জাতীয়

উত্তরণের বছরে কপ ৩১: বাংলাদেশ কী চাইবে, কী দেখাবে?

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
উত্তরণের বছরে কপ ৩১: বাংলাদেশ কী চাইবে, কী দেখাবে?
উত্তরণের বছরে কপ ৩১: বাংলাদেশ কী চাইবে, কী দেখাবে?

আগামী নভেম্বর বাংলাদেশের জন্য এক বিরল সন্ধিক্ষণ। একদিকে ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আন্তালিয়ায় বসছে জাতিসংঘের ৩১তম জলবায়ু সম্মেলন কপ৩১, অন্যদিকে এই একই মাসে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশের কাতার থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তীর্ণ হওয়ার প্রস্তাবনা উঠবে।

এবারের সম্মেলনের আয়োজক তুরস্ক, দর-কষাকষির নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়া, আর প্রাক্‌-সম্মেলন বসছে প্রশান্ত মহাসাগরের দুই দ্বীপরাষ্ট্র ফিজি ও টুভালুতে। আয়োজকেরা একে বলছেন ‘বাস্তবায়নের সম্মেলন’, অর্থাৎ নতুন প্রতিশ্রুতি নয়, পুরোনো অঙ্গীকার মাঠে নামানোর পালা। এই দুই ঘটনার সংযোগেই বাংলাদেশের এবারের অবস্থানের মূল সুরটি বাঁধা উচিত।

এত দিন বাংলাদেশ জলবায়ু অর্থায়ন, বিশেষ বাণিজ্যসুবিধা ও কারিগরি সহায়তার অনেকটা পেয়ে এসেছে স্বল্পোন্নত দেশের পরিচয়ের সূত্রে। যদি উত্তরণের জন্য তিন বছর সময়ও পাই, এরপর সেই অগ্রাধিকারের দরজাগুলো একে একে সরু হয়ে আসবে। অথচ বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকির সূচকে বাংলাদেশ এখনো বিশ্বের সপ্তম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ, যদিও বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে আমাদের অবদান আধা শতাংশেরও কম। মাথাপিছু আয় খানিকটা বাড়ল বলে একটি বদ্বীপের বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা কিংবা নদীভাঙনের ঝুঁকি একবিন্দুও কমেনি।

তাই কপ৩১-এ বাংলাদেশের প্রথম ও কৌশলগত দাবিটি এখনই স্পষ্ট হওয়া উচিত: জলবায়ু অর্থায়নের মাপকাঠি হোক আয় নয়, ঝুঁকি। আর উত্তরণ যেন শাস্তিতে পরিণত না হয়, সে জন্য চাইতে হবে উত্তরণ-পরবর্তী একটি বিশেষ সহায়তার সুযোগ, যাতে উত্তরণের অন্তত পাঁচ থেকে সাত বছর আমরা আগের মতোই সহজ শর্তে জলবায়ু তহবিলে প্রবেশ করতে পারি।

অর্থের পরিমাণ নয়, চরিত্র

আমাদের আলোচনায় জলবায়ু অর্থায়নকে প্রায়ই কেবল অঙ্কের হিসাবে দেখা হয়, কত বিলিয়ন এল সেটিই যেন সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি। কিন্তু আমার কাছে প্রশ্নটি ভিন্ন: অর্থ কোন চরিত্রে আসছে, অনুদান নাকি ঋণ? গত দুই সম্মেলনে ঘোষিত বছরে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের নতুন অর্থায়ন লক্ষ্য এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের অঙ্গীকার শুনতে বড়, কিন্তু এর বড় অংশ যদি ঋণের মোড়কে আসে, তবে যে সংকটের জন্য বাংলাদেশ কার্যত দায়ী নয়, সেটি সামলাতে গিয়েই দেশটির ঋণের বোঝা বাড়বে। এ এক নিষ্ঠুর পরিহাস।

বাংলাদেশের নিজের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বলছে, ২০৫০ সাল পর্যন্ত প্রয়োজন প্রায় ২৩০ বিলিয়ন ডলার, যার একটি বড় অংশ, বছরে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার, আসতে হবে বাইরের উৎস থেকে। এই বিপুল চাহিদার পাশে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের দাবি হওয়া উচিত অভিযোজন ও ক্ষয়ক্ষতির ক্ষেত্রে অনুদান ও সহজ শর্তের অর্থায়ন, যাতে আজকের দুর্যোগ আগামী প্রজন্মের ঋণে পরিণত না হয়।

