আন্তর্জাতিক

ফিলিস্তিন ইস্যুতে আরও স্পষ্ট হলো তারকাদের বিভাজন

রতন লাল সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
ফিলিস্তিন ইস্যুতে আরও স্পষ্ট হলো তারকাদের বিভাজন
ফিলিস্তিন ইস্যুতে আরও স্পষ্ট হলো তারকাদের বিভাজন

ফিলিস্তিনের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলায় ‘লুপ ট্যুর’ থেকে বাদ পড়া মার্কিন র‍্যাপার ম্যাকলমোর ঘোষণা দিয়েছেন, এড শিরানের ট্যুর থেকে পাওয়া তাঁর ১০ লাখ ডলার তিনি ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় দান করবেন। ম্যাকলমোরকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে মার্কিন শিল্পী ফিনিয়াস, ড্যানিশ শিল্পী লুকাস গ্রাহাম, ব্রিটিশ-আইরিশ সংগীতশিল্পী অ্যারন রো এবং আইরিশ ব্যান্ড বিওগাও ট্যুর থেকে সরে দাঁড়ান। এসবের মধ্যেই ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় বড় অঙ্কের অর্থ দানের এই ঘোষণা দিলেন ম্যাকলমোর।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত বুধবার দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে ম্যাকলমোর জানান, এড শিরানের ‘লুপ ট্যুর’ থেকে পাওয়া তাঁর পুরো ১০ লাখ ডলার ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় দান করবেন। অর্থ যাবে ছয়টি সংগঠনের কাছে—প্যালেস্টাইন চিলড্রেনস রিলিফ ফান্ড, হিল প্যালেস্টাইন, গাজা স্যুপ কিচেন, মেডিক্যাল এইড ফর প্যালেস্টিনিয়ানস, ইউএনআরডব্লিউএ ইউএসএ ন্যাশনাল কমিটি ও আনেরা।

পোস্টে ম্যাকলমোর বলেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় যা ঘটেছে, তারপর তিনি আলোচনাকে আবার ফিলিস্তিনের মানুষের কাছে ফিরিয়ে নিতে চান। তাঁর ভাষায়, ‘যে বিষয়েই আমাদের মতপার্থক্য থাকুক না কেন, অন্তত এ বিষয়ে আমরা একমত হতে পারি যে ফিলিস্তিনের মানুষের জীবন রক্ষা করা জরুরি। পৃথিবীর অন্য যেকোনো মানুষের জীবনের চেয়ে একজন ফিলিস্তিনির জীবনের মূল্য কম নয়।’ তিনি আরও বলেন, আলোচনার কেন্দ্রে তিনি নিজে থাকতে চান না। তাঁর মনোযোগ থাকবে সেই বাবা-মায়েদের দিকে, যাঁরা সন্তানদের নিয়ে হাসপাতালে ছুটছেন অথচ চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও সেখানে নেই; চিকিৎসক, প্যারামেডিক, সাংবাদিক ও ত্রাণকর্মীদের দিকে, যাঁরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

ম্যাকলমোর শুধু নিজের অর্থ দানের ঘোষণা দিয়েই থামেননি। তিনি ম্যাসাচুসেটসের জিলেট স্টেডিয়াম ও আমেরিকান ফুটবল দল নিউ ইংল্যান্ড প্যাট্রিয়টসের মালিক রবার্ট ক্রাফটকেও সমপরিমাণ অর্থ দেওয়ার আহ্বান জানান। ম্যাকলমোরের এই আহ্বানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ক্রাফটের পক্ষ থেকে নতুন ঘোষণা আসে। তাঁকে ফোন করে মানবিক সহায়তার জন্য ২০ লাখ ডলার দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন এড শিরান বলেও জানান ক্রাফট। শিরান ও ক্রাফট মিলে মোট ৪০ লাখ ডলার মানবিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এই অর্থ কোন কোন সংগঠনের হাতে যাবে, তা ম্যাকলমোরের অনুদানের মতো নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি। ক্রাফট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি, সব মানুষের জীবন রক্ষা করা উচিত।’ ফিলিস্তিনিদের জন্য কাজ করা সংগঠনগুলোর প্রতি তাঁর দীর্ঘদিনের সমর্থনের কথাও জানান তিনি।

শিরানের সমালোচনায় রজার ওয়াটার্স
ম্যাকলমোরকে ঘিরে বিতর্কে মুখ খুললেন ব্রিটিশ ব্যান্ড পিঙ্ক ফ্লয়েডের সহপ্রতিষ্ঠাতা রজার ওয়াটার্স। ফিলিস্তিন ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরে সরব এই সংগীতশিল্পী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও শেয়ার করে ম্যাকলমোরের অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। ‘এড হু’ শিরোনামের ভিডিওতে এড শিরানের সমালোচনাও করেছেন তিনি। তাঁর ভাষায়, পৃথিবীতে দুই ধরনের মানুষ আছে। একধরনের মানুষ ‘সঠিক কাজটি করেন’, উদাহরণ হিসেবে তিনি ম্যাকলমোরের কথা বলেন। এরপর আছেন অন্য ধরনের মানুষ, যাঁরা ‘সঠিক কাজটি করতে পারেন না’। ‘সঠিক কাজটি করতে পারেন না’ বলে রজার শিরানের দিকে ইঙ্গিত করেন।

