প্রযুক্তি

১৫টি ভিডিও পোস্ট করলেই ৩ হাজার ডলার দেবে এক্স, কারা পাবেন

অক্টোবর ২২, ২০২৬
১৫টি ভিডিও পোস্ট করলেই ৩ হাজার ডলার দেবে এক্স, কারা পাবেন
১৫টি ভিডিও পোস্ট করলেই ৩ হাজার ডলার দেবে এক্স, কারা পাবেন
ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর। ‘ভিডিও কিকস্টার্ট বোনাস’ নামের নতুন কর্মসূচি চালু করেছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন খুদে ব্লগ লেখার সাইট এক্স (সাবেক টুইটার)।

Prothomalo

View more
সন্তানকে কঠিন কাজের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে পাঠাচ্ছেন চীনা অভিভাবকেরা, কেন
সন্তানকে কঠিন কাজের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে পাঠাচ্ছেন চীনা অভিভাবকেরা, কেন

হাজার হাজার ইউয়ান খরচ করে চীনের অভিভাবকেরা তাঁদের সন্তানদের দিয়ে কঠিন সব কাজ করাচ্ছেন। ইট বহন করা, খেতে কাজ করা কিংবা গোয়ালঘর পরিষ্কার করা। তবে মনোবিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়েছেন, সন্তানদের ওপর এমন অতিরিক্ত চাপ দিলে সুবিধার চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি, ওয়ানডেতে বিশ্ব রেকর্ড ব্রুকের
১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি, ওয়ানডেতে বিশ্ব রেকর্ড ব্রুকের

<p>শুবমান গিলের রেকর্ডটা এক মাসও টিকল না।</p><p>গত ৩০ সেপ্টেম্বর ওয়ানডেতে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন ভারতের ওয়ানডে অধিনায়ক। আজ গিলকে পেছনে ফেলে ৫০ ওভার ক্রিকেটে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক।</p><p>রাওয়ালপিন্ডিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাত্র ১১৪ বলে ২০০ রান পূর্ণ করেছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। </p><p>ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরিটি ইংল্যান্ডের ওয়ানডে ইতিহাসেও প্রথম। এর আগে এই সংস্করণে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিল বেন স্টোকসের। ২০২৩ সালে ওভালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮২ রান করেছিলেন স্টোকস। </p><p>ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচটির শুরুতে অবশ্য খুব একটা ছন্দে ছিলেন না ব্রুক। চারে নেমে প্রথম ২৪ বলে করেছিলেন মাত্র ১৩ রান। পরে কামিন্দু মেন্ডিসের ওভারে পরপর দুটি ছক্কা মেরে রানের গতি বাড়ান। এরপর সুইপ, স্কুপ, রিভার্স স্কুপ আর দৃষ্টিনন্দন শটে শ্রীলঙ্কার বোলারদের ওপর চড়াও হন। ৭৫ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তিনি।</p><p>তৃতীয় উইকেটে জো রুটের সঙ্গে ১৫৯ রানের জুটি গড়ার পর উইল জ্যাকসের সঙ্গে যোগ করেন আরও ১৮৫ রান। জ্যাকসও ২৫ বলে ফিফটি তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত ১১৬ বলে ২০২ রান করে আউট হন ব্রুক। তাঁর ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও ১৫টি ছক্কা।</p><p>ব্রুকের এই ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৪২৯ রান করেছে ইংল্যান্ড। ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এটিই কোনো দলের সর্বোচ্চ রান। পাকিস্তানের মাটিতেও এটিই ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর।</p><p>আরেকটি বিরল কীর্তিও গড়েছেন ব্রুক। টেস্টে ট্রিপল সেঞ্চুরি, ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি ও টি–টুয়েন্টিতে সেঞ্চুরি—তিন সংস্করণে এই তিন মাইলফলক ছোঁয়া দ্বিতীয় ক্রিকেটার তিনি। এর আগে এই কীর্তি ছিল শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইলের।</p>

অক্টোবর ২২, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরের ছবিতে বাজে মন্তব্যকারী আটক
প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরের ছবিতে বাজে মন্তব্যকারী আটক

<p>প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরের ছবি নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করায় আবু বক্কর সিদ্দিক নামের এক যুবককে আটক করেছে এসআরবি। দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে—</p><figure></figure>

অক্টোবর ২২, ২০২৬
হেফাজতের ‘মুরব্বিয়ানায়’ কওমি ঘরানার সাত দলের জোট
হেফাজতের ‘মুরব্বিয়ানায়’ কওমি ঘরানার সাত দলের জোট

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-22/yf86r7uc/Hefajot-Islam-01.jpeg"><figcaption>কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নেতাদের বৈঠক। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁওয়ের আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাখজানুল উলুম (ঢাকা) মাদ্রাসায় </figcaption></figure><p>স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে অংশ নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা করেছে কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দল। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা হবে। এর মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাও চলবে।</p><p>আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁওয়ের আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাখজানুল উলুম (ঢাকা) মাদ্রাসায় সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এ আলোচনা হয়। সাত দলের এই ঐক্য প্রক্রিয়ায় রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।</p><p>বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে বেলা একটা পর্যন্ত চলা বৈঠকে সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি বশির উল্লাহ, নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি মাওলানা আবদুল আউয়াল ও হেফাজত আমিরের ছেলে মুফতি আইয়ুব বাবুনগরীও বৈঠকে ছিলেন।</p><p>বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে সাতদলীয় ঐক্যের কাঠামো, অভিন্ন ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা, রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে সম্পর্ক এবং পরবর্তী কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে ঐক্যের নীতিমালা ও কর্মপদ্ধতি নিয়ে আরও আলোচনা হবে।</p><p>বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা জানান, জামায়াতে ইসলামী এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চায়। এ পরিস্থিতিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে থাকা দলগুলো কীভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কওমি ঘরানার সাত দলের ঐক্যপ্রক্রিয়া এগোতে থাকায় ওই ঐক্যে থাকা দলগুলো নতুন এই ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে কি না, তা নিয়েও কথা হয়েছে।</p><p>বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সাত দল একসঙ্গে অংশ নিতে পারে কি না, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এ আলোচনাকে তাঁরা ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং স্থানীয় নির্বাচনে সাত দল জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করলে তাঁরা এতে থাকবেন।</p><p>সাত দল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে অংশ নিতে পারে কি না, সে বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমানও। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এ বিষয়ে আগামী ৫ ডিসেম্বরের বৈঠকে আরও আলোচনা হবে। এর মাঝে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাও হতে পারে।</p><h3>‘সমমনা ইসলামী দল’ ব্যানারে চলবে ৭ দল </h3><p>বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা জানান, সাত ইসলামি দল ‘সমমনা ইসলামী দল’ ব্যানারে একসঙ্গে কাজ করবে। তবে দলগুলো নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রাখবে।</p><p>হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি বশির উল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সমমনা ইসলামী দল’ ব্যানারে দলগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিসের ভিত্তিতে ঐক্য হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে ঐক্যের কর্মপদ্ধতি এখনো ঠিক হয়নি। এ জন্য ৫ ডিসেম্বর আবার বৈঠক ডাকা হয়েছে।</p><h3>জোটের শর্তে আপত্তি দুই দলের </h3><p>বৈঠক অংশ নেওয়া নেতারা জানান, ‘সমমনা ইসলামী দল’ নামে অভিন্ন ব্যানারে একসঙ্গে কার্যক্রম চালানোর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিলেও অন্য রাজনৈতিক জোটে থাকা দলগুলোকে সেই জোট ছাড়তে হবে কি না, তা নিয়ে মতৈক্য হয়নি।</p><p>বৈঠক সূত্র জানায়, অন্য রাজনৈতিক জোটে থাকা নিয়ে শর্ত আরোপের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। তাদের বক্তব্য, এ বিষয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন।</p><p>বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিন প্রথম আলোকে বলেন, সাতদলীয় ঐক্যে থাকা কোনো দল অন্য কোনো জোটে থাকতে পারবে না মর্মে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। দলগুলোর মধ্যে যারা অন্য জোটে আছে, তাদের ওই জোট ছেড়ে আসতে অনুরোধ করেছে হেফাজতে ইসলাম। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।</p><p>জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্য থেকে কওমি ঘরানার দলগুলোকে বের হয়ে আসতে হেফাজতে ইসলামের নেতারা অনুরোধ করেছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহারও। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সমমনা ইসলামী দলের ব্যানারে তাঁরা থাকছেন। তবে তাঁরা জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১–দলীয় ঐক্যের আন্দোলনেও শরিক থাকবেন।</p><p>হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি বশির উল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, সাত দল অন্য কোনো জোটে থাকতে পারবে না—এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে কোনো কোনো দল এ বিষয়ে নিজ নিজ দলীয় ফোরামে আলোচনা করে পরে জানাবে বলে জানিয়েছে।</p><p>বৈঠক সূত্র জানায়, জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির সঙ্গে দলগুলোর সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়েছে। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব এ সময় বলেছেন, সাত দলের এই ঐক্য হলে তাঁরা বিএনপির জোট থেকে বেরিয়ে যাবেন।</p><p>বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা আরও জানান, রাজনৈতিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দলগুলোর লিয়াজোঁ কমিটিতে আলোচনা করে ঐকমত্যে পৌঁছানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। অন্য রাজনৈতিক জোটে থাকা নিয়ে শর্ত শিথিল করা যায় কি না, সে বিষয়েও আরও আলোচনা হতে পারে বলে তিনি জানিয়েছেন।</p><h3>আরও যেসব বিষয়ে আলোচনা </h3><p>বৈঠক সূত্র জানায়, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এক নেতা তাঁদের দলের আমির মাওলানা মামুনুল হককে নিয়ে নেতিবাচক বক্তব্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা ও বই প্রকাশের বিষয়টি তুলে ধরেন। এ সময় হেফাজতের মহাসচিব এ ধরনের ঘটনা ও কাজের নিন্দা জানান।</p><p>এ ছাড়া হেফাজত নেতা হারুন আজিজীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতাদের নিয়ে আপত্তিকর স্ট্যাটাসের বিষয়টি বৈঠকে তোলা হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয় হেফাজত আমিরের ছেলে মুফতি আইয়ুব বাবুনগরীকে।</p><p>বৈঠকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং সাম্প্রতিক দুর্গাপূজার সময় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য নিয়েও আলোচনা–সমালোচনা হয়।</p>

