জাতীয়

ছেলের মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার পরপরই প্রাণ গেল মায়ের

D HASAN অক্টোবর ১৩, ২০২৬ 0
ছেলের মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার পরপরই প্রাণ গেল মায়ের
ছেলের মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার পরপরই প্রাণ গেল মায়ের
পরে দুপুর ১টার দিকে সাইফুল সরকারের মরদেহ বাড়ি থেকে স্থানীয় কবরস্থানে নেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যান তার মা তারা বানু। ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরেই মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা।
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

জাতীয়

View more
স্কুল সকালেই শুরু করতে হয় কেন
স্কুল সকালেই শুরু করতে হয় কেন

ঢাকার বিদ্যালয়গুলোতে শীতকালীন সময়ে সকাল আটটা এবং গ্রীষ্মকালীন সময়ে সকাল সাড়ে সাতটায় কার্যক্রম শুরু হওয়ার সময়সূচি রয়েছে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে একক কোনো সময়সূচি নেই। কোনো স্কুলে সকালে ক্লাস শুরু হয়, আবার কোনো স্কুলে রয়েছে প্রভাতি ও দিবা শাখা। অর্থাৎ স্কুলভেদে সময় আলাদা হলেও দিনের প্রথম ভাগেই পড়াশোনা শুরু করার চল বেশ পরিচিত।

D HASAN নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
স্বর্ণের দামে বড় লাফ, আজ প্রতি ভরি যত টাকায় বিক্রি

স্বর্ণের দামে বড় লাফ, আজ প্রতি ভরি যত টাকায় বিক্রি

বিশ্বে সাংবাদিক হত্যার ৮৬ শতাংশ ঘটনায় বিচার হয়নি: ইউনেস্কো

বিশ্বে সাংবাদিক হত্যার ৮৬ শতাংশ ঘটনায় বিচার হয়নি: ইউনেস্কো

‘আমি নাহিদ ইসলামের ভক্ত’— এনসিপির অনুষ্ঠানে শিল্পী আসিফ

‘আমি নাহিদ ইসলামের ভক্ত’— এনসিপির অনুষ্ঠানে শিল্পী আসিফ

ইউক্রেনে মানবিক সহায়তা কেন্দ্রে রাশিয়ার হামলা, নিহত ২৬
ইউক্রেনে মানবিক সহায়তা কেন্দ্রে রাশিয়ার হামলা, নিহত ২৬

ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে মানবিক সহায়তা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুলে রাশিয়ার বোমা হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। দেশটির জরুরি সেবা সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।

D HASAN নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
ভোমরায় স্বর্ণের বারসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

ভোমরায় স্বর্ণের বারসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

‘মধুবালা আপার কবরের ভেতর আব্বা প্রচুর আতর ঢেলেছিলেন’

‘মধুবালা আপার কবরের ভেতর আব্বা প্রচুর আতর ঢেলেছিলেন’

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে গুলিতে হতাহতের খবর গুজব: পুলিশ

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে গুলিতে হতাহতের খবর গুজব: পুলিশ

শিক্ষকসংকটে বিপর্যস্ত বান্দরবানের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো
শিক্ষকসংকটে বিপর্যস্ত বান্দরবানের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এমনিতেই কঠিন। এর মধ্যে জেলার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে দেখা দিয়েছে তীব্র শিক্ষকসংকট। সাতটি উপজেলার আটটি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে অনুমোদিত ২২৩টি শিক্ষক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৭৩ জন। শূন্য রয়েছে ১৫০টি পদ, যা মোট পদের প্রায় ৬৭ শতাংশ। অর্থাৎ অনুমোদিত পদের এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষক দিয়ে চলছে বিদ্যালয়গুলোর পাঠদান কার্যক্রম।

D HASAN নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
একইদিনে শিশুপুত্র ও বাবার মৃত্যু, পরিবারে শোকের ছায়া

একইদিনে শিশুপুত্র ও বাবার মৃত্যু, পরিবারে শোকের ছায়া

ইরানে হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া

ইরানে হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট আজ, জরিপে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট আজ, জরিপে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা

0 Comments