি পাওয়া। আমি ভেবেছিলাম, বিশ্বকাপের আগের ম্যাচটিই আমার শেষ। কারণ তখনই বিদায় বলে দিয়েছিলাম। কিন্তু মেসি আমাকে এখানে আসতে বলল। ওর বিদায়ের অংশ হতে, এই ঐতিহাসিক দিনটা উপভোগ করতে বলল। জাতীয় দলের হয়ে ১৭ বছর কাটিয়েছি। আর এই ১৭ বছর ওর সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারাটা ছিল অসাধারণ।’ </p><p>শেষ ম্যাচে গোল করার আনন্দের কথাও আলাদা করে বলেছেন তিনি, ‘আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে নিজের শেষ ম্যাচে শেষ গোলটা করা এমন একটা ব্যাপার, যেটা আমি সারা জীবন মনে রাখব।’</p><p>মেসির বিদায় নিয়ে বলতে গিয়ে ওতামেন্দির কণ্ঠেও ছিল আবেগ, ‘ও একেবারে মাটির মানুষ। এটা ওর শেষ ম্যাচ, ভাবলেই গায়ে কাঁটা দেয়। জানতাম, এই ম্যাচটা একদিন আসবেই। একই সঙ্গে দুঃখ আর আনন্দ হচ্ছিল। কারণ ওর বিদায়টা ঠিক যেভাবে প্রাপ্য ছিল, সেভাবেই হয়েছে।’</p><p>মেসির সঙ্গে সম্পর্কটা কতটা গভীর, সেটাও বোঝা গেছে তাঁর কথায়, ‘আমরা ওর খুব কাছের মানুষ ছিলাম। হয়তো কখনো কখনো ওকে কিছু কথা বলার থাকত, কিন্তু বলা হয়ে ওঠেনি। কারণ তখন মনে হয়, কিছু বলার চেয়ে ওর সঙ্গে সময়টা উপভোগ করাই ভালো। আমি ওকে ধন্যবাদ জানাই। ও পৃথিবীর সবচেয়ে বিনয়ী মানুষগুলোর একজন। আর ফুটবল দিয়ে সে যা করেছে, সেটাও অবিশ্বাস্য। সে আর্জেন্টিনার পতাকাটা অনেক উঁচুতে রেখে গেছে।’</p> <aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/xi1stw4j5y">এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে বিদায় রাঙালেন মেসি</a></aside><p>স্কালোনি যুগের অন্যতম স্তম্ভ ছিলেন ওতামেন্দি। শুরু থেকেই ছিলেন এই দলের সঙ্গে। সময়ের সঙ্গে হয়ে উঠেছেন আর্জেন্টিনার জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়দের একজন। এই সময়ে তাঁর অর্জনের তালিকাও কম নয়। একটি বিশ্বকাপ। দুটি কোপা আমেরিকা। একটি ফিনালিসিমা। বিশ্বকাপের ইতিহাসেও তাঁর জায়গাটা আলাদা। চারটি বিশ্বকাপে খেলেছেন ওতামেন্দি। ২০১০ সালে ৩ ম্যাচ, ২০১৮ সালে ৪ ম্যাচ, ২০২২ সালে ৭ ম্যাচ এবং ২০২৬ সালে ৭ ম্যাচ। আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় মেসি। এরপরই ওতামেন্দি। ডিয়েগো ম্যারাডোনার সমান, ২১টি! </p><p>মেসির বিদায়ের রাতে তাই আরেকটি বিদায়ও লেখা হয়ে গেল। একজন ছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলের সবচেয়ে বড় গল্প। আর অন্যজন সেই গল্পের এক নির্ভরযোগ্য চরিত্র।</p>

অক্টোবর ৭, ২০২৬
‘ফায়ার’ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন মান্না, ২৪ বছর পর সামনে এল তাঁর বক্তব্য
‘ফায়ার’ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন মান্না, ২৪ বছর পর সামনে এল তাঁর বক্তব্য

‘ফায়ার’ মুক্তির পর ছবিটিতে অশ্লীল দৃশ্য থাকার অভিযোগ ওঠে। ছবিটি মুক্তির ২৪ বছর পর সম্প্রতি সামনে এল প্রয়াত নায়ক মান্নার বক্তব্য।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
কলকাতায় প্রতি কেজি এলপিজির দাম ৮৭ টাকা, বাংলাদেশে ১৫৩
কলকাতায় প্রতি কেজি এলপিজির দাম ৮৭ টাকা, বাংলাদেশে ১৫৩

প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় নির্ধারিত দাম বেশি। আবার নির্ধারিত দামও বাজারে কার্যকর হয় না।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
পিচ্চি রাজা কীভাবে পালিয়ে গেলেন, দেখা গেল সিসিটিভির ফুটেজে
পিচ্চি রাজা কীভাবে পালিয়ে গেলেন, দেখা গেল সিসিটিভির ফুটেজে

মোহাম্মদপুরের আলোচিত মাদক কারবারি রাজা ওরফে পিচ্চি রাজার পালিয়ে যাওয়ার এই দৃশ্য ধরা পড়েছে একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরায়।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন