টালিউড

‘আমি মিস ক্যালকাটা ১৯৭৬...’ কত পরিচয় অপর্ণার

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
‘আমি মিস ক্যালকাটা ১৯৭৬...’ কত পরিচয় অপর্ণার
‘আমি মিস ক্যালকাটা ১৯৭৬...’ কত পরিচয় অপর্ণার
আজ রোববার, ২৫ অক্টোবর, অপর্ণা সেনের ৮১তম জন্মদিন। ১৯৪৫ সালের এই দিনে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

Prothomalo

View more
দুর্ঘটনায় পা হারানো সাকিবকে নগদ অর্থসহায়তা পটিয়া বন্ধুসভার
দুর্ঘটনায় পা হারানো সাকিবকে নগদ অর্থসহায়তা পটিয়া বন্ধুসভার

পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জানা যায়, ১৩ অক্টোবর পটিয়ার একটি ভবনে রঙের কাজ করতে গিয়ে ছাদের ওপর অসাবধানতাবশত ১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসেন সাকিব। প্রায় এক মিনিট বিদ্যুতের সংস্পর্শে থাকার পর এক পথচারী তাঁকে দেখতে পান। পথচারী রং করার দড়ি নাড়িয়ে সাকিবকে বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শ থেকে বাঁচাতে গেলে তিনি ছিটকে ছাদ থেকে নিচে পড়ে যান।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
আইন হাতে তুলে নেওয়া নয়, আবার শিশুদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল
আইন হাতে তুলে নেওয়া নয়, আবার শিশুদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় এক ছাত্রীকে যৌননিপীড়নের অভিযোগের ঘটনার আইনগত দিক কী—সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে আজ রোববার দুপুরে অ্যার্টনি জেনারেল এই মন্তব্য করেন।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
জন্মগত সমস্যা, যা প্রতিরোধ করা সম্ভব
জন্মগত সমস্যা, যা প্রতিরোধ করা সম্ভব

এতে মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের নানা ধরনের জন্মগত জটিলতা হতে পারে। নিউরাল টিউব ডিফেক্ট একটি প্রতিরোধযোগ্য কিন্তু অত্যন্ত জটিল সমস্যা।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক্সিকিউটিভ এমবিএ ভর্তিতে আবেদন শুরু, আবেদন সিজিপিএ ২.৫০-এ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক্সিকিউটিভ এমবিএ ভর্তিতে আবেদন শুরু, আবেদন সিজিপিএ ২.৫০-এ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ এমবিএ প্রোগ্রামের দশম ব্যাচে ভর্তি শুরু হয়েছে। সিজিপিএ ২.৫০ হলেই আবেদন করা যাবে। পূর্বাভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
অন্য কোচদের ‘অপরাধের’ ছবি জমাচ্ছেন আরতেতা
অন্য কোচদের ‘অপরাধের’ ছবি জমাচ্ছেন আরতেতা