গত সম্মেলন অভিযোজন অর্থায়ন তিন গুণ করার সময়সীমা ২০৩০ থেকে ঠেলে ২০৩৫-এ নিয়ে গেছে; যাদের ঘরে আজ পানি উঠছে, তাদের জন্য এই পাঁচ বছরের বিলম্ব বিলাসিতা। বিশ্বব্যাংকসহ কয়েকটি সংস্থা সম্প্রতি জলবায়ু-বরাদ্দের লক্ষ্য শিথিলের ইঙ্গিত দিয়েছে, ধনী দেশগুলোর কারও কারও পিছুটানও আছে। এই অনিশ্চয়তার বাজারে অনুমেয় ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের নিশ্চয়তা আদায় করাই আমাদের কূটনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া চাই।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নদীভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে কত জনপদ।

ক্ষয়ক্ষতি: কাগজ থেকে হাতে

ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলার আন্তর্জাতিক তহবিল কাগজে-কলমে গঠিত হয়েছে, কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের হাতে অর্থ এখনো পৌঁছায়নি। বাংলাদেশের দাবি হওয়া উচিত এই তহবিলকে সরাসরি জাতীয় পর্যায়ে ব্যবহারযোগ্য ও দ্রুত ছাড়যোগ্য করা। নদীভাঙনে এক রাতে গ্রাম বিলীন হলে সেই পরিবার তিন বছরের প্রকল্প প্রস্তাব লিখে অপেক্ষা করতে পারে না; তাই দরকার একটি দ্রুত সাড়ার ব্যবস্থা। একই সঙ্গে ভিটেমাটি, ভাষা কিংবা সংস্কৃতি হারানোর মতো যেসব ক্ষতি টাকায় মাপা যায় না, তারও স্বীকৃতি এই কাঠামোয় থাকা চাই।

আর অভিযোজনই যে আমাদের মূল লড়াই, সেটি ভুললে চলবে না। উপকূলের বাঁধ, লবণসহিষ্ণু ফসল, সুপেয় পানির সংস্থান, নগরের জলাবদ্ধতা ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু-অভিবাসীদের পুনর্বাসন—এসবই আমাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা। অভিযোজনের বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা ও তার সূচক নির্ধারণের আলোচনায় বাংলাদেশকে সক্রিয় কণ্ঠস্বর হতে হবে, জোর দিতে হবে স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্বাধীন অভিযোজনে। কারণ, ঢাকায় বসে নেওয়া সিদ্ধান্ত নয়, সাতক্ষীরা বা কুড়িগ্রামের মানুষ নিজেরাই ভালো জানে তাঁদের কী দরকার।

নতুন লড়াই: বাণিজ্য ও কার্বন

এবার এমন একটি প্রসঙ্গ, যা আগের সম্মেলনগুলোয় আমাদের আলোচনায় প্রায় অনুপস্থিত ছিল, অথচ যা আমাদের অর্থনীতির মূলে আঘাত হানতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন সীমান্ত কর ব্যবস্থা এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে পুরোদমে কার্যকর হয়েছে, আপাতত সিমেন্ট, সার, ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর। কিন্তু ঘোষণা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে এর আওতায় আসতে পারে তৈরি পোশাকসহ প্রায় সব পণ্য। বাংলাদেশের রপ্তানির চতুর্থ-পঞ্চমাংশই যেখানে পোশাক এবং তার অর্ধেকের বেশি যায় ইউরোপে, সেখানে এটি নিছক পরিবেশ-বিতর্ক নয়, আমাদের অর্থনীতির টিকে থাকার প্রশ্ন। হিসাব বলছে, পোশাক এই করের আওতায় এলে প্রায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়তি বোঝা যুক্ত হতে পারে, আর উত্তরণের পর শুল্কমুক্ত সুবিধা হারানোর ধাক্কা মিলিয়ে মোট বোঝা ঠেকতে পারে ১৭ শতাংশের কাছাকাছি।