অক্টোবর ২২, ২০২৬
৭৫ বছরের পুরোনো গাউন আর ৫৫.৮ ক্যারেটের হীরায় কিম কার্দাশিয়ানের ভিন্টেজ লুক
৭৫ বছরের পুরোনো গাউন আর ৫৫.৮ ক্যারেটের হীরায় কিম কার্দাশিয়ানের ভিন্টেজ লুক

ভিন্টেজ ফ্যাশন, বিশাল সিল্কের বো আর ঝলমলে হীরার গয়না। অ্যাকাডেমি মিউজিয়াম গালায় কিম কার্দাশিয়ানের সাজে মিশেছে পুরোনো হলিউডের আভিজাত্য।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
আপনি কি বয়সের তুলনায় দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
আপনি কি বয়সের তুলনায় দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ

<p>কাগজে-কলমে আপনার বয়স ৩০, ৪০ কিংবা ৫০। কিন্তু শরীরের বয়স কি আদতে ততটাই? বিজ্ঞানীরা এখন জন্মগত বয়সের পাশাপাশি ‘বায়োলজিক্যাল এজ’ বা জৈবিক বয়সকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন। শরীরের কোষ, টিস্যু ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কতটা ভালোভাবে কাজ করছে, তার ওপর ভিত্তি করে এই বয়সের ধারণা করা হয়। কিছু লক্ষণ ইঙ্গিত দিতে পারে, শরীর প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছে। তবে জীবনযাপনে পরিবর্তন এনে এই প্রক্রিয়া ধীর করা সম্ভব হতে পারে।</p><h3>১. বোতল বা বয়ামের ঢাকনা খুলতে কষ্ট হয়</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-22/r6xvzky0/pexels_photo_8728504.avif"><figcaption>হ্যান্ড গ্রিপ স্ট্রেন্থ সুস্থভাবে বয়স বাড়ার গুরুত্বপূর্ণ সূচক</figcaption></figure><p>আগের মতো সহজে শক্ত ঢাকনা খুলতে পারছেন না? ভারী ব্যাগ বহন করতেও কষ্ট হচ্ছে? এর পেছনে ‘হ্যান্ড গ্রিপ স্ট্রেন্থ’ বা হাতের আঁকড়ে ধরার শক্তি কমে যাওয়া একটি কারণ হতে পারে। হ্যান্ড গ্রিপ স্ট্রেন্থ সুস্থভাবে বয়স বাড়ার গুরুত্বপূর্ণ সূচক। হাত ও কনুইয়ের পেশি শক্ত রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম বা বিশেষ বল চেপে ধরার মতো সহজ অনুশীলন উপকারী হতে পারে।</p><h3>২. সিঁড়ি ভাঙা কঠিন লাগে </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-22/tmfegphr/pexels_photo_7461474.avif"><figcaption>সিঁড়ি ভাঙার সময় পেশির শক্তি, ভারসাম্য, চলাফেরার সক্ষমতা ও ফিটনেস—সবকিছুরই পরীক্ষা হয়</figcaption></figure><p>সিঁড়ি ভাঙার সময় পেশির শক্তি, ভারসাম্য, চলাফেরার সক্ষমতা ও ফিটনেস—সবকিছুরই পরীক্ষা হয়। বয়সের সঙ্গে পেশির ভর কমে যাওয়াকে বলা হয় সারকোপেনিয়া। এর কারণে সিঁড়ি ভাঙা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/hr3x4o97kr">বয়স ৪০ পেরোলে দৃষ্টিশক্তির এসব সমস্যায় পড়েছেন কি না, খেয়াল করুন</a></aside><h3>৩. হাঁটার গতি কমে গেছে </h3><figure><img alt="হাঁটা" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-11-12/h97izghb/040A8906.jpg"><figcaption>হাঁটার গতি পায়ের পেশি ও স্নায়ুর কার্যকারিতা সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে</figcaption></figure><p>হাঁটার গতি পায়ের পেশি ও স্নায়ুর কার্যকারিতা সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। তুলনামূলক দ্রুত ও স্বচ্ছন্দে হাঁটতে পারা ভালো শারীরিক ও জ্ঞানীয় সক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত।</p><h3>৪. ভারসাম্য রাখতে হাতল ধরতে হয় </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-22/08ipngg2/pexels-photo-5356178.avif"><figcaption>সিঁড়ি বা হাঁটার সময় ভারসাম্য রাখতে রেলিং বা অন্য কিছুর ওপর বেশি নির্ভর করতে হলে বিষয়টি খেয়াল করার মতো</figcaption></figure><p>সিঁড়ি বা হাঁটার সময় ভারসাম্য রাখতে রেলিং বা অন্য কিছুর ওপর বেশি নির্ভর করতে হলে বিষয়টি খেয়াল করার মতো। ভারসাম্য কমে যাওয়া পেশির শক্তি ও স্নায়ু-পেশির সমন্বয় কমার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।</p><h3>৫. ঘুম বারবার ভেঙে যায় </h3><figure><img alt="ঘুম" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-19/kdee9zv4/_SY_6901.JPG"><figcaption>রাতে বারবার অল্প সময়ের জন্য ঘুম ভেঙে যাওয়া তুলনামূলক ‘বয়স্ক’ ঘুমের সঙ্গে সম্পর্কিত</figcaption></figure><p>শুধু কত ঘণ্টা ঘুমাচ্ছেন, তা নয়, ঘুম কতটা নিরবচ্ছিন্ন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা ১২ হাজার মানুষের ঘুমের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, রাতে বারবার অল্প সময়ের জন্য ঘুম ভেঙে যাওয়া তুলনামূলক ‘বয়স্ক’ ঘুমের সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো ও জাগা এবং ঘুমের আগে ক্যাফেইন ও ভারী খাবার এড়িয়ে চলা ঘুমের মান উন্নত করতে পারে।</p><h3>৬. প্রিয় পোশাকের ফিট বদলে গেছে </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-22/9imcl2i7/Thumb.jpg"><figcaption>পেশি কমে গিয়ে পেটের আশপাশে চর্বি বাড়লে হৃদ্‌রোগ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে</figcaption></figure><p>ওজন খুব একটা না বাড়লেও কোমরের কাছে পোশাক টাইট, অথচ শরীরের অন্য অংশে ঢিলেঢালা মনে হলে শরীরের গঠনে বয়সজনিত পরিবর্তন হতে পারে। পেশি কমে গিয়ে পেটের আশপাশে চর্বি বাড়লে হৃদ্‌রোগ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/interior/q3mxsf64iw">অন্দরের প্রভাবে বয়স বাড়ছে না তো, জেনে নিন কোথায় হচ্ছে ভুলগুলো</a></aside><h3>৭. শরীরে অকারণে কালশিটে পড়ে </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-22/gn6hkzqo/pexels_photo_7479954.avif"><figcaption>সামান্য আঘাতেই যদি কালশিটে পড়ে, তা ত্বকের বয়সজনিত পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে</figcaption></figure><p>সামান্য আঘাতেই যদি কালশিটে পড়ে, তা ত্বকের বয়সজনিত পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। দীর্ঘদিনের সূর্যের ক্ষতিতে ত্বক পাতলা ও দুর্বল হয়ে রক্তনালিগুলো ভঙ্গুর হতে পারে। সানস্ক্রিন ব্যবহার ও শরীর ঢেকে রাখা উপকারী।</p><h3>৮. ত্বকে বয়সের ছাপ দ্রুত দেখা যাচ্ছে </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-22/vuasrtld/pexels-photo-7479967.avif"><figcaption>বলিরেখা, ত্বক কুঁচকে যাওয়া বা কালচে দাগ বয়স বাড়ার স্বাভাবিক অংশ। তবে এসব প্রত্যাশার তুলনায় আগেই দেখা দিলে ত্বকের বয়স দ্রুত বাড়ার ইঙ্গিত হতে পারে</figcaption></figure><p>বলিরেখা, ত্বক কুঁচকে যাওয়া বা কালচে দাগ বয়স বাড়ার স্বাভাবিক অংশ। তবে এসব প্রত্যাশার তুলনায় আগেই দেখা দিলে ত্বকের বয়স দ্রুত বাড়ার ইঙ্গিত হতে পারে। দীর্ঘদিনের অতিবেগুনি রশ্মির সংস্পর্শ, ধূমপান, বায়ুদূষণ, মানসিক চাপ ও অস্বাস্থ্যকর খাবার এ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে। নিয়মিত সানস্ক্রিন, পুষ্টিকর খাবার ও ধূমপান এড়িয়ে চলা ত্বক সুরক্ষায় সহায়ক।</p><p><sup>সূত্র: দ্য হেলদি</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/1441kisaf2">ত্বক ভালো রাখতে কী ধরনের পুষ্টি দরকার, কোন কোন খাবারে তা মিলবে</a></aside>