<p>মাঠের পাশে দাঁড়িয়ে মিকেল আরতেতার ছটফটানি নতুন কিছু নয়। কখনো চিৎকার করে খেলোয়াড়দের নির্দেশ দিচ্ছেন, কখনো উত্তেজনায় ছুটে যাচ্ছেন টেকনিক্যাল এরিয়ার বাইরে। আর্সেনাল কোচের এমন দৃশ্যের সঙ্গে ফুটবলপ্রেমীরা ভালোই পরিচিত। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, আরতেতার এই অস্থিরতা মোটেও পছন্দ নয় রেফারিদের। তাই বারবার হলুদ কার্ড দেখতে হচ্ছে তাঁকে।</p><p>গতকাল এভারটনের বিপক্ষে আর্সেনালের ২–০ গোলের জয়ের ম্যাচেও হলুদ কার্ড দেখেছেন আরতেতা। প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমে এটি তাঁর দ্বিতীয় হলুদ কার্ড। আর একবার হলুদ কার্ড দেখলেই এক ম্যাচের জন্য ডাগআউটে নিষিদ্ধ হবেন আর্সেনাল কোচ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/gpqwi7mzns">সুযোগ কাজে লাগিয়ে সিটির পাশে আর্সেনাল</a></aside><p>তবে আরতেতা মনে করেন, রেফারিরা তাঁর প্রতি একটু বেশিই কঠোর। অন্য কোচরা একই কাজ করেও পার পেয়ে যাচ্ছেন। এমন অভিযোগের পক্ষে প্রমাণও নাকি জমাচ্ছেন তিনি। অন্য কোচদের টেকনিক্যাল এরিয়ার বাইরে যাওয়ার ছবি ও ভিডিওর বিশাল সংগ্রহ গড়ে তুলেছেন এই স্প্যানিশ কোচ!</p><p><br>এভারটনের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আরতেতা বলেছেন, ‘প্রিমিয়ার লিগে এমন কোচও আছেন, যিনি ১০ মিনিটে ৩৬ বার টেকনিক্যাল এরিয়া ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার রেকর্ড গড়েছেন। অথচ একবারও হলুদ কার্ড দেখেননি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/gakbgr8b/730804-01-02.jpg"><figcaption> প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমে দ্বিতীয়বার হলুদ কার্ড দেখলেন আরতেতা।</figcaption></figure><p><br>কথাটা শুধু অভিযোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেননি আরতেতা। জানালেন, অন্য কোচদের নিয়ম ভাঙার দৃশ্য নিয়মিত সংরক্ষণ করছেন তিনি, ‘আমি এসব দৃশ্যের ক্লিপ জমাচ্ছি। আমার কাছে ছবির বিশাল সংগ্রহ আছে।’</p><p>প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচ চলাকালে কোচদের নির্ধারিত টেকনিক্যাল এরিয়ার মধ্যে থাকতে হয়। কিন্তু উত্তেজনার বশে প্রায়ই সেই সীমা অতিক্রম করেন আরতেতা। ডাগআউটের সামনে তাঁর ছোটাছুটি কখনো কখনো ম্যাচের উত্তেজনাকেও হার মানায়।</p><p><br>এভারটনের বিপক্ষে ম্যাচটিও ছিল বেশ উত্তপ্ত। শুধু আরতেতা নন, এভারটন কোচ ডেভিড ময়েস এবং আরতেতার সহকারী গ্যাব্রিয়েল হেইনজেকেও হলুদ কার্ড দেখান রেফারি টনি হ্যারিংটন।<br>এজরি কনসা ও গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েসের গোলে ম্যাচটি জিতে আর্সেনাল অবশ্য পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির সমান পয়েন্টে পৌঁছে গেছে। একই দিনে অ্যাস্টন ভিলার কাছে ২–১ গোলে হেরেছে সিটি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/lprqq5kc/731556-01-02.jpg"><figcaption>আরতেতা মনে করেন, রেফারিরা তাঁর প্রতি একটু বেশিই কঠোর। </figcaption></figure><p><br>দলের এমন সাফল্যের মধ্যেও আরতেতার মাথায় এখন হলুদ কার্ডের চিন্তা। আরেকটি কার্ড দেখলেই যে এক ম্যাচ ডাগআউটে বসতে পারবেন না!<br>তাহলে নিজেকে সামলাবেন কীভাবে? আরতেতার উত্তরেও মিশে থাকল রসিকতা, ‘আমাকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। আর সেখানে আমাদের ভালো সেন্সর বসাতে হবে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/crmscqhnj1">লাল কার্ডে চেলসির সেঞ্চুরি, প্রিমিয়ার লিগে অন্য ক্লাবগুলোর কত</a></aside>

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ নিয়ে বিতর্ক, জ্ঞানের পিরামিডে কোনো আইকন থাকছে না
ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ নিয়ে বিতর্ক, জ্ঞানের পিরামিডে কোনো আইকন থাকছে না

ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ে প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লার ছবি রাখা নিয়ে বিতর্কের পর জ্ঞানের পিরামিডে সব আইকন বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিটিবি।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
বকেয়া ভাড়া নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা, খুলনায় বাড়িওয়ালার লাঠির আঘাতে ভাড়াটের মৃত্যু
বকেয়া ভাড়া নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা, খুলনায় বাড়িওয়ালার লাঠির আঘাতে ভাড়াটের মৃত্যু

খুলনায় বকেয়া ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা–কাটাকাটির জেরে বাড়িওয়ালার লাঠির আঘাতে রকিবুল ইসলাম (২৪) নামের এক ভাড়াটে মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট, খরচের বোঝা কার
মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট, খরচের বোঝা কার

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট, খরচের বোঝা কার

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
রোববারই ইরানে হামলা, না হয় চমৎকার সমঝোতা: ট্রাম্প
রোববারই ইরানে হামলা, না হয় চমৎকার সমঝোতা: ট্রাম্প

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের তুলনায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বেড়েছে। যদিও নিজের দাবির পক্ষে তিনি কোনো পরিসংখ্যান দেননি।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন