জাতীয়

সিইউএফএল চালুর দুই দিনের মাথায় আবার সার উৎপাদন বন্ধ

D HASAN সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
সিইউএফএল চালুর দুই দিনের মাথায় আবার সার উৎপাদন বন্ধ
সিইউএফএল চালুর দুই দিনের মাথায় আবার সার উৎপাদন বন্ধ

টানা ছয় মাস গ্যাস–সংকটের কারণে বন্ধ থাকার পর উৎপাদনে ফিরেছিল চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)। কিন্তু চালুর দুই দিনের মাথায় আবারও কারখানাটির ইউরিয়া সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কারখানাটি বন্ধ করে দিতে হয়। কারখানা বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপপ্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুর রহিম।

সিইউএফএল সূত্র জানায়, গত ২৫ আগস্ট গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর কারখানাটিতে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু হয়। এরপর গত মঙ্গলবার ভোর পাঁচটার দিকে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়। দুই দিন পর আজ ভোর চারটার দিকে আরসি পাম্পের সিল লিকেজ দেখা দিলে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কারখানার কর্মকর্তারা জানান, আরসি পাম্পের ত্রুটি মেরামত করা সম্ভব হলেও কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) সরবরাহ করা গ্যাসের চাপ আগামী শনিবার পর্যন্ত কম থাকবে। এ কারণে ত্রুটি মেরামত হলেও শনিবারের আগে সিইউএফএলে উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে না।

সিইউএফএল চালু থাকলে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ১০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম ৩৮ হাজার টাকা হিসাবে দৈনিক প্রায় ৪ কোটি ১৮ লাখ টাকার সার উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে কারখানাটির। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় বিপুল পরিমাণ উৎপাদন থেকে বঞ্চিত হয়েছে কারখানাটি।

সিইউএফএল সূত্র জানায়, গত দুই বছরে কখনো যান্ত্রিক ত্রুটি, আবার কখনো গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ ছিল। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে মাত্র পাঁচ দিন কারখানাটি চালু ছিল। এরপর ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। টানা প্রায় আট মাস বন্ধ থাকার পর ওই বছরের ১৩ অক্টোবর আবার উৎপাদন শুরু হয়।

তবে ২০২৫ সালের ৩ জানুয়ারি যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ মেরামতের পর ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে কারখানাটি চালু করা হয়। এরপর প্রায় দেড় মাস চালু থাকার পর ১১ এপ্রিল গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

সূত্র জানায়, এরপর টানা প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর ২ নভেম্বর কারখানাটি চালু করা হয়। কিন্তু চালুর দিনই আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে পড়ে। পরে ২ মার্চ আবার উৎপাদন শুরু হলেও গ্যাস–সংকটের কারণে ৪ মার্চ কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। সবশেষে টানা ছয় মাস বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোর পাঁচটার দিকে উৎপাদন শুরু হয়। কিন্তু দুই দিনের মাথায় আজ ভোর চারটার দিকে আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেল।

সিইউএফএল সূত্রের তথ্যমতে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে কারখানাটি মাত্র ৬৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে।

সিইউএফএলে পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৪৮ থেকে ৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। কারখানাটি পুরোপুরি গ্যাসনির্ভর হওয়ায় গ্যাস সরবরাহে সংকট দেখা দিলে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

সিইউএফএল সূত্র জানায়, দেশে বছরে প্রায় ২৬ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সারের চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীন কারখানাগুলো, সিইউএফএলসহ প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন করে। চাহিদার বাকি প্রায় ১৬ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া আমদানি করতে হয়।

সিইউএফএল সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৭ সালের ২৯ অক্টোবর জাপানের কারিগরি সহায়তায় কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় কারখানাটি প্রতিষ্ঠা করে সরকার। চালুর সময় কারখানাটির দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ও বার্ষিক ৫ লাখ ৬১ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদনের সক্ষমতা ছিল। বর্তমানে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ১০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন করতে পারে কারখানাটি।

এ ছাড়া দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন ও বছরে ৩ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন অ্যামোনিয়া উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে সিইউএফএলের।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

জাতীয়

View more
হাম উপসর্গে আরো ২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪১৭
হাম উপসর্গে আরো ২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪১৭

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে এক হাজার ১৪৯ শিশু। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরো ১০৫ শিশু।

D HASAN নভেম্বর ১, ২০২৬ 0
আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, অধিকাংশ কারখানা ছুটি

আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, অধিকাংশ কারখানা ছুটি

আইপিডিসি ফাইন্যান্স ৪০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করবে

আইপিডিসি ফাইন্যান্স ৪০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করবে

মাদক ও মোবাইলে আসক্তি কমাতে চায়ের দোকানে ব্যতিক্রমী পাঠাগার

মাদক ও মোবাইলে আসক্তি কমাতে চায়ের দোকানে ব্যতিক্রমী পাঠাগার

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশ-মালিক-শ্রমিক ঐক্য জরুরি: শিমুল বিশ্বাস
সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশ-মালিক-শ্রমিক ঐক্য জরুরি: শিমুল বিশ্বাস

রাজধানী ঢাকার অসহনীয় যানজট, সড়কে বিশৃঙ্খলা এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তাহীনতা দূর করতে পুলিশ, পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও সাংবাদিকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য ও পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

D HASAN নভেম্বর ১, ২০২৬ 0
শ্রমিক আন্দোলনকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-জামায়াত-এনসিপি উসকে দিচ্ছে, অভিযোগ রাশেদের

শ্রমিক আন্দোলনকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-জামায়াত-এনসিপি উসকে দিচ্ছে, অভিযোগ রাশেদের

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন: স্পিকার

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন: স্পিকার

বগুড়ার আল্লামের তাকিয়া কলেজের একমাত্র পরীক্ষার্থীও পাস করেননি

বগুড়ার আল্লামের তাকিয়া কলেজের একমাত্র পরীক্ষার্থীও পাস করেননি

ইরানে হামলার ব্যাপারে আমার তাড়াহুড়ো নেই: ট্রাম্প
ইরানে হামলার ব্যাপারে আমার তাড়াহুড়ো নেই: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের ওপর নতুন করে আক্রমণ শুরু করার ব্যাপারে তার কোনো তাড়াহুড়ো নেই। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ইরানের সামরিক শক্তি ও পারমাণবিক কর্মসূচিকে প্রায় ধ্বংস করে ফেলেছে। শনিবার রাতে ফ্লোরিডায় নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেছেন।

D HASAN নভেম্বর ১, ২০২৬ 0
গবেষণা মাঠ রক্ষায় শেকৃবি শিক্ষার্থীদের টানা চতুর্থ দিনের বিক্ষোভ

গবেষণা মাঠ রক্ষায় শেকৃবি শিক্ষার্থীদের টানা চতুর্থ দিনের বিক্ষোভ

সেই সঙ্গী কিন্তু বাঙ্গি বেঁচে আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী, গান নিয়ে কী বললেন আমজনতার তারেক?

সেই সঙ্গী কিন্তু বাঙ্গি বেঁচে আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী, গান নিয়ে কী বললেন আমজনতার তারেক?

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

0 Comments