অর্থাৎ উত্তরণ আর কার্বন কর, দুই আঘাত আসছে প্রায় একসঙ্গে। কপ৩১-এ তাই বাংলাদেশের অবস্থান হওয়া উচিত দ্ব্যর্থহীন: কার্বন কমানোর নামে যেন উন্নয়নশীল দেশের সামনে নতুন বাণিজ্যপ্রাচীর তৈরি না হয়। আমরা শিল্পের সবুজ রূপান্তরে রাজি, কিন্তু তার জন্য চাই প্রযুক্তি, অর্থ ও যুক্তিসংগত সময়। গত সম্মেলনে এই কর নিয়ে যে বৈশ্বিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, তা থেকেই এ বছরের জুন থেকে বাণিজ্য ও জলবায়ু নিয়ে বার্ষিক সংলাপ শুরু হয়েছে। সেই মঞ্চে বাংলাদেশকে পোশাক, চামড়া, সিমেন্টের মতো খাতের সবুজ রূপান্তরের জন্য ন্যায্য সহায়তার দাবি জোরালোভাবে তুলতে হবে। তবে এই রূপান্তর হতে হবে ন্যায্য: পোশাকশিল্পের নারী শ্রমিকসহ প্রান্তিক মানুষের জীবিকা যেন সবুজ অর্থনীতির পথে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়ে বরং সুরক্ষা পায়, সেটিও একই সঙ্গে চাইতে হবে।

আমাদের নতুন জলবায়ু অঙ্গীকারে ২০৩৫ সালের মধ্যে বিদ্যুতের ২৫ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আনার লক্ষ্য রাখা হয়েছে, অথচ এখন তা ৫ শতাংশের ঘরেও পৌঁছায়নি, আর ওই লক্ষ্যের সিংহভাগই আন্তর্জাতিক সহায়তা-নির্ভর। প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবের এই দূরত্ব কমাতে হলে চাই প্রস্তুত ও স্বচ্ছ প্রকল্প তালিকা, অর্থ কাজে লাগানোর সক্ষমতা এবং একটি নির্ভরযোগ্য পরিমাপ, প্রতিবেদন ও যাচাইব্যবস্থা।

একই সঙ্গে সতর্ক থাকতে হবে কার্বন বাজার নিয়ে। কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করে সাময়িক কিছু বৈদেশিক মুদ্রা আনা যায় বটে, কিন্তু সুন্দরবন বা উপকূলীয় বনভূমিকে বিদেশি কোম্পানির সস্তা ‘অফসেটে’ পরিণত করা যাবে না। আমাদের সবুজ সম্পদ আমাদের ভবিষ্যতের পুঁজি, কোনো বাজারের পণ্য নয়।

সম্প্রতি সরকার প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জলবায়ু অর্থায়ন–সংক্রান্ত একটি জাতীয় কমিটি গঠন করেছে, যার ওপর কার্বন ক্রেডিট, কার্বন–বাণিজ্য ও প্যারিস চুক্তির ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ বাস্তবায়নের নীতিগত ভার। এমন একটি সমন্বিত কাঠামো জরুরি ছিল, তবে এর সার্থকতা নির্ভর করবে অর্থ আকর্ষণ আর জাতীয় সম্পদ রক্ষার ভারসাম্য কতটা রক্ষা করা যায়, তার ওপর।

শুধু চাওয়া নয়, দেখানোও

আন্তর্জাতিক টেবিলে আমাদের নৈতিক অবস্থান দৃঢ়, কিন্তু কেবল ন্যায্যতার আবেদন দিয়ে আর বেশি দূর যাওয়া যাবে না। দাতা ও বিনিয়োগকারীরা এখন জানতে চায়, অর্থ দিলে তা স্বচ্ছভাবে, দক্ষতার সঙ্গে এবং মাপযোগ্য ফল নিয়ে খরচ হবে কি না। আমাদের নতুন জলবায়ু অঙ্গীকারে ২০৩৫ সালের মধ্যে বিদ্যুতের ২৫ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আনার লক্ষ্য রাখা হয়েছে, অথচ এখন তা ৫ শতাংশের ঘরেও পৌঁছায়নি, আর ওই লক্ষ্যের সিংহভাগই আন্তর্জাতিক সহায়তা-নির্ভর। প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবের এই দূরত্ব কমাতে হলে চাই প্রস্তুত ও স্বচ্ছ প্রকল্প তালিকা, অর্থ কাজে লাগানোর সক্ষমতা এবং একটি নির্ভরযোগ্য পরিমাপ, প্রতিবেদন ও যাচাইব্যবস্থা।

