জাতীয়

শহুরে ডেঙ্গুর থাবায় আক্রান্ত প্রত্যন্ত উত্তরাঞ্চল

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
শহুরে ডেঙ্গুর থাবায় আক্রান্ত প্রত্যন্ত উত্তরাঞ্চল
শহুরে ডেঙ্গুর থাবায় আক্রান্ত প্রত্যন্ত উত্তরাঞ্চল

পুরো দেশের মতো উত্তরের জেলাগুলোতেও বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। সরকারি হিসাব মতে, গত বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ না করলেও চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখ পর্যন্ত সময়ে রংপুর বিভাগে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। সেইসঙ্গে গত বছরের তুলনায় বাড়ছে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও। 

​একসময়ের শহুরে রোগ হিসেবে পরিচিত ডেঙ্গু এখন আর কেবল রাজধানী বা বড় শহরগুলোতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর ভয়াল রূপ ছড়িয়ে পড়ছে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও। দিন যত যাচ্ছে, গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষের মাঝেও ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক তত তীব্র আকার ধারণ করছে। তবে একটু সচেতন হলেই এর থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

​স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজধানী কিংবা বড় শহর থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি যখন গ্রামে ফিরে যাচ্ছেন, তখন স্থানীয় এডিস মশা তাকে কামড়ানোর মাধ্যমে ভাইরাস বহন করছে। পরবর্তীতে সেই মশার মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদেও ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। তাছাড়া অপরিকল্পিত নগরায়ণ, যত্রতত্র জমে থাকা বৃষ্টির পানি এবং সচেতনতার অভাবের কারণে গ্রামাঞ্চলেও এডিস মশার বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। 

শুধু হাসপাতালের প্রস্তুতি নয়, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোর পক্ষ থেকে ড্রেন পরিষ্কার এবং মশক নিধন ক্র্যাশ প্রোগ্রাম জোরদার করা জরুরি। লক্ষণ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং আতঙ্কিত না হয়ে চারপাশ পরিষ্কার রাখা- এটাই এখন ডেঙ্গু থেকে বাঁচার মূল উপায়।

নগরীর শাপলা চত্বর হাজীপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল মজিদ বলেন, শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলের চিকিৎসাব্যবস্থা ও রোগ নির্ণয় সুবিধা সীমিত হওয়ায় ডেঙ্গু রোগীদের বড় একটি অংশ সময়মতো সঠিক চিকিৎসার বাইরে থেকে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ার পরই কেবল তাকে উপজেলা বা জেলা হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে, যা মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

​পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে গ্রামীণ পর্যায়েও মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করার তাগিদ দিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের রংপুর জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ ফখরুল আনাম বেঞ্জু বলেন, একইসঙ্গে সাধারণ জ্বর কিংবা সামান্য উপসর্গ দেখা দিলেই দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া জরুরি। 

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ১২ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সকাল পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টায় শুধু রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালেই ডেঙ্গু নিয়ে ৬৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। আর ২৪ ঘণ্টায় (১৪ সেপ্টেম্বর সকাল আটটা থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল আটটা) আট জেলার সব সরকারি হাসপাতালগুলোতে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ৬৫ জন।

তথ্যমতে, চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল পর্যন্ত রংপুর জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ৪১৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

আরও পড়ুন

ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, সেপ্টেম্বরে প্রাণ গেলো ৬৭ জনের

এছাড়া নীলফামারী জেলায় ২১০ জন, দিনাজপুর জেলায় ২০৩ জন, কুড়িগ্রামে ১৭২ জন, গাইবান্ধায় ১৪৯ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ১২৩ জন, লালমনিরহাটে ১০৮ জন এবং পঞ্চগড় জেলায় ১০৫ জনসহ মোট ১৪৮৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। 

এরমধ্যে কুড়িগ্রাম জেলা হাসপাতালে দুইজন, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন মারা গেছেন। চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১৩৪৮ জন। চিকিৎসাধীন ১৩৫ জন।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পীরগঞ্জ উপজেলার মিনারা বেগম (৪০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। 

অন্যদিকে রংপুরের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মিঠাপুকুর উপজেলার জান্নাতি খাতুন নামে এক নারী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্র জানায়, মিনারা বেগম ঢাকা থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রংপুরে আসার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 

অন্যদিকে জান্নাতি খাতুন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রথমে রমেক হাসপাতালে ভর্তি হলেও পরে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। হঠাৎ করে রোগীর এই চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে ডেঙ্গুর ধরন বদলেছে। ডেঙ্গু একদিকে যেমন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে, তেমনি শহর ছাড়িয়ে ঝুঁকি বাড়িয়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও।  

কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসান হাবীব বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার পর অনেক সময় রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। তাই সামান্য জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলেই তা অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। বাড়ির আশেপাশে ডাবের খোসা, টায়ার, ফুলের টব বা যেকোনো পরিত্যক্ত পাত্রে যেন তিন দিনের বেশি পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া মশক নিধনে প্রশাসনসহ সাধারণ মানুষকেও স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসতে হবে বলে জানান এই চিকিৎসক। 

আরও পড়ুন

রাসিক প্রশাসক / ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়নি। তবে রোগীর পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কিটস এবং চিকিৎসাসেবা দেওয়ার যাবতীয় প্রস্তুতি রয়েছে। 

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে দুই বছরে রংপুরের আট জেলায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সরকারি মেডিকেলে মারা গেছে ১৪ জন। এর বাইরে বেসরকারি মেডিকেল ও বাড়িতেও মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২২ রংপুর বিভাগের আট জেলায় ডেঙ্গু জ্বরে মোট আক্রান্ত রোগী ছিল ২৬৫ জন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী চিকিৎসা নিয়েছে দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৪৭ জন এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৪ জন। এর বাইরে ঠাকুরগাঁও হাসপাতালে ১০ জন, নীলফামারী হাসপাতালে ৩২ জন, পঞ্চগড় হাসপাতালে নয়জন, লালমনিরহাটে সাতজন, কুড়িগ্রামে চারজন এবং গাইবান্ধায় দুজন।