অক্টোবর ২২, ২০২৬
সাজেকে গোলাগুলি, খাগড়াছড়ি ফেরার পথে আটকা প্রায় দুই হাজার পর্যটক
সাজেকে গোলাগুলি, খাগড়াছড়ি ফেরার পথে আটকা প্রায় দুই হাজার পর্যটক

<p>দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সব খবর নিয়ে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন ‘বার্তাসংক্ষেপ’। অল্প সময়ে দিনের বড় ঘটনা ও খবরের ভেতরের খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের এ বিশেষ আয়োজনে... </p><figure></figure>

অক্টোবর ২২, ২০২৬
ফেনীতে সকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, দুপুরে গ্রেপ্তার ১৩
ফেনীতে সকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, দুপুরে গ্রেপ্তার ১৩

<p>ফেনীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনী শহরের সহদেবপুর এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।</p><p>এর আগে আজ সকালে শহরতলির কালিপাল দশমীঘাট-সংলগ্ন এলাকায় ফেনী সদর উপজেলা ছাত্রলীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিল করেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে পুলিশ।</p><p>প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফেনী সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেনের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জন তরুণ মিছিলে অংশ নেন। এ সময় তাঁরা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, ফেনী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম ও শেখ হাসিনার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলটি কালিপাল এলাকার সড়কের একাংশ প্রদক্ষিণ করে ব্যানার গুটিয়ে চলে যায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-22/2minc30q/Police-arrest.jpg"><figcaption>নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৩ জন। আজ বিকেলে ফেনী মডেল থানায়</figcaption></figure><p>দুপুরের দিকে মিছিলের ৪২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যানার হাতে একদল তরুণ সড়কে মিছিল করছেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। তাঁদের কারও হাতে জাতীয় পতাকা, কারও হাতে ছাত্রলীগের পতাকা ছিল। অনেকের মাথায় হলুদ ক্যাপ ও মুখে কালো মাস্ক দেখা যায়।</p><p>ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক সাজিদ কামাল বলেন, ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।</p><p>গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. হেলাল তুহিন (১৯), এনায়েত হোসেন (২০), মো. হাসান (১৯), মো. ইব্রাহিম (২১), শাহাদাত হোসেন (১৯), মো. ইমাম হোসেন (১৯), রাকিবুল ইসলাম (২০), তারেক হোসেন (২২), শাহাদাত হোসেন (১৯) ও ১৭ বছরের চার কিশোর। পুলিশ জানায়, তাঁরা সবাই ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।</p>

অক্টোবর ২২, ২০২৬
অমিত শাহর এক আদেশের কারণেই কি গ্যাংস্টার বিষ্ণোইকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছে না মুম্বাই পুলিশ
অমিত শাহর এক আদেশের কারণেই কি গ্যাংস্টার বিষ্ণোইকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছে না মুম্বাই পুলিশ

লরেন্স বিষ্ণোইকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইলে কোনো সংস্থা উপযুক্ত আদালতের নির্দেশে কেবল ভিডিও লিংকের মাধ্যমে অথবা জেল প্রাঙ্গণেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন