বাংলাদেশ

আইজিপির বক্তব্যের ব্যাপারে সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান প্রধানমন্ত্রী বিবেচনা করবেন: জাহেদ উর রহমান

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
আইজিপির বক্তব্যের ব্যাপারে সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান প্রধানমন্ত্রী বিবেচনা করবেন: জাহেদ উর রহমান
আইজিপির বক্তব্যের ব্যাপারে সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান প্রধানমন্ত্রী বিবেচনা করবেন: জাহেদ উর রহমান
জাহেদ উর রহমান বলেন, এ নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তা কেটে যাওয়া উচিত। কারণ, আইজিপি এসব বক্তব্যের কোনোটিই নিজের অবস্থান হিসেবে ধরে রাখেননি।

Prothomalo

View more
যত দ্রুত সম্ভব মজুরি বোর্ড, এই ইস্যুতে আন্দোলন করলে ব্যবস্থা: শ্রমমন্ত্রী
যত দ্রুত সম্ভব মজুরি বোর্ড, এই ইস্যুতে আন্দোলন করলে ব্যবস্থা: শ্রমমন্ত্রী

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের ৯৬তম ও তৈরি পোশাক (আরএমজি) বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের ২৫তম সভা শেষে এ কথা বলেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
প্রশাসন ক্যাডারের ২৩ কর্মকর্তা কি জ্যেষ্ঠতাও হারাবেন 
প্রশাসন ক্যাডারের ২৩ কর্মকর্তা কি জ্যেষ্ঠতাও হারাবেন 

২৮তম থেকে ৪১তম পর্যন্ত বিসিএস পরীক্ষায় যাঁরা নিয়োগবঞ্চিত ছিলেন, তাঁদের অবশ্যই ব্যাচভিত্তিক জ্যেষ্ঠতা দেওয়া উচিত।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ঢাকার পূর্বাঞ্চল, চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ বিপর্যয়
ঢাকার পূর্বাঞ্চল, চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ বিপর্যয়

ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ বিপর্যয়

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন
এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি ও আমার রঙিন স্কুলব্যাগের দিনগুলো
কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি ও আমার রঙিন স্কুলব্যাগের দিনগুলো