আমাদের নতুন জলবায়ু অঙ্গীকারে ২০৩৫ সালের মধ্যে বিদ্যুতের ২৫ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আনার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

তাই কপ৩১ শুধু চাওয়ার মঞ্চ নয়, নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রমাণেরও মঞ্চ। জলবায়ু–কূটনীতি একই সঙ্গে বিনিয়োগ–কূটনীতিও বটে। আন্তালিয়ায় আমাদের কেবল অভিযোগের ঝুড়ি নয়, বরং বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্পের তালিকা নিয়ে যাওয়া উচিত, যেখানে থাকবে সৌরবিদ্যুৎ, শিল্পের ছাদে সৌর প্যানেল, সঞ্চালন গ্রিডের আধুনিকায়ন, বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ও সবুজ শিল্পায়নের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব।

সরকার ইতিমধ্যে কপ৩১ উপলক্ষে একটি কমিটি গঠন করে অবস্থানপত্র তৈরির কাজ শুরু করেছে। সেই অবস্থানপত্র যেন দাতানির্ভর নয়, তথ্যভিত্তিক ও কমিউনিটির মালিকানার ভিত্তিতে তৈরি হয়, এবং তাতে কেবল কত টাকা চাই তা নয়, সেই টাকা কীভাবে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাবে ও কীভাবে তার জবাবদিহি হবে, তার রূপরেখাও থাকে।

নেতৃত্বের সুযোগ

বাংলাদেশ এবার কেবল আবেদনকারী নয়, নেতৃত্বদানকারীও হতে পারে। স্বল্পোন্নত দেশের কাতার থেকে উত্তীর্ণ হলেও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জোট, জি-৭৭ এবং জলবায়ুবিপন্ন দেশগুলোর মঞ্চে আমাদের অভিজ্ঞতা ও নৈতিক পুঁজি বিশাল। এবারের প্রাক্‌-সম্মেলন যেহেতু ফিজি ও টুভালুতে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সামনে দাঁড়ানো সেই দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে একটি ঐক্যবদ্ধ ‘টিকে থাকার জোট’ গড়ে তোলাই হতে পারে আন্তালিয়ায় আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য। বিশ্বকে বোঝাতে হবে, আমরা কেবল দুর্যোগের শিকার নই, সমাধানেরও অংশীদার।

উত্তরণের এই বছরে বাংলাদেশের বার্তাটি তাই দ্ব্যর্থহীন হওয়া উচিত: আমরা মর্যাদার সঙ্গে বড় হচ্ছি, কিন্তু আমাদের ঝুঁকি বড় হয়নি; ছোট হয়েছে কেবল অন্যের দায় এড়ানোর অজুহাত। এই সত্যটুকু আন্তালিয়ার টেবিলে আদায় করে আনাই হবে আমাদের কূটনীতির সার্থকতা।

  • সুবাইল বিন আলম টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক লেখক

contact@subail.com

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
আইপিএলে নতুন দায়িত্বে সৌরভ গাঙ্গুলি
আইপিএলে নতুন দায়িত্বে সৌরভ গাঙ্গুলি

এর আগেও দিল্লি ক্যাপিটালসের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে সৌরভের। দলটির উপদেষ্টা ও ক্রিকেট পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এই অভিজ্ঞ সাবেক অধিনায়ক।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
না হলো যাওয়া আর কাশবনে: পরীমণি

না হলো যাওয়া আর কাশবনে: পরীমণি

হাম উপসর্গে আরো ৬ মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৯৩

হাম উপসর্গে আরো ৬ মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৯৩

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

লালমনিরহাটে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
লালমনিরহাটে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

লালমনিরহাটের সদর উপজেলায় স্ত্রী মিতু আক্তারকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে আতিকুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
চুরির অভিযোগে দুই ভাইকে গণপিটুনি, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে

চুরির অভিযোগে দুই ভাইকে গণপিটুনি, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে

নওগাঁর দুই সীমান্ত এলাকায় ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করেছে বিজিবি 

নওগাঁর দুই সীমান্ত এলাকায় ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করেছে বিজিবি 

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি চায় কুবি প্রশাসন

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি চায় কুবি প্রশাসন

0 Comments