২০২৩ সালে এ বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল পাঁচ হাজার ৪৯৪ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১২ জনের। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ছিল দিনাজপুরে পাঁচজন। এরপর রংপুরে চারজন, গাইবান্ধায় দুজন ও লালমনিরহাটে একজন। ওই বছর বেশি রোগী চিকিৎসা নিয়েছে রংপুরে এক হাজার ২৯৫ জন। এরমধ্যে স্থানীয়ভাবে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৪৬০ জন। এছাড়া গাইবান্ধায় এক হাজার ৪৪ জন, দিনাজপুরে ৮৮৩ জন, নীলফামারীতে ৭৬৫ জন, কুড়িগ্রামে ৭০৮ জন, লালমনিরহাটে ৩০৩ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ৩০৯ জন ও পঞ্চগড়ে ১৮৭ জন।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আট জেলায় মোট আক্রান্ত হয় এক হাজার ৪৭২ জন। এর মধ্যে বেশি রোগী দিনাজপুরে ৩৪৪ জন, নীলফামারীতে ৩০১, কুড়িগ্রামে ২১৭, গাইবান্ধায় ১৪৬, রংপুরে ১৯৭, লালমনিরহাটে ৬৩, ঠাকুরগাঁওয়ে ৭৭ এবং পঞ্চগড়ে ১১৮ জন। মৃত্যু হয়েছে দুজনের। এর মধ্যে গাইবান্ধায় একজন এবং নীলফামারীতে একজন। 

২০২৫ সালে আট জেলায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১১৮৭ জন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী ছিল দিনাজপুর জেলায় ২৫৬ জন। এরপর রংপুরে ২৪৪ জন, নীলফামারী জেলায় ২০৭ জন, গাইবান্ধায় ১৬২ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ৯৯ জন, লালমনিরহাটে ৯৬ জন এবং কুড়িগ্রাম জেলায় ৩৫ জন। ওই বছর কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।

এদিকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ছয় মাসে বিভাগের আট জেলায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৪ জন। এরমধ্যে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলায় মোট ১১ জন, গাইবান্ধা জেলায় ১০ জন, লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলায় ৮ জন করে, দিনাজপুরে ৪ জন এবং ঠাকুরগাঁও জেলায় ৩ জন। ওই সময় পর্যন্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।

রংপুর সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা জাগো নিউজকে বলেন, বিভিন্ন পরিত্যক্ত জায়গা, বাড়ির ছাদ বা যেসব স্থানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যেতে পারে সেসব জায়গা শনাক্ত করে তা ধ্বংসে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালক ডা. ওয়াজেদ আলী জাগো নিউজকে বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রংপুর বিভাগে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গু যেন না হয় সেজন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মশা নিধন, মশারি টাঙিয়ে ঘুমানোসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

আরও পড়ুন

ময়মনসিংহে বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, ১৩ দিনে প্রাণ গেল ৬ জনের

​রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত ৩৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বিশেষ কর্নার চালুসহ ৩৮টি বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে আক্রান্ত হওয়ার আগেই এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন আশিকুর রহমান।

রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন জানান, রংপুর সিটি করপোরেশন থেকে আগামী তিন মাস ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল চিহ্নিত করা হয়েছে, যে জায়গাগুলোতে মশার প্রজনন ক্ষেত্র আছে সেই জায়গাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নিয়মিত লার্ভিসাইড স্প্রে করা হচ্ছে যেন মশার প্রজনন স্থানটাকে ধ্বংস করা যায়। তার পাশাপাশি প্রত্যেকটি ওয়ার্ডকে একটি রুটিনের মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে এবং সেই রুটিন ওয়ার্কের মাধ্যমে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে নির্দিষ্ট সময়ে ফগিং করা হবে। 

সিটি প্রশাসক আরও বলেন, এর পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটির প্রয়োজন সেটি হচ্ছে জনসচেতনতা। কারণ জনসচেতনতা ছাড়া শুধু সিটি করপোরেশন যত পদক্ষেপই নিক না কেন শতভাগ ডেঙ্গুমুক্ত রংপুর করতে পারবে না।

এফএ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
আইপিএলে নতুন দায়িত্বে সৌরভ গাঙ্গুলি
আইপিএলে নতুন দায়িত্বে সৌরভ গাঙ্গুলি

এর আগেও দিল্লি ক্যাপিটালসের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে সৌরভের। দলটির উপদেষ্টা ও ক্রিকেট পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এই অভিজ্ঞ সাবেক অধিনায়ক।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
না হলো যাওয়া আর কাশবনে: পরীমণি

না হলো যাওয়া আর কাশবনে: পরীমণি

হাম উপসর্গে আরো ৬ মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৯৩

হাম উপসর্গে আরো ৬ মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৯৩

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

লালমনিরহাটে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
লালমনিরহাটে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

লালমনিরহাটের সদর উপজেলায় স্ত্রী মিতু আক্তারকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে আতিকুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
চুরির অভিযোগে দুই ভাইকে গণপিটুনি, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে

চুরির অভিযোগে দুই ভাইকে গণপিটুনি, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে

নওগাঁর দুই সীমান্ত এলাকায় ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করেছে বিজিবি 

নওগাঁর দুই সীমান্ত এলাকায় ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করেছে বিজিবি 

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি চায় কুবি প্রশাসন

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি চায় কুবি প্রশাসন

0 Comments