<p>একসময় ঢাকার অন্যতম জনপ্রিয় শপিংমল ছিল কাকরাইলের কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি। গত ১ অক্টোবর দোকান মালিক সমিতি থেকে মার্কেটটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই কর্ণফুলী মার্কেট নিয়ে তাঁদের স্মৃতিচারণা করেন। নিজের শৈশবের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা তেমনি কিছু মুহূর্তের স্মৃতিচারণা করলেন <strong>জাহিন যাঈমাহ্ কবির</strong></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/xtmhuveq/Karnafuli-Garden-City-2.jpg"><figcaption>রাজধানীর কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির শপিং মলের সামনে এখন ঝুলছে একটি পিভিসি ব্যানার, তাতে লেখা ‘১ অক্টোবর থেকে শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ’</figcaption></figure><p>তখন হয়তো ক্লাস ফাইভে পড়ি। আশপাশে বন্ধুদের কাঁধে নানা রংঢঙের স্কুলব্যাগ। ট্রলি, রেসিং কার, বারবি আরও কত কী। এই যখন অবস্থা, তখন কি আর সাধাসিধে ব্যাগে মন ভরে? মায়ের কাছে হাজির হলাম নতুন বায়না নিয়ে। মায়েরও এক কথা, আগে পরীক্ষায় ভালো করতে হবে। </p><p>যেই বলা, সেই কাজ। ফলাফল পেয়ে নতুন ব্যাগ বাছাই করতে রওনা হলাম। মস্ত বড় (২০ তলা) এক ভবনের নিচে গিয়ে থামলাম। ভবনের সামনে লাল আলোয় বড় করে লেখা, ‘কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি’।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/shopping/86sxtbb0pj">অনলাইন থেকে যেভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠল দেশি পোশাকের ব্র্যান্ড ‘খুঁত’</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2020/06/01/c7acf42370bad7b2248f1bc41c7e6dde-5ed525d48223b.jpg"><figcaption>১০ বছরের বেশি সময় ধরে শপিং মলটিতে বেচাবিক্রি ধীরে ধীরে কমেছে</figcaption></figure><p>শান্তিনগর-কাকরাইল মোড়ের কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির এই মলটির সঙ্গে আমার মতো অনেকেরই এমন নানা স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আশপাশে নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর শিক্ষার্থীদের আনাগোনা থাকায় একসময় তুঙ্গে ছিল মার্কেটটির জনপ্রিয়তা। ক্লাস শেষে মায়ের হাত ধরে যাওয়া, এরপর ঘুরে ঘুরে টুকটাক কেনাকাটা আর সবশেষে চারতলায় গিয়ে এক প্লেট দইফুচকা। </p><p>এত সব স্মৃতি জড়ানো সেই শপিং মলের সামনে এখন ঝুলছে একটি পিভিসি ব্যানার, তাতে লেখা ‘১ অক্টোবর থেকে শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ’। দীর্ঘ ২৮ বছরের পথচলার ইতি টানল কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি। একসময়ের আলোঝলমলে এই মলে শেষমেশ খোলা ছিল ২৫টি দোকান।</p><h3>শুরুর দিনগুলো</h3><p>১৯৯৮ সালে ২০ তলা ভবনের বেজমেন্ট ও চারতলা নিয়ে চালু হয় কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি। ওপরের তলাগুলো অ্যাপার্টমেন্ট। শপিং কমপ্লেক্সটি নির্মাণ করেছিল কর্ণফুলী গ্রুপ। ১৯৮টি দোকান নিয়ে শপিং মলটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। ক্যাপসুল লিফট, নিজস্ব জেনারেটর আর শীতাতপনিয়ন্ত্রিত পরিবেশ তখন রাজধানীর মার্কেটগুলোর মধ্যে এই মলকে বেশ আলাদা করে তুলেছিল। </p><p>উপহারসামগ্রী, প্রসাধনী, শাড়ি, থ্রি–পিস, ছেলেদের পোশাক, গয়না, ওপরে ফুডকোর্ট; ঈদ বা উৎসবের মৌসুমে এক ছাদের নিচে সবই এখানে মিলত। তবে আমার জন্য ছোটবেলা থেকেই কর্ণফুলী মানে ছিল নতুন ব্যাগ, আর মজার মজার খাবারের জায়গা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/qprwvn0l0n">শীতে ছাদবাগানের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেবেন যেভাবে</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/4byek0w5/Karnafuli-Garden-City.jpg"><figcaption>যেকোনো উপলক্ষে ক্রেতারা কেনাকাটা করতে কর্ণফুলী গার্ডেন সিটিতে ভিড় করতেন</figcaption></figure><p>শপিং মলটিতে দুপুর আর সন্ধ্যায় ভিড় হতো সবচেয়ে বেশি। কেউ কেনাকাটা করছেন, কেউ পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে খেতে বসেছেন। সেফটিপিন থেকে জুতা, ব্যাগ, শাড়ি, গয়না, খেলনা—কী ছিল না! আর তাই দৈনন্দিন থেকে শুরু করে উৎসব—যেকোনো উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রেণির ক্রেতারা এখানে ভিড় করতেন।<br>দশ বছর ধরে হারিয়েছে জৌলুস<br>শুরুতে নজর কাড়লেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা হারাতে থাকে কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি। অন্য সব বড় বড় শপিং মলের ভিড়ে চাপা পড়ে যায়। কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির দোকানমালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাকী বিল্লাহ ওসমানী প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, ১০ বছরের বেশি সময় ধরে শপিং মলটিতে বেচাবিক্রি ধীরে ধীরে কমেছে। তাঁর ভাষ্যমতে, বেশ কয়েকটি কারণে মার্কেট ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে। প্রথমে মগবাজার-মালিবাগ উড়ালসড়ক নির্মাণের সময় তীব্র যানজট, পরে করোনা মহামারি। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/shopping/s0nmsjlx56">শ্রীমঙ্গলে ভালো চা কিনবেন কী করে</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2015/07/11/aec32fb18b88802488e4612f9aa21837-download.jpg"><figcaption>১৯৯৮ সালে ২০ তলা ভবনের বেজমেন্ট ও চারতলা নিয়ে চালু হয় কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি</figcaption></figure><p>শুধু করোনার সময়ই শতাধিক দোকান বন্ধ হয়ে যায়, পরে আর যেগুলো চালু হয়নি। শপিং মলটি বন্ধের পেছনে এমন আরও নানা সমস্যার কথা জানা যায়।<br>ক্রেতা না থাকায় দোকানমালিকেরা মার্কেট বন্ধ ও মালিকানা বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ওসমানী জানান, জায়গাটি বিক্রি করতে হাসপাতাল, ব্যাংক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।<br>পুরোনো মানেই কি বাতিল<br>কর্ণফুলী গার্ডেন সিটিতে শেষবার গিয়েছিলাম বছর তিনেক আগে, ফের ব্যাগ কিনতে। এরপর বাইরে থেকে উঁকি দিলেও কেনাকাটার খুব একটা সুযোগ হয়নি। ধীরে ধীরে একের পর এক দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কেনাকাটায়ও সীমাবদ্ধতা আসতে শুরু করে। ফলে ক্রেতাও কম আসতে থাকে।<br>এককালের এমন জনপ্রিয় শপিং মলের এভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া আসলে কিসের ইঙ্গিত! ক্রেতার রুচি, কেনাকাটার ধরন আর বড় শপিং মলের প্রতিযোগিতায় পুরানোদের টিকে থাকার লড়াইয়ে হেরে যাওয়া দেখে নিজেকেই প্রশ্ন করি, সময়ের সঙ্গে আপডেটেড না হলে মানুষও কি এভাবে পিছিয়ে পড়ে? কী জানি!<br>তারপরও আমার মতো অনেকের কাছে হয়তো ছোটবেলার রঙিন স্কুলব্যাগের স্মৃতি হয়ে থেকে যাবে কর্ণফুলী মল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/w2fdo2gi92">সুপারফুড বলে কি আসলে কিছু আছে</a></aside>

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
নিজের নামে রেলওয়েতে প্রায় কোটি টাকার বিল, জানেনই না গৃহিণী কোহিনূর
নিজের নামে রেলওয়েতে প্রায় কোটি টাকার বিল, জানেনই না গৃহিণী কোহিনূর

কোহিনূর আক্তার দুদককে জানান, তিনি তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। স্বাক্ষর ছাড়া তেমন কিছু লিখতে পারেন না। তাঁর নামে কোনো ব্যাংক হিসাব নেই।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
বাড়িঘর নিরাপদ রাখতে নবীজির শেখানো ৫ আমল
বাড়িঘর নিরাপদ রাখতে নবীজির শেখানো ৫ আমল

অদৃশ্য বিপদাপদ, শয়তানের প্ররোচনা এবং বালা-মুসিবত থেকে ঘরকে সুরক্ষিত রাখতে ইসলামে কিছু সুনির্দিষ্ট আমলের কথা বলা হয়েছে। নবীজির শেখানো ৫ আমল তুলে ধরা হলো।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
সৌদি আরব লক্ষ্য করে আবার হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, ধ্বংসের দাবি আরব জোটের
সৌদি আরব লক্ষ্য করে আবার হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, ধ্বংসের দাবি আরব জোটের

ইয়েমেনের সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, হুতিরা সৌদি আরবের ইস্টার্ন প্রভিন্সের দিকে তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের দিকে চারটি ড্রোন ছুড়েছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন চার ধাপে, ১ নভেম্বর শুরু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন চার ধাপে, ১ নভেম্বর শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৪তম সমাবর্তনে অংশগ্রহণে অনলাইনে আবেদন শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ১ নভেম্বর থেকে।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”