ম্যাকলমোর। রয়টার্স

ফিলিস্তিন ইস্যুতে তারকাদের বিভাজন নতুন নয়
ম্যাকলমোরের ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এলেও ফিলিস্তিন ইস্যুতে তারকাদের বিভাজন কয়েক বছর ধরেই স্পষ্ট। গাজা যুদ্ধ শুরুর পর হলিউড ও সংগীতাঙ্গনের বহু তারকা ফিলিস্তিনিদের পক্ষে কথা বলেছেন। কেউ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন, কেউ গাজায় মানবিক সহায়তার দাবি তুলেছেন, আবার কেউ ইসরায়েলের নিরাপত্তার বিষয়টিও সামনে এনেছেন।

ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে মেক্সিকান অভিনেত্রী মেলিসা বারেরাকে ২০২৩ সালের নভেম্বরে স্ক্রিম ৭ থেকে বাদ দেয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্পাইগ্লাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে গাজাকে ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’ এবং ইসরায়েলের সামরিক কর্মকাণ্ডকে ‘গণহত্যা’ ও ‘জাতিগত নির্মূল’ বলার পর এই সিদ্ধান্ত আসে। স্পাইগ্লাস জানায়, তাদের ‘ইহুদিবিদ্বেষ ও ঘৃণাত্মক বক্তব্যের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা’ নীতি রয়েছে। বারেরা অবশ্য বলেন, ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে কথা বলা আর ইহুদিবিদ্বেষ এক না। ঘটনাটি তখন হলিউডে বড় বিতর্ক তৈরি করে। কারণ, বারেরা ছিলেন ‘স্ক্রিম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন প্রজন্মের অন্যতম প্রধান মুখ। তাঁর বাদ পড়ার পর পরিচালক ক্রিস্টোফার ল্যান্ডনও প্রকল্পটি ছেড়ে দেন।

অস্কারজয়ী অভিনেত্রী সুসান সারান্ডন বহু বছর ধরেই রাজনৈতিক ও মানবাধিকার ইস্যুতে সরব। ২০২৩ সালের নভেম্বরে নিউইয়র্কে ফিলিস্তিনপন্থী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার পর তাঁর ট্যালেন্ট এজেন্সি ইউটিএ তাঁকে বাদ দেয়। তাঁর বক্তব্য নিয়ে ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগও ওঠে। সারান্ডন পরে নিজের একটি মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন এবং ইহুদিবিদ্বেষ ও ইসলামোফোবিয়া—দুটিরই বিরোধিতা করার কথা বলেন। তবে তাঁর ক্ষেত্রে বিতর্ক সেখানেই থামেনি। সদ্য শেষ হওয়া ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে সারান্ডন জানান, ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থানের কারণে এখনো তিনি সিনেমার কাজ হারাচ্ছেন। তাঁর দাবি, হলিউডের বড় স্টুডিওগুলো ইসরায়েলের সমালোচনা করেন, এমন ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করতে অনীহা দেখাচ্ছে।
ফিলিস্তিন নিয়ে কথা বলার পর শুধু অভিনেতারাই পেশাগত চাপে পড়েননি।

এড শিরান। রয়টার্স

হলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী এজেন্সি সিএএর এজেন্ট মাহা দাখিলও বিতর্কে পড়েছিলেন। ২০২৩ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে উল্লেখ করার পর তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। পরে সিএএর নেতৃত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং তিনি তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চান।

ব্রিটিশ-আলবেনীয় পপ তারকা দুয়া লিপাও গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের সমালোচনা করেছেন এবং যুদ্ধবিরতির পক্ষে কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্যের পর ইসরায়েলপন্থী মহল থেকে সমালোচনা আসে।

ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মডেল বেলা হাদিদ দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের অধিকারের পক্ষে কথা বলে আসছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিলিস্তিনের মানুষের দুর্ভোগ, গাজায় মানবিক সহায়তা এবং যুদ্ধবিরতির পক্ষে কথা বলেছেন বেলা। ২০২৪ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ফিলিস্তিনি পাতাকার কেফিয়াহ পরে আলোচনায় আসেন। পরে বিভিন্ন সময়ে তাঁর ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থান নিয়েও সমালোচনা হয়েছে।

সুসান সারান্ডন। এএফপি

অ্যাভেঞ্জার্স তারকা মার্ক রাফালোও গাজা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। তিনি যুদ্ধবিরতি ও ফিলিস্তিনিদের জন্য মানবিক সহায়তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
অভিনেতা ও কমেডিয়ান র‍্যামি ইউসুফও ফিলিস্তিনের পক্ষে সরব। ২০২৪ সালের অস্কারে তিনি ‘আর্টিস্ট ফর সিজফায়ার’ লেখা পিন পরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। ওই প্রচারণার মূল দাবি ছিল গাজায় যুদ্ধবিরতি।

স্প্যানিশ অভিনেতা হাভিয়ের বারদেম ২০২৪ সালের সান সেবাস্তিয়ান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার গ্রহণের সময় গাজায় যুদ্ধবিরতি, ফিলিস্তিনিদের অধিকার এবং হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্তির আহ্বান জানান। পরেও বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে অনেকবারই গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানকে গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

‘ওয়েস্ট সাইড স্টোরি’ ও ‘স্নো হোয়াইট’ অভিনেত্রী র‍্যাচেল জেগলারও প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিকবার তিনি ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ লিখেছেন। তাঁর এই অবস্থান বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। কারণ, ‘স্নো হোয়াইট’-এ তাঁর সহশিল্পী ছিলেন ইসরায়েলি অভিনেত্রী গাল গ্যাদত।

ফিলিস্তিনপন্থী তারকাদের বিপরীতে বহু হলিউড তারকা প্রকাশ্যে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন জানান। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর সাত শতাধিক হলিউড অভিনেতা, নির্মাতা ও বিনোদনজগতের ব্যক্তিত্ব একটি খোলাচিঠিতে হামাসের হামলার নিন্দা এবং ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির দাবি জানান। এই তালিকায় ছিলেন গাল গ্যাদত, মাইকেল ডগলাস, মার্ক হ্যামিল, জেমি লি কার্টিস, হেলেন মিরেন, জেরি সাইনফেল্ড, ক্রিস পাইন, জ্যাকরি লেভিসহ আরও অনেকে। অভিনেত্রী-কমেডিয়ান অ্যামি শুমারও ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান ও ভ্যারাইটি অবলম্বনে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

আন্তর্জাতিক

View more
কে পাচ্ছেন সাহিত্যের নোবেল?
কে পাচ্ছেন সাহিত্যের নোবেল?

ঘোষণার আর মাত্র দুই দিন বাকি। প্রতিবছরের মতো এবারও পুরস্কার ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য বিজয়ীর নাম নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা-কল্পনা। বিভিন্ন পূর্বাভাস ও বাজির তালিকায় একেক সময় একেক লেখক এগিয়ে আসছেন। ফলে এবারের প্রতিযোগিতায় এখনো কোনো একজন লেখককে নিশ্চিতভাবে এগিয়ে রাখা যাচ্ছে না।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
ইমরান খান ও নওয়াজ শরীফের বন্ধুত্ব কীভাবে হয়েছিল?

ইমরান খান ও নওয়াজ শরীফের বন্ধুত্ব কীভাবে হয়েছিল?

হুমকির মুখে ব্রিটিশ ঘাঁটি থেকে বিমান সরানোর কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

হুমকির মুখে ব্রিটিশ ঘাঁটি থেকে বিমান সরানোর কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

নাইজেরিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৩২

নাইজেরিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৩২

বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা বন্ধের বিষয়ে যেসব নির্দেশনা দিয়েছে লাওস
বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা বন্ধের বিষয়ে যেসব নির্দেশনা দিয়েছে লাওস

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ লাওসে শ্রমবাজার সাময়িকভাবে স্থগিত হওয়ার কারণ খুঁজছে বাংলাদেশ। তবে দেশটির সরকার বলছে, লাওসে বাংলাদেশের শ্রমবাজার খুব বড় না হলেও শ্রমিকরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। লাওস গত সেপ্টেম্বরেই বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগ, ওয়ার্ক পারমিট এবং প্রবেশ ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
তৃণমূলে ফিরতে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম মমতার

তৃণমূলে ফিরতে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম মমতার

যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

হুথিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকারের সামরিক অভিযানের ঘোষণা

হুথিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকারের সামরিক অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আক্রমণের জন্য কানাডা কেন প্রস্তুত হচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আক্রমণের জন্য কানাডা কেন প্রস্তুত হচ্ছে

বিবিসির সঙ্গে কথা বলা সামরিক বিশেষজ্ঞরাও মনে করেন, কানাডায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। এর অন্যতম কারণ হলো, প্রতিরক্ষা খাতে দুই দেশ ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে কাজ করে। তবুও বিষয়টি কানাডিয়ানদের মনে স্পষ্টভাবেই উদ্বেগ তৈরি করছে।

News অক্টোবর ৪, ২০২৬ 0
লোহিত সাগরে হুথিদের নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে অভিযানের পরিকল্পনা করছে সৌদি আরব

লোহিত সাগরে হুথিদের নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে অভিযানের পরিকল্পনা করছে সৌদি আরব

ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় দেড় হাজার হুথি যোদ্ধা হতাহত

ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় দেড় হাজার হুথি যোদ্ধা হতাহত

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ

0 Comments